
জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধির প্রেক্ষাপটে লঞ্চ ভাড়া বাড়ানোর প্রস্তাব দিয়েছে লঞ্চ মালিকরা। এ বিষয়ে বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন কর্তৃপক্ষের (বিআইডব্লিউটিএ) চেয়ারম্যানের কাছে চিঠি পাঠানো হয়েছে।
রোববার (১৯ এপ্রিল) বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌ-চলাচল (যাত্রী পরিবহন) সংস্থার ভারপ্রাপ্ত প্রেসিডেন্ট মো. বদিউজ্জামান বাদল স্বাক্ষরিত এ চিঠিতে যাত্রীভাড়া সর্বোচ্চ ৪২ শতাংশ পর্যন্ত বাড়ানোর প্রস্তাব করা হয়।
চিঠিতে উল্লেখ করা হয়, গত ১৮ এপ্রিল সরকার ডিজেলের দাম লিটারপ্রতি ১৫ টাকা বাড়িয়ে ১১৫ টাকা নির্ধারণ করেছে। এতে লঞ্চ পরিচালনার ব্যয় উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে। পাশাপাশি ইঞ্জিনের খুচরা যন্ত্রাংশ, প্রপেলার, ফুয়েলিং রড, গ্যাস, রংসহ অন্যান্য উপকরণের দামও বৃদ্ধি পেয়েছে। সব মিলিয়ে পরিচালন ব্যয় প্রায় ৫০ শতাংশ পর্যন্ত বেড়েছে বলে দাবি মালিকদের।
প্রস্তাব অনুযায়ী, ১০০ কিলোমিটার পর্যন্ত দূরত্বে প্রতি কিলোমিটার ভাড়া ১ টাকা বাড়িয়ে ৩ টাকা ৭৭ পয়সা নির্ধারণের সুপারিশ করা হয়েছে, যা প্রায় ৩৬ শতাংশ বেশি। আর ১০০ কিলোমিটারের বেশি দূরত্বে প্রতি কিলোমিটার ভাড়া ১ টাকা বাড়িয়ে ৩ টাকা ৩৮ পয়সা নির্ধারণের প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে, যা প্রায় ৪২ শতাংশ বেশি। এছাড়া সর্বনিম্ন ভাড়া ২৯ টাকা থেকে বাড়িয়ে ৩৫ টাকা করার অনুরোধ জানানো হয়েছে।
লঞ্চ মালিকরা আরও জানান, সড়ক যোগাযোগব্যবস্থার উন্নতির কারণে যাত্রী সংখ্যা কমে গেছে। ধারণক্ষমতা অনুযায়ী যাত্রী না পাওয়ায় তারা আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়ছেন। এ অবস্থায় ভাড়া সমন্বয় না করলে লঞ্চ ব্যবসা টিকিয়ে রাখা কঠিন হয়ে পড়বে বলে উল্লেখ করা হয়েছে।
উল্লেখ্য, বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের দাম বৃদ্ধির সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে সরকার সম্প্রতি দেশে জ্বালানির দাম বাড়িয়েছে। নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, ডিজেল, অকটেন, পেট্রোল ও কেরোসিনের দাম লিটারপ্রতি ১৫ থেকে ২০ টাকা পর্যন্ত বৃদ্ধি পেয়েছে, যা ১৯ এপ্রিল থেকে কার্যকর হয়েছে।

জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধির প্রেক্ষাপটে লঞ্চ ভাড়া বাড়ানোর প্রস্তাব দিয়েছে লঞ্চ মালিকরা। এ বিষয়ে বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন কর্তৃপক্ষের (বিআইডব্লিউটিএ) চেয়ারম্যানের কাছে চিঠি পাঠানো হয়েছে।
রোববার (১৯ এপ্রিল) বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌ-চলাচল (যাত্রী পরিবহন) সংস্থার ভারপ্রাপ্ত প্রেসিডেন্ট মো. বদিউজ্জামান বাদল স্বাক্ষরিত এ চিঠিতে যাত্রীভাড়া সর্বোচ্চ ৪২ শতাংশ পর্যন্ত বাড়ানোর প্রস্তাব করা হয়।
