
বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ নৌপথ হরমুজ প্রণালি দিয়ে চলাচলকারী জাহাজগুলোর ওপর টোল আরোপের পরিকল্পনা অনুমোদন করেছে ইরানের সংসদীয় কমিটি।
দেশটির বিপ্লবী গার্ড কোর–সংশ্লিষ্ট সংবাদমাধ্যম ফারসের বরাতে এ তথ্য জানিয়েছে আন্তর্জাতিক গণমাধ্যম। ইরানের জাতীয় নিরাপত্তা কমিশননের এক সদস্য এ পরিকল্পনা অনুমোদনের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
পরিকল্পনায় যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের জাহাজগুলোর হরমুজ প্রণালি দিয়ে চলাচলে বাধা দেওয়ার কথাও উল্লেখ রয়েছে। পাশাপাশি ইরানের বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞায় অংশ নেওয়া অন্যান্য দেশগুলোর জাহাজ চলাচলেও নিষেধাজ্ঞা আরোপের প্রস্তাব রাখা হয়েছে।
ফরাসি বার্তা সংস্থা এএফপি জানিয়েছে, নতুন টোল ব্যবস্থা বাস্তবায়নে ওমানের সহযোগিতা নেওয়া হতে পারে বলে ইরানের রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনে উল্লেখ করা হয়েছে।
বিশ্বে প্রতিদিন সরবরাহ হওয়া তেল ও গ্যাসের প্রায় ২০ শতাংশই হরমুজ প্রণালি দিয়ে পরিবাহিত হয়। চলমান সংঘাতের কারণে এই গুরুত্বপূর্ণ জলপথে জাহাজ চলাচল ব্যাহত হওয়ায় বিশ্ববাজারে জ্বালানির সরবরাহে চাপ তৈরি হয়েছে।
গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ হামলার পর উপসাগরীয় অঞ্চল থেকে তেল ও তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস পরিবহনকারী জাহাজ চলাচল সীমিত হয়ে পড়ে। এতে আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দাম ব্যারেলপ্রতি ১০০ ডলার ছাড়িয়েছে, যা যুদ্ধপূর্ব সময়ের তুলনায় প্রায় ৪০ শতাংশ বেশি।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, হরমুজ প্রণালিতে টোল আরোপের এই উদ্যোগকে কূটনৈতিক চাপ তৈরির কৌশল হিসেবে ব্যবহার করছে তেহরান। এতে এশিয়াসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশে জ্বালানি সরবরাহ ও শিল্প উৎপাদনে প্রভাব পড়তে পারে।
ইরানের পার্লামেন্ট সদস্য আলায়েদ্দিন বোরৌজারদি জানিয়েছেন, ইতোমধ্যে কিছু জাহাজ থেকে প্রায় ২০ লাখ ডলার পর্যন্ত ট্রানজিট ফি আদায় করা হচ্ছে।
বিশ্লেষকদের মতে, যুদ্ধ পরিস্থিতির ব্যয় মেটানো এবং আন্তর্জাতিক চাপ মোকাবিলায় হরমুজ প্রণালিকে কৌশলগত হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করছে ইরান।

বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ নৌপথ হরমুজ প্রণালি দিয়ে চলাচলকারী জাহাজগুলোর ওপর টোল আরোপের পরিকল্পনা অনুমোদন করেছে ইরানের সংসদীয় কমিটি।
দেশটির বিপ্লবী গার্ড কোর–সংশ্লিষ্ট সংবাদমাধ্যম ফারসের বরাতে এ তথ্য জানিয়েছে আন্তর্জাতিক গণমাধ্যম। ইরানের জাতীয় নিরাপত্তা কমিশননের এক সদস্য এ পরিকল্পনা অনুমোদনের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
পরিকল্পনায় যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের জাহাজগুলোর হরমুজ প্রণালি দিয়ে চলাচলে বাধা দেওয়ার কথাও উল্লেখ রয়েছে। পাশাপাশি ইরানের বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞায় অংশ নেওয়া অন্যান্য দেশগুলোর জাহাজ চলাচলেও নিষেধাজ্ঞা আরোপের প্রস্তাব রাখা হয়েছে।
