ইউরোপের মাটিতে প্রথমবারের মতো জয় তুলে নিয়ে ইতিহাস গড়েছে বাংলাদেশ জাতীয় ফুটবল দল। প্রীতি ম্যাচে স্বাগতিক সান মারিনোকে ২-১ গোলে হারিয়ে ইউরোপে কোনো দেশের বিপক্ষে প্রথম জয় পেল লাল-সবুজের প্রতিনিধিরা।
শুক্রবার (৫ জুন) অনুষ্ঠিত ম্যাচে বাংলাদেশের হয়ে জোড়া গোল করেন তপু বর্মণ। স্বাগতিক দলের হয়ে একমাত্র গোলটি করেন জিওকোপেত্তি।
ম্যাচের শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক খেলায় এগিয়ে যায় বাংলাদেশ। ১৬তম মিনিটে ফ্রি-কিক থেকে শুরু হওয়া আক্রমণ থেকে দারুণ এক হেডে গোল করে দলকে এগিয়ে দেন তপু বর্মণ। তবে ৩১তম মিনিটে বক্সে সুযোগ কাজে লাগিয়ে সমতা ফেরায় সান মারিনো—গোল করেন জিওকোপেত্তি।
প্রথমার্ধে একাধিক সুযোগ পেলেও গোল বাড়াতে ব্যর্থ হয় বাংলাদেশ। ৩৬তম মিনিটে সাদ উদ্দিন সহজ সুযোগ নষ্ট করেন, আর বিরতির পর ৫২তম মিনিটে ফাহিমের শট ফিরে আসে গোলবারে লেগে।
দ্বিতীয়ার্ধে দুই দলই আক্রমণ-পাল্টা আক্রমণে ম্যাচ জমিয়ে তোলে। স্বাগতিকরা কয়েকবার ফ্রি-কিক থেকে হুমকি তৈরি করলেও দুর্দান্ত সেভে বাংলাদেশকে রক্ষা করেন গোলরক্ষক মিতুল মারমা।
নির্ধারিত সময়ের শেষ দিকে এসে আসে নাটকীয়তা। ৮৬তম মিনিটে ফ্রি-কিক থেকে আবারও গোল করে বাংলাদেশের জয়ের নায়ক হয়ে ওঠেন তপু বর্মণ। তার দ্বিতীয় গোলেই ২-১ ব্যবধানে জয় নিশ্চিত হয় বাংলাদেশের।
এই জয়ের মাধ্যমে ইউরোপ সফরে ঐতিহাসিক সাফল্য অর্জন করল বাংলাদেশ ফুটবল দল।
ইউরোপের মাটিতে প্রথমবারের মতো জয় তুলে নিয়ে ইতিহাস গড়েছে বাংলাদেশ জাতীয় ফুটবল দল। প্রীতি ম্যাচে স্বাগতিক সান মারিনোকে ২-১ গোলে হারিয়ে ইউরোপে কোনো দেশের বিপক্ষে প্রথম জয় পেল লাল-সবুজের প্রতিনিধিরা।
শুক্রবার (৫ জুন) অনুষ্ঠিত ম্যাচে বাংলাদেশের হয়ে জোড়া গোল করেন তপু বর্মণ। স্বাগতিক দলের হয়ে একমাত্র গোলটি করেন জিওকোপেত্তি।
ম্যাচের শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক খেলায় এগিয়ে যায় বাংলাদেশ। ১৬তম মিনিটে ফ্রি-কিক থেকে শুরু হওয়া আক্রমণ থেকে দারুণ এক হেডে গোল করে দলকে এগিয়ে দেন তপু বর্মণ। তবে ৩১তম মিনিটে বক্সে সুযোগ কাজে লাগিয়ে সমতা ফেরায় সান মারিনো—গোল করেন জিওকোপেত্তি।
প্রথমার্ধে একাধিক সুযোগ পেলেও গোল বাড়াতে ব্যর্থ হয় বাংলাদেশ। ৩৬তম মিনিটে সাদ উদ্দিন সহজ সুযোগ নষ্ট করেন, আর বিরতির পর ৫২তম মিনিটে ফাহিমের শট ফিরে আসে গোলবারে লেগে।
দ্বিতীয়ার্ধে দুই দলই আক্রমণ-পাল্টা আক্রমণে ম্যাচ জমিয়ে তোলে। স্বাগতিকরা কয়েকবার ফ্রি-কিক থেকে হুমকি তৈরি করলেও দুর্দান্ত সেভে বাংলাদেশকে রক্ষা করেন গোলরক্ষক মিতুল মারমা।
নির্ধারিত সময়ের শেষ দিকে এসে আসে নাটকীয়তা। ৮৬তম মিনিটে ফ্রি-কিক থেকে আবারও গোল করে বাংলাদেশের জয়ের নায়ক হয়ে ওঠেন তপু বর্মণ। তার দ্বিতীয় গোলেই ২-১ ব্যবধানে জয় নিশ্চিত হয় বাংলাদেশের।
এই জয়ের মাধ্যমে ইউরোপ সফরে ঐতিহাসিক সাফল্য অর্জন করল বাংলাদেশ ফুটবল দল।
