
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী সরকার গঠন করতে পারলে জোটসঙ্গী জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক নাহিদ ইসলামকে মন্ত্রী করা হবে বলে ঘোষণা দিয়েছেন দলটির আমির ডা. শফিকুর রহমান।
রোববার (৮ ফেব্রুয়ারি) সকালে রাজধানীর বাড্ডার ডিআইটি প্রজেক্ট খেলার মাঠে ঢাকা-১১ আসনের ভোটারদের উদ্দেশে আয়োজিত এক জনসভায় তিনি এ ঘোষণা দেন। এর আগে জনসভায় উপস্থিত হয়ে ডা. শফিকুর রহমান নাহিদ ইসলামের হাতে তার নির্বাচনী প্রতীক ‘শাপলা কলি’ তুলে দেন।
জামায়াত আমির বলেন, ‘নাহিদ ইসলামের জন্ম ও বেড়ে ওঠা এই এলাকায়। তাই এখানে নতুন করে কিছু বলার নেই। ইনশাআল্লাহ, সরকার গঠন করতে পারলে আপনারা নাহিদ ইসলামকে মন্ত্রী হিসেবেই দেখবেন।’
তিনি আরও বলেন, ‘১২ ফেব্রুয়ারি নির্বাচনে বিজয়ী হলে নাহিদ ইসলামকে মন্ত্রী বানানো হবে। নাহিদরা থাকবে সামনের ককপিটে, আর জোটের নেতারা থাকবে পেছনে। জামায়াত নেতৃত্বাধীন জোট কোনো ভুয়া আশ্বাস দেয় না। যা আছে, তা দিয়েই দেশ গড়া হবে।’
নাহিদ ইসলামের পক্ষে ভোট চেয়ে ডা. শফিকুর রহমান বলেন, ‘১২ ফেব্রুয়ারি জনগণ আধিপত্যবাদের গোলামদের লাল কার্ড দেখাবে। বিএনপির নাটে-ঘাটে সব কার্ডই ভুয়া। এই ভুয়া কার্ডের জবাব জনগণ ভোটের মাধ্যমে দেবে।’
রাজনৈতিক পরিস্থিতি প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘৪৭ ও ৭১ সালে জাতির যে আকাঙ্ক্ষা ছিল, তা পূরণ হয়নি। ২০২৪ সালে সাধারণ দাবিকে দমন করতে গিয়েই জুলাই-আগস্টের ঘটনা ঘটে। ৫ আগস্ট আওয়ামী জাহেলিয়াত থেকে জাতি মুক্তি পেলেও ৬ আগস্ট থেকে জাতির ওপর আরেক জুলুম শুরু হয়েছে।’
ডা. শফিকুর রহমান অভিযোগ করে বলেন, ‘১৭ বছর ধরে যারা পলাতক ছিল, তারা এখন মামলা বাণিজ্যে জড়িয়েছে। এমনকি ভিক্ষুকদের কাছ থেকেও চাঁদা আদায় করা হচ্ছে। যারা ৫৯ জন ব্যাংক ডাকাতকে মনোনয়ন দিয়েছে, তারা যখন দুর্নীতিবিরোধী কথা বলে, তখন সেটি হাস্যকর হয়ে ওঠে।’
জনসভায় মঞ্চে উপস্থিত ছিলেন এনসিপির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলামসহ ১০ দলীয় জোটের অন্যান্য নেতারা।

বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী সরকার গঠন করতে পারলে জোটসঙ্গী জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক নাহিদ ইসলামকে মন্ত্রী করা হবে বলে ঘোষণা দিয়েছেন দলটির আমির ডা. শফিকুর রহমান।
রোববার (৮ ফেব্রুয়ারি) সকালে রাজধানীর বাড্ডার ডিআইটি প্রজেক্ট খেলার মাঠে ঢাকা-১১ আসনের ভোটারদের উদ্দেশে আয়োজিত এক জনসভায় তিনি এ ঘোষণা দেন। এর আগে জনসভায় উপস্থিত হয়ে ডা. শফিকুর রহমান নাহিদ ইসলামের হাতে তার নির্বাচনী প্রতীক ‘শাপলা কলি’ তুলে দেন।
জামায়াত আমির বলেন, ‘নাহিদ ইসলামের জন্ম ও বেড়ে ওঠা এই এলাকায়। তাই এখানে নতুন করে কিছু বলার নেই। ইনশাআল্লাহ, সরকার গঠন করতে পারলে আপনারা নাহিদ ইসলামকে মন্ত্রী হিসেবেই দেখবেন।’
