ঢাকা মহানগর দক্ষিণ ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক আব্দুর রহিম ভূঁইয়া দলীয় পদ থেকে অব্যাহতি পেয়েছেন। প্রধানমন্ত্রীর নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা সদস্যদের সঙ্গে বাগবিতণ্ডা ও শৃঙ্খলা ভঙ্গের অভিযোগের ভিত্তিতে এ সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।
শনিবার (৩০ মে) বিকেলে ছাত্রদলের দফতর সম্পাদক মো. জাহাঙ্গীর আলম স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে বিষয়টি জানানো হয়। বিজ্ঞপ্তিতে কেন্দ্রীয় সভাপতি রাকিবুল ইসলাম রাকিব এবং সাধারণ সম্পাদক নাছির উদ্দীন নাছিরের অনুমোদনের কথা উল্লেখ করা হয়।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, সাংগঠনিক শৃঙ্খলা ভঙ্গের সুনির্দিষ্ট অভিযোগের ভিত্তিতে আব্দুর রহিম ভূঁইয়াকে পদ থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে ঢাকা মহানগর দক্ষিণ শাখার সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক রফিকুল ইসলাম রফিককে ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।
ঘটনার সূত্রপাত হয় জিয়া উদ্যানে বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমানের মৃত্যুবার্ষিকীর কর্মসূচি চলাকালে। ওই সময় গাড়িবহরের পেছনের সড়কে প্রধানমন্ত্রীর নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা স্পেশাল সিকিউরিটি ফোর্স (এসএসএফ) সদস্যদের সঙ্গে ছাত্রদল নেতাদের বাগবিতণ্ডার একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে।
ভিডিওতে দেখা যায়, নিরাপত্তা বাহিনীর গাড়ি দ্রুতগতিতে অতিক্রম করার সময় কিছু নেতা গাড়ির সামনে এগিয়ে যান এবং উভয় পক্ষের মধ্যে উত্তেজনাকর পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। এ সময় বাকবিতণ্ডা ও গালিগালাজের অভিযোগ ওঠে।
তবে আব্দুর রহিম ভূঁইয়া সাংবাদিকদের কাছে দাবি করেন, তিনি কোনো গালিগালাজ করেননি; বরং নিরাপত্তা টিমের পক্ষ থেকেই তাকে ধাক্কা দিয়ে ফেলে দেওয়া হয় এবং তিনি আহত হন বলে জানান।
এ ঘটনায় বিএনপি ও ছাত্রদলের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীদের মধ্যে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা গেছে। কেউ কেউ ঘটনাটিকে অনাকাঙ্ক্ষিত বলে উল্লেখ করে নিরাপত্তা বাহিনীর দায়িত্ব পালনে কোনো ধরনের ছাড় না দেওয়ার পক্ষে মত দিয়েছেন
ঢাকা মহানগর দক্ষিণ ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক আব্দুর রহিম ভূঁইয়া দলীয় পদ থেকে অব্যাহতি পেয়েছেন। প্রধানমন্ত্রীর নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা সদস্যদের সঙ্গে বাগবিতণ্ডা ও শৃঙ্খলা ভঙ্গের অভিযোগের ভিত্তিতে এ সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।
শনিবার (৩০ মে) বিকেলে ছাত্রদলের দফতর সম্পাদক মো. জাহাঙ্গীর আলম স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে বিষয়টি জানানো হয়। বিজ্ঞপ্তিতে কেন্দ্রীয় সভাপতি রাকিবুল ইসলাম রাকিব এবং সাধারণ সম্পাদক নাছির উদ্দীন নাছিরের অনুমোদনের কথা উল্লেখ করা হয়।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, সাংগঠনিক শৃঙ্খলা ভঙ্গের সুনির্দিষ্ট অভিযোগের ভিত্তিতে আব্দুর রহিম ভূঁইয়াকে পদ থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে ঢাকা মহানগর দক্ষিণ শাখার সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক রফিকুল ইসলাম রফিককে ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।
ঘটনার সূত্রপাত হয় জিয়া উদ্যানে বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমানের মৃত্যুবার্ষিকীর কর্মসূচি চলাকালে। ওই সময় গাড়িবহরের পেছনের সড়কে প্রধানমন্ত্রীর নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা স্পেশাল সিকিউরিটি ফোর্স (এসএসএফ) সদস্যদের সঙ্গে ছাত্রদল নেতাদের বাগবিতণ্ডার একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে।
ভিডিওতে দেখা যায়, নিরাপত্তা বাহিনীর গাড়ি দ্রুতগতিতে অতিক্রম করার সময় কিছু নেতা গাড়ির সামনে এগিয়ে যান এবং উভয় পক্ষের মধ্যে উত্তেজনাকর পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। এ সময় বাকবিতণ্ডা ও গালিগালাজের অভিযোগ ওঠে।
তবে আব্দুর রহিম ভূঁইয়া সাংবাদিকদের কাছে দাবি করেন, তিনি কোনো গালিগালাজ করেননি; বরং নিরাপত্তা টিমের পক্ষ থেকেই তাকে ধাক্কা দিয়ে ফেলে দেওয়া হয় এবং তিনি আহত হন বলে জানান।
এ ঘটনায় বিএনপি ও ছাত্রদলের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীদের মধ্যে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা গেছে। কেউ কেউ ঘটনাটিকে অনাকাঙ্ক্ষিত বলে উল্লেখ করে নিরাপত্তা বাহিনীর দায়িত্ব পালনে কোনো ধরনের ছাড় না দেওয়ার পক্ষে মত দিয়েছেন
