
রাজধানীতে ককটেল বিস্ফোরণ নিয়ে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখ্য সংগঠক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর সাম্প্রতিক মন্তব্যের বিষয়ে তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করা উচিত বলে মন্তব্য করেছেন ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) যুগ্ম কমিশনার তোফায়েল আহমেদ মিয়া।
শুক্রবার (২৫ সেপ্টেম্বর) বিকেলে রাজধানীর মিন্টো রোডে ডিএমপি মিডিয়া সেন্টারে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।
দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ থেকে ককটেল তৈরির সরঞ্জাম ও ৯ হাজার মুখোশ উদ্ধারের বিষয়ে জানাতে এ সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়।
সম্প্রতি নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী সাংবাদিকদের বলেন, ‘আমরা তো তিনটি দাবিতে রাজপথে আছি। আওয়ামী লীগকে বাংলাদেশে বাদ দেওয়া, গণভোটের রায় বাস্তবায়ন এবং জুলাইয়ের ঘটনার বিচার। এই দাবিগুলো সরকার মানছে না! দাবিগুলো মানলে তো ককটেল আর ফুটবে না ঢাকা শহরে।’
পাটওয়ারীর ওই বক্তব্যের বিষয়ে পুলিশের বক্তব্য জানতে চাইলে যুগ্ম কমিশনার তোফায়েল আহমেদ মিয়া বলেন, ‘এটা অবশ্যই আমার কাছে মনে হয় যে, তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করা উচিত। তা না হলে, তিনি এই কথা বললেন কেন?’
তবে পুলিশ পাটওয়ারীকে জিজ্ঞাসাবাদ করবে কি না—এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘এটা আসলে আমি এখন বলতে পারব না। এটা হয়তো ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা বলতে পারবেন।’
ককটেল তৈরির সরঞ্জাম ও মুখোশ উদ্ধার
এর আগে ঢাকার দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ থেকে বিস্ফোরক দ্রব্য ও ককটেল তৈরির বিভিন্ন সরঞ্জাম এবং ৯ হাজার কাগজের মুখোশ উদ্ধারের কথা জানায় পুলিশ।
সংবাদ সম্মেলনে যুগ্ম কমিশনার বলেন, গত ১৯ সেপ্টেম্বর যাত্রাবাড়ী থানার সামনে ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। ওই ঘটনার তদন্তে যাত্রাবাড়ী, শ্যামপুরসহ সংশ্লিষ্ট থানার পুলিশ সমন্বিতভাবে কাজ শুরু করে।
একপর্যায়ে জাহিদ হাসান ইমনের সংশ্লিষ্টতার বিষয়ে তথ্য ও সাক্ষ্য-প্রমাণ পাওয়ার কথা জানায় পুলিশ। এর ধারাবাহিকতায় শুক্রবার ভোরে শ্যামপুর মডেল থানা পুলিশ স্থানীয় পুলিশের সহায়তায় দক্ষিণ কেরানীগঞ্জের বাগাশুর এলাকায় অভিযান চালিয়ে ইমনকে গ্রেপ্তার করে।
পুলিশ জানায়, ইমনের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে ককটেল তৈরিতে ব্যবহৃত দেড় কেজি কস্টিক সোডা, ১ কেজি ৬০০ গ্রাম সালফার, ৫ কেজি মারবেল, ২ কেজি ১ ইঞ্চি তারকাঁটা, ককটেল মোড়ানোর জন্য ব্যবহৃত ২০টি লাল কসটেপ ও ১১টি কালো কসটেপ উদ্ধার করা হয়।
এ ছাড়া কাগজ দিয়ে তৈরি ৯ হাজার মুখোশ, মুখোশ পরার ৩০ প্যাকেট ইলাস্টিক, ককটেল তৈরির উপাদান গুঁড়া করার কাজে ব্যবহৃত একটি ব্লেন্ডার ও একটি জার উদ্ধার করা হয়েছে বলে জানায় পুলিশ।
