মিচেল স্টার্কের বিধ্বংসী বোলিংয়ে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে ম্যাকাই টেস্টের প্রথম ইনিংসে মাত্র ৬৪ রানে অলআউট হয়েছে বাংলাদেশ। দ্বিতীয় ও শেষ টেস্টের প্রথম দিনেই অস্ট্রেলিয়ার পেস আক্রমণের সামনে ভয়াবহ ব্যাটিং বিপর্যয়ে পড়ে সফরকারীরা।
শনিবার (২২ আগস্ট) টস জিতে বাংলাদেশকে ব্যাটিংয়ে পাঠায় অস্ট্রেলিয়া। ইনিংসের শুরু থেকেই আগুন ঝরান বাঁহাতি পেসার স্টার্ক। প্রথম বলেই উইকেট নেওয়ার পর মাত্র ২২ বলের মধ্যে পাঁচ উইকেট পূর্ণ করেন তিনি। পরে ইনিংসে ছয় উইকেট নিয়ে ১২ রানে শেষ করেন নিজের স্পেল।
স্টার্কের তোপে সাদমান ইসলাম, তানজিদ হাসান তামিম, অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্ত ও লিটন দাস কোনো রান করতে পারেননি। মুমিনুল হক করেন ৯ রান। মাত্র ১২ রানে পাঁচ উইকেট হারিয়ে চরম বিপর্যয়ে পড়ে বাংলাদেশ।
মুশফিকুর রহিম ৫ রান করে ফিরলে লাঞ্চের সময় বাংলাদেশের সংগ্রহ দাঁড়ায় ৬ উইকেটে ৩৫ রান। পরে মেহেদী হাসান মিরাজ ১১ ও শরিফুল ইসলাম ১৪ রান করে কিছুটা প্রতিরোধ গড়লেও ইনিংস বড় করতে পারেনি বাংলাদেশ। তাইজুল ইসলাম ১১ রানে অপরাজিত ছিলেন।
অস্ট্রেলিয়ার হয়ে স্টার্ক নেন ৬ উইকেট। প্যাট কামিন্স নেন ৩টি এবং জশ হ্যাজেলউড একটি উইকেট শিকার করেন।
বাংলাদেশের এই ৬৪ রানের ইনিংসটি টেস্টে তাদের সর্বনিম্ন নয়, তবে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে বড় ব্যাটিং বিপর্যয়ের আরেকটি হতাশাজনক নজির হয়ে থাকল। প্রথম টেস্টে ৯ উইকেটের ঐতিহাসিক জয়ের পর দ্বিতীয় টেস্টে সিরিজ জয়ের লক্ষ্যে নেমেছিল বাংলাদেশ।
বাংলাদেশ একাদশ সাদমান ইসলাম, তানজিদ হাসান তামিম, মুমিনুল হক, নাজমুল হোসেন শান্ত (অধিনায়ক), মুশফিকুর রহিম, লিটন দাস (উইকেটরক্ষক), মেহেদী হাসান মিরাজ, হাসান মাহমুদ, তাইজুল ইসলাম, তাসকিন আহমেদ, শরিফুল ইসলাম।
অস্ট্রেলিয়া একাদশ ট্যাভিস হেড, ম্যাট রেনশ, মার্নাস লাবুশেন, স্টিভেন স্মিথ, ক্যামেরন গ্রিন, অ্যালেক্স ক্যারি (উইকেটরক্ষক), বেউ ওয়েবস্টার, প্যাট কামিন্স (অধিনায়ক), মিচেল স্টার্ক, নাথান লায়ন, জশ হ্যাজেলউড।
মিচেল স্টার্কের বিধ্বংসী বোলিংয়ে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে ম্যাকাই টেস্টের প্রথম ইনিংসে মাত্র ৬৪ রানে অলআউট হয়েছে বাংলাদেশ। দ্বিতীয় ও শেষ টেস্টের প্রথম দিনেই অস্ট্রেলিয়ার পেস আক্রমণের সামনে ভয়াবহ ব্যাটিং বিপর্যয়ে পড়ে সফরকারীরা।
শনিবার (২২ আগস্ট) টস জিতে বাংলাদেশকে ব্যাটিংয়ে পাঠায় অস্ট্রেলিয়া। ইনিংসের শুরু থেকেই আগুন ঝরান বাঁহাতি পেসার স্টার্ক। প্রথম বলেই উইকেট নেওয়ার পর মাত্র ২২ বলের মধ্যে পাঁচ উইকেট পূর্ণ করেন তিনি। পরে ইনিংসে ছয় উইকেট নিয়ে ১২ রানে শেষ করেন নিজের স্পেল।
