মধ্যপ্রাচ্যে চলমান উত্তেজনা ও যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে পাল্টাপাল্টি অবরোধের মধ্যে হরমুজ প্রণালি দিয়ে চলাচলকারী জাহাজের জন্য নতুন নিয়ম চালু করেছে ইরান। পাশাপাশি এই গুরুত্বপূর্ণ জলপথ ব্যবহারকারী জাহাজের কাছ থেকে টোল বা মাশুল আদায়ের প্রক্রিয়াও শুরু করেছে তেহরান।
শিপিং ও সামুদ্রিক বাণিজ্যবিষয়ক শিল্প জার্নাল লয়েড’স লিস্টের বরাতে এ তথ্য জানিয়েছে ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভি।
খবরে বলা হয়েছে, ইরানের পার্সিয়ান গালফ স্ট্রেইট অথরিটি (পিজিএসএ) নতুন একটি কাঠামো চালু করেছে। এর আওতায় হরমুজ প্রণালি পার হওয়ার আগে জাহাজগুলোকে ট্রানজিট অনুমতি নিতে হবে এবং নির্ধারিত টোল পরিশোধ করতে হবে।
এ জন্য জাহাজগুলোকে ‘ভেসেল ইনফরমেশন ডিক্লারেশন’ নামে একটি ফরম পূরণ করতে হবে। সেখানে জাহাজের মালিকানা, বিমা, নাবিকদের পরিচয়, কার্গোর বিবরণ, সর্বশেষ যাত্রাস্থল ও গন্তব্যসহ বিস্তারিত তথ্য জমা দিতে হবে। পিজিএসএ জানিয়েছে, ট্রানজিটের আগে ইমেইলের মাধ্যমে এই তথ্য পাঠাতে হবে। আবেদন যাচাই শেষে সংশ্লিষ্ট জাহাজকে পরবর্তী নির্দেশনা দেওয়া হবে। ভুল বা অসম্পূর্ণ তথ্য দিলে তার দায় আবেদনকারীকে বহন করতে হবে বলেও সতর্ক করা হয়েছে।
ইরান এখন পর্যন্ত কোনো নির্দিষ্ট দেশকে বিশেষ সুবিধা দেওয়ার ঘোষণা না দিলেও তেহরানের ওপর মার্কিন নিষেধাজ্ঞা মেনে চলা দেশগুলোকে সতর্ক করেছে দেশটির সেনাবাহিনী।
ইরানের সেনাসদস্য মোহাম্মদ আকরামিনিয়া রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা ইরনাকে বলেন, যেসব দেশ যুক্তরাষ্ট্রের নিষেধাজ্ঞা অনুসরণ করবে, তারা হরমুজ প্রণালি পারাপারে সমস্যার মুখে পড়বে। এখন থেকে যেকোনো জাহাজকে ইরানের সঙ্গে সমন্বয় করেই এই পথ ব্যবহার করতে হবে।
এর আগে ইরান ঘোষণা দিয়েছিল, যুক্তরাষ্ট্র বা ইসরায়েলের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট জাহাজগুলোকে তারা হরমুজ প্রণালি দিয়ে চলাচলের অনুমতি দেবে না। অন্য দেশগুলোর জাহাজও ইরানের অনুমতি নিয়েই চলাচল করতে পারবে।
বিশ্বের মোট তেল সরবরাহের প্রায় এক-পঞ্চমাংশ এই হরমুজ প্রণালি দিয়ে পরিবাহিত হয়। ফলে প্রণালিতে উত্তেজনা তৈরি হওয়ায় আন্তর্জাতিক জ্বালানি বাজারেও অস্থিরতা দেখা দিয়েছে। বিশ্লেষকদের মতে, হরমুজ প্রণালিতে টোল আরোপ ও নিয়ন্ত্রণ জোরদারের মাধ্যমে ইরান নতুন আঞ্চলিক বাস্তবতা তৈরির চেষ্টা করছে। ইতোমধ্যে টোল থেকে প্রথম আয় সংগ্রহের কথাও জানিয়েছে তেহরান।
