
ইসরায়েলের সম্ভাব্য হামলার জবাবে ইরান যুক্তরাষ্ট্রের ওপর পাল্টা আঘাত হানতে পারে-এমন আসন্ন হুমকির আশঙ্কা থেকেই তেহরানের বিরুদ্ধে সামরিক অভিযান চালানো হয়েছে বলে জানিয়েছেন মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও। তবে তিনি স্পষ্ট করেছেন, এই অভিযানের লক্ষ্য ইরানে সরকার পরিবর্তন নয় এবং ইসরায়েল যুক্তরাষ্ট্রকে হামলায় বাধ্য করেনি।
সোমবার (২ মার্চ) ওয়াশিংটনের ক্যাপিটল হিলে কংগ্রেসের শীর্ষ নেতাদের-‘গ্যাং অব এইট’-ব্রিফ করার আগে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন রুবিও।
তিনি বলেন, ‘একেবারেই একটি আসন্ন হুমকি ছিল। আমরা জানতাম, ইরান যদি আক্রান্ত হয় তাহলে তারা সঙ্গে সঙ্গে আমাদের ওপর আঘাত হানবে। আমরা বসে থেকে সেই আঘাত সহ্য করার অপেক্ষা করতে চাইনি।’
রুবিও জানান, যুক্তরাষ্ট্রের কাছে এমন গোয়েন্দা তথ্য ছিল, যাতে ইঙ্গিত পাওয়া যায়-যেকোনো পক্ষের হামলার জবাবে ইরান মার্কিন স্বার্থ ও বাহিনীর বিরুদ্ধে পাল্টা হামলার প্রস্তুতি নিয়ে রেখেছিল। তার ভাষায়, মাঠপর্যায়ের কমান্ডারদের কাছে আগেই নির্দেশনা পৌঁছে দেওয়া হয়েছিল এবং প্রতিক্রিয়া প্রায় স্বয়ংক্রিয় হওয়ার কথা ছিল।
তিনি আরও দাবি করেন, যুক্তরাষ্ট্রের হামলার পর ইরানের দ্রুত প্রতিশোধমূলক পদক্ষেপই প্রমাণ করে যে তাদের ক্ষেপণাস্ত্র আগে থেকেই প্রস্তুত রাখা হয়েছিল। এমনকি নেতৃত্বকে লক্ষ্য করে প্রথম আঘাতের আগেই কিছু হামলার প্রস্তুতি সম্পন্ন ছিল বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
রুবিও বলেন, ‘আমরা যদি আগে পদক্ষেপ না নিতাম এবং ইরানের হামলার জন্য অপেক্ষা করতাম, তাহলে মার্কিন হতাহতের সংখ্যা আরও অনেক বেশি হতে পারত। আমরা জানতাম, ইসরায়েল একটি অভিযান চালাতে যাচ্ছে। সেটি সরাসরি আমেরিকান বাহিনীর বিরুদ্ধে ইরানের হামলা ডেকে আনত। তাই আমরা আগে ব্যবস্থা নিয়েছি।’
ব্রিফিংয়ের পর প্রতিনিধি পরিষদের স্পিকার মাইক জনসন রুবিওর বক্তব্যের প্রতি সমর্থন জানিয়ে বলেন, যুক্তরাষ্ট্র যদি ইসরায়েলের সঙ্গে একই সময়ে অভিযান না চালাত, তাহলে এর পরিণতি ভয়াবহ হতে পারত।
তবে রুবিও জোর দিয়ে বলেন, ইসরায়েল যুক্তরাষ্ট্রকে এই অভিযানে নামতে বাধ্য করেনি। তিনি আরও বলেন, প্রশাসনের আশা-একদিন ইরানের জনগণ নিজেরাই নিজেদের ভবিষ্যৎ নির্ধারণ করবে। তবে বর্তমান সামরিক অভিযানের উদ্দেশ্য হিসেবে সরকার পরিবর্তনের বিষয়টি তিনি স্পষ্টভাবে নাকচ করেন। সূত্র: এবিসি নিউজ

