-1776655119138-177550123.jpg&w=1920&q=75)
দেশের বিনিয়োগ পরিবেশ আরও গতিশীল ও সমন্বিত করতে বড় ধরনের প্রশাসনিক সংস্কারের উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। এ লক্ষ্যে বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (বিডা), বাংলাদেশ রপ্তানি প্রক্রিয়াকরণ এলাকা কর্তৃপক্ষ (বেপজা), বাংলাদেশ অর্থনৈতিক অঞ্চল কর্তৃপক্ষ (বেজা)সহ ছয়টি গুরুত্বপূর্ণ সংস্থাকে বিলুপ্ত করে ‘বিনিয়োগ উন্নয়ন সংস্থা’ নামে নতুন একটি দপ্তর গঠনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
রোববার (১৯ এপ্রিল) প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।
বিলুপ্ত হতে যাওয়া অন্যান্য সংস্থাগুলো হলো-বাংলাদেশ হাই-টেক পার্ক কর্তৃপক্ষ, সরকারি-বেসরকারি অংশীদারিত্ব (পিপিপি) কর্তৃপক্ষ এবং বাংলাদেশ ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্প কর্পোরেশন (বিসিক)।
সরকারের পরিকল্পনা অনুযায়ী, নতুন ‘বিনিয়োগ উন্নয়ন সংস্থা’র আওতায় বিনিয়োগ সংক্রান্ত সব সেবা এক ছাতার নিচে আনা হবে। এতে কাগজভিত্তিক ফাইলিংয়ের পরিবর্তে চালু করা হবে ডিজিটাল নথি বা ‘ডি-নথি’ ব্যবস্থা।
প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় সূত্র জানায়, বর্তমানে একাধিক দপ্তরের সম্পৃক্ততার কারণে বিনিয়োগ প্রক্রিয়ায় সময়ক্ষেপণ ও জটিলতা তৈরি হচ্ছে। এসব জটিলতা দূর করে দ্রুত ও সহজ সেবা দিতে এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
নতুন কাঠামোর অধীনে প্রতিটি ধাপ ডিজিটালাইজড করা হবে, যাতে বিনিয়োগকারীদের বিভিন্ন দপ্তরে ঘুরতে না হয়। পাশাপাশি ফাইল প্রক্রিয়াকরণের দীর্ঘসূত্রতা কমিয়ে দ্রুত সিদ্ধান্ত গ্রহণের সুযোগ তৈরি করা হবে।
এদিকে, সংস্থাগুলো বিলুপ্তি, জনবল পুনর্বিন্যাস, নতুন অর্গানোগ্রাম প্রণয়ন এবং প্রয়োজনীয় আইনি কাঠামো তৈরির কাজ ইতোমধ্যে শুরু হয়েছে। এ প্রক্রিয়া বাস্তবায়নে একাধিক কমিটিও গঠন করা হয়েছে।
সব খসড়া ও চূড়ান্ত পরিকল্পনা আগামী ২ জুলাই প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত উচ্চপর্যায়ের বৈঠকে উপস্থাপন করা হবে বলে জানা গেছে।
-1776655119138-177550123.jpg&w=1920&q=75)
দেশের বিনিয়োগ পরিবেশ আরও গতিশীল ও সমন্বিত করতে বড় ধরনের প্রশাসনিক সংস্কারের উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। এ লক্ষ্যে বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (বিডা), বাংলাদেশ রপ্তানি প্রক্রিয়াকরণ এলাকা কর্তৃপক্ষ (বেপজা), বাংলাদেশ অর্থনৈতিক অঞ্চল কর্তৃপক্ষ (বেজা)সহ ছয়টি গুরুত্বপূর্ণ সংস্থাকে বিলুপ্ত করে ‘বিনিয়োগ উন্নয়ন সংস্থা’ নামে নতুন একটি দপ্তর গঠনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
রোববার (১৯ এপ্রিল) প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।