মধ্যপ্রাচ্যে চলমান উত্তেজনা ও যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে পাল্টাপাল্টি অবরোধের মধ্যে হরমুজ প্রণালি দিয়ে চলাচলকারী জাহাজের জন্য নতুন নিয়ম চালু করেছে ইরান। পাশাপাশি এই গুরুত্বপূর্ণ জলপথ ব্যবহারকারী জাহাজের কাছ থেকে টোল বা মাশুল আদায়ের প্রক্রিয়াও শুরু করেছে তেহরান।
শিপিং ও সামুদ্রিক বাণিজ্যবিষয়ক শিল্প জার্নাল লয়েড’স লিস্টের বরাতে এ তথ্য জানিয়েছে ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভি।
খবরে বলা হয়েছে, ইরানের পার্সিয়ান গালফ স্ট্রেইট অথরিটি (পিজিএসএ) নতুন একটি কাঠামো চালু করেছে। এর আওতায় হরমুজ প্রণালি পার হওয়ার আগে জাহাজগুলোকে ট্রানজিট অনুমতি নিতে হবে এবং নির্ধারিত টোল পরিশোধ করতে হবে।
এ জন্য জাহাজগুলোকে ‘ভেসেল ইনফরমেশন ডিক্লারেশন’ নামে একটি ফরম পূরণ করতে হবে। সেখানে জাহাজের মালিকানা, বিমা, নাবিকদের পরিচয়, কার্গোর বিবরণ, সর্বশেষ যাত্রাস্থল ও গন্তব্যসহ বিস্তারিত তথ্য জমা দিতে হবে। পিজিএসএ জানিয়েছে, ট্রানজিটের আগে ইমেইলের মাধ্যমে এই তথ্য পাঠাতে হবে। আবেদন যাচাই শেষে সংশ্লিষ্ট জাহাজকে পরবর্তী নির্দেশনা দেওয়া হবে। ভুল বা অসম্পূর্ণ তথ্য দিলে তার দায় আবেদনকারীকে বহন করতে হবে বলেও সতর্ক করা হয়েছে।
ইরান এখন পর্যন্ত কোনো নির্দিষ্ট দেশকে বিশেষ সুবিধা দেওয়ার ঘোষণা না দিলেও তেহরানের ওপর মার্কিন নিষেধাজ্ঞা মেনে চলা দেশগুলোকে সতর্ক করেছে দেশটির সেনাবাহিনী।
ইরানের সেনাসদস্য মোহাম্মদ আকরামিনিয়া রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা ইরনাকে বলেন, যেসব দেশ যুক্তরাষ্ট্রের নিষেধাজ্ঞা অনুসরণ করবে, তারা হরমুজ প্রণালি পারাপারে সমস্যার মুখে পড়বে। এখন থেকে যেকোনো জাহাজকে ইরানের সঙ্গে সমন্বয় করেই এই পথ ব্যবহার করতে হবে।
এর আগে ইরান ঘোষণা দিয়েছিল, যুক্তরাষ্ট্র বা ইসরায়েলের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট জাহাজগুলোকে তারা হরমুজ প্রণালি দিয়ে চলাচলের অনুমতি দেবে না। অন্য দেশগুলোর জাহাজও ইরানের অনুমতি নিয়েই চলাচল করতে পারবে।
বিশ্বের মোট তেল সরবরাহের প্রায় এক-পঞ্চমাংশ এই হরমুজ প্রণালি দিয়ে পরিবাহিত হয়। ফলে প্রণালিতে উত্তেজনা তৈরি হওয়ায় আন্তর্জাতিক জ্বালানি বাজারেও অস্থিরতা দেখা দিয়েছে। বিশ্লেষকদের মতে, হরমুজ প্রণালিতে টোল আরোপ ও নিয়ন্ত্রণ জোরদারের মাধ্যমে ইরান নতুন আঞ্চলিক বাস্তবতা তৈরির চেষ্টা করছে। ইতোমধ্যে টোল থেকে প্রথম আয় সংগ্রহের কথাও জানিয়েছে তেহরান।