পুলিশের দাবি, জিজ্ঞাসাবাদে ইমন জানিয়েছেন, লালবাগের এক নেতার মাধ্যমে অজ্ঞাত এক ভ্যানচালকের সাহায্যে মুখোশগুলো তার কাছে পাঠানো হয়। পরে বিভিন্ন নেতা-কর্মীর মধ্যে বিতরণের উদ্দেশ্যে সেগুলো তার বাসায় সংরক্ষণ করা হয়েছিল।
ইমনের বিরুদ্ধে শাহবাগ ও লালবাগ থানায় দুটি মামলা রয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
পাটওয়ারীর বক্তব্য নিয়ে বিভিন্ন রাজনৈতিক ব্যক্তির পক্ষ থেকে এর আগে তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবিও উঠেছিল। তবে তার ওই বক্তব্যের সঙ্গে ককটেল বিস্ফোরণের সরাসরি সম্পৃক্ততার কোনো প্রমাণ পাওয়া গেছে-এমন তথ্য বর্তমান প্রতিবেদনে নেই।

রাজধানীতে ককটেল বিস্ফোরণ নিয়ে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখ্য সংগঠক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর সাম্প্রতিক মন্তব্যের বিষয়ে তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করা উচিত বলে মন্তব্য করেছেন ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) যুগ্ম কমিশনার তোফায়েল আহমেদ মিয়া।
শুক্রবার (২৫ সেপ্টেম্বর) বিকেলে রাজধানীর মিন্টো রোডে ডিএমপি মিডিয়া সেন্টারে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।
দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ থেকে ককটেল তৈরির সরঞ্জাম ও ৯ হাজার মুখোশ উদ্ধারের বিষয়ে জানাতে এ সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়।
সম্প্রতি নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী সাংবাদিকদের বলেন, ‘আমরা তো তিনটি দাবিতে রাজপথে আছি। আওয়ামী লীগকে বাংলাদেশে বাদ দেওয়া, গণভোটের রায় বাস্তবায়ন এবং জুলাইয়ের ঘটনার বিচার। এই দাবিগুলো সরকার মানছে না! দাবিগুলো মানলে তো ককটেল আর ফুটবে না ঢাকা শহরে।’
পাটওয়ারীর ওই বক্তব্যের বিষয়ে পুলিশের বক্তব্য জানতে চাইলে যুগ্ম কমিশনার তোফায়েল আহমেদ মিয়া বলেন, ‘এটা অবশ্যই আমার কাছে মনে হয় যে, তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করা উচিত। তা না হলে, তিনি এই কথা বললেন কেন?’
তবে পুলিশ পাটওয়ারীকে জিজ্ঞাসাবাদ করবে কি না—এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘এটা আসলে আমি এখন বলতে পারব না। এটা হয়তো ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা বলতে পারবেন।’
ককটেল তৈরির সরঞ্জাম ও মুখোশ উদ্ধার
এর আগে ঢাকার দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ থেকে বিস্ফোরক দ্রব্য ও ককটেল তৈরির বিভিন্ন সরঞ্জাম এবং ৯ হাজার কাগজের মুখোশ উদ্ধারের কথা জানায় পুলিশ।
সংবাদ সম্মেলনে যুগ্ম কমিশনার বলেন, গত ১৯ সেপ্টেম্বর যাত্রাবাড়ী থানার সামনে ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। ওই ঘটনার তদন্তে যাত্রাবাড়ী, শ্যামপুরসহ সংশ্লিষ্ট থানার পুলিশ সমন্বিতভাবে কাজ শুরু করে।