তিনি আরও বলেন, ‘১২ ফেব্রুয়ারি নির্বাচনে বিজয়ী হলে নাহিদ ইসলামকে মন্ত্রী বানানো হবে। নাহিদরা থাকবে সামনের ককপিটে, আর জোটের নেতারা থাকবে পেছনে। জামায়াত নেতৃত্বাধীন জোট কোনো ভুয়া আশ্বাস দেয় না। যা আছে, তা দিয়েই দেশ গড়া হবে।’
নাহিদ ইসলামের পক্ষে ভোট চেয়ে ডা. শফিকুর রহমান বলেন, ‘১২ ফেব্রুয়ারি জনগণ আধিপত্যবাদের গোলামদের লাল কার্ড দেখাবে। বিএনপির নাটে-ঘাটে সব কার্ডই ভুয়া। এই ভুয়া কার্ডের জবাব জনগণ ভোটের মাধ্যমে দেবে।’
রাজনৈতিক পরিস্থিতি প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘৪৭ ও ৭১ সালে জাতির যে আকাঙ্ক্ষা ছিল, তা পূরণ হয়নি। ২০২৪ সালে সাধারণ দাবিকে দমন করতে গিয়েই জুলাই-আগস্টের ঘটনা ঘটে। ৫ আগস্ট আওয়ামী জাহেলিয়াত থেকে জাতি মুক্তি পেলেও ৬ আগস্ট থেকে জাতির ওপর আরেক জুলুম শুরু হয়েছে।’
ডা. শফিকুর রহমান অভিযোগ করে বলেন, ‘১৭ বছর ধরে যারা পলাতক ছিল, তারা এখন মামলা বাণিজ্যে জড়িয়েছে। এমনকি ভিক্ষুকদের কাছ থেকেও চাঁদা আদায় করা হচ্ছে। যারা ৫৯ জন ব্যাংক ডাকাতকে মনোনয়ন দিয়েছে, তারা যখন দুর্নীতিবিরোধী কথা বলে, তখন সেটি হাস্যকর হয়ে ওঠে।’
জনসভায় মঞ্চে উপস্থিত ছিলেন এনসিপির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলামসহ ১০ দলীয় জোটের অন্যান্য নেতারা।

বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী সরকার গঠন করতে পারলে জোটসঙ্গী জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক নাহিদ ইসলামকে মন্ত্রী করা হবে বলে ঘোষণা দিয়েছেন দলটির আমির ডা. শফিকুর রহমান।
রোববার (৮ ফেব্রুয়ারি) সকালে রাজধানীর বাড্ডার ডিআইটি প্রজেক্ট খেলার মাঠে ঢাকা-১১ আসনের ভোটারদের উদ্দেশে আয়োজিত এক জনসভায় তিনি এ ঘোষণা দেন। এর আগে জনসভায় উপস্থিত হয়ে ডা. শফিকুর রহমান নাহিদ ইসলামের হাতে তার নির্বাচনী প্রতীক ‘শাপলা কলি’ তুলে দেন।
জামায়াত আমির বলেন, ‘নাহিদ ইসলামের জন্ম ও বেড়ে ওঠা এই এলাকায়। তাই এখানে নতুন করে কিছু বলার নেই। ইনশাআল্লাহ, সরকার গঠন করতে পারলে আপনারা নাহিদ ইসলামকে মন্ত্রী হিসেবেই দেখবেন।’
তিনি আরও বলেন, ‘১২ ফেব্রুয়ারি নির্বাচনে বিজয়ী হলে নাহিদ ইসলামকে মন্ত্রী বানানো হবে। নাহিদরা থাকবে সামনের ককপিটে, আর জোটের নেতারা থাকবে পেছনে। জামায়াত নেতৃত্বাধীন জোট কোনো ভুয়া আশ্বাস দেয় না। যা আছে, তা দিয়েই দেশ গড়া হবে।’
নাহিদ ইসলামের পক্ষে ভোট চেয়ে ডা. শফিকুর রহমান বলেন, ‘১২ ফেব্রুয়ারি জনগণ আধিপত্যবাদের গোলামদের লাল কার্ড দেখাবে। বিএনপির নাটে-ঘাটে সব কার্ডই ভুয়া। এই ভুয়া কার্ডের জবাব জনগণ ভোটের মাধ্যমে দেবে।’