ঢাকা মহানগর দক্ষিণ ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক আব্দুর রহিম ভূঁইয়া দলীয় পদ থেকে অব্যাহতি পেয়েছেন। প্রধানমন্ত্রীর নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা সদস্যদের সঙ্গে বাগবিতণ্ডা ও শৃঙ্খলা ভঙ্গের অভিযোগের ভিত্তিতে এ সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।
শনিবার (৩০ মে) বিকেলে ছাত্রদলের দফতর সম্পাদক মো. জাহাঙ্গীর আলম স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে বিষয়টি জানানো হয়। বিজ্ঞপ্তিতে কেন্দ্রীয় সভাপতি রাকিবুল ইসলাম রাকিব এবং সাধারণ সম্পাদক নাছির উদ্দীন নাছিরের অনুমোদনের কথা উল্লেখ করা হয়।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, সাংগঠনিক শৃঙ্খলা ভঙ্গের সুনির্দিষ্ট অভিযোগের ভিত্তিতে আব্দুর রহিম ভূঁইয়াকে পদ থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে ঢাকা মহানগর দক্ষিণ শাখার সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক রফিকুল ইসলাম রফিককে ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।
ঘটনার সূত্রপাত হয় জিয়া উদ্যানে বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমানের মৃত্যুবার্ষিকীর কর্মসূচি চলাকালে। ওই সময় গাড়িবহরের পেছনের সড়কে প্রধানমন্ত্রীর নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা স্পেশাল সিকিউরিটি ফোর্স (এসএসএফ) সদস্যদের সঙ্গে ছাত্রদল নেতাদের বাগবিতণ্ডার একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে।
ভিডিওতে দেখা যায়, নিরাপত্তা বাহিনীর গাড়ি দ্রুতগতিতে অতিক্রম করার সময় কিছু নেতা গাড়ির সামনে এগিয়ে যান এবং উভয় পক্ষের মধ্যে উত্তেজনাকর পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। এ সময় বাকবিতণ্ডা ও গালিগালাজের অভিযোগ ওঠে।
তবে আব্দুর রহিম ভূঁইয়া সাংবাদিকদের কাছে দাবি করেন, তিনি কোনো গালিগালাজ করেননি; বরং নিরাপত্তা টিমের পক্ষ থেকেই তাকে ধাক্কা দিয়ে ফেলে দেওয়া হয় এবং তিনি আহত হন বলে জানান।
এ ঘটনায় বিএনপি ও ছাত্রদলের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীদের মধ্যে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা গেছে। কেউ কেউ ঘটনাটিকে অনাকাঙ্ক্ষিত বলে উল্লেখ করে নিরাপত্তা বাহিনীর দায়িত্ব পালনে কোনো ধরনের ছাড় না দেওয়ার পক্ষে মত দিয়েছেন
ঢাকা মহানগর দক্ষিণ ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক আব্দুর রহিম ভূঁইয়া দলীয় পদ থেকে অব্যাহতি পেয়েছেন। প্রধানমন্ত্রীর নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা সদস্যদের সঙ্গে বাগবিতণ্ডা ও শৃঙ্খলা ভঙ্গের অভিযোগের ভিত্তিতে এ সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।
শনিবার (৩০ মে) বিকেলে ছাত্রদলের দফতর সম্পাদক মো. জাহাঙ্গীর আলম স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে বিষয়টি জানানো হয়। বিজ্ঞপ্তিতে কেন্দ্রীয় সভাপতি রাকিবুল ইসলাম রাকিব এবং সাধারণ সম্পাদক নাছির উদ্দীন নাছিরের অনুমোদনের কথা উল্লেখ করা হয়।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, সাংগঠনিক শৃঙ্খলা ভঙ্গের সুনির্দিষ্ট অভিযোগের ভিত্তিতে আব্দুর রহিম ভূঁইয়াকে পদ থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে ঢাকা মহানগর দক্ষিণ শাখার সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক রফিকুল ইসলাম রফিককে ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।
ঘটনার সূত্রপাত হয় জিয়া উদ্যানে বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমানের মৃত্যুবার্ষিকীর কর্মসূচি চলাকালে। ওই সময় গাড়িবহরের পেছনের সড়কে প্রধানমন্ত্রীর নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা স্পেশাল সিকিউরিটি ফোর্স (এসএসএফ) সদস্যদের সঙ্গে ছাত্রদল নেতাদের বাগবিতণ্ডার একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে।
ভিডিওতে দেখা যায়, নিরাপত্তা বাহিনীর গাড়ি দ্রুতগতিতে অতিক্রম করার সময় কিছু নেতা গাড়ির সামনে এগিয়ে যান এবং উভয় পক্ষের মধ্যে উত্তেজনাকর পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। এ সময় বাকবিতণ্ডা ও গালিগালাজের অভিযোগ ওঠে।
তবে আব্দুর রহিম ভূঁইয়া সাংবাদিকদের কাছে দাবি করেন, তিনি কোনো গালিগালাজ করেননি; বরং নিরাপত্তা টিমের পক্ষ থেকেই তাকে ধাক্কা দিয়ে ফেলে দেওয়া হয় এবং তিনি আহত হন বলে জানান।
এ ঘটনায় বিএনপি ও ছাত্রদলের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীদের মধ্যে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা গেছে। কেউ কেউ ঘটনাটিকে অনাকাঙ্ক্ষিত বলে উল্লেখ করে নিরাপত্তা বাহিনীর দায়িত্ব পালনে কোনো ধরনের ছাড় না দেওয়ার পক্ষে মত দিয়েছেন
এখনও কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!