
বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান বলেছেন, জনগণের রায়ে বিএনপি রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্ব পেলে মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতিবিজড়িত বাংলাদেশ রাইফেলস (বিডিআর)-এর নাম পুনর্বহাল করা হবে। একই সঙ্গে সেনাবাহিনীর সঙ্গে আলোচনা করে পিলখানায় সংঘটিত হত্যাকাণ্ডের দিনটিকে শহীদ সেনা দিবস, সেনা হত্যাযজ্ঞ দিবস অথবা জাতীয় শোক দিবস হিসেবে ঘোষণা করা হবে। পাশাপাশি ওয়ান র্যাংক, ওয়ান পে বাস্তবায়ন করা হবে।
শনিবার (৭ ফেব্রুয়ারি) রাতে রাজধানীর একটি হোটেলে সশস্ত্র বাহিনীর সাবেক সদস্য ও তাদের পরিবারের সদস্যদের নিয়ে আয়োজিত ‘স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বের সুদৃঢ় আস্থা’ শীর্ষক অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন তিনি। বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল সংসদ নির্বাচন-২০২৬ উপলক্ষে সশস্ত্র বাহিনী বিষয়ক উপকমিটির উদ্যোগে এ আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়।
তারেক রহমান বলেন, ২০০৯ সালে পিলখানায় সংঘটিত বিডিআর হত্যাকাণ্ডের পর পতিত ফ্যাসিস্ট শক্তি মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতিবিজড়িত বিডিআরের নাম পরিবর্তনসহ বাহিনীর পোশাক ও রং বদলে দেয়। তিনি বলেন, ‘এটি আমার ব্যক্তিগত অনুভূতি-জনগণের রায়ে বিএনপি সরকার গঠন করলে বিডিআরের নাম পুনর্বহাল করা হবে ইনশাআল্লাহ।’
তিনি আরও বলেন, সাবেক জ্যেষ্ঠ সেনা কর্মকর্তারা সেনাবাহিনী সংক্রান্ত যেসব সুপারিশ তুলে ধরেছেন, সেগুলো গুরুত্বপূর্ণ। জাতীয় নিরাপত্তা পরিষদ গঠন ও সেনা আইনের কিছু বিধিমালা সংস্কারের বিষয়গুলো পরীক্ষা-নিরীক্ষা করা হবে। এ লক্ষ্যে সেনাবাহিনীর সাবেক ও বর্তমান সদস্যদের সমন্বয়ে একটি কমিটি গঠন করা হবে। কমিটির সুপারিশ অনুযায়ী বাস্তবায়নের পরিকল্পনা নেওয়া হবে।
ওয়ান র্যাংক, ওয়ান পে প্রসঙ্গে বিএনপি চেয়ারম্যান বলেন, এটি দলের নির্বাচনী ইশতেহারে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। ১২ ফেব্রুয়ারি নির্বাচনে জনগণের রায় পেলে যত দ্রুত সম্ভব এটি বাস্তবায়ন করা হবে।
সেনাবাহিনীর সঙ্গে নিজের পারিবারিক সম্পর্কের কথা তুলে ধরে তারেক রহমান বলেন, ‘সেনাবাহিনী আমার কাছে একটি বৃহৎ পরিবারের মতো। সেনানিবাসেই আমার বেড়ে ওঠা। আমার মা মরহুমা বেগম খালেদা জিয়া সবসময় একটি শক্তিশালী সেনাবাহিনীকে দেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষার প্রধান শক্তি হিসেবে দেখতেন।’
তিনি বলেন, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষক ও একজন বীর মুক্তিযোদ্ধা। ‘যেমন দেশের গণতন্ত্রপ্রিয় মানুষ তাকে নিয়ে গর্ব করে, তেমনি বাংলাদেশ সশস্ত্র বাহিনীও তাকে নিয়ে গর্বিত-এ বিশ্বাস আমাদের রয়েছে।’
