বাংলাদেশের কনটেন্ট ক্রিয়েটর, ক্ষুদ্র উদ্যোক্তা ও ডিজিটাল মার্কেটারদের জন্য ফেসবুক বিজ্ঞাপনের বিল পরিশোধে বিকাশ যুক্ত হতে যাচ্ছে। ইতোমধ্যে পরীক্ষামূলকভাবে কিছু ব্যবহারকারীর অ্যাকাউন্টে ফেসবুকের বিজ্ঞাপনের পেমেন্ট পদ্ধতিতে বিকাশের অপশন দেখা গেছে। কয়েকজন ব্যবহারকারী বিকাশের মাধ্যমে বিজ্ঞাপনের বিল পরিশোধ করতে পেরেছেন বলেও জানিয়েছেন।
তবে এখনো সব ব্যবহারকারীর জন্য আনুষ্ঠানিকভাবে সুবিধাটি চালু হয়নি। এ বিষয়ে মেটার পক্ষ থেকেও কোনো আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দেওয়া হয়নি।
বর্তমানে বাংলাদেশ থেকে ফেসবুকে বিজ্ঞাপন দিতে সাধারণত আন্তর্জাতিক ডেবিট বা ক্রেডিট কার্ডের প্রয়োজন হয়। কার্ডে ডুয়াল কারেন্সি চালু করা, ব্যাংকের অনুমোদন নেওয়াসহ নানা জটিলতার কারণে অনেক ক্ষুদ্র উদ্যোক্তা ও নতুন কনটেন্ট ক্রিয়েটর বিজ্ঞাপন দিতে সমস্যায় পড়েন।
বিকাশ যুক্ত হলে এসব ব্যবহারকারীর জন্য স্থানীয়ভাবে বিজ্ঞাপনের বিল পরিশোধের সুযোগ তৈরি হবে। বিশেষ করে ফেসবুক ও ইউটিউব কনটেন্ট ক্রিয়েটর, এফ-কমার্স উদ্যোক্তা, ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী, ফ্রিল্যান্সার ও ডিজিটাল মার্কেটিং এজেন্সিগুলো এতে উপকৃত হতে পারেন।
সম্প্রতি কয়েকজন ব্যবহারকারী সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ফেসবুক অ্যাডস ম্যানেজারের স্ক্রিনশট প্রকাশ করেছেন। সেখানে প্রচলিত ব্যাংক কার্ডের পাশাপাশি বিকাশের নামও দেখা যায়। পরীক্ষামূলকভাবে বিকাশ ব্যবহার করে বিজ্ঞাপনের বিল পরিশোধের অভিজ্ঞতার কথাও জানিয়েছেন তারা।
তবে বর্তমানে সুবিধাটি সীমিত সংখ্যক ব্যবহারকারীর জন্য পরীক্ষামূলকভাবে চালু রয়েছে। কবে নাগাদ এটি সবার জন্য উন্মুক্ত হবে, সে বিষয়ে এখনো নিশ্চিত কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি।
সুবিধাটি আনুষ্ঠানিকভাবে চালু হলে আন্তর্জাতিক কার্ডের ওপর নির্ভরতা কমার পাশাপাশি বাংলাদেশে ফেসবুকভিত্তিক ব্যবসা ও ডিজিটাল বিজ্ঞাপনের ব্যবহার আরও বাড়তে পারে।
বাংলাদেশের কনটেন্ট ক্রিয়েটর, ক্ষুদ্র উদ্যোক্তা ও ডিজিটাল মার্কেটারদের জন্য ফেসবুক বিজ্ঞাপনের বিল পরিশোধে বিকাশ যুক্ত হতে যাচ্ছে। ইতোমধ্যে পরীক্ষামূলকভাবে কিছু ব্যবহারকারীর অ্যাকাউন্টে ফেসবুকের বিজ্ঞাপনের পেমেন্ট পদ্ধতিতে বিকাশের অপশন দেখা গেছে। কয়েকজন ব্যবহারকারী বিকাশের মাধ্যমে বিজ্ঞাপনের বিল পরিশোধ করতে পেরেছেন বলেও জানিয়েছেন।
তবে এখনো সব ব্যবহারকারীর জন্য আনুষ্ঠানিকভাবে সুবিধাটি চালু হয়নি। এ বিষয়ে মেটার পক্ষ থেকেও কোনো আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দেওয়া হয়নি।
