
ভারতের পররাষ্ট্রসচিব বিক্রম মিশ্রির কাঠমান্ডু সফর শেষ মুহূর্তে স্থগিত করা হয়েছে। দুই দিনের এই সফরকে ঘিরে দুই দেশের মধ্যে কূটনৈতিক প্রস্তুতি চললেও হঠাৎ করেই ভারত সফর বাতিলের সিদ্ধান্ত জানায়।
ভারত আনুষ্ঠানিকভাবে ‘অন্যান্য ব্যস্ততা’কে কারণ হিসেবে উল্লেখ করলেও নেপালের রাজনৈতিক মহলে ধারণা করা হচ্ছে, বিষয়টির পেছনে রয়েছে নতুন সরকারের সঙ্গে দিল্লির টানাপোড়েন।
নেপালের নতুন প্রধানমন্ত্রী বালেন্দ্র শাহ স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন, তিনি পররাষ্ট্রমন্ত্রী পর্যায়ের নিচে কোনো বিদেশি কর্মকর্তার সঙ্গে সাক্ষাৎ করবেন না। তার এই অবস্থানকে কেন্দ্র করেই ভারতীয় পররাষ্ট্রসচিবের সফর কার্যত অনিশ্চিত হয়ে পড়ে।
নেপাল আগেও একই ধরনের অবস্থান নিয়েছে। মার্কিন উচ্চপদস্থ কয়েকজন কর্মকর্তার সঙ্গেও বালেন্দ্র শাহ বৈঠক করেননি বলে জানা গেছে।
অন্যদিকে কূটনৈতিক টানাপোড়েনের আরেকটি কারণ হিসেবে উঠে এসেছে সীমান্ত ইস্যু। লিপুলেখ, কালাপানি ও লিম্পিয়াধুরা অঞ্চল নিয়ে ভারতের সঙ্গে নেপালের দীর্ঘদিনের বিরোধ আবারও উত্তপ্ত হয়েছে।
নেপাল দাবি করছে, ১৮১৬ সালের সুগৌলি চুক্তি অনুযায়ী ওই অঞ্চলগুলো তাদের ভূখণ্ডের অংশ। তবে ভারত এ দাবি প্রত্যাখ্যান করে বলছে, বিষয়টি আলোচনার মাধ্যমে সমাধানযোগ্য। ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল জানিয়েছেন, ভারত আলোচনায় আগ্রহী হলেও একতরফা দাবি মেনে নেওয়া হবে না।
বিশ্লেষকদের মতে, সফর স্থগিত হওয়া দুই দেশের সম্পর্ককে কিছুটা চাপের মুখে ফেললেও এখনই বড় কোনো কূটনৈতিক সংকট তৈরি হয়নি। আগামী মাসে নেপালের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর দিল্লি সফর এখনও বহাল রয়েছে, যা নতুন করে আলোচনার সুযোগ তৈরি করতে পারে।

ভারতের পররাষ্ট্রসচিব বিক্রম মিশ্রির কাঠমান্ডু সফর শেষ মুহূর্তে স্থগিত করা হয়েছে। দুই দিনের এই সফরকে ঘিরে দুই দেশের মধ্যে কূটনৈতিক প্রস্তুতি চললেও হঠাৎ করেই ভারত সফর বাতিলের সিদ্ধান্ত জানায়।
ভারত আনুষ্ঠানিকভাবে ‘অন্যান্য ব্যস্ততা’কে কারণ হিসেবে উল্লেখ করলেও নেপালের রাজনৈতিক মহলে ধারণা করা হচ্ছে, বিষয়টির পেছনে রয়েছে নতুন সরকারের সঙ্গে দিল্লির টানাপোড়েন।
নেপালের নতুন প্রধানমন্ত্রী বালেন্দ্র শাহ স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন, তিনি পররাষ্ট্রমন্ত্রী পর্যায়ের নিচে কোনো বিদেশি কর্মকর্তার সঙ্গে সাক্ষাৎ করবেন না। তার এই অবস্থানকে কেন্দ্র করেই ভারতীয় পররাষ্ট্রসচিবের সফর কার্যত অনিশ্চিত হয়ে পড়ে।
নেপাল আগেও একই ধরনের অবস্থান নিয়েছে। মার্কিন উচ্চপদস্থ কয়েকজন কর্মকর্তার সঙ্গেও বালেন্দ্র শাহ বৈঠক করেননি বলে জানা গেছে।
অন্যদিকে কূটনৈতিক টানাপোড়েনের আরেকটি কারণ হিসেবে উঠে এসেছে সীমান্ত ইস্যু। লিপুলেখ, কালাপানি ও লিম্পিয়াধুরা অঞ্চল নিয়ে ভারতের সঙ্গে নেপালের দীর্ঘদিনের বিরোধ আবারও উত্তপ্ত হয়েছে।
নেপাল দাবি করছে, ১৮১৬ সালের সুগৌলি চুক্তি অনুযায়ী ওই অঞ্চলগুলো তাদের ভূখণ্ডের অংশ। তবে ভারত এ দাবি প্রত্যাখ্যান করে বলছে, বিষয়টি আলোচনার মাধ্যমে সমাধানযোগ্য। ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল জানিয়েছেন, ভারত আলোচনায় আগ্রহী হলেও একতরফা দাবি মেনে নেওয়া হবে না।
বিশ্লেষকদের মতে, সফর স্থগিত হওয়া দুই দেশের সম্পর্ককে কিছুটা চাপের মুখে ফেললেও এখনই বড় কোনো কূটনৈতিক সংকট তৈরি হয়নি। আগামী মাসে নেপালের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর দিল্লি সফর এখনও বহাল রয়েছে, যা নতুন করে আলোচনার সুযোগ তৈরি করতে পারে।

