সরকারি অনুমতি ছাড়াই দীর্ঘদিন ধরে কর্মস্থলে অনুপস্থিত রয়েছেন রংপুর বিভাগের বিভিন্ন সরকারি হাসপাতালে অন্তত ২০ জন চিকিৎসক। বছরের পর বছর অনুপস্থিত থাকায় একদিকে যেমন স্বাস্থ্যসেবা ব্যাহত হচ্ছে, অন্যদিকে পদ শূন্য না হওয়ায় নতুন নিয়োগও আটকে যাচ্ছে।
অনুসন্ধানে জানা গেছে, এসব চিকিৎসকের কেউ বিদেশে অবস্থান করছেন, কেউ বেসরকারি হাসপাতালে কর্মরত, আবার কারও অবস্থানই নিশ্চিত নয় সংশ্লিষ্ট দপ্তরের কাছে।
সরকারি চাকরিবিধি অনুযায়ী, দুই মাসের বেশি অনুমোদনহীন অনুপস্থিত থাকলে বিভাগীয় ব্যবস্থা নেওয়ার বিধান থাকলেও বহু ক্ষেত্রে ছয় থেকে ১০ বছর পার হলেও কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি বলে অভিযোগ রয়েছে।
রংপুর বিভাগের বিভিন্ন হাসপাতাল ও উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে এই অনুপস্থিত চিকিৎসকদের কারণে সেবাদান কার্যক্রমে চাপ তৈরি হয়েছে। অনেক হাসপাতালে অনুমোদিত পদের বড় অংশই শূন্য থাকলেও বাস্তবে চিকিৎসকের সংখ্যা আরও কম।
পঞ্চগড়ের বোদা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে তিন চিকিৎসক দীর্ঘদিন ধরে কর্মস্থলে অনুপস্থিত বলে জানা গেছে। এর মধ্যে একজন বর্তমানে রংপুর নগরীতে নিজস্ব ক্লিনিকে রোগী দেখছেন বলে অভিযোগ রয়েছে। আরেকজন বিদেশে এবং অন্যজন কানাডায় অবস্থান করছেন বলে পরিবার সূত্র জানিয়েছে।
একইভাবে দিনাজপুর, রংপুর, ঠাকুরগাঁও, নীলফামারী, লালমনিরহাট, কুড়িগ্রাম ও গাইবান্ধার বিভিন্ন হাসপাতালে আরও কয়েকজন চিকিৎসক দীর্ঘদিন ধরে অনুপস্থিত রয়েছেন।
স্থানীয় স্বাস্থ্য কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, অনুপস্থিত চিকিৎসকদের বিরুদ্ধে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়া হয়েছে এবং বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে। তবে এখনো কার্যকর প্রশাসনিক ব্যবস্থা দৃশ্যমান হয়নি।
রংপুর বিভাগীয় স্বাস্থ্য পরিচালক (ভারপ্রাপ্ত) জানান, অনুপস্থিত চিকিৎসকদের তালিকা প্রস্তুত করে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরে পাঠানো হয়েছে। পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়ার বিষয়টি মন্ত্রণালয়ের সিদ্ধান্তের ওপর নির্ভর করছে।
এদিকে নাগরিক সমাজের প্রতিনিধিরা বলছেন, বছরের পর বছর কর্মস্থলে অনুপস্থিত থাকা শুধু প্রশাসনিক ব্যর্থতাই নয়, বরং জনস্বাস্থ্যের জন্য বড় ধরনের সংকট তৈরি করছে। দ্রুত শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়ার পাশাপাশি চিকিৎসক সংকট নিরসনে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন তারা। সূত্র: আরটিভি
সরকারি অনুমতি ছাড়াই দীর্ঘদিন ধরে কর্মস্থলে অনুপস্থিত রয়েছেন রংপুর বিভাগের বিভিন্ন সরকারি হাসপাতালে অন্তত ২০ জন চিকিৎসক। বছরের পর বছর অনুপস্থিত থাকায় একদিকে যেমন স্বাস্থ্যসেবা ব্যাহত হচ্ছে, অন্যদিকে পদ শূন্য না হওয়ায় নতুন নিয়োগও আটকে যাচ্ছে।
অনুসন্ধানে জানা গেছে, এসব চিকিৎসকের কেউ বিদেশে অবস্থান করছেন, কেউ বেসরকারি হাসপাতালে কর্মরত, আবার কারও অবস্থানই নিশ্চিত নয় সংশ্লিষ্ট দপ্তরের কাছে।
সরকারি চাকরিবিধি অনুযায়ী, দুই মাসের বেশি অনুমোদনহীন অনুপস্থিত থাকলে বিভাগীয় ব্যবস্থা নেওয়ার বিধান থাকলেও বহু ক্ষেত্রে ছয় থেকে ১০ বছর পার হলেও কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি বলে অভিযোগ রয়েছে।
রংপুর বিভাগের বিভিন্ন হাসপাতাল ও উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে এই অনুপস্থিত চিকিৎসকদের কারণে সেবাদান কার্যক্রমে চাপ তৈরি হয়েছে। অনেক হাসপাতালে অনুমোদিত পদের বড় অংশই শূন্য থাকলেও বাস্তবে চিকিৎসকের সংখ্যা আরও কম।