মধ্যপ্রাচ্যে চলমান উত্তেজনা ও যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে পাল্টাপাল্টি অবরোধের মধ্যে হরমুজ প্রণালি দিয়ে চলাচলকারী জাহাজের জন্য নতুন নিয়ম চালু করেছে ইরান। পাশাপাশি এই গুরুত্বপূর্ণ জলপথ ব্যবহারকারী জাহাজের কাছ থেকে টোল বা মাশুল আদায়ের প্রক্রিয়াও শুরু করেছে তেহরান।
শিপিং ও সামুদ্রিক বাণিজ্যবিষয়ক শিল্প জার্নাল লয়েড’স লিস্টের বরাতে এ তথ্য জানিয়েছে ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভি।
খবরে বলা হয়েছে, ইরানের পার্সিয়ান গালফ স্ট্রেইট অথরিটি (পিজিএসএ) নতুন একটি কাঠামো চালু করেছে। এর আওতায় হরমুজ প্রণালি পার হওয়ার আগে জাহাজগুলোকে ট্রানজিট অনুমতি নিতে হবে এবং নির্ধারিত টোল পরিশোধ করতে হবে।
এ জন্য জাহাজগুলোকে ‘ভেসেল ইনফরমেশন ডিক্লারেশন’ নামে একটি ফরম পূরণ করতে হবে। সেখানে জাহাজের মালিকানা, বিমা, নাবিকদের পরিচয়, কার্গোর বিবরণ, সর্বশেষ যাত্রাস্থল ও গন্তব্যসহ বিস্তারিত তথ্য জমা দিতে হবে। পিজিএসএ জানিয়েছে, ট্রানজিটের আগে ইমেইলের মাধ্যমে এই তথ্য পাঠাতে হবে। আবেদন যাচাই শেষে সংশ্লিষ্ট জাহাজকে পরবর্তী নির্দেশনা দেওয়া হবে। ভুল বা অসম্পূর্ণ তথ্য দিলে তার দায় আবেদনকারীকে বহন করতে হবে বলেও সতর্ক করা হয়েছে।
ইরান এখন পর্যন্ত কোনো নির্দিষ্ট দেশকে বিশেষ সুবিধা দেওয়ার ঘোষণা না দিলেও তেহরানের ওপর মার্কিন নিষেধাজ্ঞা মেনে চলা দেশগুলোকে সতর্ক করেছে দেশটির সেনাবাহিনী।
ইরানের সেনাসদস্য মোহাম্মদ আকরামিনিয়া রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা ইরনাকে বলেন, যেসব দেশ যুক্তরাষ্ট্রের নিষেধাজ্ঞা অনুসরণ করবে, তারা হরমুজ প্রণালি পারাপারে সমস্যার মুখে পড়বে। এখন থেকে যেকোনো জাহাজকে ইরানের সঙ্গে সমন্বয় করেই এই পথ ব্যবহার করতে হবে।
এর আগে ইরান ঘোষণা দিয়েছিল, যুক্তরাষ্ট্র বা ইসরায়েলের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট জাহাজগুলোকে তারা হরমুজ প্রণালি দিয়ে চলাচলের অনুমতি দেবে না। অন্য দেশগুলোর জাহাজও ইরানের অনুমতি নিয়েই চলাচল করতে পারবে।
বিশ্বের মোট তেল সরবরাহের প্রায় এক-পঞ্চমাংশ এই হরমুজ প্রণালি দিয়ে পরিবাহিত হয়। ফলে প্রণালিতে উত্তেজনা তৈরি হওয়ায় আন্তর্জাতিক জ্বালানি বাজারেও অস্থিরতা দেখা দিয়েছে। বিশ্লেষকদের মতে, হরমুজ প্রণালিতে টোল আরোপ ও নিয়ন্ত্রণ জোরদারের মাধ্যমে ইরান নতুন আঞ্চলিক বাস্তবতা তৈরির চেষ্টা করছে। ইতোমধ্যে টোল থেকে প্রথম আয় সংগ্রহের কথাও জানিয়েছে তেহরান।
