জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের সময় সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামালকে প্রত্যর্পণের জন্য ভারত সরকারের কাছে আনুষ্ঠানিক অনুরোধ জানিয়েছে বাংলাদেশ সরকার।
সম্প্রতি পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে ভারত সরকারের কাছে এ-সংক্রান্ত একটি চিঠি পাঠানো হয়েছে। একই সঙ্গে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১ এর দেওয়া মৃত্যুদণ্ডের রায়ের অনুলিপিও ভারত সরকারের কাছে পাঠানো হয়েছে।
এর আগে জুলাই-আগস্ট গণ-অভ্যুত্থানের সময় সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগে দায়ের করা মামলায় সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল এবং সাবেক পুলিশ মহাপরিদর্শক (আইজিপি) চৌধুরী আবদুল্লাহ আল-মামুনকে আসামি করা হয়।
বিচারিক কার্যক্রম শেষে ২০২৫ সালের ১৭ নভেম্বর আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১ রায় ঘোষণা করেন। রায়ে শেখ হাসিনা ও আসাদুজ্জামান খান কামালকে মানবতাবিরোধী অপরাধে দোষী সাব্যস্ত করে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়। একই মামলায় রাষ্ট্রপক্ষের সাক্ষী হওয়া সাবেক আইজিপি চৌধুরী আবদুল্লাহ আল-মামুনকে পাঁচ বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়।
সরকারি সূত্র জানিয়েছে, ট্রাইব্যুনালের রায়ের পর আসাদুজ্জামান খান কামালকে দেশে ফিরিয়ে এনে রায় কার্যকরের লক্ষ্যে কূটনৈতিক প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে ভারত সরকারের কাছে আনুষ্ঠানিক প্রত্যর্পণ অনুরোধ পাঠানো হয়েছে।
জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের সময় সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামালকে প্রত্যর্পণের জন্য ভারত সরকারের কাছে আনুষ্ঠানিক অনুরোধ জানিয়েছে বাংলাদেশ সরকার।
সম্প্রতি পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে ভারত সরকারের কাছে এ-সংক্রান্ত একটি চিঠি পাঠানো হয়েছে। একই সঙ্গে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১ এর দেওয়া মৃত্যুদণ্ডের রায়ের অনুলিপিও ভারত সরকারের কাছে পাঠানো হয়েছে।
এর আগে জুলাই-আগস্ট গণ-অভ্যুত্থানের সময় সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগে দায়ের করা মামলায় সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল এবং সাবেক পুলিশ মহাপরিদর্শক (আইজিপি) চৌধুরী আবদুল্লাহ আল-মামুনকে আসামি করা হয়।
বিচারিক কার্যক্রম শেষে ২০২৫ সালের ১৭ নভেম্বর আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১ রায় ঘোষণা করেন। রায়ে শেখ হাসিনা ও আসাদুজ্জামান খান কামালকে মানবতাবিরোধী অপরাধে দোষী সাব্যস্ত করে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়। একই মামলায় রাষ্ট্রপক্ষের সাক্ষী হওয়া সাবেক আইজিপি চৌধুরী আবদুল্লাহ আল-মামুনকে পাঁচ বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়।
সরকারি সূত্র জানিয়েছে, ট্রাইব্যুনালের রায়ের পর আসাদুজ্জামান খান কামালকে দেশে ফিরিয়ে এনে রায় কার্যকরের লক্ষ্যে কূটনৈতিক প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে ভারত সরকারের কাছে আনুষ্ঠানিক প্রত্যর্পণ অনুরোধ পাঠানো হয়েছে।
জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের সময় সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামালকে প্রত্যর্পণের জন্য ভারত সরকারের কাছে আনুষ্ঠানিক অনুরোধ জানিয়েছে বাংলাদেশ সরকার।
সম্প্রতি পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে ভারত সরকারের কাছে এ-সংক্রান্ত একটি চিঠি পাঠানো হয়েছে। একই সঙ্গে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১ এর দেওয়া মৃত্যুদণ্ডের রায়ের অনুলিপিও ভারত সরকারের কাছে পাঠানো হয়েছে।
এর আগে জুলাই-আগস্ট গণ-অভ্যুত্থানের সময় সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগে দায়ের করা মামলায় সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল এবং সাবেক পুলিশ মহাপরিদর্শক (আইজিপি) চৌধুরী আবদুল্লাহ আল-মামুনকে আসামি করা হয়।
বিচারিক কার্যক্রম শেষে ২০২৫ সালের ১৭ নভেম্বর আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১ রায় ঘোষণা করেন। রায়ে শেখ হাসিনা ও আসাদুজ্জামান খান কামালকে মানবতাবিরোধী অপরাধে দোষী সাব্যস্ত করে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়। একই মামলায় রাষ্ট্রপক্ষের সাক্ষী হওয়া সাবেক আইজিপি চৌধুরী আবদুল্লাহ আল-মামুনকে পাঁচ বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়।
সরকারি সূত্র জানিয়েছে, ট্রাইব্যুনালের রায়ের পর আসাদুজ্জামান খান কামালকে দেশে ফিরিয়ে এনে রায় কার্যকরের লক্ষ্যে কূটনৈতিক প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে ভারত সরকারের কাছে আনুষ্ঠানিক প্রত্যর্পণ অনুরোধ পাঠানো হয়েছে।
জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের সময় সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামালকে প্রত্যর্পণের জন্য ভারত সরকারের কাছে আনুষ্ঠানিক অনুরোধ জানিয়েছে বাংলাদেশ সরকার।
সম্প্রতি পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে ভারত সরকারের কাছে এ-সংক্রান্ত একটি চিঠি পাঠানো হয়েছে। একই সঙ্গে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১ এর দেওয়া মৃত্যুদণ্ডের রায়ের অনুলিপিও ভারত সরকারের কাছে পাঠানো হয়েছে।
এর আগে জুলাই-আগস্ট গণ-অভ্যুত্থানের সময় সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগে দায়ের করা মামলায় সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল এবং সাবেক পুলিশ মহাপরিদর্শক (আইজিপি) চৌধুরী আবদুল্লাহ আল-মামুনকে আসামি করা হয়।
বিচারিক কার্যক্রম শেষে ২০২৫ সালের ১৭ নভেম্বর আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১ রায় ঘোষণা করেন। রায়ে শেখ হাসিনা ও আসাদুজ্জামান খান কামালকে মানবতাবিরোধী অপরাধে দোষী সাব্যস্ত করে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়। একই মামলায় রাষ্ট্রপক্ষের সাক্ষী হওয়া সাবেক আইজিপি চৌধুরী আবদুল্লাহ আল-মামুনকে পাঁচ বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়।
সরকারি সূত্র জানিয়েছে, ট্রাইব্যুনালের রায়ের পর আসাদুজ্জামান খান কামালকে দেশে ফিরিয়ে এনে রায় কার্যকরের লক্ষ্যে কূটনৈতিক প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে ভারত সরকারের কাছে আনুষ্ঠানিক প্রত্যর্পণ অনুরোধ পাঠানো হয়েছে।
এখনও কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!