
বিরোধী দলের তীব্র আপত্তি ও বিতর্কের মধ্যেই জাতীয় সংসদে একদিনে সর্বোচ্চ ৩১টি বিল পাসের নজির স্থাপিত হয়েছে, যা দেশের সংসদীয় ইতিহাসে নতুন রেকর্ড হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।
বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) প্রথম অধিবেশনের ১১তম কার্যদিবসে কণ্ঠভোটে এসব বিল পাস হয়। এর মধ্যে অন্তর্বর্তী সরকারের জারি করা ২৮টি অধ্যাদেশ কোনো পরিবর্তন ছাড়াই অনুমোদন দেওয়া হয়। পাশাপাশি অধ্যাদেশ রহিত করে আরও তিনটি বিল পাস করা হয়েছে।
ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামালের সভাপতিত্বে অধিবেশনে ‘স্থানীয় সরকার (পৌরসভা) (সংশোধন) বিল-২০২৬’ উত্থাপন করা হলে বিরোধী দল আপত্তি জানায়। তবে পরবর্তীতে বিলটি কণ্ঠভোটে পাস হয়।
এ ঘটনায় প্রতিক্রিয়া জানিয়ে বিরোধী দলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান সংসদ থেকে ওয়াকআউটের ঘোষণা দেন। তিনি বলেন, বিরোধী দলের আপত্তি উপেক্ষা করে যেসব গণবিরোধী বিল পাস হয়েছে, তার দায় তারা নেবেন না।
আলোচনার সময় জামায়াতে ইসলামীর সংসদ সদস্য নাজিবুর রহমান বিলটির বিরোধিতা করে বলেন, নির্বাচিত জনপ্রতিনিধিদের সরিয়ে অনির্বাচিত ব্যক্তিদের দায়িত্ব দেওয়ার সুযোগ আইনে নেই। এর মাধ্যমে স্থানীয় সরকার ব্যবস্থাকে দলীয়করণ করা হচ্ছে।
জবাবে স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম বলেন, আইন সংশোধন না করলে ফ্যাসিস্ট শক্তি পুনরুত্থানের সুযোগ পেতে পারে। একইসঙ্গে এই সংশোধনের মাধ্যমে স্থানীয় সরকার নির্বাচনে দলীয় প্রতীকের ব্যবহার বাতিল করা হয়েছে এবং দ্রুত নির্বাচন দেওয়া হবে।
পরে বিরোধী সদস্যদের ওয়াকআউটের পর স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ সংসদে বলেন, আইন প্রণয়নের প্রতিটি ধাপে বিরোধীরা অংশ নিয়েছেন এবং অনেক ক্ষেত্রে সমর্থনও দিয়েছেন। তাই পরবর্তীতে ওয়াকআউটের যৌক্তিকতা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন তিনি।
পরবর্তীতে অধিবেশনে ফিরে ডা. শফিকুর রহমান বলেন, ওয়াকআউট করা গণতান্ত্রিক অধিকার। জবাবে ডেপুটি স্পিকার বলেন, এটি একটি স্বীকৃত গণতান্ত্রিক চর্চা।
এদিন পাস হওয়া বিলগুলোর মধ্যে রয়েছে—পাস হওয়া বিলগুলো হচ্ছে: ‘জাতীয় ক্রীড়া পরিষদ (সংশোধন) বিল, ২০২৬’, ‘বঙ্গবন্ধু ক্রীড়াসেবী কল্যাণ ফাউন্ডেশন (সংশোধন) বিল, ২০২৬’, ‘শেখ হাসিনা জাতীয় যুব উন্নয়ন ইনস্টিটিউট (সংশোধন) বিল, ২০২৬’, ‘বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (সংশোধন) বিল, ২০২৬’, ‘পাবলিক প্রকিউরমেন্ট (সংশোধন) বিল, ২০২৬’, ‘বৈদেশিক কর্মসংস্থান ও অভিবাসী (সংশোধন) বিল, ২০২৬’, ‘বাংলাদেশ শ্রম সংশোধন বিল, ২০২৬’, ‘স্থানীয় সরকার (ইউনিয়ন পরিষদ) (সংশোধন) বিল, ২০২৬’।