তারেক রহমান বলেন, সেনাবাহিনীকে রাজনৈতিক স্বার্থে ব্যবহার করা হলে বাহিনীর মূল উদ্দেশ্য ব্যাহত হয়। অতীতের দিকে ইঙ্গিত করে তিনি বলেন, পিলখানায় পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ডের সময় সেনাবাহিনী যথাযথ ভূমিকা রাখতে পারেনি বা রাখতে দেওয়া হয়নি।
তিনি আরও বলেন, ‘সেনাবাহিনীর গৌরব ফিরিয়ে দেওয়ার কথা বলব না—গৌরব অর্জনের বিষয়। সেনাবাহিনীকেই নিজেদের সম্মান ও মর্যাদা রক্ষা করতে হবে।’
বিএনপি সরকার গঠন করলে সেনাবাহিনীকে কোনো রাজনৈতিক স্বার্থে ব্যবহার করতে দেওয়া হবে না বলে আশ্বাস দিয়ে তারেক রহমান বলেন, সেনাবাহিনীর সম্মান ক্ষুণ্ন হয়-এমন কোনো কাজ বিএনপি অতীতেও করেনি, ভবিষ্যতেও করবে না।
অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন মেজর (অব.) মিজানুর রহমান। তিনি অবসরপ্রাপ্ত সেনা কর্মকর্তাদের উদ্দেশে বলেন, জাতীয়তাবাদে বিশ্বাসীরা সবাইকে তারেক রহমানের পাশে থাকার আহ্বান জানান।
অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য দেন বিএনপি চেয়ারম্যানের প্রতিরক্ষা বিষয়ক উপদেষ্টা মেজর জেনারেল (অব.) ফজলে এলাহী আকবর। এছাড়া উপস্থিত ছিলেন কর্নেল (অব.) হারুনুর রশিদ খান, মেজর (অব.) জামাল হায়দার, বিডিআরের সাবেক মহাপরিচালক মেজর জেনারেল শাকিল আহমেদের সন্তান রাকিন আহমেদসহ সশস্ত্র বাহিনীর সাবেক কর্মকর্তারা।

বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান বলেছেন, জনগণের রায়ে বিএনপি রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্ব পেলে মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতিবিজড়িত বাংলাদেশ রাইফেলস (বিডিআর)-এর নাম পুনর্বহাল করা হবে। একই সঙ্গে সেনাবাহিনীর সঙ্গে আলোচনা করে পিলখানায় সংঘটিত হত্যাকাণ্ডের দিনটিকে শহীদ সেনা দিবস, সেনা হত্যাযজ্ঞ দিবস অথবা জাতীয় শোক দিবস হিসেবে ঘোষণা করা হবে। পাশাপাশি ওয়ান র্যাংক, ওয়ান পে বাস্তবায়ন করা হবে।
শনিবার (৭ ফেব্রুয়ারি) রাতে রাজধানীর একটি হোটেলে সশস্ত্র বাহিনীর সাবেক সদস্য ও তাদের পরিবারের সদস্যদের নিয়ে আয়োজিত ‘স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বের সুদৃঢ় আস্থা’ শীর্ষক অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন তিনি। বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল সংসদ নির্বাচন-২০২৬ উপলক্ষে সশস্ত্র বাহিনী বিষয়ক উপকমিটির উদ্যোগে এ আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়।
তারেক রহমান বলেন, ২০০৯ সালে পিলখানায় সংঘটিত বিডিআর হত্যাকাণ্ডের পর পতিত ফ্যাসিস্ট শক্তি মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতিবিজড়িত বিডিআরের নাম পরিবর্তনসহ বাহিনীর পোশাক ও রং বদলে দেয়। তিনি বলেন, ‘এটি আমার ব্যক্তিগত অনুভূতি-জনগণের রায়ে বিএনপি সরকার গঠন করলে বিডিআরের নাম পুনর্বহাল করা হবে ইনশাআল্লাহ।’