চিঠিতে উল্লেখ করা হয়, গত ১৮ এপ্রিল সরকার ডিজেলের দাম লিটারপ্রতি ১৫ টাকা বাড়িয়ে ১১৫ টাকা নির্ধারণ করেছে। এতে লঞ্চ পরিচালনার ব্যয় উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে। পাশাপাশি ইঞ্জিনের খুচরা যন্ত্রাংশ, প্রপেলার, ফুয়েলিং রড, গ্যাস, রংসহ অন্যান্য উপকরণের দামও বৃদ্ধি পেয়েছে। সব মিলিয়ে পরিচালন ব্যয় প্রায় ৫০ শতাংশ পর্যন্ত বেড়েছে বলে দাবি মালিকদের।
প্রস্তাব অনুযায়ী, ১০০ কিলোমিটার পর্যন্ত দূরত্বে প্রতি কিলোমিটার ভাড়া ১ টাকা বাড়িয়ে ৩ টাকা ৭৭ পয়সা নির্ধারণের সুপারিশ করা হয়েছে, যা প্রায় ৩৬ শতাংশ বেশি। আর ১০০ কিলোমিটারের বেশি দূরত্বে প্রতি কিলোমিটার ভাড়া ১ টাকা বাড়িয়ে ৩ টাকা ৩৮ পয়সা নির্ধারণের প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে, যা প্রায় ৪২ শতাংশ বেশি। এছাড়া সর্বনিম্ন ভাড়া ২৯ টাকা থেকে বাড়িয়ে ৩৫ টাকা করার অনুরোধ জানানো হয়েছে।
লঞ্চ মালিকরা আরও জানান, সড়ক যোগাযোগব্যবস্থার উন্নতির কারণে যাত্রী সংখ্যা কমে গেছে। ধারণক্ষমতা অনুযায়ী যাত্রী না পাওয়ায় তারা আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়ছেন। এ অবস্থায় ভাড়া সমন্বয় না করলে লঞ্চ ব্যবসা টিকিয়ে রাখা কঠিন হয়ে পড়বে বলে উল্লেখ করা হয়েছে।
উল্লেখ্য, বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের দাম বৃদ্ধির সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে সরকার সম্প্রতি দেশে জ্বালানির দাম বাড়িয়েছে। নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, ডিজেল, অকটেন, পেট্রোল ও কেরোসিনের দাম লিটারপ্রতি ১৫ থেকে ২০ টাকা পর্যন্ত বৃদ্ধি পেয়েছে, যা ১৯ এপ্রিল থেকে কার্যকর হয়েছে।

জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধির প্রেক্ষাপটে লঞ্চ ভাড়া বাড়ানোর প্রস্তাব দিয়েছে লঞ্চ মালিকরা। এ বিষয়ে বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন কর্তৃপক্ষের (বিআইডব্লিউটিএ) চেয়ারম্যানের কাছে চিঠি পাঠানো হয়েছে।
রোববার (১৯ এপ্রিল) বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌ-চলাচল (যাত্রী পরিবহন) সংস্থার ভারপ্রাপ্ত প্রেসিডেন্ট মো. বদিউজ্জামান বাদল স্বাক্ষরিত এ চিঠিতে যাত্রীভাড়া সর্বোচ্চ ৪২ শতাংশ পর্যন্ত বাড়ানোর প্রস্তাব করা হয়।
চিঠিতে উল্লেখ করা হয়, গত ১৮ এপ্রিল সরকার ডিজেলের দাম লিটারপ্রতি ১৫ টাকা বাড়িয়ে ১১৫ টাকা নির্ধারণ করেছে। এতে লঞ্চ পরিচালনার ব্যয় উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে। পাশাপাশি ইঞ্জিনের খুচরা যন্ত্রাংশ, প্রপেলার, ফুয়েলিং রড, গ্যাস, রংসহ অন্যান্য উপকরণের দামও বৃদ্ধি পেয়েছে। সব মিলিয়ে পরিচালন ব্যয় প্রায় ৫০ শতাংশ পর্যন্ত বেড়েছে বলে দাবি মালিকদের।
প্রস্তাব অনুযায়ী, ১০০ কিলোমিটার পর্যন্ত দূরত্বে প্রতি কিলোমিটার ভাড়া ১ টাকা বাড়িয়ে ৩ টাকা ৭৭ পয়সা নির্ধারণের সুপারিশ করা হয়েছে, যা প্রায় ৩৬ শতাংশ বেশি। আর ১০০ কিলোমিটারের বেশি দূরত্বে প্রতি কিলোমিটার ভাড়া ১ টাকা বাড়িয়ে ৩ টাকা ৩৮ পয়সা নির্ধারণের প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে, যা প্রায় ৪২ শতাংশ বেশি। এছাড়া সর্বনিম্ন ভাড়া ২৯ টাকা থেকে বাড়িয়ে ৩৫ টাকা করার অনুরোধ জানানো হয়েছে।
