একজন সাধারণ নাগরিক অপরাধ করলে যে শাস্তি ভোগ করতে হয়, দেশের প্রধানমন্ত্রী একই অপরাধে জড়ালেও তার ক্ষেত্রে কোনো ব্যতিক্রম থাকবে না-এমন মন্তব্য করেছেন জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান।
বৃহস্পতিবার (৫ ফেব্রুয়ারি) দুপুর দেড়টার দিকে চাঁপাইনবাবগঞ্জের নবাবগঞ্জ সরকারি কলেজ মাঠে অনুষ্ঠিত জামায়াতে ইসলামীর নির্বাচনি জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
ডা. শফিকুর রহমান বলেন, ‘সাধারণ মানুষ অপরাধ করলে যে শাস্তি দেওয়া হয়, দেশের প্রধানমন্ত্রী একই অপরাধে জড়ালেও তার ক্ষেত্রেও সমানভাবে আইন কার্যকর করা হবে। আমরা বাংলাদেশে একটি ন্যায্যবিচার ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠা করতে চাই, যেখানে কোনো বৈষম্য থাকবে না।’
তিনি আরও বলেন, এই বিচারব্যবস্থা সবার জন্য প্রযোজ্য হবে-মুসলিম, হিন্দু, খ্রিষ্টানসহ দেশের সব ধর্মের মানুষের জন্য।
ন্যায্যবিচার প্রতিষ্ঠিত হলে চাঁদাবাজি ও দুর্নীতির অবসান ঘটবে উল্লেখ করে জামায়াত আমির বলেন, ‘চাঁদাবাজির সব পথ বন্ধ করে দেওয়া হবে। যারা চাঁদাবাজিতে জড়িত, তাদের আইনের আওতায় এনে দেশ গড়ার কাজে নিয়োজিত করা হবে। একইভাবে দুর্নীতিবাজদেরও আর দুর্নীতি করার সুযোগ থাকবে না।’
তিনি আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর প্রসঙ্গ টেনে বলেন, র্যাব, পুলিশ ও সেনাবাহিনীর সদস্যরা দেশপ্রেমিক, তবে সবাই একরকম নন। ‘এখনই আমাদের নিয়ত ঠিক করতে হবে-প্রয়োজনে জীবন দেবো, কিন্তু দেশের এক ইঞ্চি মাটিও কাউকে ছেড়ে দেবো না,’ বলেন তিনি।
ডা. শফিকুর রহমান বলেন, গত ৫৪ বছর ধরে জনগণ শাসন ও অশাসনের চক্র দেখে এসেছে। এতে মানুষ ক্লান্ত হয়ে পড়েছে। ‘দেশের মানুষ এখন পরিবর্তন চায়। পুরোনো, পচে যাওয়া রাজনৈতিক ধাঁচ আর কেউ দেখতে চায় না,’ যোগ করেন তিনি।
একজন সাধারণ নাগরিক অপরাধ করলে যে শাস্তি ভোগ করতে হয়, দেশের প্রধানমন্ত্রী একই অপরাধে জড়ালেও তার ক্ষেত্রে কোনো ব্যতিক্রম থাকবে না-এমন মন্তব্য করেছেন জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান।
বৃহস্পতিবার (৫ ফেব্রুয়ারি) দুপুর দেড়টার দিকে চাঁপাইনবাবগঞ্জের নবাবগঞ্জ সরকারি কলেজ মাঠে অনুষ্ঠিত জামায়াতে ইসলামীর নির্বাচনি জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
ডা. শফিকুর রহমান বলেন, ‘সাধারণ মানুষ অপরাধ করলে যে শাস্তি দেওয়া হয়, দেশের প্রধানমন্ত্রী একই অপরাধে জড়ালেও তার ক্ষেত্রেও সমানভাবে আইন কার্যকর করা হবে। আমরা বাংলাদেশে একটি ন্যায্যবিচার ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠা করতে চাই, যেখানে কোনো বৈষম্য থাকবে না।’
তিনি আরও বলেন, এই বিচারব্যবস্থা সবার জন্য প্রযোজ্য হবে-মুসলিম, হিন্দু, খ্রিষ্টানসহ দেশের সব ধর্মের মানুষের জন্য।
ন্যায্যবিচার প্রতিষ্ঠিত হলে চাঁদাবাজি ও দুর্নীতির অবসান ঘটবে উল্লেখ করে জামায়াত আমির বলেন, ‘চাঁদাবাজির সব পথ বন্ধ করে দেওয়া হবে। যারা চাঁদাবাজিতে জড়িত, তাদের আইনের আওতায় এনে দেশ গড়ার কাজে নিয়োজিত করা হবে। একইভাবে দুর্নীতিবাজদেরও আর দুর্নীতি করার সুযোগ থাকবে না।’
তিনি আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর প্রসঙ্গ টেনে বলেন, র্যাব, পুলিশ ও সেনাবাহিনীর সদস্যরা দেশপ্রেমিক, তবে সবাই একরকম নন। ‘এখনই আমাদের নিয়ত ঠিক করতে হবে-প্রয়োজনে জীবন দেবো, কিন্তু দেশের এক ইঞ্চি মাটিও কাউকে ছেড়ে দেবো না,’ বলেন তিনি।
ডা. শফিকুর রহমান বলেন, গত ৫৪ বছর ধরে জনগণ শাসন ও অশাসনের চক্র দেখে এসেছে। এতে মানুষ ক্লান্ত হয়ে পড়েছে। ‘দেশের মানুষ এখন পরিবর্তন চায়। পুরোনো, পচে যাওয়া রাজনৈতিক ধাঁচ আর কেউ দেখতে চায় না,’ যোগ করেন তিনি।