তিনি আরও বলেন, সাবেক জ্যেষ্ঠ সেনা কর্মকর্তারা সেনাবাহিনী সংক্রান্ত যেসব সুপারিশ তুলে ধরেছেন, সেগুলো গুরুত্বপূর্ণ। জাতীয় নিরাপত্তা পরিষদ গঠন ও সেনা আইনের কিছু বিধিমালা সংস্কারের বিষয়গুলো পরীক্ষা-নিরীক্ষা করা হবে। এ লক্ষ্যে সেনাবাহিনীর সাবেক ও বর্তমান সদস্যদের সমন্বয়ে একটি কমিটি গঠন করা হবে। কমিটির সুপারিশ অনুযায়ী বাস্তবায়নের পরিকল্পনা নেওয়া হবে।
ওয়ান র্যাংক, ওয়ান পে প্রসঙ্গে বিএনপি চেয়ারম্যান বলেন, এটি দলের নির্বাচনী ইশতেহারে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। ১২ ফেব্রুয়ারি নির্বাচনে জনগণের রায় পেলে যত দ্রুত সম্ভব এটি বাস্তবায়ন করা হবে।
সেনাবাহিনীর সঙ্গে নিজের পারিবারিক সম্পর্কের কথা তুলে ধরে তারেক রহমান বলেন, ‘সেনাবাহিনী আমার কাছে একটি বৃহৎ পরিবারের মতো। সেনানিবাসেই আমার বেড়ে ওঠা। আমার মা মরহুমা বেগম খালেদা জিয়া সবসময় একটি শক্তিশালী সেনাবাহিনীকে দেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষার প্রধান শক্তি হিসেবে দেখতেন।’
তিনি বলেন, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষক ও একজন বীর মুক্তিযোদ্ধা। ‘যেমন দেশের গণতন্ত্রপ্রিয় মানুষ তাকে নিয়ে গর্ব করে, তেমনি বাংলাদেশ সশস্ত্র বাহিনীও তাকে নিয়ে গর্বিত-এ বিশ্বাস আমাদের রয়েছে।’
তারেক রহমান বলেন, সেনাবাহিনীকে রাজনৈতিক স্বার্থে ব্যবহার করা হলে বাহিনীর মূল উদ্দেশ্য ব্যাহত হয়। অতীতের দিকে ইঙ্গিত করে তিনি বলেন, পিলখানায় পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ডের সময় সেনাবাহিনী যথাযথ ভূমিকা রাখতে পারেনি বা রাখতে দেওয়া হয়নি।
তিনি আরও বলেন, ‘সেনাবাহিনীর গৌরব ফিরিয়ে দেওয়ার কথা বলব না—গৌরব অর্জনের বিষয়। সেনাবাহিনীকেই নিজেদের সম্মান ও মর্যাদা রক্ষা করতে হবে।’
বিএনপি সরকার গঠন করলে সেনাবাহিনীকে কোনো রাজনৈতিক স্বার্থে ব্যবহার করতে দেওয়া হবে না বলে আশ্বাস দিয়ে তারেক রহমান বলেন, সেনাবাহিনীর সম্মান ক্ষুণ্ন হয়-এমন কোনো কাজ বিএনপি অতীতেও করেনি, ভবিষ্যতেও করবে না।
অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন মেজর (অব.) মিজানুর রহমান। তিনি অবসরপ্রাপ্ত সেনা কর্মকর্তাদের উদ্দেশে বলেন, জাতীয়তাবাদে বিশ্বাসীরা সবাইকে তারেক রহমানের পাশে থাকার আহ্বান জানান।
অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য দেন বিএনপি চেয়ারম্যানের প্রতিরক্ষা বিষয়ক উপদেষ্টা মেজর জেনারেল (অব.) ফজলে এলাহী আকবর। এছাড়া উপস্থিত ছিলেন কর্নেল (অব.) হারুনুর রশিদ খান, মেজর (অব.) জামাল হায়দার, বিডিআরের সাবেক মহাপরিচালক মেজর জেনারেল শাকিল আহমেদের সন্তান রাকিন আহমেদসহ সশস্ত্র বাহিনীর সাবেক কর্মকর্তারা।

বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান বলেছেন, জনগণের রায়ে বিএনপি রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্ব পেলে মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতিবিজড়িত বাংলাদেশ রাইফেলস (বিডিআর)-এর নাম পুনর্বহাল করা হবে। একই সঙ্গে সেনাবাহিনীর সঙ্গে আলোচনা করে পিলখানায় সংঘটিত হত্যাকাণ্ডের দিনটিকে শহীদ সেনা দিবস, সেনা হত্যাযজ্ঞ দিবস অথবা জাতীয় শোক দিবস হিসেবে ঘোষণা করা হবে। পাশাপাশি ওয়ান র্যাংক, ওয়ান পে বাস্তবায়ন করা হবে।
শনিবার (৭ ফেব্রুয়ারি) রাতে রাজধানীর একটি হোটেলে সশস্ত্র বাহিনীর সাবেক সদস্য ও তাদের পরিবারের সদস্যদের নিয়ে আয়োজিত ‘স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বের সুদৃঢ় আস্থা’ শীর্ষক অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন তিনি। বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল সংসদ নির্বাচন-২০২৬ উপলক্ষে সশস্ত্র বাহিনী বিষয়ক উপকমিটির উদ্যোগে এ আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়।
তারেক রহমান বলেন, ২০০৯ সালে পিলখানায় সংঘটিত বিডিআর হত্যাকাণ্ডের পর পতিত ফ্যাসিস্ট শক্তি মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতিবিজড়িত বিডিআরের নাম পরিবর্তনসহ বাহিনীর পোশাক ও রং বদলে দেয়। তিনি বলেন, ‘এটি আমার ব্যক্তিগত অনুভূতি-জনগণের রায়ে বিএনপি সরকার গঠন করলে বিডিআরের নাম পুনর্বহাল করা হবে ইনশাআল্লাহ।’
তিনি আরও বলেন, সাবেক জ্যেষ্ঠ সেনা কর্মকর্তারা সেনাবাহিনী সংক্রান্ত যেসব সুপারিশ তুলে ধরেছেন, সেগুলো গুরুত্বপূর্ণ। জাতীয় নিরাপত্তা পরিষদ গঠন ও সেনা আইনের কিছু বিধিমালা সংস্কারের বিষয়গুলো পরীক্ষা-নিরীক্ষা করা হবে। এ লক্ষ্যে সেনাবাহিনীর সাবেক ও বর্তমান সদস্যদের সমন্বয়ে একটি কমিটি গঠন করা হবে। কমিটির সুপারিশ অনুযায়ী বাস্তবায়নের পরিকল্পনা নেওয়া হবে।
ওয়ান র্যাংক, ওয়ান পে প্রসঙ্গে বিএনপি চেয়ারম্যান বলেন, এটি দলের নির্বাচনী ইশতেহারে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। ১২ ফেব্রুয়ারি নির্বাচনে জনগণের রায় পেলে যত দ্রুত সম্ভব এটি বাস্তবায়ন করা হবে।
সেনাবাহিনীর সঙ্গে নিজের পারিবারিক সম্পর্কের কথা তুলে ধরে তারেক রহমান বলেন, ‘সেনাবাহিনী আমার কাছে একটি বৃহৎ পরিবারের মতো। সেনানিবাসেই আমার বেড়ে ওঠা। আমার মা মরহুমা বেগম খালেদা জিয়া সবসময় একটি শক্তিশালী সেনাবাহিনীকে দেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষার প্রধান শক্তি হিসেবে দেখতেন।’
তিনি বলেন, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষক ও একজন বীর মুক্তিযোদ্ধা। ‘যেমন দেশের গণতন্ত্রপ্রিয় মানুষ তাকে নিয়ে গর্ব করে, তেমনি বাংলাদেশ সশস্ত্র বাহিনীও তাকে নিয়ে গর্বিত-এ বিশ্বাস আমাদের রয়েছে।’