লঞ্চ মালিকরা আরও জানান, সড়ক যোগাযোগব্যবস্থার উন্নতির কারণে যাত্রী সংখ্যা কমে গেছে। ধারণক্ষমতা অনুযায়ী যাত্রী না পাওয়ায় তারা আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়ছেন। এ অবস্থায় ভাড়া সমন্বয় না করলে লঞ্চ ব্যবসা টিকিয়ে রাখা কঠিন হয়ে পড়বে বলে উল্লেখ করা হয়েছে।
উল্লেখ্য, বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের দাম বৃদ্ধির সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে সরকার সম্প্রতি দেশে জ্বালানির দাম বাড়িয়েছে। নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, ডিজেল, অকটেন, পেট্রোল ও কেরোসিনের দাম লিটারপ্রতি ১৫ থেকে ২০ টাকা পর্যন্ত বৃদ্ধি পেয়েছে, যা ১৯ এপ্রিল থেকে কার্যকর হয়েছে।

জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধির প্রেক্ষাপটে লঞ্চ ভাড়া বাড়ানোর প্রস্তাব দিয়েছে লঞ্চ মালিকরা। এ বিষয়ে বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন কর্তৃপক্ষের (বিআইডব্লিউটিএ) চেয়ারম্যানের কাছে চিঠি পাঠানো হয়েছে।
রোববার (১৯ এপ্রিল) বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌ-চলাচল (যাত্রী পরিবহন) সংস্থার ভারপ্রাপ্ত প্রেসিডেন্ট মো. বদিউজ্জামান বাদল স্বাক্ষরিত এ চিঠিতে যাত্রীভাড়া সর্বোচ্চ ৪২ শতাংশ পর্যন্ত বাড়ানোর প্রস্তাব করা হয়।
চিঠিতে উল্লেখ করা হয়, গত ১৮ এপ্রিল সরকার ডিজেলের দাম লিটারপ্রতি ১৫ টাকা বাড়িয়ে ১১৫ টাকা নির্ধারণ করেছে। এতে লঞ্চ পরিচালনার ব্যয় উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে। পাশাপাশি ইঞ্জিনের খুচরা যন্ত্রাংশ, প্রপেলার, ফুয়েলিং রড, গ্যাস, রংসহ অন্যান্য উপকরণের দামও বৃদ্ধি পেয়েছে। সব মিলিয়ে পরিচালন ব্যয় প্রায় ৫০ শতাংশ পর্যন্ত বেড়েছে বলে দাবি মালিকদের।
প্রস্তাব অনুযায়ী, ১০০ কিলোমিটার পর্যন্ত দূরত্বে প্রতি কিলোমিটার ভাড়া ১ টাকা বাড়িয়ে ৩ টাকা ৭৭ পয়সা নির্ধারণের সুপারিশ করা হয়েছে, যা প্রায় ৩৬ শতাংশ বেশি। আর ১০০ কিলোমিটারের বেশি দূরত্বে প্রতি কিলোমিটার ভাড়া ১ টাকা বাড়িয়ে ৩ টাকা ৩৮ পয়সা নির্ধারণের প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে, যা প্রায় ৪২ শতাংশ বেশি। এছাড়া সর্বনিম্ন ভাড়া ২৯ টাকা থেকে বাড়িয়ে ৩৫ টাকা করার অনুরোধ জানানো হয়েছে।
লঞ্চ মালিকরা আরও জানান, সড়ক যোগাযোগব্যবস্থার উন্নতির কারণে যাত্রী সংখ্যা কমে গেছে। ধারণক্ষমতা অনুযায়ী যাত্রী না পাওয়ায় তারা আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়ছেন। এ অবস্থায় ভাড়া সমন্বয় না করলে লঞ্চ ব্যবসা টিকিয়ে রাখা কঠিন হয়ে পড়বে বলে উল্লেখ করা হয়েছে।
উল্লেখ্য, বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের দাম বৃদ্ধির সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে সরকার সম্প্রতি দেশে জ্বালানির দাম বাড়িয়েছে। নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, ডিজেল, অকটেন, পেট্রোল ও কেরোসিনের দাম লিটারপ্রতি ১৫ থেকে ২০ টাকা পর্যন্ত বৃদ্ধি পেয়েছে, যা ১৯ এপ্রিল থেকে কার্যকর হয়েছে।
এখনও কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!