রাজনৈতিক পরিস্থিতি প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘৪৭ ও ৭১ সালে জাতির যে আকাঙ্ক্ষা ছিল, তা পূরণ হয়নি। ২০২৪ সালে সাধারণ দাবিকে দমন করতে গিয়েই জুলাই-আগস্টের ঘটনা ঘটে। ৫ আগস্ট আওয়ামী জাহেলিয়াত থেকে জাতি মুক্তি পেলেও ৬ আগস্ট থেকে জাতির ওপর আরেক জুলুম শুরু হয়েছে।’
ডা. শফিকুর রহমান অভিযোগ করে বলেন, ‘১৭ বছর ধরে যারা পলাতক ছিল, তারা এখন মামলা বাণিজ্যে জড়িয়েছে। এমনকি ভিক্ষুকদের কাছ থেকেও চাঁদা আদায় করা হচ্ছে। যারা ৫৯ জন ব্যাংক ডাকাতকে মনোনয়ন দিয়েছে, তারা যখন দুর্নীতিবিরোধী কথা বলে, তখন সেটি হাস্যকর হয়ে ওঠে।’
জনসভায় মঞ্চে উপস্থিত ছিলেন এনসিপির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলামসহ ১০ দলীয় জোটের অন্যান্য নেতারা।

বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী সরকার গঠন করতে পারলে জোটসঙ্গী জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক নাহিদ ইসলামকে মন্ত্রী করা হবে বলে ঘোষণা দিয়েছেন দলটির আমির ডা. শফিকুর রহমান।
রোববার (৮ ফেব্রুয়ারি) সকালে রাজধানীর বাড্ডার ডিআইটি প্রজেক্ট খেলার মাঠে ঢাকা-১১ আসনের ভোটারদের উদ্দেশে আয়োজিত এক জনসভায় তিনি এ ঘোষণা দেন। এর আগে জনসভায় উপস্থিত হয়ে ডা. শফিকুর রহমান নাহিদ ইসলামের হাতে তার নির্বাচনী প্রতীক ‘শাপলা কলি’ তুলে দেন।
জামায়াত আমির বলেন, ‘নাহিদ ইসলামের জন্ম ও বেড়ে ওঠা এই এলাকায়। তাই এখানে নতুন করে কিছু বলার নেই। ইনশাআল্লাহ, সরকার গঠন করতে পারলে আপনারা নাহিদ ইসলামকে মন্ত্রী হিসেবেই দেখবেন।’
তিনি আরও বলেন, ‘১২ ফেব্রুয়ারি নির্বাচনে বিজয়ী হলে নাহিদ ইসলামকে মন্ত্রী বানানো হবে। নাহিদরা থাকবে সামনের ককপিটে, আর জোটের নেতারা থাকবে পেছনে। জামায়াত নেতৃত্বাধীন জোট কোনো ভুয়া আশ্বাস দেয় না। যা আছে, তা দিয়েই দেশ গড়া হবে।’
নাহিদ ইসলামের পক্ষে ভোট চেয়ে ডা. শফিকুর রহমান বলেন, ‘১২ ফেব্রুয়ারি জনগণ আধিপত্যবাদের গোলামদের লাল কার্ড দেখাবে। বিএনপির নাটে-ঘাটে সব কার্ডই ভুয়া। এই ভুয়া কার্ডের জবাব জনগণ ভোটের মাধ্যমে দেবে।’
রাজনৈতিক পরিস্থিতি প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘৪৭ ও ৭১ সালে জাতির যে আকাঙ্ক্ষা ছিল, তা পূরণ হয়নি। ২০২৪ সালে সাধারণ দাবিকে দমন করতে গিয়েই জুলাই-আগস্টের ঘটনা ঘটে। ৫ আগস্ট আওয়ামী জাহেলিয়াত থেকে জাতি মুক্তি পেলেও ৬ আগস্ট থেকে জাতির ওপর আরেক জুলুম শুরু হয়েছে।’
ডা. শফিকুর রহমান অভিযোগ করে বলেন, ‘১৭ বছর ধরে যারা পলাতক ছিল, তারা এখন মামলা বাণিজ্যে জড়িয়েছে। এমনকি ভিক্ষুকদের কাছ থেকেও চাঁদা আদায় করা হচ্ছে। যারা ৫৯ জন ব্যাংক ডাকাতকে মনোনয়ন দিয়েছে, তারা যখন দুর্নীতিবিরোধী কথা বলে, তখন সেটি হাস্যকর হয়ে ওঠে।’
জনসভায় মঞ্চে উপস্থিত ছিলেন এনসিপির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলামসহ ১০ দলীয় জোটের অন্যান্য নেতারা।
এখনও কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!