মধ্যপ্রাচ্যে চলমান উত্তেজনা ও যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে পাল্টাপাল্টি অবরোধের মধ্যে হরমুজ প্রণালি দিয়ে চলাচলকারী জাহাজের জন্য নতুন নিয়ম চালু করেছে ইরান। পাশাপাশি এই গুরুত্বপূর্ণ জলপথ ব্যবহারকারী জাহাজের কাছ থেকে টোল বা মাশুল আদায়ের প্রক্রিয়াও শুরু করেছে তেহরান।
শিপিং ও সামুদ্রিক বাণিজ্যবিষয়ক শিল্প জার্নাল লয়েড’স লিস্টের বরাতে এ তথ্য জানিয়েছে ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভি।
খবরে বলা হয়েছে, ইরানের পার্সিয়ান গালফ স্ট্রেইট অথরিটি (পিজিএসএ) নতুন একটি কাঠামো চালু করেছে। এর আওতায় হরমুজ প্রণালি পার হওয়ার আগে জাহাজগুলোকে ট্রানজিট অনুমতি নিতে হবে এবং নির্ধারিত টোল পরিশোধ করতে হবে।
এ জন্য জাহাজগুলোকে ‘ভেসেল ইনফরমেশন ডিক্লারেশন’ নামে একটি ফরম পূরণ করতে হবে। সেখানে জাহাজের মালিকানা, বিমা, নাবিকদের পরিচয়, কার্গোর বিবরণ, সর্বশেষ যাত্রাস্থল ও গন্তব্যসহ বিস্তারিত তথ্য জমা দিতে হবে। পিজিএসএ জানিয়েছে, ট্রানজিটের আগে ইমেইলের মাধ্যমে এই তথ্য পাঠাতে হবে। আবেদন যাচাই শেষে সংশ্লিষ্ট জাহাজকে পরবর্তী নির্দেশনা দেওয়া হবে। ভুল বা অসম্পূর্ণ তথ্য দিলে তার দায় আবেদনকারীকে বহন করতে হবে বলেও সতর্ক করা হয়েছে।
ইরান এখন পর্যন্ত কোনো নির্দিষ্ট দেশকে বিশেষ সুবিধা দেওয়ার ঘোষণা না দিলেও তেহরানের ওপর মার্কিন নিষেধাজ্ঞা মেনে চলা দেশগুলোকে সতর্ক করেছে দেশটির সেনাবাহিনী।
ইরানের সেনাসদস্য মোহাম্মদ আকরামিনিয়া রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা ইরনাকে বলেন, যেসব দেশ যুক্তরাষ্ট্রের নিষেধাজ্ঞা অনুসরণ করবে, তারা হরমুজ প্রণালি পারাপারে সমস্যার মুখে পড়বে। এখন থেকে যেকোনো জাহাজকে ইরানের সঙ্গে সমন্বয় করেই এই পথ ব্যবহার করতে হবে।
এর আগে ইরান ঘোষণা দিয়েছিল, যুক্তরাষ্ট্র বা ইসরায়েলের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট জাহাজগুলোকে তারা হরমুজ প্রণালি দিয়ে চলাচলের অনুমতি দেবে না। অন্য দেশগুলোর জাহাজও ইরানের অনুমতি নিয়েই চলাচল করতে পারবে।
বিশ্বের মোট তেল সরবরাহের প্রায় এক-পঞ্চমাংশ এই হরমুজ প্রণালি দিয়ে পরিবাহিত হয়। ফলে প্রণালিতে উত্তেজনা তৈরি হওয়ায় আন্তর্জাতিক জ্বালানি বাজারেও অস্থিরতা দেখা দিয়েছে। বিশ্লেষকদের মতে, হরমুজ প্রণালিতে টোল আরোপ ও নিয়ন্ত্রণ জোরদারের মাধ্যমে ইরান নতুন আঞ্চলিক বাস্তবতা তৈরির চেষ্টা করছে। ইতোমধ্যে টোল থেকে প্রথম আয় সংগ্রহের কথাও জানিয়েছে তেহরান।
এখনও কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!