বর্তমানে বাংলাদেশ থেকে ফেসবুকে বিজ্ঞাপন দিতে সাধারণত আন্তর্জাতিক ডেবিট বা ক্রেডিট কার্ডের প্রয়োজন হয়। কার্ডে ডুয়াল কারেন্সি চালু করা, ব্যাংকের অনুমোদন নেওয়াসহ নানা জটিলতার কারণে অনেক ক্ষুদ্র উদ্যোক্তা ও নতুন কনটেন্ট ক্রিয়েটর বিজ্ঞাপন দিতে সমস্যায় পড়েন।
বিকাশ যুক্ত হলে এসব ব্যবহারকারীর জন্য স্থানীয়ভাবে বিজ্ঞাপনের বিল পরিশোধের সুযোগ তৈরি হবে। বিশেষ করে ফেসবুক ও ইউটিউব কনটেন্ট ক্রিয়েটর, এফ-কমার্স উদ্যোক্তা, ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী, ফ্রিল্যান্সার ও ডিজিটাল মার্কেটিং এজেন্সিগুলো এতে উপকৃত হতে পারেন।
সম্প্রতি কয়েকজন ব্যবহারকারী সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ফেসবুক অ্যাডস ম্যানেজারের স্ক্রিনশট প্রকাশ করেছেন। সেখানে প্রচলিত ব্যাংক কার্ডের পাশাপাশি বিকাশের নামও দেখা যায়। পরীক্ষামূলকভাবে বিকাশ ব্যবহার করে বিজ্ঞাপনের বিল পরিশোধের অভিজ্ঞতার কথাও জানিয়েছেন তারা।
তবে বর্তমানে সুবিধাটি সীমিত সংখ্যক ব্যবহারকারীর জন্য পরীক্ষামূলকভাবে চালু রয়েছে। কবে নাগাদ এটি সবার জন্য উন্মুক্ত হবে, সে বিষয়ে এখনো নিশ্চিত কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি।
সুবিধাটি আনুষ্ঠানিকভাবে চালু হলে আন্তর্জাতিক কার্ডের ওপর নির্ভরতা কমার পাশাপাশি বাংলাদেশে ফেসবুকভিত্তিক ব্যবসা ও ডিজিটাল বিজ্ঞাপনের ব্যবহার আরও বাড়তে পারে।
বাংলাদেশের কনটেন্ট ক্রিয়েটর, ক্ষুদ্র উদ্যোক্তা ও ডিজিটাল মার্কেটারদের জন্য ফেসবুক বিজ্ঞাপনের বিল পরিশোধে বিকাশ যুক্ত হতে যাচ্ছে। ইতোমধ্যে পরীক্ষামূলকভাবে কিছু ব্যবহারকারীর অ্যাকাউন্টে ফেসবুকের বিজ্ঞাপনের পেমেন্ট পদ্ধতিতে বিকাশের অপশন দেখা গেছে। কয়েকজন ব্যবহারকারী বিকাশের মাধ্যমে বিজ্ঞাপনের বিল পরিশোধ করতে পেরেছেন বলেও জানিয়েছেন।
তবে এখনো সব ব্যবহারকারীর জন্য আনুষ্ঠানিকভাবে সুবিধাটি চালু হয়নি। এ বিষয়ে মেটার পক্ষ থেকেও কোনো আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দেওয়া হয়নি।
বর্তমানে বাংলাদেশ থেকে ফেসবুকে বিজ্ঞাপন দিতে সাধারণত আন্তর্জাতিক ডেবিট বা ক্রেডিট কার্ডের প্রয়োজন হয়। কার্ডে ডুয়াল কারেন্সি চালু করা, ব্যাংকের অনুমোদন নেওয়াসহ নানা জটিলতার কারণে অনেক ক্ষুদ্র উদ্যোক্তা ও নতুন কনটেন্ট ক্রিয়েটর বিজ্ঞাপন দিতে সমস্যায় পড়েন।
বিকাশ যুক্ত হলে এসব ব্যবহারকারীর জন্য স্থানীয়ভাবে বিজ্ঞাপনের বিল পরিশোধের সুযোগ তৈরি হবে। বিশেষ করে ফেসবুক ও ইউটিউব কনটেন্ট ক্রিয়েটর, এফ-কমার্স উদ্যোক্তা, ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী, ফ্রিল্যান্সার ও ডিজিটাল মার্কেটিং এজেন্সিগুলো এতে উপকৃত হতে পারেন।