বিলুপ্ত হতে যাওয়া অন্যান্য সংস্থাগুলো হলো-বাংলাদেশ হাই-টেক পার্ক কর্তৃপক্ষ, সরকারি-বেসরকারি অংশীদারিত্ব (পিপিপি) কর্তৃপক্ষ এবং বাংলাদেশ ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্প কর্পোরেশন (বিসিক)।
সরকারের পরিকল্পনা অনুযায়ী, নতুন ‘বিনিয়োগ উন্নয়ন সংস্থা’র আওতায় বিনিয়োগ সংক্রান্ত সব সেবা এক ছাতার নিচে আনা হবে। এতে কাগজভিত্তিক ফাইলিংয়ের পরিবর্তে চালু করা হবে ডিজিটাল নথি বা ‘ডি-নথি’ ব্যবস্থা।
প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় সূত্র জানায়, বর্তমানে একাধিক দপ্তরের সম্পৃক্ততার কারণে বিনিয়োগ প্রক্রিয়ায় সময়ক্ষেপণ ও জটিলতা তৈরি হচ্ছে। এসব জটিলতা দূর করে দ্রুত ও সহজ সেবা দিতে এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
নতুন কাঠামোর অধীনে প্রতিটি ধাপ ডিজিটালাইজড করা হবে, যাতে বিনিয়োগকারীদের বিভিন্ন দপ্তরে ঘুরতে না হয়। পাশাপাশি ফাইল প্রক্রিয়াকরণের দীর্ঘসূত্রতা কমিয়ে দ্রুত সিদ্ধান্ত গ্রহণের সুযোগ তৈরি করা হবে।
এদিকে, সংস্থাগুলো বিলুপ্তি, জনবল পুনর্বিন্যাস, নতুন অর্গানোগ্রাম প্রণয়ন এবং প্রয়োজনীয় আইনি কাঠামো তৈরির কাজ ইতোমধ্যে শুরু হয়েছে। এ প্রক্রিয়া বাস্তবায়নে একাধিক কমিটিও গঠন করা হয়েছে।
সব খসড়া ও চূড়ান্ত পরিকল্পনা আগামী ২ জুলাই প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত উচ্চপর্যায়ের বৈঠকে উপস্থাপন করা হবে বলে জানা গেছে।
-1776655119138-177550123.jpg&w=1920&q=75)
দেশের বিনিয়োগ পরিবেশ আরও গতিশীল ও সমন্বিত করতে বড় ধরনের প্রশাসনিক সংস্কারের উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। এ লক্ষ্যে বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (বিডা), বাংলাদেশ রপ্তানি প্রক্রিয়াকরণ এলাকা কর্তৃপক্ষ (বেপজা), বাংলাদেশ অর্থনৈতিক অঞ্চল কর্তৃপক্ষ (বেজা)সহ ছয়টি গুরুত্বপূর্ণ সংস্থাকে বিলুপ্ত করে ‘বিনিয়োগ উন্নয়ন সংস্থা’ নামে নতুন একটি দপ্তর গঠনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
রোববার (১৯ এপ্রিল) প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।
বিলুপ্ত হতে যাওয়া অন্যান্য সংস্থাগুলো হলো-বাংলাদেশ হাই-টেক পার্ক কর্তৃপক্ষ, সরকারি-বেসরকারি অংশীদারিত্ব (পিপিপি) কর্তৃপক্ষ এবং বাংলাদেশ ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্প কর্পোরেশন (বিসিক)।
সরকারের পরিকল্পনা অনুযায়ী, নতুন ‘বিনিয়োগ উন্নয়ন সংস্থা’র আওতায় বিনিয়োগ সংক্রান্ত সব সেবা এক ছাতার নিচে আনা হবে। এতে কাগজভিত্তিক ফাইলিংয়ের পরিবর্তে চালু করা হবে ডিজিটাল নথি বা ‘ডি-নথি’ ব্যবস্থা।
প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় সূত্র জানায়, বর্তমানে একাধিক দপ্তরের সম্পৃক্ততার কারণে বিনিয়োগ প্রক্রিয়ায় সময়ক্ষেপণ ও জটিলতা তৈরি হচ্ছে। এসব জটিলতা দূর করে দ্রুত ও সহজ সেবা দিতে এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