একজন সাধারণ নাগরিক অপরাধ করলে যে শাস্তি ভোগ করতে হয়, দেশের প্রধানমন্ত্রী একই অপরাধে জড়ালেও তার ক্ষেত্রে কোনো ব্যতিক্রম থাকবে না-এমন মন্তব্য করেছেন জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান।
বৃহস্পতিবার (৫ ফেব্রুয়ারি) দুপুর দেড়টার দিকে চাঁপাইনবাবগঞ্জের নবাবগঞ্জ সরকারি কলেজ মাঠে অনুষ্ঠিত জামায়াতে ইসলামীর নির্বাচনি জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
ডা. শফিকুর রহমান বলেন, ‘সাধারণ মানুষ অপরাধ করলে যে শাস্তি দেওয়া হয়, দেশের প্রধানমন্ত্রী একই অপরাধে জড়ালেও তার ক্ষেত্রেও সমানভাবে আইন কার্যকর করা হবে। আমরা বাংলাদেশে একটি ন্যায্যবিচার ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠা করতে চাই, যেখানে কোনো বৈষম্য থাকবে না।’
তিনি আরও বলেন, এই বিচারব্যবস্থা সবার জন্য প্রযোজ্য হবে-মুসলিম, হিন্দু, খ্রিষ্টানসহ দেশের সব ধর্মের মানুষের জন্য।
ন্যায্যবিচার প্রতিষ্ঠিত হলে চাঁদাবাজি ও দুর্নীতির অবসান ঘটবে উল্লেখ করে জামায়াত আমির বলেন, ‘চাঁদাবাজির সব পথ বন্ধ করে দেওয়া হবে। যারা চাঁদাবাজিতে জড়িত, তাদের আইনের আওতায় এনে দেশ গড়ার কাজে নিয়োজিত করা হবে। একইভাবে দুর্নীতিবাজদেরও আর দুর্নীতি করার সুযোগ থাকবে না।’
তিনি আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর প্রসঙ্গ টেনে বলেন, র্যাব, পুলিশ ও সেনাবাহিনীর সদস্যরা দেশপ্রেমিক, তবে সবাই একরকম নন। ‘এখনই আমাদের নিয়ত ঠিক করতে হবে-প্রয়োজনে জীবন দেবো, কিন্তু দেশের এক ইঞ্চি মাটিও কাউকে ছেড়ে দেবো না,’ বলেন তিনি।
ডা. শফিকুর রহমান বলেন, গত ৫৪ বছর ধরে জনগণ শাসন ও অশাসনের চক্র দেখে এসেছে। এতে মানুষ ক্লান্ত হয়ে পড়েছে। ‘দেশের মানুষ এখন পরিবর্তন চায়। পুরোনো, পচে যাওয়া রাজনৈতিক ধাঁচ আর কেউ দেখতে চায় না,’ যোগ করেন তিনি।
একজন সাধারণ নাগরিক অপরাধ করলে যে শাস্তি ভোগ করতে হয়, দেশের প্রধানমন্ত্রী একই অপরাধে জড়ালেও তার ক্ষেত্রে কোনো ব্যতিক্রম থাকবে না-এমন মন্তব্য করেছেন জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান।
বৃহস্পতিবার (৫ ফেব্রুয়ারি) দুপুর দেড়টার দিকে চাঁপাইনবাবগঞ্জের নবাবগঞ্জ সরকারি কলেজ মাঠে অনুষ্ঠিত জামায়াতে ইসলামীর নির্বাচনি জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
ডা. শফিকুর রহমান বলেন, ‘সাধারণ মানুষ অপরাধ করলে যে শাস্তি দেওয়া হয়, দেশের প্রধানমন্ত্রী একই অপরাধে জড়ালেও তার ক্ষেত্রেও সমানভাবে আইন কার্যকর করা হবে। আমরা বাংলাদেশে একটি ন্যায্যবিচার ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠা করতে চাই, যেখানে কোনো বৈষম্য থাকবে না।’
তিনি আরও বলেন, এই বিচারব্যবস্থা সবার জন্য প্রযোজ্য হবে-মুসলিম, হিন্দু, খ্রিষ্টানসহ দেশের সব ধর্মের মানুষের জন্য।
ন্যায্যবিচার প্রতিষ্ঠিত হলে চাঁদাবাজি ও দুর্নীতির অবসান ঘটবে উল্লেখ করে জামায়াত আমির বলেন, ‘চাঁদাবাজির সব পথ বন্ধ করে দেওয়া হবে। যারা চাঁদাবাজিতে জড়িত, তাদের আইনের আওতায় এনে দেশ গড়ার কাজে নিয়োজিত করা হবে। একইভাবে দুর্নীতিবাজদেরও আর দুর্নীতি করার সুযোগ থাকবে না।’
তিনি আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর প্রসঙ্গ টেনে বলেন, র্যাব, পুলিশ ও সেনাবাহিনীর সদস্যরা দেশপ্রেমিক, তবে সবাই একরকম নন। ‘এখনই আমাদের নিয়ত ঠিক করতে হবে-প্রয়োজনে জীবন দেবো, কিন্তু দেশের এক ইঞ্চি মাটিও কাউকে ছেড়ে দেবো না,’ বলেন তিনি।
ডা. শফিকুর রহমান বলেন, গত ৫৪ বছর ধরে জনগণ শাসন ও অশাসনের চক্র দেখে এসেছে। এতে মানুষ ক্লান্ত হয়ে পড়েছে। ‘দেশের মানুষ এখন পরিবর্তন চায়। পুরোনো, পচে যাওয়া রাজনৈতিক ধাঁচ আর কেউ দেখতে চায় না,’ যোগ করেন তিনি।
এখনও কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!