ভারতের পররাষ্ট্রসচিব বিক্রম মিশ্রির কাঠমান্ডু সফর শেষ মুহূর্তে স্থগিত করা হয়েছে। দুই দিনের এই সফরকে ঘিরে দুই দেশের মধ্যে কূটনৈতিক প্রস্তুতি চললেও হঠাৎ করেই ভারত সফর বাতিলের সিদ্ধান্ত জানায়।
ভারত আনুষ্ঠানিকভাবে ‘অন্যান্য ব্যস্ততা’কে কারণ হিসেবে উল্লেখ করলেও নেপালের রাজনৈতিক মহলে ধারণা করা হচ্ছে, বিষয়টির পেছনে রয়েছে নতুন সরকারের সঙ্গে দিল্লির টানাপোড়েন।
নেপালের নতুন প্রধানমন্ত্রী বালেন্দ্র শাহ স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন, তিনি পররাষ্ট্রমন্ত্রী পর্যায়ের নিচে কোনো বিদেশি কর্মকর্তার সঙ্গে সাক্ষাৎ করবেন না। তার এই অবস্থানকে কেন্দ্র করেই ভারতীয় পররাষ্ট্রসচিবের সফর কার্যত অনিশ্চিত হয়ে পড়ে।
নেপাল আগেও একই ধরনের অবস্থান নিয়েছে। মার্কিন উচ্চপদস্থ কয়েকজন কর্মকর্তার সঙ্গেও বালেন্দ্র শাহ বৈঠক করেননি বলে জানা গেছে।
অন্যদিকে কূটনৈতিক টানাপোড়েনের আরেকটি কারণ হিসেবে উঠে এসেছে সীমান্ত ইস্যু। লিপুলেখ, কালাপানি ও লিম্পিয়াধুরা অঞ্চল নিয়ে ভারতের সঙ্গে নেপালের দীর্ঘদিনের বিরোধ আবারও উত্তপ্ত হয়েছে।
নেপাল দাবি করছে, ১৮১৬ সালের সুগৌলি চুক্তি অনুযায়ী ওই অঞ্চলগুলো তাদের ভূখণ্ডের অংশ। তবে ভারত এ দাবি প্রত্যাখ্যান করে বলছে, বিষয়টি আলোচনার মাধ্যমে সমাধানযোগ্য। ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল জানিয়েছেন, ভারত আলোচনায় আগ্রহী হলেও একতরফা দাবি মেনে নেওয়া হবে না।
বিশ্লেষকদের মতে, সফর স্থগিত হওয়া দুই দেশের সম্পর্ককে কিছুটা চাপের মুখে ফেললেও এখনই বড় কোনো কূটনৈতিক সংকট তৈরি হয়নি। আগামী মাসে নেপালের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর দিল্লি সফর এখনও বহাল রয়েছে, যা নতুন করে আলোচনার সুযোগ তৈরি করতে পারে।

ভারতের পররাষ্ট্রসচিব বিক্রম মিশ্রির কাঠমান্ডু সফর শেষ মুহূর্তে স্থগিত করা হয়েছে। দুই দিনের এই সফরকে ঘিরে দুই দেশের মধ্যে কূটনৈতিক প্রস্তুতি চললেও হঠাৎ করেই ভারত সফর বাতিলের সিদ্ধান্ত জানায়।
ভারত আনুষ্ঠানিকভাবে ‘অন্যান্য ব্যস্ততা’কে কারণ হিসেবে উল্লেখ করলেও নেপালের রাজনৈতিক মহলে ধারণা করা হচ্ছে, বিষয়টির পেছনে রয়েছে নতুন সরকারের সঙ্গে দিল্লির টানাপোড়েন।
নেপালের নতুন প্রধানমন্ত্রী বালেন্দ্র শাহ স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন, তিনি পররাষ্ট্রমন্ত্রী পর্যায়ের নিচে কোনো বিদেশি কর্মকর্তার সঙ্গে সাক্ষাৎ করবেন না। তার এই অবস্থানকে কেন্দ্র করেই ভারতীয় পররাষ্ট্রসচিবের সফর কার্যত অনিশ্চিত হয়ে পড়ে।
নেপাল আগেও একই ধরনের অবস্থান নিয়েছে। মার্কিন উচ্চপদস্থ কয়েকজন কর্মকর্তার সঙ্গেও বালেন্দ্র শাহ বৈঠক করেননি বলে জানা গেছে।
অন্যদিকে কূটনৈতিক টানাপোড়েনের আরেকটি কারণ হিসেবে উঠে এসেছে সীমান্ত ইস্যু। লিপুলেখ, কালাপানি ও লিম্পিয়াধুরা অঞ্চল নিয়ে ভারতের সঙ্গে নেপালের দীর্ঘদিনের বিরোধ আবারও উত্তপ্ত হয়েছে।
নেপাল দাবি করছে, ১৮১৬ সালের সুগৌলি চুক্তি অনুযায়ী ওই অঞ্চলগুলো তাদের ভূখণ্ডের অংশ। তবে ভারত এ দাবি প্রত্যাখ্যান করে বলছে, বিষয়টি আলোচনার মাধ্যমে সমাধানযোগ্য। ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল জানিয়েছেন, ভারত আলোচনায় আগ্রহী হলেও একতরফা দাবি মেনে নেওয়া হবে না।
বিশ্লেষকদের মতে, সফর স্থগিত হওয়া দুই দেশের সম্পর্ককে কিছুটা চাপের মুখে ফেললেও এখনই বড় কোনো কূটনৈতিক সংকট তৈরি হয়নি। আগামী মাসে নেপালের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর দিল্লি সফর এখনও বহাল রয়েছে, যা নতুন করে আলোচনার সুযোগ তৈরি করতে পারে।
এখনও কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!