‘আইনগত সহায়তা প্রদান (সংশোধন) বিল, ২০২৬’, ‘জাতীয় মুক্তিযোদ্ধা কাউন্সিল (সংশোধন) বিল, ২০২৬’, ‘ভূমি ব্যবহার নিয়ন্ত্রণ ও কৃষিভূমি সুরক্ষা বিল, ২০২৬’, ‘বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ (সংশোধন) বিল, ২০২৬’, ‘বাংলাদেশ গ্যাস (সংশোধন) বিল, ২০২৬’, ‘মানবদেহে অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ সংযোজন বিল, ২০২৬’, ‘বৈদেশিক অনুদান (স্বেচ্ছাসেবামূলক কার্যক্রম) রেগুলেশন (সংশোধন) বিল, ২০২৬’, ‘মানব পাচার ও অভিবাসী চোরাচালান প্রতিরোধ ও দমন বিল, ২০২৬’, ‘বন ও বৃক্ষ সংরক্ষণ বিল, ২০২৬’, ‘বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান নভোথিয়েটার (সংশোধন) বিল, ২০২৬’, ‘বঙ্গবন্ধু বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি ফেলোশিপ ট্রাস্ট (সংশোধন) বিল, ২০২৬’, ‘জেলা পরিষদ (সংশোধন) বিল, ২০২৬’, স্থানীয় সরকার (পৌরসভা) (সংশোধন) বিল, ২০২৬’, ‘সুপ্রিম কোর্ট সচিবালয় (রহিতকরণ) বিল, ২০২৬’।
‘জাতীয় মানবাধিকার কমিশন (রহিত ও পুনঃপ্রচলন) বিল, ২০২৬’, ‘সুপ্রিম কোর্টের বিচারক নিয়োগ (রহিতকরণ) বিল, ২০২৬’, ‘স্থানীয় সরকার (সিটি কর্পোরেশন) (সংশোধন) বিল, ২০২৬’, ‘বাংলাদেশ বিল্ডিং রেগুলেটরী কর্তৃপক্ষ বিল, ২০২৬’, ‘রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ বিল ২০২৬’, স্থানীয় সরকার (উপজেলা পরিষদ) (সংশোধন) বিল, ২০২৬’, ‘ব্যক্তিগত উপাত্ত সুরক্ষা বিল, ২০২৬’, ‘বাংলাদেশ হাউজ বিল্ডিং ফাইনান্স কর্পোরেশন (এমেন্ডমেন্ট) বিল, ২০২৬’ এবং ‘নেগুশিয়েবল ইনষ্টুমেন্ট (এমেন্ডমেন্ট) বিল, ২০২৬’।

বিরোধী দলের তীব্র আপত্তি ও বিতর্কের মধ্যেই জাতীয় সংসদে একদিনে সর্বোচ্চ ৩১টি বিল পাসের নজির স্থাপিত হয়েছে, যা দেশের সংসদীয় ইতিহাসে নতুন রেকর্ড হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।
বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) প্রথম অধিবেশনের ১১তম কার্যদিবসে কণ্ঠভোটে এসব বিল পাস হয়। এর মধ্যে অন্তর্বর্তী সরকারের জারি করা ২৮টি অধ্যাদেশ কোনো পরিবর্তন ছাড়াই অনুমোদন দেওয়া হয়। পাশাপাশি অধ্যাদেশ রহিত করে আরও তিনটি বিল পাস করা হয়েছে।
ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামালের সভাপতিত্বে অধিবেশনে ‘স্থানীয় সরকার (পৌরসভা) (সংশোধন) বিল-২০২৬’ উত্থাপন করা হলে বিরোধী দল আপত্তি জানায়। তবে পরবর্তীতে বিলটি কণ্ঠভোটে পাস হয়।
এ ঘটনায় প্রতিক্রিয়া জানিয়ে বিরোধী দলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান সংসদ থেকে ওয়াকআউটের ঘোষণা দেন। তিনি বলেন, বিরোধী দলের আপত্তি উপেক্ষা করে যেসব গণবিরোধী বিল পাস হয়েছে, তার দায় তারা নেবেন না।
আলোচনার সময় জামায়াতে ইসলামীর সংসদ সদস্য নাজিবুর রহমান বিলটির বিরোধিতা করে বলেন, নির্বাচিত জনপ্রতিনিধিদের সরিয়ে অনির্বাচিত ব্যক্তিদের দায়িত্ব দেওয়ার সুযোগ আইনে নেই। এর মাধ্যমে স্থানীয় সরকার ব্যবস্থাকে দলীয়করণ করা হচ্ছে।