ইসরায়েলের সম্ভাব্য হামলার জবাবে ইরান যুক্তরাষ্ট্রের ওপর পাল্টা আঘাত হানতে পারে-এমন আসন্ন হুমকির আশঙ্কা থেকেই তেহরানের বিরুদ্ধে সামরিক অভিযান চালানো হয়েছে বলে জানিয়েছেন মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও। তবে তিনি স্পষ্ট করেছেন, এই অভিযানের লক্ষ্য ইরানে সরকার পরিবর্তন নয় এবং ইসরায়েল যুক্তরাষ্ট্রকে হামলায় বাধ্য করেনি।
সোমবার (২ মার্চ) ওয়াশিংটনের ক্যাপিটল হিলে কংগ্রেসের শীর্ষ নেতাদের-‘গ্যাং অব এইট’-ব্রিফ করার আগে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন রুবিও।
তিনি বলেন, ‘একেবারেই একটি আসন্ন হুমকি ছিল। আমরা জানতাম, ইরান যদি আক্রান্ত হয় তাহলে তারা সঙ্গে সঙ্গে আমাদের ওপর আঘাত হানবে। আমরা বসে থেকে সেই আঘাত সহ্য করার অপেক্ষা করতে চাইনি।’
রুবিও জানান, যুক্তরাষ্ট্রের কাছে এমন গোয়েন্দা তথ্য ছিল, যাতে ইঙ্গিত পাওয়া যায়-যেকোনো পক্ষের হামলার জবাবে ইরান মার্কিন স্বার্থ ও বাহিনীর বিরুদ্ধে পাল্টা হামলার প্রস্তুতি নিয়ে রেখেছিল। তার ভাষায়, মাঠপর্যায়ের কমান্ডারদের কাছে আগেই নির্দেশনা পৌঁছে দেওয়া হয়েছিল এবং প্রতিক্রিয়া প্রায় স্বয়ংক্রিয় হওয়ার কথা ছিল।
তিনি আরও দাবি করেন, যুক্তরাষ্ট্রের হামলার পর ইরানের দ্রুত প্রতিশোধমূলক পদক্ষেপই প্রমাণ করে যে তাদের ক্ষেপণাস্ত্র আগে থেকেই প্রস্তুত রাখা হয়েছিল। এমনকি নেতৃত্বকে লক্ষ্য করে প্রথম আঘাতের আগেই কিছু হামলার প্রস্তুতি সম্পন্ন ছিল বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
রুবিও বলেন, ‘আমরা যদি আগে পদক্ষেপ না নিতাম এবং ইরানের হামলার জন্য অপেক্ষা করতাম, তাহলে মার্কিন হতাহতের সংখ্যা আরও অনেক বেশি হতে পারত। আমরা জানতাম, ইসরায়েল একটি অভিযান চালাতে যাচ্ছে। সেটি সরাসরি আমেরিকান বাহিনীর বিরুদ্ধে ইরানের হামলা ডেকে আনত। তাই আমরা আগে ব্যবস্থা নিয়েছি।’
ব্রিফিংয়ের পর প্রতিনিধি পরিষদের স্পিকার মাইক জনসন রুবিওর বক্তব্যের প্রতি সমর্থন জানিয়ে বলেন, যুক্তরাষ্ট্র যদি ইসরায়েলের সঙ্গে একই সময়ে অভিযান না চালাত, তাহলে এর পরিণতি ভয়াবহ হতে পারত।
তবে রুবিও জোর দিয়ে বলেন, ইসরায়েল যুক্তরাষ্ট্রকে এই অভিযানে নামতে বাধ্য করেনি। তিনি আরও বলেন, প্রশাসনের আশা-একদিন ইরানের জনগণ নিজেরাই নিজেদের ভবিষ্যৎ নির্ধারণ করবে। তবে বর্তমান সামরিক অভিযানের উদ্দেশ্য হিসেবে সরকার পরিবর্তনের বিষয়টি তিনি স্পষ্টভাবে নাকচ করেন। সূত্র: এবিসি নিউজ