একপর্যায়ে জাহিদ হাসান ইমনের সংশ্লিষ্টতার বিষয়ে তথ্য ও সাক্ষ্য-প্রমাণ পাওয়ার কথা জানায় পুলিশ। এর ধারাবাহিকতায় শুক্রবার ভোরে শ্যামপুর মডেল থানা পুলিশ স্থানীয় পুলিশের সহায়তায় দক্ষিণ কেরানীগঞ্জের বাগাশুর এলাকায় অভিযান চালিয়ে ইমনকে গ্রেপ্তার করে।
পুলিশ জানায়, ইমনের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে ককটেল তৈরিতে ব্যবহৃত দেড় কেজি কস্টিক সোডা, ১ কেজি ৬০০ গ্রাম সালফার, ৫ কেজি মারবেল, ২ কেজি ১ ইঞ্চি তারকাঁটা, ককটেল মোড়ানোর জন্য ব্যবহৃত ২০টি লাল কসটেপ ও ১১টি কালো কসটেপ উদ্ধার করা হয়।
এ ছাড়া কাগজ দিয়ে তৈরি ৯ হাজার মুখোশ, মুখোশ পরার ৩০ প্যাকেট ইলাস্টিক, ককটেল তৈরির উপাদান গুঁড়া করার কাজে ব্যবহৃত একটি ব্লেন্ডার ও একটি জার উদ্ধার করা হয়েছে বলে জানায় পুলিশ।
পুলিশের দাবি, জিজ্ঞাসাবাদে ইমন জানিয়েছেন, লালবাগের এক নেতার মাধ্যমে অজ্ঞাত এক ভ্যানচালকের সাহায্যে মুখোশগুলো তার কাছে পাঠানো হয়। পরে বিভিন্ন নেতা-কর্মীর মধ্যে বিতরণের উদ্দেশ্যে সেগুলো তার বাসায় সংরক্ষণ করা হয়েছিল।
ইমনের বিরুদ্ধে শাহবাগ ও লালবাগ থানায় দুটি মামলা রয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
পাটওয়ারীর বক্তব্য নিয়ে বিভিন্ন রাজনৈতিক ব্যক্তির পক্ষ থেকে এর আগে তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবিও উঠেছিল। তবে তার ওই বক্তব্যের সঙ্গে ককটেল বিস্ফোরণের সরাসরি সম্পৃক্ততার কোনো প্রমাণ পাওয়া গেছে-এমন তথ্য বর্তমান প্রতিবেদনে নেই।

রাজধানীতে ককটেল বিস্ফোরণ নিয়ে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখ্য সংগঠক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর সাম্প্রতিক মন্তব্যের বিষয়ে তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করা উচিত বলে মন্তব্য করেছেন ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) যুগ্ম কমিশনার তোফায়েল আহমেদ মিয়া।
শুক্রবার (২৫ সেপ্টেম্বর) বিকেলে রাজধানীর মিন্টো রোডে ডিএমপি মিডিয়া সেন্টারে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।
দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ থেকে ককটেল তৈরির সরঞ্জাম ও ৯ হাজার মুখোশ উদ্ধারের বিষয়ে জানাতে এ সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়।
সম্প্রতি নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী সাংবাদিকদের বলেন, ‘আমরা তো তিনটি দাবিতে রাজপথে আছি। আওয়ামী লীগকে বাংলাদেশে বাদ দেওয়া, গণভোটের রায় বাস্তবায়ন এবং জুলাইয়ের ঘটনার বিচার। এই দাবিগুলো সরকার মানছে না! দাবিগুলো মানলে তো ককটেল আর ফুটবে না ঢাকা শহরে।’
পাটওয়ারীর ওই বক্তব্যের বিষয়ে পুলিশের বক্তব্য জানতে চাইলে যুগ্ম কমিশনার তোফায়েল আহমেদ মিয়া বলেন, ‘এটা অবশ্যই আমার কাছে মনে হয় যে, তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করা উচিত। তা না হলে, তিনি এই কথা বললেন কেন?’