জবাবে স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম বলেন, আইন সংশোধন না করলে ফ্যাসিস্ট শক্তি পুনরুত্থানের সুযোগ পেতে পারে। একইসঙ্গে এই সংশোধনের মাধ্যমে স্থানীয় সরকার নির্বাচনে দলীয় প্রতীকের ব্যবহার বাতিল করা হয়েছে এবং দ্রুত নির্বাচন দেওয়া হবে।
পরে বিরোধী সদস্যদের ওয়াকআউটের পর স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ সংসদে বলেন, আইন প্রণয়নের প্রতিটি ধাপে বিরোধীরা অংশ নিয়েছেন এবং অনেক ক্ষেত্রে সমর্থনও দিয়েছেন। তাই পরবর্তীতে ওয়াকআউটের যৌক্তিকতা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন তিনি।
পরবর্তীতে অধিবেশনে ফিরে ডা. শফিকুর রহমান বলেন, ওয়াকআউট করা গণতান্ত্রিক অধিকার। জবাবে ডেপুটি স্পিকার বলেন, এটি একটি স্বীকৃত গণতান্ত্রিক চর্চা।
এদিন পাস হওয়া বিলগুলোর মধ্যে রয়েছে—পাস হওয়া বিলগুলো হচ্ছে: ‘জাতীয় ক্রীড়া পরিষদ (সংশোধন) বিল, ২০২৬’, ‘বঙ্গবন্ধু ক্রীড়াসেবী কল্যাণ ফাউন্ডেশন (সংশোধন) বিল, ২০২৬’, ‘শেখ হাসিনা জাতীয় যুব উন্নয়ন ইনস্টিটিউট (সংশোধন) বিল, ২০২৬’, ‘বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (সংশোধন) বিল, ২০২৬’, ‘পাবলিক প্রকিউরমেন্ট (সংশোধন) বিল, ২০২৬’, ‘বৈদেশিক কর্মসংস্থান ও অভিবাসী (সংশোধন) বিল, ২০২৬’, ‘বাংলাদেশ শ্রম সংশোধন বিল, ২০২৬’, ‘স্থানীয় সরকার (ইউনিয়ন পরিষদ) (সংশোধন) বিল, ২০২৬’।
‘আইনগত সহায়তা প্রদান (সংশোধন) বিল, ২০২৬’, ‘জাতীয় মুক্তিযোদ্ধা কাউন্সিল (সংশোধন) বিল, ২০২৬’, ‘ভূমি ব্যবহার নিয়ন্ত্রণ ও কৃষিভূমি সুরক্ষা বিল, ২০২৬’, ‘বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ (সংশোধন) বিল, ২০২৬’, ‘বাংলাদেশ গ্যাস (সংশোধন) বিল, ২০২৬’, ‘মানবদেহে অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ সংযোজন বিল, ২০২৬’, ‘বৈদেশিক অনুদান (স্বেচ্ছাসেবামূলক কার্যক্রম) রেগুলেশন (সংশোধন) বিল, ২০২৬’, ‘মানব পাচার ও অভিবাসী চোরাচালান প্রতিরোধ ও দমন বিল, ২০২৬’, ‘বন ও বৃক্ষ সংরক্ষণ বিল, ২০২৬’, ‘বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান নভোথিয়েটার (সংশোধন) বিল, ২০২৬’, ‘বঙ্গবন্ধু বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি ফেলোশিপ ট্রাস্ট (সংশোধন) বিল, ২০২৬’, ‘জেলা পরিষদ (সংশোধন) বিল, ২০২৬’, স্থানীয় সরকার (পৌরসভা) (সংশোধন) বিল, ২০২৬’, ‘সুপ্রিম কোর্ট সচিবালয় (রহিতকরণ) বিল, ২০২৬’।
‘জাতীয় মানবাধিকার কমিশন (রহিত ও পুনঃপ্রচলন) বিল, ২০২৬’, ‘সুপ্রিম কোর্টের বিচারক নিয়োগ (রহিতকরণ) বিল, ২০২৬’, ‘স্থানীয় সরকার (সিটি কর্পোরেশন) (সংশোধন) বিল, ২০২৬’, ‘বাংলাদেশ বিল্ডিং রেগুলেটরী কর্তৃপক্ষ বিল, ২০২৬’, ‘রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ বিল ২০২৬’, স্থানীয় সরকার (উপজেলা পরিষদ) (সংশোধন) বিল, ২০২৬’, ‘ব্যক্তিগত উপাত্ত সুরক্ষা বিল, ২০২৬’, ‘বাংলাদেশ হাউজ বিল্ডিং ফাইনান্স কর্পোরেশন (এমেন্ডমেন্ট) বিল, ২০২৬’ এবং ‘নেগুশিয়েবল ইনষ্টুমেন্ট (এমেন্ডমেন্ট) বিল, ২০২৬’।