ফরাসি বার্তা সংস্থা এএফপি জানিয়েছে, নতুন টোল ব্যবস্থা বাস্তবায়নে ওমানের সহযোগিতা নেওয়া হতে পারে বলে ইরানের রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনে উল্লেখ করা হয়েছে।
বিশ্বে প্রতিদিন সরবরাহ হওয়া তেল ও গ্যাসের প্রায় ২০ শতাংশই হরমুজ প্রণালি দিয়ে পরিবাহিত হয়। চলমান সংঘাতের কারণে এই গুরুত্বপূর্ণ জলপথে জাহাজ চলাচল ব্যাহত হওয়ায় বিশ্ববাজারে জ্বালানির সরবরাহে চাপ তৈরি হয়েছে।
গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ হামলার পর উপসাগরীয় অঞ্চল থেকে তেল ও তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস পরিবহনকারী জাহাজ চলাচল সীমিত হয়ে পড়ে। এতে আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দাম ব্যারেলপ্রতি ১০০ ডলার ছাড়িয়েছে, যা যুদ্ধপূর্ব সময়ের তুলনায় প্রায় ৪০ শতাংশ বেশি।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, হরমুজ প্রণালিতে টোল আরোপের এই উদ্যোগকে কূটনৈতিক চাপ তৈরির কৌশল হিসেবে ব্যবহার করছে তেহরান। এতে এশিয়াসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশে জ্বালানি সরবরাহ ও শিল্প উৎপাদনে প্রভাব পড়তে পারে।
ইরানের পার্লামেন্ট সদস্য আলায়েদ্দিন বোরৌজারদি জানিয়েছেন, ইতোমধ্যে কিছু জাহাজ থেকে প্রায় ২০ লাখ ডলার পর্যন্ত ট্রানজিট ফি আদায় করা হচ্ছে।
বিশ্লেষকদের মতে, যুদ্ধ পরিস্থিতির ব্যয় মেটানো এবং আন্তর্জাতিক চাপ মোকাবিলায় হরমুজ প্রণালিকে কৌশলগত হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করছে ইরান।

বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ নৌপথ হরমুজ প্রণালি দিয়ে চলাচলকারী জাহাজগুলোর ওপর টোল আরোপের পরিকল্পনা অনুমোদন করেছে ইরানের সংসদীয় কমিটি।
দেশটির বিপ্লবী গার্ড কোর–সংশ্লিষ্ট সংবাদমাধ্যম ফারসের বরাতে এ তথ্য জানিয়েছে আন্তর্জাতিক গণমাধ্যম। ইরানের জাতীয় নিরাপত্তা কমিশননের এক সদস্য এ পরিকল্পনা অনুমোদনের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
পরিকল্পনায় যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের জাহাজগুলোর হরমুজ প্রণালি দিয়ে চলাচলে বাধা দেওয়ার কথাও উল্লেখ রয়েছে। পাশাপাশি ইরানের বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞায় অংশ নেওয়া অন্যান্য দেশগুলোর জাহাজ চলাচলেও নিষেধাজ্ঞা আরোপের প্রস্তাব রাখা হয়েছে।
ফরাসি বার্তা সংস্থা এএফপি জানিয়েছে, নতুন টোল ব্যবস্থা বাস্তবায়নে ওমানের সহযোগিতা নেওয়া হতে পারে বলে ইরানের রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনে উল্লেখ করা হয়েছে।
বিশ্বে প্রতিদিন সরবরাহ হওয়া তেল ও গ্যাসের প্রায় ২০ শতাংশই হরমুজ প্রণালি দিয়ে পরিবাহিত হয়। চলমান সংঘাতের কারণে এই গুরুত্বপূর্ণ জলপথে জাহাজ চলাচল ব্যাহত হওয়ায় বিশ্ববাজারে জ্বালানির সরবরাহে চাপ তৈরি হয়েছে।
গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ হামলার পর উপসাগরীয় অঞ্চল থেকে তেল ও তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস পরিবহনকারী জাহাজ চলাচল সীমিত হয়ে পড়ে। এতে আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দাম ব্যারেলপ্রতি ১০০ ডলার ছাড়িয়েছে, যা যুদ্ধপূর্ব সময়ের তুলনায় প্রায় ৪০ শতাংশ বেশি।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, হরমুজ প্রণালিতে টোল আরোপের এই উদ্যোগকে কূটনৈতিক চাপ তৈরির কৌশল হিসেবে ব্যবহার করছে তেহরান। এতে এশিয়াসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশে জ্বালানি সরবরাহ ও শিল্প উৎপাদনে প্রভাব পড়তে পারে।
ইরানের পার্লামেন্ট সদস্য আলায়েদ্দিন বোরৌজারদি জানিয়েছেন, ইতোমধ্যে কিছু জাহাজ থেকে প্রায় ২০ লাখ ডলার পর্যন্ত ট্রানজিট ফি আদায় করা হচ্ছে।
বিশ্লেষকদের মতে, যুদ্ধ পরিস্থিতির ব্যয় মেটানো এবং আন্তর্জাতিক চাপ মোকাবিলায় হরমুজ প্রণালিকে কৌশলগত হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করছে ইরান।

বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ নৌপথ হরমুজ প্রণালি দিয়ে চলাচলকারী জাহাজগুলোর ওপর টোল আরোপের পরিকল্পনা অনুমোদন করেছে ইরানের সংসদীয় কমিটি।
দেশটির বিপ্লবী গার্ড কোর–সংশ্লিষ্ট সংবাদমাধ্যম ফারসের বরাতে এ তথ্য জানিয়েছে আন্তর্জাতিক গণমাধ্যম। ইরানের জাতীয় নিরাপত্তা কমিশননের এক সদস্য এ পরিকল্পনা অনুমোদনের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
পরিকল্পনায় যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের জাহাজগুলোর হরমুজ প্রণালি দিয়ে চলাচলে বাধা দেওয়ার কথাও উল্লেখ রয়েছে। পাশাপাশি ইরানের বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞায় অংশ নেওয়া অন্যান্য দেশগুলোর জাহাজ চলাচলেও নিষেধাজ্ঞা আরোপের প্রস্তাব রাখা হয়েছে।
ফরাসি বার্তা সংস্থা এএফপি জানিয়েছে, নতুন টোল ব্যবস্থা বাস্তবায়নে ওমানের সহযোগিতা নেওয়া হতে পারে বলে ইরানের রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনে উল্লেখ করা হয়েছে।
বিশ্বে প্রতিদিন সরবরাহ হওয়া তেল ও গ্যাসের প্রায় ২০ শতাংশই হরমুজ প্রণালি দিয়ে পরিবাহিত হয়। চলমান সংঘাতের কারণে এই গুরুত্বপূর্ণ জলপথে জাহাজ চলাচল ব্যাহত হওয়ায় বিশ্ববাজারে জ্বালানির সরবরাহে চাপ তৈরি হয়েছে।
গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ হামলার পর উপসাগরীয় অঞ্চল থেকে তেল ও তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস পরিবহনকারী জাহাজ চলাচল সীমিত হয়ে পড়ে। এতে আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দাম ব্যারেলপ্রতি ১০০ ডলার ছাড়িয়েছে, যা যুদ্ধপূর্ব সময়ের তুলনায় প্রায় ৪০ শতাংশ বেশি।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, হরমুজ প্রণালিতে টোল আরোপের এই উদ্যোগকে কূটনৈতিক চাপ তৈরির কৌশল হিসেবে ব্যবহার করছে তেহরান। এতে এশিয়াসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশে জ্বালানি সরবরাহ ও শিল্প উৎপাদনে প্রভাব পড়তে পারে।
ইরানের পার্লামেন্ট সদস্য আলায়েদ্দিন বোরৌজারদি জানিয়েছেন, ইতোমধ্যে কিছু জাহাজ থেকে প্রায় ২০ লাখ ডলার পর্যন্ত ট্রানজিট ফি আদায় করা হচ্ছে।
বিশ্লেষকদের মতে, যুদ্ধ পরিস্থিতির ব্যয় মেটানো এবং আন্তর্জাতিক চাপ মোকাবিলায় হরমুজ প্রণালিকে কৌশলগত হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করছে ইরান।
এখনও কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!