পঞ্চগড়ের বোদা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে তিন চিকিৎসক দীর্ঘদিন ধরে কর্মস্থলে অনুপস্থিত বলে জানা গেছে। এর মধ্যে একজন বর্তমানে রংপুর নগরীতে নিজস্ব ক্লিনিকে রোগী দেখছেন বলে অভিযোগ রয়েছে। আরেকজন বিদেশে এবং অন্যজন কানাডায় অবস্থান করছেন বলে পরিবার সূত্র জানিয়েছে।
একইভাবে দিনাজপুর, রংপুর, ঠাকুরগাঁও, নীলফামারী, লালমনিরহাট, কুড়িগ্রাম ও গাইবান্ধার বিভিন্ন হাসপাতালে আরও কয়েকজন চিকিৎসক দীর্ঘদিন ধরে অনুপস্থিত রয়েছেন।
স্থানীয় স্বাস্থ্য কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, অনুপস্থিত চিকিৎসকদের বিরুদ্ধে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়া হয়েছে এবং বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে। তবে এখনো কার্যকর প্রশাসনিক ব্যবস্থা দৃশ্যমান হয়নি।
রংপুর বিভাগীয় স্বাস্থ্য পরিচালক (ভারপ্রাপ্ত) জানান, অনুপস্থিত চিকিৎসকদের তালিকা প্রস্তুত করে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরে পাঠানো হয়েছে। পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়ার বিষয়টি মন্ত্রণালয়ের সিদ্ধান্তের ওপর নির্ভর করছে।
এদিকে নাগরিক সমাজের প্রতিনিধিরা বলছেন, বছরের পর বছর কর্মস্থলে অনুপস্থিত থাকা শুধু প্রশাসনিক ব্যর্থতাই নয়, বরং জনস্বাস্থ্যের জন্য বড় ধরনের সংকট তৈরি করছে। দ্রুত শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়ার পাশাপাশি চিকিৎসক সংকট নিরসনে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন তারা। সূত্র: আরটিভি
সরকারি অনুমতি ছাড়াই দীর্ঘদিন ধরে কর্মস্থলে অনুপস্থিত রয়েছেন রংপুর বিভাগের বিভিন্ন সরকারি হাসপাতালে অন্তত ২০ জন চিকিৎসক। বছরের পর বছর অনুপস্থিত থাকায় একদিকে যেমন স্বাস্থ্যসেবা ব্যাহত হচ্ছে, অন্যদিকে পদ শূন্য না হওয়ায় নতুন নিয়োগও আটকে যাচ্ছে।
অনুসন্ধানে জানা গেছে, এসব চিকিৎসকের কেউ বিদেশে অবস্থান করছেন, কেউ বেসরকারি হাসপাতালে কর্মরত, আবার কারও অবস্থানই নিশ্চিত নয় সংশ্লিষ্ট দপ্তরের কাছে।
সরকারি চাকরিবিধি অনুযায়ী, দুই মাসের বেশি অনুমোদনহীন অনুপস্থিত থাকলে বিভাগীয় ব্যবস্থা নেওয়ার বিধান থাকলেও বহু ক্ষেত্রে ছয় থেকে ১০ বছর পার হলেও কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি বলে অভিযোগ রয়েছে।
রংপুর বিভাগের বিভিন্ন হাসপাতাল ও উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে এই অনুপস্থিত চিকিৎসকদের কারণে সেবাদান কার্যক্রমে চাপ তৈরি হয়েছে। অনেক হাসপাতালে অনুমোদিত পদের বড় অংশই শূন্য থাকলেও বাস্তবে চিকিৎসকের সংখ্যা আরও কম।
পঞ্চগড়ের বোদা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে তিন চিকিৎসক দীর্ঘদিন ধরে কর্মস্থলে অনুপস্থিত বলে জানা গেছে। এর মধ্যে একজন বর্তমানে রংপুর নগরীতে নিজস্ব ক্লিনিকে রোগী দেখছেন বলে অভিযোগ রয়েছে। আরেকজন বিদেশে এবং অন্যজন কানাডায় অবস্থান করছেন বলে পরিবার সূত্র জানিয়েছে।
একইভাবে দিনাজপুর, রংপুর, ঠাকুরগাঁও, নীলফামারী, লালমনিরহাট, কুড়িগ্রাম ও গাইবান্ধার বিভিন্ন হাসপাতালে আরও কয়েকজন চিকিৎসক দীর্ঘদিন ধরে অনুপস্থিত রয়েছেন।
স্থানীয় স্বাস্থ্য কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, অনুপস্থিত চিকিৎসকদের বিরুদ্ধে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়া হয়েছে এবং বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে। তবে এখনো কার্যকর প্রশাসনিক ব্যবস্থা দৃশ্যমান হয়নি।
