
৮ বছর পর আবার বাংলাদেশে ফিরতে যাচ্ছে পুরুষদের সাফ চ্যাম্পিয়নশিপ। সবশেষ ২০১৮ সালে ঢাকায় অনুষ্ঠিত হয়েছিল এই আসর। তবে বাংলাদেশেই হবে এটা এখনও নিশ্চিত করতে পারেনি সাফ। যদিও দক্ষিণ এশিয়ার এই বড় ফুটবল টুর্নামেন্টের ২০২৬ আসরের আয়োজক হওয়ার দৌড়ে সবচেয়ে এগিয়ে বাংলাদেশ। কারণ সাফ কর্তারা ঢাকাকে ভবিষ্যৎ পরিকল্পনার মূল জায়গা হিসেবে দেখছেন। যদিও এখনও চূড়ান্ত ঘোষণা আসেনি।
বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশন (বাফুফে) এবং সাফের নির্বাহী কমিটির অনুমোদন পেলেই বিষয়টি নিশ্চিত হবে। গত বছর সাফ চ্যাম্পিয়নশিপ স্থগিত হয়েছিল। তাই এবার সেপ্টেম্বর থেকে অক্টোবরের আন্তর্জাতিক উইন্ডোকে লক্ষ্য করা হচ্ছে। এই সময়েই টুর্নামেন্ট আয়োজন করতে চায় সাফ।
তবে এ জন্য অপেক্ষায় থাকতে হচ্ছে ১৪ জানুয়ারি বাফুফের সভায়। বিষয়টি জানিয়েছেন বাফুফের সহসভাপতি ও মার্কেটিং কমিটির চেয়ারম্যান ফাহাদ করিম। তার কথা, ‘সাফের ভেন্যু আমরা গ্রহণ করব কিনা এ বিষয়ে ১৪ জানুয়ারি বাফুফের সভা ছিল। তবে ওই দিন বিশ^কাপ ট্রফি ঢাকায় আসবে। সেই ট্রফি যাওয়ার পর আমরা এরপরই সভা করব। ওই সভায় সিদ্ধান্ত হবে সাফের আয়োজক আমরা হব কিনা।’
তবে বাংলাদেশে সাফ হওয়া নিয়েই শঙ্কাও তৈরি হয়েছে। কারণ এই দেশে সাফের আয়োজন হলে রাজনৈতিক কারণে এখানে এসে ভারত খেলবে কিনা তা নিয়েও ধন্দে রয়েছেন ফুটবল সমর্থকরা। আর যদি তাই হয়, তাহলে সাফের ভেন্যু বাংলাদেশ থেকে সরে অন্য দেশে যেতে পারে।

৮ বছর পর আবার বাংলাদেশে ফিরতে যাচ্ছে পুরুষদের সাফ চ্যাম্পিয়নশিপ। সবশেষ ২০১৮ সালে ঢাকায় অনুষ্ঠিত হয়েছিল এই আসর। তবে বাংলাদেশেই হবে এটা এখনও নিশ্চিত করতে পারেনি সাফ। যদিও দক্ষিণ এশিয়ার এই বড় ফুটবল টুর্নামেন্টের ২০২৬ আসরের আয়োজক হওয়ার দৌড়ে সবচেয়ে এগিয়ে বাংলাদেশ। কারণ সাফ কর্তারা ঢাকাকে ভবিষ্যৎ পরিকল্পনার মূল জায়গা হিসেবে দেখছেন। যদিও এখনও চূড়ান্ত ঘোষণা আসেনি।
বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশন (বাফুফে) এবং সাফের নির্বাহী কমিটির অনুমোদন পেলেই বিষয়টি নিশ্চিত হবে। গত বছর সাফ চ্যাম্পিয়নশিপ স্থগিত হয়েছিল। তাই এবার সেপ্টেম্বর থেকে অক্টোবরের আন্তর্জাতিক উইন্ডোকে লক্ষ্য করা হচ্ছে। এই সময়েই টুর্নামেন্ট আয়োজন করতে চায় সাফ।
তবে এ জন্য অপেক্ষায় থাকতে হচ্ছে ১৪ জানুয়ারি বাফুফের সভায়। বিষয়টি জানিয়েছেন বাফুফের সহসভাপতি ও মার্কেটিং কমিটির চেয়ারম্যান ফাহাদ করিম। তার কথা, ‘সাফের ভেন্যু আমরা গ্রহণ করব কিনা এ বিষয়ে ১৪ জানুয়ারি বাফুফের সভা ছিল। তবে ওই দিন বিশ^কাপ ট্রফি ঢাকায় আসবে। সেই ট্রফি যাওয়ার পর আমরা এরপরই সভা করব। ওই সভায় সিদ্ধান্ত হবে সাফের আয়োজক আমরা হব কিনা।’
তবে বাংলাদেশে সাফ হওয়া নিয়েই শঙ্কাও তৈরি হয়েছে। কারণ এই দেশে সাফের আয়োজন হলে রাজনৈতিক কারণে এখানে এসে ভারত খেলবে কিনা তা নিয়েও ধন্দে রয়েছেন ফুটবল সমর্থকরা। আর যদি তাই হয়, তাহলে সাফের ভেন্যু বাংলাদেশ থেকে সরে অন্য দেশে যেতে পারে।