নতুন কাঠামোর অধীনে প্রতিটি ধাপ ডিজিটালাইজড করা হবে, যাতে বিনিয়োগকারীদের বিভিন্ন দপ্তরে ঘুরতে না হয়। পাশাপাশি ফাইল প্রক্রিয়াকরণের দীর্ঘসূত্রতা কমিয়ে দ্রুত সিদ্ধান্ত গ্রহণের সুযোগ তৈরি করা হবে।
এদিকে, সংস্থাগুলো বিলুপ্তি, জনবল পুনর্বিন্যাস, নতুন অর্গানোগ্রাম প্রণয়ন এবং প্রয়োজনীয় আইনি কাঠামো তৈরির কাজ ইতোমধ্যে শুরু হয়েছে। এ প্রক্রিয়া বাস্তবায়নে একাধিক কমিটিও গঠন করা হয়েছে।
সব খসড়া ও চূড়ান্ত পরিকল্পনা আগামী ২ জুলাই প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত উচ্চপর্যায়ের বৈঠকে উপস্থাপন করা হবে বলে জানা গেছে।
-1776655119138-177550123.jpg&w=1920&q=75)
দেশের বিনিয়োগ পরিবেশ আরও গতিশীল ও সমন্বিত করতে বড় ধরনের প্রশাসনিক সংস্কারের উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। এ লক্ষ্যে বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (বিডা), বাংলাদেশ রপ্তানি প্রক্রিয়াকরণ এলাকা কর্তৃপক্ষ (বেপজা), বাংলাদেশ অর্থনৈতিক অঞ্চল কর্তৃপক্ষ (বেজা)সহ ছয়টি গুরুত্বপূর্ণ সংস্থাকে বিলুপ্ত করে ‘বিনিয়োগ উন্নয়ন সংস্থা’ নামে নতুন একটি দপ্তর গঠনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
রোববার (১৯ এপ্রিল) প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।
বিলুপ্ত হতে যাওয়া অন্যান্য সংস্থাগুলো হলো-বাংলাদেশ হাই-টেক পার্ক কর্তৃপক্ষ, সরকারি-বেসরকারি অংশীদারিত্ব (পিপিপি) কর্তৃপক্ষ এবং বাংলাদেশ ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্প কর্পোরেশন (বিসিক)।
সরকারের পরিকল্পনা অনুযায়ী, নতুন ‘বিনিয়োগ উন্নয়ন সংস্থা’র আওতায় বিনিয়োগ সংক্রান্ত সব সেবা এক ছাতার নিচে আনা হবে। এতে কাগজভিত্তিক ফাইলিংয়ের পরিবর্তে চালু করা হবে ডিজিটাল নথি বা ‘ডি-নথি’ ব্যবস্থা।
প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় সূত্র জানায়, বর্তমানে একাধিক দপ্তরের সম্পৃক্ততার কারণে বিনিয়োগ প্রক্রিয়ায় সময়ক্ষেপণ ও জটিলতা তৈরি হচ্ছে। এসব জটিলতা দূর করে দ্রুত ও সহজ সেবা দিতে এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
নতুন কাঠামোর অধীনে প্রতিটি ধাপ ডিজিটালাইজড করা হবে, যাতে বিনিয়োগকারীদের বিভিন্ন দপ্তরে ঘুরতে না হয়। পাশাপাশি ফাইল প্রক্রিয়াকরণের দীর্ঘসূত্রতা কমিয়ে দ্রুত সিদ্ধান্ত গ্রহণের সুযোগ তৈরি করা হবে।
এদিকে, সংস্থাগুলো বিলুপ্তি, জনবল পুনর্বিন্যাস, নতুন অর্গানোগ্রাম প্রণয়ন এবং প্রয়োজনীয় আইনি কাঠামো তৈরির কাজ ইতোমধ্যে শুরু হয়েছে। এ প্রক্রিয়া বাস্তবায়নে একাধিক কমিটিও গঠন করা হয়েছে।
সব খসড়া ও চূড়ান্ত পরিকল্পনা আগামী ২ জুলাই প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত উচ্চপর্যায়ের বৈঠকে উপস্থাপন করা হবে বলে জানা গেছে।
এখনও কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!