স্টার্কের তোপে সাদমান ইসলাম, তানজিদ হাসান তামিম, অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্ত ও লিটন দাস কোনো রান করতে পারেননি। মুমিনুল হক করেন ৯ রান। মাত্র ১২ রানে পাঁচ উইকেট হারিয়ে চরম বিপর্যয়ে পড়ে বাংলাদেশ।
মুশফিকুর রহিম ৫ রান করে ফিরলে লাঞ্চের সময় বাংলাদেশের সংগ্রহ দাঁড়ায় ৬ উইকেটে ৩৫ রান। পরে মেহেদী হাসান মিরাজ ১১ ও শরিফুল ইসলাম ১৪ রান করে কিছুটা প্রতিরোধ গড়লেও ইনিংস বড় করতে পারেনি বাংলাদেশ। তাইজুল ইসলাম ১১ রানে অপরাজিত ছিলেন।
অস্ট্রেলিয়ার হয়ে স্টার্ক নেন ৬ উইকেট। প্যাট কামিন্স নেন ৩টি এবং জশ হ্যাজেলউড একটি উইকেট শিকার করেন।
বাংলাদেশের এই ৬৪ রানের ইনিংসটি টেস্টে তাদের সর্বনিম্ন নয়, তবে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে বড় ব্যাটিং বিপর্যয়ের আরেকটি হতাশাজনক নজির হয়ে থাকল। প্রথম টেস্টে ৯ উইকেটের ঐতিহাসিক জয়ের পর দ্বিতীয় টেস্টে সিরিজ জয়ের লক্ষ্যে নেমেছিল বাংলাদেশ।
বাংলাদেশ একাদশ সাদমান ইসলাম, তানজিদ হাসান তামিম, মুমিনুল হক, নাজমুল হোসেন শান্ত (অধিনায়ক), মুশফিকুর রহিম, লিটন দাস (উইকেটরক্ষক), মেহেদী হাসান মিরাজ, হাসান মাহমুদ, তাইজুল ইসলাম, তাসকিন আহমেদ, শরিফুল ইসলাম।
অস্ট্রেলিয়া একাদশ ট্যাভিস হেড, ম্যাট রেনশ, মার্নাস লাবুশেন, স্টিভেন স্মিথ, ক্যামেরন গ্রিন, অ্যালেক্স ক্যারি (উইকেটরক্ষক), বেউ ওয়েবস্টার, প্যাট কামিন্স (অধিনায়ক), মিচেল স্টার্ক, নাথান লায়ন, জশ হ্যাজেলউড।
মিচেল স্টার্কের বিধ্বংসী বোলিংয়ে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে ম্যাকাই টেস্টের প্রথম ইনিংসে মাত্র ৬৪ রানে অলআউট হয়েছে বাংলাদেশ। দ্বিতীয় ও শেষ টেস্টের প্রথম দিনেই অস্ট্রেলিয়ার পেস আক্রমণের সামনে ভয়াবহ ব্যাটিং বিপর্যয়ে পড়ে সফরকারীরা।
শনিবার (২২ আগস্ট) টস জিতে বাংলাদেশকে ব্যাটিংয়ে পাঠায় অস্ট্রেলিয়া। ইনিংসের শুরু থেকেই আগুন ঝরান বাঁহাতি পেসার স্টার্ক। প্রথম বলেই উইকেট নেওয়ার পর মাত্র ২২ বলের মধ্যে পাঁচ উইকেট পূর্ণ করেন তিনি। পরে ইনিংসে ছয় উইকেট নিয়ে ১২ রানে শেষ করেন নিজের স্পেল।
স্টার্কের তোপে সাদমান ইসলাম, তানজিদ হাসান তামিম, অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্ত ও লিটন দাস কোনো রান করতে পারেননি। মুমিনুল হক করেন ৯ রান। মাত্র ১২ রানে পাঁচ উইকেট হারিয়ে চরম বিপর্যয়ে পড়ে বাংলাদেশ।
মুশফিকুর রহিম ৫ রান করে ফিরলে লাঞ্চের সময় বাংলাদেশের সংগ্রহ দাঁড়ায় ৬ উইকেটে ৩৫ রান। পরে মেহেদী হাসান মিরাজ ১১ ও শরিফুল ইসলাম ১৪ রান করে কিছুটা প্রতিরোধ গড়লেও ইনিংস বড় করতে পারেনি বাংলাদেশ। তাইজুল ইসলাম ১১ রানে অপরাজিত ছিলেন।
অস্ট্রেলিয়ার হয়ে স্টার্ক নেন ৬ উইকেট। প্যাট কামিন্স নেন ৩টি এবং জশ হ্যাজেলউড একটি উইকেট শিকার করেন।
বাংলাদেশের এই ৬৪ রানের ইনিংসটি টেস্টে তাদের সর্বনিম্ন নয়, তবে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে বড় ব্যাটিং বিপর্যয়ের আরেকটি হতাশাজনক নজির হয়ে থাকল। প্রথম টেস্টে ৯ উইকেটের ঐতিহাসিক জয়ের পর দ্বিতীয় টেস্টে সিরিজ জয়ের লক্ষ্যে নেমেছিল বাংলাদেশ।