তবে পুলিশ পাটওয়ারীকে জিজ্ঞাসাবাদ করবে কি না—এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘এটা আসলে আমি এখন বলতে পারব না। এটা হয়তো ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা বলতে পারবেন।’
ককটেল তৈরির সরঞ্জাম ও মুখোশ উদ্ধার
এর আগে ঢাকার দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ থেকে বিস্ফোরক দ্রব্য ও ককটেল তৈরির বিভিন্ন সরঞ্জাম এবং ৯ হাজার কাগজের মুখোশ উদ্ধারের কথা জানায় পুলিশ।
সংবাদ সম্মেলনে যুগ্ম কমিশনার বলেন, গত ১৯ সেপ্টেম্বর যাত্রাবাড়ী থানার সামনে ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। ওই ঘটনার তদন্তে যাত্রাবাড়ী, শ্যামপুরসহ সংশ্লিষ্ট থানার পুলিশ সমন্বিতভাবে কাজ শুরু করে।
একপর্যায়ে জাহিদ হাসান ইমনের সংশ্লিষ্টতার বিষয়ে তথ্য ও সাক্ষ্য-প্রমাণ পাওয়ার কথা জানায় পুলিশ। এর ধারাবাহিকতায় শুক্রবার ভোরে শ্যামপুর মডেল থানা পুলিশ স্থানীয় পুলিশের সহায়তায় দক্ষিণ কেরানীগঞ্জের বাগাশুর এলাকায় অভিযান চালিয়ে ইমনকে গ্রেপ্তার করে।
পুলিশ জানায়, ইমনের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে ককটেল তৈরিতে ব্যবহৃত দেড় কেজি কস্টিক সোডা, ১ কেজি ৬০০ গ্রাম সালফার, ৫ কেজি মারবেল, ২ কেজি ১ ইঞ্চি তারকাঁটা, ককটেল মোড়ানোর জন্য ব্যবহৃত ২০টি লাল কসটেপ ও ১১টি কালো কসটেপ উদ্ধার করা হয়।
এ ছাড়া কাগজ দিয়ে তৈরি ৯ হাজার মুখোশ, মুখোশ পরার ৩০ প্যাকেট ইলাস্টিক, ককটেল তৈরির উপাদান গুঁড়া করার কাজে ব্যবহৃত একটি ব্লেন্ডার ও একটি জার উদ্ধার করা হয়েছে বলে জানায় পুলিশ।
পুলিশের দাবি, জিজ্ঞাসাবাদে ইমন জানিয়েছেন, লালবাগের এক নেতার মাধ্যমে অজ্ঞাত এক ভ্যানচালকের সাহায্যে মুখোশগুলো তার কাছে পাঠানো হয়। পরে বিভিন্ন নেতা-কর্মীর মধ্যে বিতরণের উদ্দেশ্যে সেগুলো তার বাসায় সংরক্ষণ করা হয়েছিল।
ইমনের বিরুদ্ধে শাহবাগ ও লালবাগ থানায় দুটি মামলা রয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
পাটওয়ারীর বক্তব্য নিয়ে বিভিন্ন রাজনৈতিক ব্যক্তির পক্ষ থেকে এর আগে তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবিও উঠেছিল। তবে তার ওই বক্তব্যের সঙ্গে ককটেল বিস্ফোরণের সরাসরি সম্পৃক্ততার কোনো প্রমাণ পাওয়া গেছে-এমন তথ্য বর্তমান প্রতিবেদনে নেই।

রাজধানীতে ককটেল বিস্ফোরণ নিয়ে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখ্য সংগঠক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর সাম্প্রতিক মন্তব্যের বিষয়ে তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করা উচিত বলে মন্তব্য করেছেন ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) যুগ্ম কমিশনার তোফায়েল আহমেদ মিয়া।
শুক্রবার (২৫ সেপ্টেম্বর) বিকেলে রাজধানীর মিন্টো রোডে ডিএমপি মিডিয়া সেন্টারে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।
দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ থেকে ককটেল তৈরির সরঞ্জাম ও ৯ হাজার মুখোশ উদ্ধারের বিষয়ে জানাতে এ সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়।
সম্প্রতি নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী সাংবাদিকদের বলেন, ‘আমরা তো তিনটি দাবিতে রাজপথে আছি। আওয়ামী লীগকে বাংলাদেশে বাদ দেওয়া, গণভোটের রায় বাস্তবায়ন এবং জুলাইয়ের ঘটনার বিচার। এই দাবিগুলো সরকার মানছে না! দাবিগুলো মানলে তো ককটেল আর ফুটবে না ঢাকা শহরে।’
পাটওয়ারীর ওই বক্তব্যের বিষয়ে পুলিশের বক্তব্য জানতে চাইলে যুগ্ম কমিশনার তোফায়েল আহমেদ মিয়া বলেন, ‘এটা অবশ্যই আমার কাছে মনে হয় যে, তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করা উচিত। তা না হলে, তিনি এই কথা বললেন কেন?’