তারেক রহমান বলেন, সেনাবাহিনীকে রাজনৈতিক স্বার্থে ব্যবহার করা হলে বাহিনীর মূল উদ্দেশ্য ব্যাহত হয়। অতীতের দিকে ইঙ্গিত করে তিনি বলেন, পিলখানায় পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ডের সময় সেনাবাহিনী যথাযথ ভূমিকা রাখতে পারেনি বা রাখতে দেওয়া হয়নি।
তিনি আরও বলেন, ‘সেনাবাহিনীর গৌরব ফিরিয়ে দেওয়ার কথা বলব না—গৌরব অর্জনের বিষয়। সেনাবাহিনীকেই নিজেদের সম্মান ও মর্যাদা রক্ষা করতে হবে।’
বিএনপি সরকার গঠন করলে সেনাবাহিনীকে কোনো রাজনৈতিক স্বার্থে ব্যবহার করতে দেওয়া হবে না বলে আশ্বাস দিয়ে তারেক রহমান বলেন, সেনাবাহিনীর সম্মান ক্ষুণ্ন হয়-এমন কোনো কাজ বিএনপি অতীতেও করেনি, ভবিষ্যতেও করবে না।
অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন মেজর (অব.) মিজানুর রহমান। তিনি অবসরপ্রাপ্ত সেনা কর্মকর্তাদের উদ্দেশে বলেন, জাতীয়তাবাদে বিশ্বাসীরা সবাইকে তারেক রহমানের পাশে থাকার আহ্বান জানান।
অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য দেন বিএনপি চেয়ারম্যানের প্রতিরক্ষা বিষয়ক উপদেষ্টা মেজর জেনারেল (অব.) ফজলে এলাহী আকবর। এছাড়া উপস্থিত ছিলেন কর্নেল (অব.) হারুনুর রশিদ খান, মেজর (অব.) জামাল হায়দার, বিডিআরের সাবেক মহাপরিচালক মেজর জেনারেল শাকিল আহমেদের সন্তান রাকিন আহমেদসহ সশস্ত্র বাহিনীর সাবেক কর্মকর্তারা।

বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান বলেছেন, জনগণের রায়ে বিএনপি রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্ব পেলে মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতিবিজড়িত বাংলাদেশ রাইফেলস (বিডিআর)-এর নাম পুনর্বহাল করা হবে। একই সঙ্গে সেনাবাহিনীর সঙ্গে আলোচনা করে পিলখানায় সংঘটিত হত্যাকাণ্ডের দিনটিকে শহীদ সেনা দিবস, সেনা হত্যাযজ্ঞ দিবস অথবা জাতীয় শোক দিবস হিসেবে ঘোষণা করা হবে। পাশাপাশি ওয়ান র্যাংক, ওয়ান পে বাস্তবায়ন করা হবে।
শনিবার (৭ ফেব্রুয়ারি) রাতে রাজধানীর একটি হোটেলে সশস্ত্র বাহিনীর সাবেক সদস্য ও তাদের পরিবারের সদস্যদের নিয়ে আয়োজিত ‘স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বের সুদৃঢ় আস্থা’ শীর্ষক অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন তিনি। বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল সংসদ নির্বাচন-২০২৬ উপলক্ষে সশস্ত্র বাহিনী বিষয়ক উপকমিটির উদ্যোগে এ আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়।
তারেক রহমান বলেন, ২০০৯ সালে পিলখানায় সংঘটিত বিডিআর হত্যাকাণ্ডের পর পতিত ফ্যাসিস্ট শক্তি মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতিবিজড়িত বিডিআরের নাম পরিবর্তনসহ বাহিনীর পোশাক ও রং বদলে দেয়। তিনি বলেন, ‘এটি আমার ব্যক্তিগত অনুভূতি-জনগণের রায়ে বিএনপি সরকার গঠন করলে বিডিআরের নাম পুনর্বহাল করা হবে ইনশাআল্লাহ।’
