খুলনা মহানগরীর দৌলতপুরে প্রকাশ্যে মো. জলিল মুন্সি (যুবক) নামে এক যুবককে গুলি করে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা। শনিবার (১২ সেপ্টেম্বর) সকাল সাড়ে ৮টার দিকে কুলিবাগান বটতলার অদূরে এ ঘটনা ঘটে।
নিহত জলিল মুন্সি দিলুর মুন্সির ছেলে। তিনি ইস্পাহানী জুট প্রেসে শ্রমিক হিসেবে কাজ করতেন।
পুলিশ ও স্থানীয়রা জানায়, দৌলতপুরের কুলিবাগান এলাকায় জলিলের বাবার একটি পানের দোকান রয়েছে। শনিবার সকাল পৌনে ৮টার দিকে সেখানে যাওয়ার জন্য বাসা থেকে বের হন তিনি। কিছুক্ষণ পর তাঁর মোবাইল ফোনে একটি কল আসে। ফোনে কথা বলার সময় তর্কাতর্কিও হয়।
এরপর কুলিবাগান বটতলা থেকে কিছুটা দূরে যাওয়ার পর একটি মোটরসাইকেলে করে আসা তিন ব্যক্তির সঙ্গে জলিলের কথা-কাটাকাটি হয়। একপর্যায়ে ওই তিনজনের মধ্যে একজন জলিলকে লক্ষ্য করে পরপর দুটি গুলি ছোড়ে। দুটি গুলির একটি তাঁর বুকের ডান পাশে এবং অন্যটি পিঠের বাম পাশে বিদ্ধ হয়।
পরে স্থানীয়রা গুলিবিদ্ধ জলিলকে উদ্ধার করে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন। ঘটনাস্থল থেকে একটি তাজা গুলি উদ্ধার করেছে পুলিশ।
দৌলতপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (তদন্ত) মো. জাহিদুল ইসলাম বলেন, কুলিবাগান মোড়ে মোটরসাইকেলে আসা তিন ব্যক্তি জলিল মুন্সিকে লক্ষ্য করে পরপর দুটি গুলি করে। এ সময় পুলিশের টহল দল তাদের ধাওয়া করলে তারা পালিয়ে যায়। পরে জলিলকে হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
খুলনা মেট্রোপলিটন পুলিশের উপকমিশনার (উত্তর) সুদর্শন কুমার রায় বলেন, খবর পেয়ে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করা হয়েছে। এখন পর্যন্ত কাউকে আটক করা সম্ভব হয়নি। কী কারণে এবং কারা এ হত্যাকাণ্ড ঘটিয়েছে, তা জানার চেষ্টা চলছে। নতুন কোনো তথ্য পাওয়া গেলে পরে গণমাধ্যমকে জানানো হবে।
খুলনা মহানগরীর দৌলতপুরে প্রকাশ্যে মো. জলিল মুন্সি (যুবক) নামে এক যুবককে গুলি করে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা। শনিবার (১২ সেপ্টেম্বর) সকাল সাড়ে ৮টার দিকে কুলিবাগান বটতলার অদূরে এ ঘটনা ঘটে।
নিহত জলিল মুন্সি দিলুর মুন্সির ছেলে। তিনি ইস্পাহানী জুট প্রেসে শ্রমিক হিসেবে কাজ করতেন।
পুলিশ ও স্থানীয়রা জানায়, দৌলতপুরের কুলিবাগান এলাকায় জলিলের বাবার একটি পানের দোকান রয়েছে। শনিবার সকাল পৌনে ৮টার দিকে সেখানে যাওয়ার জন্য বাসা থেকে বের হন তিনি। কিছুক্ষণ পর তাঁর মোবাইল ফোনে একটি কল আসে। ফোনে কথা বলার সময় তর্কাতর্কিও হয়।
এরপর কুলিবাগান বটতলা থেকে কিছুটা দূরে যাওয়ার পর একটি মোটরসাইকেলে করে আসা তিন ব্যক্তির সঙ্গে জলিলের কথা-কাটাকাটি হয়। একপর্যায়ে ওই তিনজনের মধ্যে একজন জলিলকে লক্ষ্য করে পরপর দুটি গুলি ছোড়ে। দুটি গুলির একটি তাঁর বুকের ডান পাশে এবং অন্যটি পিঠের বাম পাশে বিদ্ধ হয়।
পরে স্থানীয়রা গুলিবিদ্ধ জলিলকে উদ্ধার করে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন। ঘটনাস্থল থেকে একটি তাজা গুলি উদ্ধার করেছে পুলিশ।
দৌলতপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (তদন্ত) মো. জাহিদুল ইসলাম বলেন, কুলিবাগান মোড়ে মোটরসাইকেলে আসা তিন ব্যক্তি জলিল মুন্সিকে লক্ষ্য করে পরপর দুটি গুলি করে। এ সময় পুলিশের টহল দল তাদের ধাওয়া করলে তারা পালিয়ে যায়। পরে জলিলকে হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
খুলনা মেট্রোপলিটন পুলিশের উপকমিশনার (উত্তর) সুদর্শন কুমার রায় বলেন, খবর পেয়ে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করা হয়েছে। এখন পর্যন্ত কাউকে আটক করা সম্ভব হয়নি। কী কারণে এবং কারা এ হত্যাকাণ্ড ঘটিয়েছে, তা জানার চেষ্টা চলছে। নতুন কোনো তথ্য পাওয়া গেলে পরে গণমাধ্যমকে জানানো হবে।