বাংলাদেশ একাদশ সাদমান ইসলাম, তানজিদ হাসান তামিম, মুমিনুল হক, নাজমুল হোসেন শান্ত (অধিনায়ক), মুশফিকুর রহিম, লিটন দাস (উইকেটরক্ষক), মেহেদী হাসান মিরাজ, হাসান মাহমুদ, তাইজুল ইসলাম, তাসকিন আহমেদ, শরিফুল ইসলাম।
অস্ট্রেলিয়া একাদশ ট্যাভিস হেড, ম্যাট রেনশ, মার্নাস লাবুশেন, স্টিভেন স্মিথ, ক্যামেরন গ্রিন, অ্যালেক্স ক্যারি (উইকেটরক্ষক), বেউ ওয়েবস্টার, প্যাট কামিন্স (অধিনায়ক), মিচেল স্টার্ক, নাথান লায়ন, জশ হ্যাজেলউড।
মিচেল স্টার্কের বিধ্বংসী বোলিংয়ে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে ম্যাকাই টেস্টের প্রথম ইনিংসে মাত্র ৬৪ রানে অলআউট হয়েছে বাংলাদেশ। দ্বিতীয় ও শেষ টেস্টের প্রথম দিনেই অস্ট্রেলিয়ার পেস আক্রমণের সামনে ভয়াবহ ব্যাটিং বিপর্যয়ে পড়ে সফরকারীরা।
শনিবার (২২ আগস্ট) টস জিতে বাংলাদেশকে ব্যাটিংয়ে পাঠায় অস্ট্রেলিয়া। ইনিংসের শুরু থেকেই আগুন ঝরান বাঁহাতি পেসার স্টার্ক। প্রথম বলেই উইকেট নেওয়ার পর মাত্র ২২ বলের মধ্যে পাঁচ উইকেট পূর্ণ করেন তিনি। পরে ইনিংসে ছয় উইকেট নিয়ে ১২ রানে শেষ করেন নিজের স্পেল।
স্টার্কের তোপে সাদমান ইসলাম, তানজিদ হাসান তামিম, অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্ত ও লিটন দাস কোনো রান করতে পারেননি। মুমিনুল হক করেন ৯ রান। মাত্র ১২ রানে পাঁচ উইকেট হারিয়ে চরম বিপর্যয়ে পড়ে বাংলাদেশ।
মুশফিকুর রহিম ৫ রান করে ফিরলে লাঞ্চের সময় বাংলাদেশের সংগ্রহ দাঁড়ায় ৬ উইকেটে ৩৫ রান। পরে মেহেদী হাসান মিরাজ ১১ ও শরিফুল ইসলাম ১৪ রান করে কিছুটা প্রতিরোধ গড়লেও ইনিংস বড় করতে পারেনি বাংলাদেশ। তাইজুল ইসলাম ১১ রানে অপরাজিত ছিলেন।
অস্ট্রেলিয়ার হয়ে স্টার্ক নেন ৬ উইকেট। প্যাট কামিন্স নেন ৩টি এবং জশ হ্যাজেলউড একটি উইকেট শিকার করেন।
বাংলাদেশের এই ৬৪ রানের ইনিংসটি টেস্টে তাদের সর্বনিম্ন নয়, তবে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে বড় ব্যাটিং বিপর্যয়ের আরেকটি হতাশাজনক নজির হয়ে থাকল। প্রথম টেস্টে ৯ উইকেটের ঐতিহাসিক জয়ের পর দ্বিতীয় টেস্টে সিরিজ জয়ের লক্ষ্যে নেমেছিল বাংলাদেশ।
বাংলাদেশ একাদশ সাদমান ইসলাম, তানজিদ হাসান তামিম, মুমিনুল হক, নাজমুল হোসেন শান্ত (অধিনায়ক), মুশফিকুর রহিম, লিটন দাস (উইকেটরক্ষক), মেহেদী হাসান মিরাজ, হাসান মাহমুদ, তাইজুল ইসলাম, তাসকিন আহমেদ, শরিফুল ইসলাম।
অস্ট্রেলিয়া একাদশ ট্যাভিস হেড, ম্যাট রেনশ, মার্নাস লাবুশেন, স্টিভেন স্মিথ, ক্যামেরন গ্রিন, অ্যালেক্স ক্যারি (উইকেটরক্ষক), বেউ ওয়েবস্টার, প্যাট কামিন্স (অধিনায়ক), মিচেল স্টার্ক, নাথান লায়ন, জশ হ্যাজেলউড।
এখনও কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!