
পদ্মা সেতু প্রকল্পের মতোই তিস্তা মহাপরিকল্পনাও দ্রুত জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) অনুমোদন নিয়ে বাস্তবায়নের পথে এগিয়ে যাবে বলে জানিয়েছেন পানি সম্পদমন্ত্রী শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানি।
আজ শুক্রবার (১৯ জুন) দুপুরে নীলফামারীর তিস্তা ব্যারাজ এলাকা পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে পানি সম্পদমন্ত্রী এ কথা বলেন।
পানি সম্পদমন্ত্রী বলেন, উজানে গজলডোবা, সেখানে যেভাবে পানির স্রোত আসছে। পাশ্ববর্তী দেশ তো তাদের গেটগুলো ওপেন করে দিয়েছে। এই খাড়া স্রোতের কারণে তিস্তার পাড় ভেঙে যাচ্ছে, আরেক দিকে এখানে নদী ভাঙন ব্যাপকভাবে দেখা দিচ্ছে। পানির এত ওভার ফ্লো হচ্ছে, তাতে এলাকার মানুষের বসবাস করা কঠিন হয়ে যাচ্ছে। এ কষ্ট লাঘবে পরিকল্পিত ড্রেজিং ও বাঁধ নির্মাণ করা হবে।
পানি সম্পদমন্ত্রী আরও বলেন, তিস্তাপাড়ের সব দিক বিবেচনা করলে তিস্তা মহাপরিকল্পনা অতি প্রয়োজন। শুধু এখানে নয়, গোটা দেশের জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ। প্রধানমন্ত্রীর প্রতিশ্রুতির ভিত্তিতে আমরা আজকে টেকনিক্যাল টিম নিয়ে পরিদর্শনে এসেছি।
শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানি বলেন, তিস্তা শুধু আপনাদের (লালমনিরহাট-রংপুর) দুঃখ নয়, এটা সারা বাংলাদেশের দুঃখ। আমরা যখনই এ কাজগুলো দৃশ্যমান করে সমাপ্ত করতে পারব, হয়তো দু-চার বছর বা ছয়-সাত বছর লাগবে। কিন্তু এর যে বেনিফিটটা আসবে, তা আমরা এ অঞ্চলের মানুষ পাব, সারা বাংলাদেশের অর্থনীতি চাঙ্গা হবে। অর্থনীতির ভিত মজবুত হবে। এখানে কৃষি উপকরণ এবং কৃষিভিত্তিক অঞ্চল হিসেবে যেটা পাঁচটা জেলার দুঃখ, তা আনন্দে পরিণত হবে। আপনাদের এলাকা উৎপাদনের এলাকায় পরিণত হবে। সেই দিকেই আমরা যাচ্ছি।
পানি সম্পদমন্ত্রী আরও বলেন, এটার জন্য দীর্ঘ কাজ রয়েছে। অনেক বৈঠক রয়েছে। তারপর কুয়েটে সেমিনার শেষ করে পদ্মা ব্যারাজ প্রকল্পের মতো এ প্রকল্প একনেকে আনা হবে।
এ সময় পানি সম্পদমন্ত্রীর সঙ্গে ছিলেন দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণমন্ত্রী আসাদুল হাবিব দুলু, পানি সম্পদ প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন আজাদ, লালমনিরহাট-১ আসনের সংসদ সদস্য ব্যারিস্টার হাসান রাজিব প্রধান, লালমনিরহাট-২ আসনের সংসদ সদস্য রোকন উদ্দিন বাবুল এবং পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়সহ লালমনিরহাট, নীলফামারীর জেলা প্রশাসক ও প্রশাসনের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তারা।

পদ্মা সেতু প্রকল্পের মতোই তিস্তা মহাপরিকল্পনাও দ্রুত জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) অনুমোদন নিয়ে বাস্তবায়নের পথে এগিয়ে যাবে বলে জানিয়েছেন পানি সম্পদমন্ত্রী শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানি।
আজ শুক্রবার (১৯ জুন) দুপুরে নীলফামারীর তিস্তা ব্যারাজ এলাকা পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে পানি সম্পদমন্ত্রী এ কথা বলেন।
পানি সম্পদমন্ত্রী বলেন, উজানে গজলডোবা, সেখানে যেভাবে পানির স্রোত আসছে। পাশ্ববর্তী দেশ তো তাদের গেটগুলো ওপেন করে দিয়েছে। এই খাড়া স্রোতের কারণে তিস্তার পাড় ভেঙে যাচ্ছে, আরেক দিকে এখানে নদী ভাঙন ব্যাপকভাবে দেখা দিচ্ছে। পানির এত ওভার ফ্লো হচ্ছে, তাতে এলাকার মানুষের বসবাস করা কঠিন হয়ে যাচ্ছে। এ কষ্ট লাঘবে পরিকল্পিত ড্রেজিং ও বাঁধ নির্মাণ করা হবে।
