গত চার দিনের যৌথ সামরিক অভিযানে নিহতের সংখ্যা বেড়ে ৭৮৭ জনে পৌঁছেছে বলে জানিয়েছে ইরান রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটি। আন্তর্জাতিক সংবাদ সংস্থা ফরাসি বার্তা সংস্থা এএফপি এই তথ্য নিশ্চিত করেছে।
রেড ক্রিসেন্টের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, শনিবার থেকে শুরু হওয়া অভিযানে ইরানের ১৫৩টি শহর ও ৫০০টির বেশি কৌশলগত স্থানে এক হাজারের বেশি বিমান ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলা হয়েছে। উদ্ধারকর্মীরা ধ্বংসস্তূপ থেকে মরদেহ উদ্ধার অব্যাহত রাখায় নিহতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে।
মঙ্গলবার (৩ মার্চ) রাজধানী তেহরানে নতুন করে বিস্ফোরণের শব্দ শোনা গেছে। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, ভোর থেকে আকাশে যুদ্ধবিমানের গর্জন ও বিস্ফোরণের শব্দ পাওয়া যায়। রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যমের খবর অনুযায়ী, পার্শ্ববর্তী কারাজ ও ইসফাহানেও সিরিজ হামলা হয়েছে। আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা কিছু ক্ষেপণাস্ত্র ভূপাতিত করার দাবি করলেও বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে স্থানীয় সূত্র জানায়।
আবাসিক এলাকায় হামলার কারণে মানবিক সংকট গভীর হয়েছে। অনেক মানুষ এখনো ধ্বংসস্তূপের নিচে আটকে থাকতে পারে—এমন আশঙ্কায় উদ্ধার অভিযান চলছে। প্রশাসন নাগরিকদের নিরাপদ আশ্রয়ে থাকার নির্দেশ দিয়েছে, তবে সাধারণ মানুষের মধ্যে আতঙ্ক বিরাজ করছে।
উল্লেখ্য, পারমাণবিক কর্মসূচি নিয়ে আলোচনা ব্যর্থ হওয়ার পর গত শনিবার সামরিক অভিযান শুরু করে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল
গত চার দিনের যৌথ সামরিক অভিযানে নিহতের সংখ্যা বেড়ে ৭৮৭ জনে পৌঁছেছে বলে জানিয়েছে ইরান রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটি। আন্তর্জাতিক সংবাদ সংস্থা ফরাসি বার্তা সংস্থা এএফপি এই তথ্য নিশ্চিত করেছে।
রেড ক্রিসেন্টের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, শনিবার থেকে শুরু হওয়া অভিযানে ইরানের ১৫৩টি শহর ও ৫০০টির বেশি কৌশলগত স্থানে এক হাজারের বেশি বিমান ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলা হয়েছে। উদ্ধারকর্মীরা ধ্বংসস্তূপ থেকে মরদেহ উদ্ধার অব্যাহত রাখায় নিহতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে।
মঙ্গলবার (৩ মার্চ) রাজধানী তেহরানে নতুন করে বিস্ফোরণের শব্দ শোনা গেছে। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, ভোর থেকে আকাশে যুদ্ধবিমানের গর্জন ও বিস্ফোরণের শব্দ পাওয়া যায়। রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যমের খবর অনুযায়ী, পার্শ্ববর্তী কারাজ ও ইসফাহানেও সিরিজ হামলা হয়েছে। আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা কিছু ক্ষেপণাস্ত্র ভূপাতিত করার দাবি করলেও বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে স্থানীয় সূত্র জানায়।
আবাসিক এলাকায় হামলার কারণে মানবিক সংকট গভীর হয়েছে। অনেক মানুষ এখনো ধ্বংসস্তূপের নিচে আটকে থাকতে পারে—এমন আশঙ্কায় উদ্ধার অভিযান চলছে। প্রশাসন নাগরিকদের নিরাপদ আশ্রয়ে থাকার নির্দেশ দিয়েছে, তবে সাধারণ মানুষের মধ্যে আতঙ্ক বিরাজ করছে।
উল্লেখ্য, পারমাণবিক কর্মসূচি নিয়ে আলোচনা ব্যর্থ হওয়ার পর গত শনিবার সামরিক অভিযান শুরু করে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল
গত চার দিনের যৌথ সামরিক অভিযানে নিহতের সংখ্যা বেড়ে ৭৮৭ জনে পৌঁছেছে বলে জানিয়েছে ইরান রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটি। আন্তর্জাতিক সংবাদ সংস্থা ফরাসি বার্তা সংস্থা এএফপি এই তথ্য নিশ্চিত করেছে।
রেড ক্রিসেন্টের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, শনিবার থেকে শুরু হওয়া অভিযানে ইরানের ১৫৩টি শহর ও ৫০০টির বেশি কৌশলগত স্থানে এক হাজারের বেশি বিমান ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলা হয়েছে। উদ্ধারকর্মীরা ধ্বংসস্তূপ থেকে মরদেহ উদ্ধার অব্যাহত রাখায় নিহতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে।
মঙ্গলবার (৩ মার্চ) রাজধানী তেহরানে নতুন করে বিস্ফোরণের শব্দ শোনা গেছে। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, ভোর থেকে আকাশে যুদ্ধবিমানের গর্জন ও বিস্ফোরণের শব্দ পাওয়া যায়। রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যমের খবর অনুযায়ী, পার্শ্ববর্তী কারাজ ও ইসফাহানেও সিরিজ হামলা হয়েছে। আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা কিছু ক্ষেপণাস্ত্র ভূপাতিত করার দাবি করলেও বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে স্থানীয় সূত্র জানায়।
আবাসিক এলাকায় হামলার কারণে মানবিক সংকট গভীর হয়েছে। অনেক মানুষ এখনো ধ্বংসস্তূপের নিচে আটকে থাকতে পারে—এমন আশঙ্কায় উদ্ধার অভিযান চলছে। প্রশাসন নাগরিকদের নিরাপদ আশ্রয়ে থাকার নির্দেশ দিয়েছে, তবে সাধারণ মানুষের মধ্যে আতঙ্ক বিরাজ করছে।
উল্লেখ্য, পারমাণবিক কর্মসূচি নিয়ে আলোচনা ব্যর্থ হওয়ার পর গত শনিবার সামরিক অভিযান শুরু করে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল
গত চার দিনের যৌথ সামরিক অভিযানে নিহতের সংখ্যা বেড়ে ৭৮৭ জনে পৌঁছেছে বলে জানিয়েছে ইরান রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটি। আন্তর্জাতিক সংবাদ সংস্থা ফরাসি বার্তা সংস্থা এএফপি এই তথ্য নিশ্চিত করেছে।
রেড ক্রিসেন্টের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, শনিবার থেকে শুরু হওয়া অভিযানে ইরানের ১৫৩টি শহর ও ৫০০টির বেশি কৌশলগত স্থানে এক হাজারের বেশি বিমান ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলা হয়েছে। উদ্ধারকর্মীরা ধ্বংসস্তূপ থেকে মরদেহ উদ্ধার অব্যাহত রাখায় নিহতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে।
মঙ্গলবার (৩ মার্চ) রাজধানী তেহরানে নতুন করে বিস্ফোরণের শব্দ শোনা গেছে। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, ভোর থেকে আকাশে যুদ্ধবিমানের গর্জন ও বিস্ফোরণের শব্দ পাওয়া যায়। রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যমের খবর অনুযায়ী, পার্শ্ববর্তী কারাজ ও ইসফাহানেও সিরিজ হামলা হয়েছে। আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা কিছু ক্ষেপণাস্ত্র ভূপাতিত করার দাবি করলেও বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে স্থানীয় সূত্র জানায়।
আবাসিক এলাকায় হামলার কারণে মানবিক সংকট গভীর হয়েছে। অনেক মানুষ এখনো ধ্বংসস্তূপের নিচে আটকে থাকতে পারে—এমন আশঙ্কায় উদ্ধার অভিযান চলছে। প্রশাসন নাগরিকদের নিরাপদ আশ্রয়ে থাকার নির্দেশ দিয়েছে, তবে সাধারণ মানুষের মধ্যে আতঙ্ক বিরাজ করছে।
উল্লেখ্য, পারমাণবিক কর্মসূচি নিয়ে আলোচনা ব্যর্থ হওয়ার পর গত শনিবার সামরিক অভিযান শুরু করে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল
এখনও কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!