৮ বছর পর আবার বাংলাদেশে ফিরতে যাচ্ছে পুরুষদের সাফ চ্যাম্পিয়নশিপ। সবশেষ ২০১৮ সালে ঢাকায় অনুষ্ঠিত হয়েছিল এই আসর। তবে বাংলাদেশেই হবে এটা এখনও নিশ্চিত করতে পারেনি সাফ। যদিও দক্ষিণ এশিয়ার এই বড় ফুটবল টুর্নামেন্টের ২০২৬ আসরের আয়োজক হওয়ার দৌড়ে সবচেয়ে এগিয়ে বাংলাদেশ। কারণ সাফ কর্তারা ঢাকাকে ভবিষ্যৎ পরিকল্পনার মূল জায়গা হিসেবে দেখছেন। যদিও এখনও চূড়ান্ত ঘোষণা আসেনি।
বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশন (বাফুফে) এবং সাফের নির্বাহী কমিটির অনুমোদন পেলেই বিষয়টি নিশ্চিত হবে। গত বছর সাফ চ্যাম্পিয়নশিপ স্থগিত হয়েছিল। তাই এবার সেপ্টেম্বর থেকে অক্টোবরের আন্তর্জাতিক উইন্ডোকে লক্ষ্য করা হচ্ছে। এই সময়েই টুর্নামেন্ট আয়োজন করতে চায় সাফ।
তবে এ জন্য অপেক্ষায় থাকতে হচ্ছে ১৪ জানুয়ারি বাফুফের সভায়। বিষয়টি জানিয়েছেন বাফুফের সহসভাপতি ও মার্কেটিং কমিটির চেয়ারম্যান ফাহাদ করিম। তার কথা, ‘সাফের ভেন্যু আমরা গ্রহণ করব কিনা এ বিষয়ে ১৪ জানুয়ারি বাফুফের সভা ছিল। তবে ওই দিন বিশ^কাপ ট্রফি ঢাকায় আসবে। সেই ট্রফি যাওয়ার পর আমরা এরপরই সভা করব। ওই সভায় সিদ্ধান্ত হবে সাফের আয়োজক আমরা হব কিনা।’
তবে বাংলাদেশে সাফ হওয়া নিয়েই শঙ্কাও তৈরি হয়েছে। কারণ এই দেশে সাফের আয়োজন হলে রাজনৈতিক কারণে এখানে এসে ভারত খেলবে কিনা তা নিয়েও ধন্দে রয়েছেন ফুটবল সমর্থকরা। আর যদি তাই হয়, তাহলে সাফের ভেন্যু বাংলাদেশ থেকে সরে অন্য দেশে যেতে পারে।

৮ বছর পর আবার বাংলাদেশে ফিরতে যাচ্ছে পুরুষদের সাফ চ্যাম্পিয়নশিপ। সবশেষ ২০১৮ সালে ঢাকায় অনুষ্ঠিত হয়েছিল এই আসর। তবে বাংলাদেশেই হবে এটা এখনও নিশ্চিত করতে পারেনি সাফ। যদিও দক্ষিণ এশিয়ার এই বড় ফুটবল টুর্নামেন্টের ২০২৬ আসরের আয়োজক হওয়ার দৌড়ে সবচেয়ে এগিয়ে বাংলাদেশ। কারণ সাফ কর্তারা ঢাকাকে ভবিষ্যৎ পরিকল্পনার মূল জায়গা হিসেবে দেখছেন। যদিও এখনও চূড়ান্ত ঘোষণা আসেনি।
বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশন (বাফুফে) এবং সাফের নির্বাহী কমিটির অনুমোদন পেলেই বিষয়টি নিশ্চিত হবে। গত বছর সাফ চ্যাম্পিয়নশিপ স্থগিত হয়েছিল। তাই এবার সেপ্টেম্বর থেকে অক্টোবরের আন্তর্জাতিক উইন্ডোকে লক্ষ্য করা হচ্ছে। এই সময়েই টুর্নামেন্ট আয়োজন করতে চায় সাফ।
তবে এ জন্য অপেক্ষায় থাকতে হচ্ছে ১৪ জানুয়ারি বাফুফের সভায়। বিষয়টি জানিয়েছেন বাফুফের সহসভাপতি ও মার্কেটিং কমিটির চেয়ারম্যান ফাহাদ করিম। তার কথা, ‘সাফের ভেন্যু আমরা গ্রহণ করব কিনা এ বিষয়ে ১৪ জানুয়ারি বাফুফের সভা ছিল। তবে ওই দিন বিশ^কাপ ট্রফি ঢাকায় আসবে। সেই ট্রফি যাওয়ার পর আমরা এরপরই সভা করব। ওই সভায় সিদ্ধান্ত হবে সাফের আয়োজক আমরা হব কিনা।’
তবে বাংলাদেশে সাফ হওয়া নিয়েই শঙ্কাও তৈরি হয়েছে। কারণ এই দেশে সাফের আয়োজন হলে রাজনৈতিক কারণে এখানে এসে ভারত খেলবে কিনা তা নিয়েও ধন্দে রয়েছেন ফুটবল সমর্থকরা। আর যদি তাই হয়, তাহলে সাফের ভেন্যু বাংলাদেশ থেকে সরে অন্য দেশে যেতে পারে।
এখনও কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!