ইসরায়েলের সম্ভাব্য হামলার জবাবে ইরান যুক্তরাষ্ট্রের ওপর পাল্টা আঘাত হানতে পারে-এমন আসন্ন হুমকির আশঙ্কা থেকেই তেহরানের বিরুদ্ধে সামরিক অভিযান চালানো হয়েছে বলে জানিয়েছেন মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও। তবে তিনি স্পষ্ট করেছেন, এই অভিযানের লক্ষ্য ইরানে সরকার পরিবর্তন নয় এবং ইসরায়েল যুক্তরাষ্ট্রকে হামলায় বাধ্য করেনি।
সোমবার (২ মার্চ) ওয়াশিংটনের ক্যাপিটল হিলে কংগ্রেসের শীর্ষ নেতাদের-‘গ্যাং অব এইট’-ব্রিফ করার আগে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন রুবিও।
তিনি বলেন, ‘একেবারেই একটি আসন্ন হুমকি ছিল। আমরা জানতাম, ইরান যদি আক্রান্ত হয় তাহলে তারা সঙ্গে সঙ্গে আমাদের ওপর আঘাত হানবে। আমরা বসে থেকে সেই আঘাত সহ্য করার অপেক্ষা করতে চাইনি।’
রুবিও জানান, যুক্তরাষ্ট্রের কাছে এমন গোয়েন্দা তথ্য ছিল, যাতে ইঙ্গিত পাওয়া যায়-যেকোনো পক্ষের হামলার জবাবে ইরান মার্কিন স্বার্থ ও বাহিনীর বিরুদ্ধে পাল্টা হামলার প্রস্তুতি নিয়ে রেখেছিল। তার ভাষায়, মাঠপর্যায়ের কমান্ডারদের কাছে আগেই নির্দেশনা পৌঁছে দেওয়া হয়েছিল এবং প্রতিক্রিয়া প্রায় স্বয়ংক্রিয় হওয়ার কথা ছিল।
তিনি আরও দাবি করেন, যুক্তরাষ্ট্রের হামলার পর ইরানের দ্রুত প্রতিশোধমূলক পদক্ষেপই প্রমাণ করে যে তাদের ক্ষেপণাস্ত্র আগে থেকেই প্রস্তুত রাখা হয়েছিল। এমনকি নেতৃত্বকে লক্ষ্য করে প্রথম আঘাতের আগেই কিছু হামলার প্রস্তুতি সম্পন্ন ছিল বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
রুবিও বলেন, ‘আমরা যদি আগে পদক্ষেপ না নিতাম এবং ইরানের হামলার জন্য অপেক্ষা করতাম, তাহলে মার্কিন হতাহতের সংখ্যা আরও অনেক বেশি হতে পারত। আমরা জানতাম, ইসরায়েল একটি অভিযান চালাতে যাচ্ছে। সেটি সরাসরি আমেরিকান বাহিনীর বিরুদ্ধে ইরানের হামলা ডেকে আনত। তাই আমরা আগে ব্যবস্থা নিয়েছি।’
ব্রিফিংয়ের পর প্রতিনিধি পরিষদের স্পিকার মাইক জনসন রুবিওর বক্তব্যের প্রতি সমর্থন জানিয়ে বলেন, যুক্তরাষ্ট্র যদি ইসরায়েলের সঙ্গে একই সময়ে অভিযান না চালাত, তাহলে এর পরিণতি ভয়াবহ হতে পারত।
তবে রুবিও জোর দিয়ে বলেন, ইসরায়েল যুক্তরাষ্ট্রকে এই অভিযানে নামতে বাধ্য করেনি। তিনি আরও বলেন, প্রশাসনের আশা-একদিন ইরানের জনগণ নিজেরাই নিজেদের ভবিষ্যৎ নির্ধারণ করবে। তবে বর্তমান সামরিক অভিযানের উদ্দেশ্য হিসেবে সরকার পরিবর্তনের বিষয়টি তিনি স্পষ্টভাবে নাকচ করেন। সূত্র: এবিসি নিউজ