তবে পুলিশ পাটওয়ারীকে জিজ্ঞাসাবাদ করবে কি না—এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘এটা আসলে আমি এখন বলতে পারব না। এটা হয়তো ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা বলতে পারবেন।’
ককটেল তৈরির সরঞ্জাম ও মুখোশ উদ্ধার
এর আগে ঢাকার দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ থেকে বিস্ফোরক দ্রব্য ও ককটেল তৈরির বিভিন্ন সরঞ্জাম এবং ৯ হাজার কাগজের মুখোশ উদ্ধারের কথা জানায় পুলিশ।
সংবাদ সম্মেলনে যুগ্ম কমিশনার বলেন, গত ১৯ সেপ্টেম্বর যাত্রাবাড়ী থানার সামনে ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। ওই ঘটনার তদন্তে যাত্রাবাড়ী, শ্যামপুরসহ সংশ্লিষ্ট থানার পুলিশ সমন্বিতভাবে কাজ শুরু করে।
একপর্যায়ে জাহিদ হাসান ইমনের সংশ্লিষ্টতার বিষয়ে তথ্য ও সাক্ষ্য-প্রমাণ পাওয়ার কথা জানায় পুলিশ। এর ধারাবাহিকতায় শুক্রবার ভোরে শ্যামপুর মডেল থানা পুলিশ স্থানীয় পুলিশের সহায়তায় দক্ষিণ কেরানীগঞ্জের বাগাশুর এলাকায় অভিযান চালিয়ে ইমনকে গ্রেপ্তার করে।
পুলিশ জানায়, ইমনের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে ককটেল তৈরিতে ব্যবহৃত দেড় কেজি কস্টিক সোডা, ১ কেজি ৬০০ গ্রাম সালফার, ৫ কেজি মারবেল, ২ কেজি ১ ইঞ্চি তারকাঁটা, ককটেল মোড়ানোর জন্য ব্যবহৃত ২০টি লাল কসটেপ ও ১১টি কালো কসটেপ উদ্ধার করা হয়।
এ ছাড়া কাগজ দিয়ে তৈরি ৯ হাজার মুখোশ, মুখোশ পরার ৩০ প্যাকেট ইলাস্টিক, ককটেল তৈরির উপাদান গুঁড়া করার কাজে ব্যবহৃত একটি ব্লেন্ডার ও একটি জার উদ্ধার করা হয়েছে বলে জানায় পুলিশ।
পুলিশের দাবি, জিজ্ঞাসাবাদে ইমন জানিয়েছেন, লালবাগের এক নেতার মাধ্যমে অজ্ঞাত এক ভ্যানচালকের সাহায্যে মুখোশগুলো তার কাছে পাঠানো হয়। পরে বিভিন্ন নেতা-কর্মীর মধ্যে বিতরণের উদ্দেশ্যে সেগুলো তার বাসায় সংরক্ষণ করা হয়েছিল।
ইমনের বিরুদ্ধে শাহবাগ ও লালবাগ থানায় দুটি মামলা রয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
পাটওয়ারীর বক্তব্য নিয়ে বিভিন্ন রাজনৈতিক ব্যক্তির পক্ষ থেকে এর আগে তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবিও উঠেছিল। তবে তার ওই বক্তব্যের সঙ্গে ককটেল বিস্ফোরণের সরাসরি সম্পৃক্ততার কোনো প্রমাণ পাওয়া গেছে-এমন তথ্য বর্তমান প্রতিবেদনে নেই।
এখনও কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!