
জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম বলেছেন, বিভিন্ন বাহিনীর ভেতরে গুম, খুন, নির্যাতন, দুর্নীতি ও লুটপাটের সঙ্গে জড়িত লুকিয়ে থাকা সব অপরাধীকে শনাক্ত করা হবে। তদন্ত ও বিচারপ্রক্রিয়া সম্পন্ন করে প্রকৃত দায়ীদের বিচারের আওতায় এনে শাস্তি নিশ্চিত করা হবে।
রোববার (৮ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যা ৭টায় বাংলাদেশ টেলিভিশনে জাতির উদ্দেশে দেওয়া ভাষণে তিনি এসব কথা বলেন।
নাহিদ ইসলাম বলেন, গত ১৫ বছর ফ্যাসিবাদী শাসনে সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা গুম, হত্যা, বিনাবিচারে কারাবন্দি, হামলা ও নির্যাতনের জন্য পুরো রাষ্ট্রযন্ত্রকে ব্যবহার করেছেন। এ কাজে আওয়ামী লীগ ও তার সহযোগী সংগঠনের পাশাপাশি পুলিশ, র্যাব, বিজিবি, ডিজিএফআই, এনএসআইসহ বিভিন্ন সরকারি বাহিনী ও সংস্থাকে সক্রিয়ভাবে কাজে লাগানো হয়েছে। জনপ্রশাসন, বিচার বিভাগ ও সশস্ত্র বাহিনীসহ রাষ্ট্রের সব প্রতিষ্ঠানই এই অপকর্মে ব্যবহৃত হয়েছে বলে অভিযোগ করেন তিনি।
তিনি বলেন, চব্বিশের গণঅভ্যুত্থান বা জুলাই বিপ্লবের পর এই কাঠামো ভেঙে পড়েছে। নেতৃত্বদানকারী অনেকেই পালিয়ে গেছে, কেউ কেউ বিচারের আওতায় এসেছে এবং বাকিদের আনার চেষ্টা চলছে। তবে বহু সামরিক ও বেসামরিক আমলা এবং বিচারক এখনো দায়িত্বে রয়েছেন। জুডিশিয়ারি, সিভিল সার্ভিস ও পুলিশ বিভাগের শীর্ষ নেতৃত্ব দুর্বল হলেও প্রতিরক্ষা বাহিনী এখনো অটুট রয়েছে বলে মন্তব্য করেন তিনি।
নাহিদ ইসলাম আরও বলেন, সেনানিবাসে আশ্রয় নেওয়া অপরাধীদের নিরাপদে দেশত্যাগ, কিছু জেনারেলের কর্মস্থল ত্যাগ এবং অবসরপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের তথ্য ফাঁসের ঘটনাগুলো সশস্ত্র বাহিনীর ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করেছে।
তিনি অভিযোগ করেন, খুনি হাসিনাকে উৎখাতের পর আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ ও অপরাধীদের গ্রেপ্তারে সশস্ত্র বাহিনী মোতায়েন করা হলেও সুপিরিয়র কমান্ডের অনাগ্রহে কার্যকর ভূমিকা দেখা যায়নি। ‘অপারেশন ডেভিল হান্ট’ শুরু হলেও অস্ত্র উদ্ধার বা উল্লেখযোগ্য গ্রেপ্তারের মতো দৃশ্যমান অগ্রগতি হয়নি বলেও দাবি করেন তিনি।
গুমবিষয়ক কমিশনের প্রসঙ্গ টেনে নাহিদ ইসলাম বলেন, কমিশনে ১ হাজার ৮৫০টির বেশি অভিযোগ জমা পড়েছে। কিন্তু নিরাপত্তা বাহিনীর ভেতরে লুকিয়ে থাকা ফ্যাসিবাদের দোসররা তথ্য ও আলামত নষ্ট করে তদন্ত ও বিচারপ্রক্রিয়াকে বাধাগ্রস্ত করছে এবং অন্তর্বর্তী সরকারের সঙ্গে অসহযোগিতা করছে।
তিনি বলেন, ‘আমাদের লড়াই হবে ‘নিপীড়নের ব্যবস্থা’ ও ‘বিচারহীনতার সংস্কৃতি’ সমূলে উৎপাটনের মাধ্যমে আওয়ামী ফ্যাসিবাদের সব প্রবণতা সমাজ থেকে মুছে ফেলা।’

জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম বলেছেন, বিভিন্ন বাহিনীর ভেতরে গুম, খুন, নির্যাতন, দুর্নীতি ও লুটপাটের সঙ্গে জড়িত লুকিয়ে থাকা সব অপরাধীকে শনাক্ত করা হবে। তদন্ত ও বিচারপ্রক্রিয়া সম্পন্ন করে প্রকৃত দায়ীদের বিচারের আওতায় এনে শাস্তি নিশ্চিত করা হবে।
রোববার (৮ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যা ৭টায় বাংলাদেশ টেলিভিশনে জাতির উদ্দেশে দেওয়া ভাষণে তিনি এসব কথা বলেন।
নাহিদ ইসলাম বলেন, গত ১৫ বছর ফ্যাসিবাদী শাসনে সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা গুম, হত্যা, বিনাবিচারে কারাবন্দি, হামলা ও নির্যাতনের জন্য পুরো রাষ্ট্রযন্ত্রকে ব্যবহার করেছেন। এ কাজে আওয়ামী লীগ ও তার সহযোগী সংগঠনের পাশাপাশি পুলিশ, র্যাব, বিজিবি, ডিজিএফআই, এনএসআইসহ বিভিন্ন সরকারি বাহিনী ও সংস্থাকে সক্রিয়ভাবে কাজে লাগানো হয়েছে। জনপ্রশাসন, বিচার বিভাগ ও সশস্ত্র বাহিনীসহ রাষ্ট্রের সব প্রতিষ্ঠানই এই অপকর্মে ব্যবহৃত হয়েছে বলে অভিযোগ করেন তিনি।
তিনি বলেন, চব্বিশের গণঅভ্যুত্থান বা জুলাই বিপ্লবের পর এই কাঠামো ভেঙে পড়েছে। নেতৃত্বদানকারী অনেকেই পালিয়ে গেছে, কেউ কেউ বিচারের আওতায় এসেছে এবং বাকিদের আনার চেষ্টা চলছে। তবে বহু সামরিক ও বেসামরিক আমলা এবং বিচারক এখনো দায়িত্বে রয়েছেন। জুডিশিয়ারি, সিভিল সার্ভিস ও পুলিশ বিভাগের শীর্ষ নেতৃত্ব দুর্বল হলেও প্রতিরক্ষা বাহিনী এখনো অটুট রয়েছে বলে মন্তব্য করেন তিনি।
নাহিদ ইসলাম আরও বলেন, সেনানিবাসে আশ্রয় নেওয়া অপরাধীদের নিরাপদে দেশত্যাগ, কিছু জেনারেলের কর্মস্থল ত্যাগ এবং অবসরপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের তথ্য ফাঁসের ঘটনাগুলো সশস্ত্র বাহিনীর ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করেছে।
তিনি অভিযোগ করেন, খুনি হাসিনাকে উৎখাতের পর আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ ও অপরাধীদের গ্রেপ্তারে সশস্ত্র বাহিনী মোতায়েন করা হলেও সুপিরিয়র কমান্ডের অনাগ্রহে কার্যকর ভূমিকা দেখা যায়নি। ‘অপারেশন ডেভিল হান্ট’ শুরু হলেও অস্ত্র উদ্ধার বা উল্লেখযোগ্য গ্রেপ্তারের মতো দৃশ্যমান অগ্রগতি হয়নি বলেও দাবি করেন তিনি।
গুমবিষয়ক কমিশনের প্রসঙ্গ টেনে নাহিদ ইসলাম বলেন, কমিশনে ১ হাজার ৮৫০টির বেশি অভিযোগ জমা পড়েছে। কিন্তু নিরাপত্তা বাহিনীর ভেতরে লুকিয়ে থাকা ফ্যাসিবাদের দোসররা তথ্য ও আলামত নষ্ট করে তদন্ত ও বিচারপ্রক্রিয়াকে বাধাগ্রস্ত করছে এবং অন্তর্বর্তী সরকারের সঙ্গে অসহযোগিতা করছে।
তিনি বলেন, ‘আমাদের লড়াই হবে ‘নিপীড়নের ব্যবস্থা’ ও ‘বিচারহীনতার সংস্কৃতি’ সমূলে উৎপাটনের মাধ্যমে আওয়ামী ফ্যাসিবাদের সব প্রবণতা সমাজ থেকে মুছে ফেলা।’

জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম বলেছেন, বিভিন্ন বাহিনীর ভেতরে গুম, খুন, নির্যাতন, দুর্নীতি ও লুটপাটের সঙ্গে জড়িত লুকিয়ে থাকা সব অপরাধীকে শনাক্ত করা হবে। তদন্ত ও বিচারপ্রক্রিয়া সম্পন্ন করে প্রকৃত দায়ীদের বিচারের আওতায় এনে শাস্তি নিশ্চিত করা হবে।
রোববার (৮ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যা ৭টায় বাংলাদেশ টেলিভিশনে জাতির উদ্দেশে দেওয়া ভাষণে তিনি এসব কথা বলেন।
নাহিদ ইসলাম বলেন, গত ১৫ বছর ফ্যাসিবাদী শাসনে সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা গুম, হত্যা, বিনাবিচারে কারাবন্দি, হামলা ও নির্যাতনের জন্য পুরো রাষ্ট্রযন্ত্রকে ব্যবহার করেছেন। এ কাজে আওয়ামী লীগ ও তার সহযোগী সংগঠনের পাশাপাশি পুলিশ, র্যাব, বিজিবি, ডিজিএফআই, এনএসআইসহ বিভিন্ন সরকারি বাহিনী ও সংস্থাকে সক্রিয়ভাবে কাজে লাগানো হয়েছে। জনপ্রশাসন, বিচার বিভাগ ও সশস্ত্র বাহিনীসহ রাষ্ট্রের সব প্রতিষ্ঠানই এই অপকর্মে ব্যবহৃত হয়েছে বলে অভিযোগ করেন তিনি।
তিনি বলেন, চব্বিশের গণঅভ্যুত্থান বা জুলাই বিপ্লবের পর এই কাঠামো ভেঙে পড়েছে। নেতৃত্বদানকারী অনেকেই পালিয়ে গেছে, কেউ কেউ বিচারের আওতায় এসেছে এবং বাকিদের আনার চেষ্টা চলছে। তবে বহু সামরিক ও বেসামরিক আমলা এবং বিচারক এখনো দায়িত্বে রয়েছেন। জুডিশিয়ারি, সিভিল সার্ভিস ও পুলিশ বিভাগের শীর্ষ নেতৃত্ব দুর্বল হলেও প্রতিরক্ষা বাহিনী এখনো অটুট রয়েছে বলে মন্তব্য করেন তিনি।
নাহিদ ইসলাম আরও বলেন, সেনানিবাসে আশ্রয় নেওয়া অপরাধীদের নিরাপদে দেশত্যাগ, কিছু জেনারেলের কর্মস্থল ত্যাগ এবং অবসরপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের তথ্য ফাঁসের ঘটনাগুলো সশস্ত্র বাহিনীর ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করেছে।
তিনি অভিযোগ করেন, খুনি হাসিনাকে উৎখাতের পর আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ ও অপরাধীদের গ্রেপ্তারে সশস্ত্র বাহিনী মোতায়েন করা হলেও সুপিরিয়র কমান্ডের অনাগ্রহে কার্যকর ভূমিকা দেখা যায়নি। ‘অপারেশন ডেভিল হান্ট’ শুরু হলেও অস্ত্র উদ্ধার বা উল্লেখযোগ্য গ্রেপ্তারের মতো দৃশ্যমান অগ্রগতি হয়নি বলেও দাবি করেন তিনি।
গুমবিষয়ক কমিশনের প্রসঙ্গ টেনে নাহিদ ইসলাম বলেন, কমিশনে ১ হাজার ৮৫০টির বেশি অভিযোগ জমা পড়েছে। কিন্তু নিরাপত্তা বাহিনীর ভেতরে লুকিয়ে থাকা ফ্যাসিবাদের দোসররা তথ্য ও আলামত নষ্ট করে তদন্ত ও বিচারপ্রক্রিয়াকে বাধাগ্রস্ত করছে এবং অন্তর্বর্তী সরকারের সঙ্গে অসহযোগিতা করছে।
তিনি বলেন, ‘আমাদের লড়াই হবে ‘নিপীড়নের ব্যবস্থা’ ও ‘বিচারহীনতার সংস্কৃতি’ সমূলে উৎপাটনের মাধ্যমে আওয়ামী ফ্যাসিবাদের সব প্রবণতা সমাজ থেকে মুছে ফেলা।’

জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম বলেছেন, বিভিন্ন বাহিনীর ভেতরে গুম, খুন, নির্যাতন, দুর্নীতি ও লুটপাটের সঙ্গে জড়িত লুকিয়ে থাকা সব অপরাধীকে শনাক্ত করা হবে। তদন্ত ও বিচারপ্রক্রিয়া সম্পন্ন করে প্রকৃত দায়ীদের বিচারের আওতায় এনে শাস্তি নিশ্চিত করা হবে।
রোববার (৮ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যা ৭টায় বাংলাদেশ টেলিভিশনে জাতির উদ্দেশে দেওয়া ভাষণে তিনি এসব কথা বলেন।
নাহিদ ইসলাম বলেন, গত ১৫ বছর ফ্যাসিবাদী শাসনে সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা গুম, হত্যা, বিনাবিচারে কারাবন্দি, হামলা ও নির্যাতনের জন্য পুরো রাষ্ট্রযন্ত্রকে ব্যবহার করেছেন। এ কাজে আওয়ামী লীগ ও তার সহযোগী সংগঠনের পাশাপাশি পুলিশ, র্যাব, বিজিবি, ডিজিএফআই, এনএসআইসহ বিভিন্ন সরকারি বাহিনী ও সংস্থাকে সক্রিয়ভাবে কাজে লাগানো হয়েছে। জনপ্রশাসন, বিচার বিভাগ ও সশস্ত্র বাহিনীসহ রাষ্ট্রের সব প্রতিষ্ঠানই এই অপকর্মে ব্যবহৃত হয়েছে বলে অভিযোগ করেন তিনি।
তিনি বলেন, চব্বিশের গণঅভ্যুত্থান বা জুলাই বিপ্লবের পর এই কাঠামো ভেঙে পড়েছে। নেতৃত্বদানকারী অনেকেই পালিয়ে গেছে, কেউ কেউ বিচারের আওতায় এসেছে এবং বাকিদের আনার চেষ্টা চলছে। তবে বহু সামরিক ও বেসামরিক আমলা এবং বিচারক এখনো দায়িত্বে রয়েছেন। জুডিশিয়ারি, সিভিল সার্ভিস ও পুলিশ বিভাগের শীর্ষ নেতৃত্ব দুর্বল হলেও প্রতিরক্ষা বাহিনী এখনো অটুট রয়েছে বলে মন্তব্য করেন তিনি।
নাহিদ ইসলাম আরও বলেন, সেনানিবাসে আশ্রয় নেওয়া অপরাধীদের নিরাপদে দেশত্যাগ, কিছু জেনারেলের কর্মস্থল ত্যাগ এবং অবসরপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের তথ্য ফাঁসের ঘটনাগুলো সশস্ত্র বাহিনীর ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করেছে।
তিনি অভিযোগ করেন, খুনি হাসিনাকে উৎখাতের পর আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ ও অপরাধীদের গ্রেপ্তারে সশস্ত্র বাহিনী মোতায়েন করা হলেও সুপিরিয়র কমান্ডের অনাগ্রহে কার্যকর ভূমিকা দেখা যায়নি। ‘অপারেশন ডেভিল হান্ট’ শুরু হলেও অস্ত্র উদ্ধার বা উল্লেখযোগ্য গ্রেপ্তারের মতো দৃশ্যমান অগ্রগতি হয়নি বলেও দাবি করেন তিনি।
গুমবিষয়ক কমিশনের প্রসঙ্গ টেনে নাহিদ ইসলাম বলেন, কমিশনে ১ হাজার ৮৫০টির বেশি অভিযোগ জমা পড়েছে। কিন্তু নিরাপত্তা বাহিনীর ভেতরে লুকিয়ে থাকা ফ্যাসিবাদের দোসররা তথ্য ও আলামত নষ্ট করে তদন্ত ও বিচারপ্রক্রিয়াকে বাধাগ্রস্ত করছে এবং অন্তর্বর্তী সরকারের সঙ্গে অসহযোগিতা করছে।
তিনি বলেন, ‘আমাদের লড়াই হবে ‘নিপীড়নের ব্যবস্থা’ ও ‘বিচারহীনতার সংস্কৃতি’ সমূলে উৎপাটনের মাধ্যমে আওয়ামী ফ্যাসিবাদের সব প্রবণতা সমাজ থেকে মুছে ফেলা।’
এখনও কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!