ইসরায়েলের সম্ভাব্য হামলার জবাবে ইরান যুক্তরাষ্ট্রের ওপর পাল্টা আঘাত হানতে পারে-এমন আসন্ন হুমকির আশঙ্কা থেকেই তেহরানের বিরুদ্ধে সামরিক অভিযান চালানো হয়েছে বলে জানিয়েছেন মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও। তবে তিনি স্পষ্ট করেছেন, এই অভিযানের লক্ষ্য ইরানে সরকার পরিবর্তন নয় এবং ইসরায়েল যুক্তরাষ্ট্রকে হামলায় বাধ্য করেনি।
সোমবার (২ মার্চ) ওয়াশিংটনের ক্যাপিটল হিলে কংগ্রেসের শীর্ষ নেতাদের-‘গ্যাং অব এইট’-ব্রিফ করার আগে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন রুবিও।
তিনি বলেন, ‘একেবারেই একটি আসন্ন হুমকি ছিল। আমরা জানতাম, ইরান যদি আক্রান্ত হয় তাহলে তারা সঙ্গে সঙ্গে আমাদের ওপর আঘাত হানবে। আমরা বসে থেকে সেই আঘাত সহ্য করার অপেক্ষা করতে চাইনি।’
রুবিও জানান, যুক্তরাষ্ট্রের কাছে এমন গোয়েন্দা তথ্য ছিল, যাতে ইঙ্গিত পাওয়া যায়-যেকোনো পক্ষের হামলার জবাবে ইরান মার্কিন স্বার্থ ও বাহিনীর বিরুদ্ধে পাল্টা হামলার প্রস্তুতি নিয়ে রেখেছিল। তার ভাষায়, মাঠপর্যায়ের কমান্ডারদের কাছে আগেই নির্দেশনা পৌঁছে দেওয়া হয়েছিল এবং প্রতিক্রিয়া প্রায় স্বয়ংক্রিয় হওয়ার কথা ছিল।
তিনি আরও দাবি করেন, যুক্তরাষ্ট্রের হামলার পর ইরানের দ্রুত প্রতিশোধমূলক পদক্ষেপই প্রমাণ করে যে তাদের ক্ষেপণাস্ত্র আগে থেকেই প্রস্তুত রাখা হয়েছিল। এমনকি নেতৃত্বকে লক্ষ্য করে প্রথম আঘাতের আগেই কিছু হামলার প্রস্তুতি সম্পন্ন ছিল বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
রুবিও বলেন, ‘আমরা যদি আগে পদক্ষেপ না নিতাম এবং ইরানের হামলার জন্য অপেক্ষা করতাম, তাহলে মার্কিন হতাহতের সংখ্যা আরও অনেক বেশি হতে পারত। আমরা জানতাম, ইসরায়েল একটি অভিযান চালাতে যাচ্ছে। সেটি সরাসরি আমেরিকান বাহিনীর বিরুদ্ধে ইরানের হামলা ডেকে আনত। তাই আমরা আগে ব্যবস্থা নিয়েছি।’
ব্রিফিংয়ের পর প্রতিনিধি পরিষদের স্পিকার মাইক জনসন রুবিওর বক্তব্যের প্রতি সমর্থন জানিয়ে বলেন, যুক্তরাষ্ট্র যদি ইসরায়েলের সঙ্গে একই সময়ে অভিযান না চালাত, তাহলে এর পরিণতি ভয়াবহ হতে পারত।
তবে রুবিও জোর দিয়ে বলেন, ইসরায়েল যুক্তরাষ্ট্রকে এই অভিযানে নামতে বাধ্য করেনি। তিনি আরও বলেন, প্রশাসনের আশা-একদিন ইরানের জনগণ নিজেরাই নিজেদের ভবিষ্যৎ নির্ধারণ করবে। তবে বর্তমান সামরিক অভিযানের উদ্দেশ্য হিসেবে সরকার পরিবর্তনের বিষয়টি তিনি স্পষ্টভাবে নাকচ করেন। সূত্র: এবিসি নিউজ
এখনও কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!