তিনি আরও বলেন, সাবেক জ্যেষ্ঠ সেনা কর্মকর্তারা সেনাবাহিনী সংক্রান্ত যেসব সুপারিশ তুলে ধরেছেন, সেগুলো গুরুত্বপূর্ণ। জাতীয় নিরাপত্তা পরিষদ গঠন ও সেনা আইনের কিছু বিধিমালা সংস্কারের বিষয়গুলো পরীক্ষা-নিরীক্ষা করা হবে। এ লক্ষ্যে সেনাবাহিনীর সাবেক ও বর্তমান সদস্যদের সমন্বয়ে একটি কমিটি গঠন করা হবে। কমিটির সুপারিশ অনুযায়ী বাস্তবায়নের পরিকল্পনা নেওয়া হবে।
ওয়ান র্যাংক, ওয়ান পে প্রসঙ্গে বিএনপি চেয়ারম্যান বলেন, এটি দলের নির্বাচনী ইশতেহারে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। ১২ ফেব্রুয়ারি নির্বাচনে জনগণের রায় পেলে যত দ্রুত সম্ভব এটি বাস্তবায়ন করা হবে।
সেনাবাহিনীর সঙ্গে নিজের পারিবারিক সম্পর্কের কথা তুলে ধরে তারেক রহমান বলেন, ‘সেনাবাহিনী আমার কাছে একটি বৃহৎ পরিবারের মতো। সেনানিবাসেই আমার বেড়ে ওঠা। আমার মা মরহুমা বেগম খালেদা জিয়া সবসময় একটি শক্তিশালী সেনাবাহিনীকে দেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষার প্রধান শক্তি হিসেবে দেখতেন।’
তিনি বলেন, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষক ও একজন বীর মুক্তিযোদ্ধা। ‘যেমন দেশের গণতন্ত্রপ্রিয় মানুষ তাকে নিয়ে গর্ব করে, তেমনি বাংলাদেশ সশস্ত্র বাহিনীও তাকে নিয়ে গর্বিত-এ বিশ্বাস আমাদের রয়েছে।’
তারেক রহমান বলেন, সেনাবাহিনীকে রাজনৈতিক স্বার্থে ব্যবহার করা হলে বাহিনীর মূল উদ্দেশ্য ব্যাহত হয়। অতীতের দিকে ইঙ্গিত করে তিনি বলেন, পিলখানায় পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ডের সময় সেনাবাহিনী যথাযথ ভূমিকা রাখতে পারেনি বা রাখতে দেওয়া হয়নি।
তিনি আরও বলেন, ‘সেনাবাহিনীর গৌরব ফিরিয়ে দেওয়ার কথা বলব না—গৌরব অর্জনের বিষয়। সেনাবাহিনীকেই নিজেদের সম্মান ও মর্যাদা রক্ষা করতে হবে।’
বিএনপি সরকার গঠন করলে সেনাবাহিনীকে কোনো রাজনৈতিক স্বার্থে ব্যবহার করতে দেওয়া হবে না বলে আশ্বাস দিয়ে তারেক রহমান বলেন, সেনাবাহিনীর সম্মান ক্ষুণ্ন হয়-এমন কোনো কাজ বিএনপি অতীতেও করেনি, ভবিষ্যতেও করবে না।
অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন মেজর (অব.) মিজানুর রহমান। তিনি অবসরপ্রাপ্ত সেনা কর্মকর্তাদের উদ্দেশে বলেন, জাতীয়তাবাদে বিশ্বাসীরা সবাইকে তারেক রহমানের পাশে থাকার আহ্বান জানান।
অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য দেন বিএনপি চেয়ারম্যানের প্রতিরক্ষা বিষয়ক উপদেষ্টা মেজর জেনারেল (অব.) ফজলে এলাহী আকবর। এছাড়া উপস্থিত ছিলেন কর্নেল (অব.) হারুনুর রশিদ খান, মেজর (অব.) জামাল হায়দার, বিডিআরের সাবেক মহাপরিচালক মেজর জেনারেল শাকিল আহমেদের সন্তান রাকিন আহমেদসহ সশস্ত্র বাহিনীর সাবেক কর্মকর্তারা।
এখনও কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!