পানি সম্পদমন্ত্রী আরও বলেন, তিস্তাপাড়ের সব দিক বিবেচনা করলে তিস্তা মহাপরিকল্পনা অতি প্রয়োজন। শুধু এখানে নয়, গোটা দেশের জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ। প্রধানমন্ত্রীর প্রতিশ্রুতির ভিত্তিতে আমরা আজকে টেকনিক্যাল টিম নিয়ে পরিদর্শনে এসেছি।
শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানি বলেন, তিস্তা শুধু আপনাদের (লালমনিরহাট-রংপুর) দুঃখ নয়, এটা সারা বাংলাদেশের দুঃখ। আমরা যখনই এ কাজগুলো দৃশ্যমান করে সমাপ্ত করতে পারব, হয়তো দু-চার বছর বা ছয়-সাত বছর লাগবে। কিন্তু এর যে বেনিফিটটা আসবে, তা আমরা এ অঞ্চলের মানুষ পাব, সারা বাংলাদেশের অর্থনীতি চাঙ্গা হবে। অর্থনীতির ভিত মজবুত হবে। এখানে কৃষি উপকরণ এবং কৃষিভিত্তিক অঞ্চল হিসেবে যেটা পাঁচটা জেলার দুঃখ, তা আনন্দে পরিণত হবে। আপনাদের এলাকা উৎপাদনের এলাকায় পরিণত হবে। সেই দিকেই আমরা যাচ্ছি।
পানি সম্পদমন্ত্রী আরও বলেন, এটার জন্য দীর্ঘ কাজ রয়েছে। অনেক বৈঠক রয়েছে। তারপর কুয়েটে সেমিনার শেষ করে পদ্মা ব্যারাজ প্রকল্পের মতো এ প্রকল্প একনেকে আনা হবে।
এ সময় পানি সম্পদমন্ত্রীর সঙ্গে ছিলেন দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণমন্ত্রী আসাদুল হাবিব দুলু, পানি সম্পদ প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন আজাদ, লালমনিরহাট-১ আসনের সংসদ সদস্য ব্যারিস্টার হাসান রাজিব প্রধান, লালমনিরহাট-২ আসনের সংসদ সদস্য রোকন উদ্দিন বাবুল এবং পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়সহ লালমনিরহাট, নীলফামারীর জেলা প্রশাসক ও প্রশাসনের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তারা।

পদ্মা সেতু প্রকল্পের মতোই তিস্তা মহাপরিকল্পনাও দ্রুত জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) অনুমোদন নিয়ে বাস্তবায়নের পথে এগিয়ে যাবে বলে জানিয়েছেন পানি সম্পদমন্ত্রী শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানি।
আজ শুক্রবার (১৯ জুন) দুপুরে নীলফামারীর তিস্তা ব্যারাজ এলাকা পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে পানি সম্পদমন্ত্রী এ কথা বলেন।
পানি সম্পদমন্ত্রী বলেন, উজানে গজলডোবা, সেখানে যেভাবে পানির স্রোত আসছে। পাশ্ববর্তী দেশ তো তাদের গেটগুলো ওপেন করে দিয়েছে। এই খাড়া স্রোতের কারণে তিস্তার পাড় ভেঙে যাচ্ছে, আরেক দিকে এখানে নদী ভাঙন ব্যাপকভাবে দেখা দিচ্ছে। পানির এত ওভার ফ্লো হচ্ছে, তাতে এলাকার মানুষের বসবাস করা কঠিন হয়ে যাচ্ছে। এ কষ্ট লাঘবে পরিকল্পিত ড্রেজিং ও বাঁধ নির্মাণ করা হবে।
পানি সম্পদমন্ত্রী আরও বলেন, তিস্তাপাড়ের সব দিক বিবেচনা করলে তিস্তা মহাপরিকল্পনা অতি প্রয়োজন। শুধু এখানে নয়, গোটা দেশের জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ। প্রধানমন্ত্রীর প্রতিশ্রুতির ভিত্তিতে আমরা আজকে টেকনিক্যাল টিম নিয়ে পরিদর্শনে এসেছি।
শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানি বলেন, তিস্তা শুধু আপনাদের (লালমনিরহাট-রংপুর) দুঃখ নয়, এটা সারা বাংলাদেশের দুঃখ। আমরা যখনই এ কাজগুলো দৃশ্যমান করে সমাপ্ত করতে পারব, হয়তো দু-চার বছর বা ছয়-সাত বছর লাগবে। কিন্তু এর যে বেনিফিটটা আসবে, তা আমরা এ অঞ্চলের মানুষ পাব, সারা বাংলাদেশের অর্থনীতি চাঙ্গা হবে। অর্থনীতির ভিত মজবুত হবে। এখানে কৃষি উপকরণ এবং কৃষিভিত্তিক অঞ্চল হিসেবে যেটা পাঁচটা জেলার দুঃখ, তা আনন্দে পরিণত হবে। আপনাদের এলাকা উৎপাদনের এলাকায় পরিণত হবে। সেই দিকেই আমরা যাচ্ছি।