রংপুর বিভাগীয় স্বাস্থ্য পরিচালক (ভারপ্রাপ্ত) জানান, অনুপস্থিত চিকিৎসকদের তালিকা প্রস্তুত করে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরে পাঠানো হয়েছে। পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়ার বিষয়টি মন্ত্রণালয়ের সিদ্ধান্তের ওপর নির্ভর করছে।
এদিকে নাগরিক সমাজের প্রতিনিধিরা বলছেন, বছরের পর বছর কর্মস্থলে অনুপস্থিত থাকা শুধু প্রশাসনিক ব্যর্থতাই নয়, বরং জনস্বাস্থ্যের জন্য বড় ধরনের সংকট তৈরি করছে। দ্রুত শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়ার পাশাপাশি চিকিৎসক সংকট নিরসনে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন তারা। সূত্র: আরটিভি
সরকারি অনুমতি ছাড়াই দীর্ঘদিন ধরে কর্মস্থলে অনুপস্থিত রয়েছেন রংপুর বিভাগের বিভিন্ন সরকারি হাসপাতালে অন্তত ২০ জন চিকিৎসক। বছরের পর বছর অনুপস্থিত থাকায় একদিকে যেমন স্বাস্থ্যসেবা ব্যাহত হচ্ছে, অন্যদিকে পদ শূন্য না হওয়ায় নতুন নিয়োগও আটকে যাচ্ছে।
অনুসন্ধানে জানা গেছে, এসব চিকিৎসকের কেউ বিদেশে অবস্থান করছেন, কেউ বেসরকারি হাসপাতালে কর্মরত, আবার কারও অবস্থানই নিশ্চিত নয় সংশ্লিষ্ট দপ্তরের কাছে।
সরকারি চাকরিবিধি অনুযায়ী, দুই মাসের বেশি অনুমোদনহীন অনুপস্থিত থাকলে বিভাগীয় ব্যবস্থা নেওয়ার বিধান থাকলেও বহু ক্ষেত্রে ছয় থেকে ১০ বছর পার হলেও কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি বলে অভিযোগ রয়েছে।
রংপুর বিভাগের বিভিন্ন হাসপাতাল ও উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে এই অনুপস্থিত চিকিৎসকদের কারণে সেবাদান কার্যক্রমে চাপ তৈরি হয়েছে। অনেক হাসপাতালে অনুমোদিত পদের বড় অংশই শূন্য থাকলেও বাস্তবে চিকিৎসকের সংখ্যা আরও কম।
পঞ্চগড়ের বোদা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে তিন চিকিৎসক দীর্ঘদিন ধরে কর্মস্থলে অনুপস্থিত বলে জানা গেছে। এর মধ্যে একজন বর্তমানে রংপুর নগরীতে নিজস্ব ক্লিনিকে রোগী দেখছেন বলে অভিযোগ রয়েছে। আরেকজন বিদেশে এবং অন্যজন কানাডায় অবস্থান করছেন বলে পরিবার সূত্র জানিয়েছে।
একইভাবে দিনাজপুর, রংপুর, ঠাকুরগাঁও, নীলফামারী, লালমনিরহাট, কুড়িগ্রাম ও গাইবান্ধার বিভিন্ন হাসপাতালে আরও কয়েকজন চিকিৎসক দীর্ঘদিন ধরে অনুপস্থিত রয়েছেন।
স্থানীয় স্বাস্থ্য কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, অনুপস্থিত চিকিৎসকদের বিরুদ্ধে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়া হয়েছে এবং বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে। তবে এখনো কার্যকর প্রশাসনিক ব্যবস্থা দৃশ্যমান হয়নি।
রংপুর বিভাগীয় স্বাস্থ্য পরিচালক (ভারপ্রাপ্ত) জানান, অনুপস্থিত চিকিৎসকদের তালিকা প্রস্তুত করে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরে পাঠানো হয়েছে। পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়ার বিষয়টি মন্ত্রণালয়ের সিদ্ধান্তের ওপর নির্ভর করছে।
এদিকে নাগরিক সমাজের প্রতিনিধিরা বলছেন, বছরের পর বছর কর্মস্থলে অনুপস্থিত থাকা শুধু প্রশাসনিক ব্যর্থতাই নয়, বরং জনস্বাস্থ্যের জন্য বড় ধরনের সংকট তৈরি করছে। দ্রুত শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়ার পাশাপাশি চিকিৎসক সংকট নিরসনে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন তারা। সূত্র: আরটিভি
এখনও কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!