সম্প্রতি কয়েকজন ব্যবহারকারী সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ফেসবুক অ্যাডস ম্যানেজারের স্ক্রিনশট প্রকাশ করেছেন। সেখানে প্রচলিত ব্যাংক কার্ডের পাশাপাশি বিকাশের নামও দেখা যায়। পরীক্ষামূলকভাবে বিকাশ ব্যবহার করে বিজ্ঞাপনের বিল পরিশোধের অভিজ্ঞতার কথাও জানিয়েছেন তারা।
তবে বর্তমানে সুবিধাটি সীমিত সংখ্যক ব্যবহারকারীর জন্য পরীক্ষামূলকভাবে চালু রয়েছে। কবে নাগাদ এটি সবার জন্য উন্মুক্ত হবে, সে বিষয়ে এখনো নিশ্চিত কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি।
সুবিধাটি আনুষ্ঠানিকভাবে চালু হলে আন্তর্জাতিক কার্ডের ওপর নির্ভরতা কমার পাশাপাশি বাংলাদেশে ফেসবুকভিত্তিক ব্যবসা ও ডিজিটাল বিজ্ঞাপনের ব্যবহার আরও বাড়তে পারে।
বাংলাদেশের কনটেন্ট ক্রিয়েটর, ক্ষুদ্র উদ্যোক্তা ও ডিজিটাল মার্কেটারদের জন্য ফেসবুক বিজ্ঞাপনের বিল পরিশোধে বিকাশ যুক্ত হতে যাচ্ছে। ইতোমধ্যে পরীক্ষামূলকভাবে কিছু ব্যবহারকারীর অ্যাকাউন্টে ফেসবুকের বিজ্ঞাপনের পেমেন্ট পদ্ধতিতে বিকাশের অপশন দেখা গেছে। কয়েকজন ব্যবহারকারী বিকাশের মাধ্যমে বিজ্ঞাপনের বিল পরিশোধ করতে পেরেছেন বলেও জানিয়েছেন।
তবে এখনো সব ব্যবহারকারীর জন্য আনুষ্ঠানিকভাবে সুবিধাটি চালু হয়নি। এ বিষয়ে মেটার পক্ষ থেকেও কোনো আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দেওয়া হয়নি।
বর্তমানে বাংলাদেশ থেকে ফেসবুকে বিজ্ঞাপন দিতে সাধারণত আন্তর্জাতিক ডেবিট বা ক্রেডিট কার্ডের প্রয়োজন হয়। কার্ডে ডুয়াল কারেন্সি চালু করা, ব্যাংকের অনুমোদন নেওয়াসহ নানা জটিলতার কারণে অনেক ক্ষুদ্র উদ্যোক্তা ও নতুন কনটেন্ট ক্রিয়েটর বিজ্ঞাপন দিতে সমস্যায় পড়েন।
বিকাশ যুক্ত হলে এসব ব্যবহারকারীর জন্য স্থানীয়ভাবে বিজ্ঞাপনের বিল পরিশোধের সুযোগ তৈরি হবে। বিশেষ করে ফেসবুক ও ইউটিউব কনটেন্ট ক্রিয়েটর, এফ-কমার্স উদ্যোক্তা, ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী, ফ্রিল্যান্সার ও ডিজিটাল মার্কেটিং এজেন্সিগুলো এতে উপকৃত হতে পারেন।
সম্প্রতি কয়েকজন ব্যবহারকারী সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ফেসবুক অ্যাডস ম্যানেজারের স্ক্রিনশট প্রকাশ করেছেন। সেখানে প্রচলিত ব্যাংক কার্ডের পাশাপাশি বিকাশের নামও দেখা যায়। পরীক্ষামূলকভাবে বিকাশ ব্যবহার করে বিজ্ঞাপনের বিল পরিশোধের অভিজ্ঞতার কথাও জানিয়েছেন তারা।
তবে বর্তমানে সুবিধাটি সীমিত সংখ্যক ব্যবহারকারীর জন্য পরীক্ষামূলকভাবে চালু রয়েছে। কবে নাগাদ এটি সবার জন্য উন্মুক্ত হবে, সে বিষয়ে এখনো নিশ্চিত কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি।
সুবিধাটি আনুষ্ঠানিকভাবে চালু হলে আন্তর্জাতিক কার্ডের ওপর নির্ভরতা কমার পাশাপাশি বাংলাদেশে ফেসবুকভিত্তিক ব্যবসা ও ডিজিটাল বিজ্ঞাপনের ব্যবহার আরও বাড়তে পারে।
এখনও কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!