পানি সম্পদমন্ত্রী আরও বলেন, এটার জন্য দীর্ঘ কাজ রয়েছে। অনেক বৈঠক রয়েছে। তারপর কুয়েটে সেমিনার শেষ করে পদ্মা ব্যারাজ প্রকল্পের মতো এ প্রকল্প একনেকে আনা হবে।
এ সময় পানি সম্পদমন্ত্রীর সঙ্গে ছিলেন দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণমন্ত্রী আসাদুল হাবিব দুলু, পানি সম্পদ প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন আজাদ, লালমনিরহাট-১ আসনের সংসদ সদস্য ব্যারিস্টার হাসান রাজিব প্রধান, লালমনিরহাট-২ আসনের সংসদ সদস্য রোকন উদ্দিন বাবুল এবং পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়সহ লালমনিরহাট, নীলফামারীর জেলা প্রশাসক ও প্রশাসনের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তারা।

পদ্মা সেতু প্রকল্পের মতোই তিস্তা মহাপরিকল্পনাও দ্রুত জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) অনুমোদন নিয়ে বাস্তবায়নের পথে এগিয়ে যাবে বলে জানিয়েছেন পানি সম্পদমন্ত্রী শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানি।
আজ শুক্রবার (১৯ জুন) দুপুরে নীলফামারীর তিস্তা ব্যারাজ এলাকা পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে পানি সম্পদমন্ত্রী এ কথা বলেন।
পানি সম্পদমন্ত্রী বলেন, উজানে গজলডোবা, সেখানে যেভাবে পানির স্রোত আসছে। পাশ্ববর্তী দেশ তো তাদের গেটগুলো ওপেন করে দিয়েছে। এই খাড়া স্রোতের কারণে তিস্তার পাড় ভেঙে যাচ্ছে, আরেক দিকে এখানে নদী ভাঙন ব্যাপকভাবে দেখা দিচ্ছে। পানির এত ওভার ফ্লো হচ্ছে, তাতে এলাকার মানুষের বসবাস করা কঠিন হয়ে যাচ্ছে। এ কষ্ট লাঘবে পরিকল্পিত ড্রেজিং ও বাঁধ নির্মাণ করা হবে।
পানি সম্পদমন্ত্রী আরও বলেন, তিস্তাপাড়ের সব দিক বিবেচনা করলে তিস্তা মহাপরিকল্পনা অতি প্রয়োজন। শুধু এখানে নয়, গোটা দেশের জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ। প্রধানমন্ত্রীর প্রতিশ্রুতির ভিত্তিতে আমরা আজকে টেকনিক্যাল টিম নিয়ে পরিদর্শনে এসেছি।
শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানি বলেন, তিস্তা শুধু আপনাদের (লালমনিরহাট-রংপুর) দুঃখ নয়, এটা সারা বাংলাদেশের দুঃখ। আমরা যখনই এ কাজগুলো দৃশ্যমান করে সমাপ্ত করতে পারব, হয়তো দু-চার বছর বা ছয়-সাত বছর লাগবে। কিন্তু এর যে বেনিফিটটা আসবে, তা আমরা এ অঞ্চলের মানুষ পাব, সারা বাংলাদেশের অর্থনীতি চাঙ্গা হবে। অর্থনীতির ভিত মজবুত হবে। এখানে কৃষি উপকরণ এবং কৃষিভিত্তিক অঞ্চল হিসেবে যেটা পাঁচটা জেলার দুঃখ, তা আনন্দে পরিণত হবে। আপনাদের এলাকা উৎপাদনের এলাকায় পরিণত হবে। সেই দিকেই আমরা যাচ্ছি।
পানি সম্পদমন্ত্রী আরও বলেন, এটার জন্য দীর্ঘ কাজ রয়েছে। অনেক বৈঠক রয়েছে। তারপর কুয়েটে সেমিনার শেষ করে পদ্মা ব্যারাজ প্রকল্পের মতো এ প্রকল্প একনেকে আনা হবে।
এ সময় পানি সম্পদমন্ত্রীর সঙ্গে ছিলেন দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণমন্ত্রী আসাদুল হাবিব দুলু, পানি সম্পদ প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন আজাদ, লালমনিরহাট-১ আসনের সংসদ সদস্য ব্যারিস্টার হাসান রাজিব প্রধান, লালমনিরহাট-২ আসনের সংসদ সদস্য রোকন উদ্দিন বাবুল এবং পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়সহ লালমনিরহাট, নীলফামারীর জেলা প্রশাসক ও প্রশাসনের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তারা।
এখনও কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!