খুলনা মহানগরীর দৌলতপুরে প্রকাশ্যে মো. জলিল মুন্সি (যুবক) নামে এক যুবককে গুলি করে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা। শনিবার (১২ সেপ্টেম্বর) সকাল সাড়ে ৮টার দিকে কুলিবাগান বটতলার অদূরে এ ঘটনা ঘটে।
নিহত জলিল মুন্সি দিলুর মুন্সির ছেলে। তিনি ইস্পাহানী জুট প্রেসে শ্রমিক হিসেবে কাজ করতেন।
পুলিশ ও স্থানীয়রা জানায়, দৌলতপুরের কুলিবাগান এলাকায় জলিলের বাবার একটি পানের দোকান রয়েছে। শনিবার সকাল পৌনে ৮টার দিকে সেখানে যাওয়ার জন্য বাসা থেকে বের হন তিনি। কিছুক্ষণ পর তাঁর মোবাইল ফোনে একটি কল আসে। ফোনে কথা বলার সময় তর্কাতর্কিও হয়।
এরপর কুলিবাগান বটতলা থেকে কিছুটা দূরে যাওয়ার পর একটি মোটরসাইকেলে করে আসা তিন ব্যক্তির সঙ্গে জলিলের কথা-কাটাকাটি হয়। একপর্যায়ে ওই তিনজনের মধ্যে একজন জলিলকে লক্ষ্য করে পরপর দুটি গুলি ছোড়ে। দুটি গুলির একটি তাঁর বুকের ডান পাশে এবং অন্যটি পিঠের বাম পাশে বিদ্ধ হয়।
পরে স্থানীয়রা গুলিবিদ্ধ জলিলকে উদ্ধার করে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন। ঘটনাস্থল থেকে একটি তাজা গুলি উদ্ধার করেছে পুলিশ।
দৌলতপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (তদন্ত) মো. জাহিদুল ইসলাম বলেন, কুলিবাগান মোড়ে মোটরসাইকেলে আসা তিন ব্যক্তি জলিল মুন্সিকে লক্ষ্য করে পরপর দুটি গুলি করে। এ সময় পুলিশের টহল দল তাদের ধাওয়া করলে তারা পালিয়ে যায়। পরে জলিলকে হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
খুলনা মেট্রোপলিটন পুলিশের উপকমিশনার (উত্তর) সুদর্শন কুমার রায় বলেন, খবর পেয়ে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করা হয়েছে। এখন পর্যন্ত কাউকে আটক করা সম্ভব হয়নি। কী কারণে এবং কারা এ হত্যাকাণ্ড ঘটিয়েছে, তা জানার চেষ্টা চলছে। নতুন কোনো তথ্য পাওয়া গেলে পরে গণমাধ্যমকে জানানো হবে।
খুলনা মহানগরীর দৌলতপুরে প্রকাশ্যে মো. জলিল মুন্সি (যুবক) নামে এক যুবককে গুলি করে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা। শনিবার (১২ সেপ্টেম্বর) সকাল সাড়ে ৮টার দিকে কুলিবাগান বটতলার অদূরে এ ঘটনা ঘটে।
নিহত জলিল মুন্সি দিলুর মুন্সির ছেলে। তিনি ইস্পাহানী জুট প্রেসে শ্রমিক হিসেবে কাজ করতেন।
পুলিশ ও স্থানীয়রা জানায়, দৌলতপুরের কুলিবাগান এলাকায় জলিলের বাবার একটি পানের দোকান রয়েছে। শনিবার সকাল পৌনে ৮টার দিকে সেখানে যাওয়ার জন্য বাসা থেকে বের হন তিনি। কিছুক্ষণ পর তাঁর মোবাইল ফোনে একটি কল আসে। ফোনে কথা বলার সময় তর্কাতর্কিও হয়।
এরপর কুলিবাগান বটতলা থেকে কিছুটা দূরে যাওয়ার পর একটি মোটরসাইকেলে করে আসা তিন ব্যক্তির সঙ্গে জলিলের কথা-কাটাকাটি হয়। একপর্যায়ে ওই তিনজনের মধ্যে একজন জলিলকে লক্ষ্য করে পরপর দুটি গুলি ছোড়ে। দুটি গুলির একটি তাঁর বুকের ডান পাশে এবং অন্যটি পিঠের বাম পাশে বিদ্ধ হয়।
পরে স্থানীয়রা গুলিবিদ্ধ জলিলকে উদ্ধার করে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন। ঘটনাস্থল থেকে একটি তাজা গুলি উদ্ধার করেছে পুলিশ।
দৌলতপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (তদন্ত) মো. জাহিদুল ইসলাম বলেন, কুলিবাগান মোড়ে মোটরসাইকেলে আসা তিন ব্যক্তি জলিল মুন্সিকে লক্ষ্য করে পরপর দুটি গুলি করে। এ সময় পুলিশের টহল দল তাদের ধাওয়া করলে তারা পালিয়ে যায়। পরে জলিলকে হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
খুলনা মেট্রোপলিটন পুলিশের উপকমিশনার (উত্তর) সুদর্শন কুমার রায় বলেন, খবর পেয়ে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করা হয়েছে। এখন পর্যন্ত কাউকে আটক করা সম্ভব হয়নি। কী কারণে এবং কারা এ হত্যাকাণ্ড ঘটিয়েছে, তা জানার চেষ্টা চলছে। নতুন কোনো তথ্য পাওয়া গেলে পরে গণমাধ্যমকে জানানো হবে।
এখনও কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!