ইউরোপের মাটিতে প্রথমবারের মতো জয় তুলে নিয়ে ইতিহাস গড়েছে বাংলাদেশ জাতীয় ফুটবল দল। প্রীতি ম্যাচে স্বাগতিক সান মারিনোকে ২-১ গোলে হারিয়ে ইউরোপে কোনো দেশের বিপক্ষে প্রথম জয় পেল লাল-সবুজের প্রতিনিধিরা।
শুক্রবার (৫ জুন) অনুষ্ঠিত ম্যাচে বাংলাদেশের হয়ে জোড়া গোল করেন তপু বর্মণ। স্বাগতিক দলের হয়ে একমাত্র গোলটি করেন জিওকোপেত্তি।
ম্যাচের শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক খেলায় এগিয়ে যায় বাংলাদেশ। ১৬তম মিনিটে ফ্রি-কিক থেকে শুরু হওয়া আক্রমণ থেকে দারুণ এক হেডে গোল করে দলকে এগিয়ে দেন তপু বর্মণ। তবে ৩১তম মিনিটে বক্সে সুযোগ কাজে লাগিয়ে সমতা ফেরায় সান মারিনো—গোল করেন জিওকোপেত্তি।
প্রথমার্ধে একাধিক সুযোগ পেলেও গোল বাড়াতে ব্যর্থ হয় বাংলাদেশ। ৩৬তম মিনিটে সাদ উদ্দিন সহজ সুযোগ নষ্ট করেন, আর বিরতির পর ৫২তম মিনিটে ফাহিমের শট ফিরে আসে গোলবারে লেগে।
দ্বিতীয়ার্ধে দুই দলই আক্রমণ-পাল্টা আক্রমণে ম্যাচ জমিয়ে তোলে। স্বাগতিকরা কয়েকবার ফ্রি-কিক থেকে হুমকি তৈরি করলেও দুর্দান্ত সেভে বাংলাদেশকে রক্ষা করেন গোলরক্ষক মিতুল মারমা।
নির্ধারিত সময়ের শেষ দিকে এসে আসে নাটকীয়তা। ৮৬তম মিনিটে ফ্রি-কিক থেকে আবারও গোল করে বাংলাদেশের জয়ের নায়ক হয়ে ওঠেন তপু বর্মণ। তার দ্বিতীয় গোলেই ২-১ ব্যবধানে জয় নিশ্চিত হয় বাংলাদেশের।
এই জয়ের মাধ্যমে ইউরোপ সফরে ঐতিহাসিক সাফল্য অর্জন করল বাংলাদেশ ফুটবল দল।
ইউরোপের মাটিতে প্রথমবারের মতো জয় তুলে নিয়ে ইতিহাস গড়েছে বাংলাদেশ জাতীয় ফুটবল দল। প্রীতি ম্যাচে স্বাগতিক সান মারিনোকে ২-১ গোলে হারিয়ে ইউরোপে কোনো দেশের বিপক্ষে প্রথম জয় পেল লাল-সবুজের প্রতিনিধিরা।
শুক্রবার (৫ জুন) অনুষ্ঠিত ম্যাচে বাংলাদেশের হয়ে জোড়া গোল করেন তপু বর্মণ। স্বাগতিক দলের হয়ে একমাত্র গোলটি করেন জিওকোপেত্তি।
ম্যাচের শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক খেলায় এগিয়ে যায় বাংলাদেশ। ১৬তম মিনিটে ফ্রি-কিক থেকে শুরু হওয়া আক্রমণ থেকে দারুণ এক হেডে গোল করে দলকে এগিয়ে দেন তপু বর্মণ। তবে ৩১তম মিনিটে বক্সে সুযোগ কাজে লাগিয়ে সমতা ফেরায় সান মারিনো—গোল করেন জিওকোপেত্তি।
প্রথমার্ধে একাধিক সুযোগ পেলেও গোল বাড়াতে ব্যর্থ হয় বাংলাদেশ। ৩৬তম মিনিটে সাদ উদ্দিন সহজ সুযোগ নষ্ট করেন, আর বিরতির পর ৫২তম মিনিটে ফাহিমের শট ফিরে আসে গোলবারে লেগে।
দ্বিতীয়ার্ধে দুই দলই আক্রমণ-পাল্টা আক্রমণে ম্যাচ জমিয়ে তোলে। স্বাগতিকরা কয়েকবার ফ্রি-কিক থেকে হুমকি তৈরি করলেও দুর্দান্ত সেভে বাংলাদেশকে রক্ষা করেন গোলরক্ষক মিতুল মারমা।
নির্ধারিত সময়ের শেষ দিকে এসে আসে নাটকীয়তা। ৮৬তম মিনিটে ফ্রি-কিক থেকে আবারও গোল করে বাংলাদেশের জয়ের নায়ক হয়ে ওঠেন তপু বর্মণ। তার দ্বিতীয় গোলেই ২-১ ব্যবধানে জয় নিশ্চিত হয় বাংলাদেশের।
এই জয়ের মাধ্যমে ইউরোপ সফরে ঐতিহাসিক সাফল্য অর্জন করল বাংলাদেশ ফুটবল দল।
এখনও কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!