বিরোধী দলের তীব্র আপত্তি ও বিতর্কের মধ্যেই জাতীয় সংসদে একদিনে সর্বোচ্চ ৩১টি বিল পাসের নজির স্থাপিত হয়েছে, যা দেশের সংসদীয় ইতিহাসে নতুন রেকর্ড হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।
বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) প্রথম অধিবেশনের ১১তম কার্যদিবসে কণ্ঠভোটে এসব বিল পাস হয়। এর মধ্যে অন্তর্বর্তী সরকারের জারি করা ২৮টি অধ্যাদেশ কোনো পরিবর্তন ছাড়াই অনুমোদন দেওয়া হয়। পাশাপাশি অধ্যাদেশ রহিত করে আরও তিনটি বিল পাস করা হয়েছে।
ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামালের সভাপতিত্বে অধিবেশনে ‘স্থানীয় সরকার (পৌরসভা) (সংশোধন) বিল-২০২৬’ উত্থাপন করা হলে বিরোধী দল আপত্তি জানায়। তবে পরবর্তীতে বিলটি কণ্ঠভোটে পাস হয়।
এ ঘটনায় প্রতিক্রিয়া জানিয়ে বিরোধী দলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান সংসদ থেকে ওয়াকআউটের ঘোষণা দেন। তিনি বলেন, বিরোধী দলের আপত্তি উপেক্ষা করে যেসব গণবিরোধী বিল পাস হয়েছে, তার দায় তারা নেবেন না।
আলোচনার সময় জামায়াতে ইসলামীর সংসদ সদস্য নাজিবুর রহমান বিলটির বিরোধিতা করে বলেন, নির্বাচিত জনপ্রতিনিধিদের সরিয়ে অনির্বাচিত ব্যক্তিদের দায়িত্ব দেওয়ার সুযোগ আইনে নেই। এর মাধ্যমে স্থানীয় সরকার ব্যবস্থাকে দলীয়করণ করা হচ্ছে।
জবাবে স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম বলেন, আইন সংশোধন না করলে ফ্যাসিস্ট শক্তি পুনরুত্থানের সুযোগ পেতে পারে। একইসঙ্গে এই সংশোধনের মাধ্যমে স্থানীয় সরকার নির্বাচনে দলীয় প্রতীকের ব্যবহার বাতিল করা হয়েছে এবং দ্রুত নির্বাচন দেওয়া হবে।
পরে বিরোধী সদস্যদের ওয়াকআউটের পর স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ সংসদে বলেন, আইন প্রণয়নের প্রতিটি ধাপে বিরোধীরা অংশ নিয়েছেন এবং অনেক ক্ষেত্রে সমর্থনও দিয়েছেন। তাই পরবর্তীতে ওয়াকআউটের যৌক্তিকতা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন তিনি।
পরবর্তীতে অধিবেশনে ফিরে ডা. শফিকুর রহমান বলেন, ওয়াকআউট করা গণতান্ত্রিক অধিকার। জবাবে ডেপুটি স্পিকার বলেন, এটি একটি স্বীকৃত গণতান্ত্রিক চর্চা।
এদিন পাস হওয়া বিলগুলোর মধ্যে রয়েছে—পাস হওয়া বিলগুলো হচ্ছে: ‘জাতীয় ক্রীড়া পরিষদ (সংশোধন) বিল, ২০২৬’, ‘বঙ্গবন্ধু ক্রীড়াসেবী কল্যাণ ফাউন্ডেশন (সংশোধন) বিল, ২০২৬’, ‘শেখ হাসিনা জাতীয় যুব উন্নয়ন ইনস্টিটিউট (সংশোধন) বিল, ২০২৬’, ‘বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (সংশোধন) বিল, ২০২৬’, ‘পাবলিক প্রকিউরমেন্ট (সংশোধন) বিল, ২০২৬’, ‘বৈদেশিক কর্মসংস্থান ও অভিবাসী (সংশোধন) বিল, ২০২৬’, ‘বাংলাদেশ শ্রম সংশোধন বিল, ২০২৬’, ‘স্থানীয় সরকার (ইউনিয়ন পরিষদ) (সংশোধন) বিল, ২০২৬’।
‘আইনগত সহায়তা প্রদান (সংশোধন) বিল, ২০২৬’, ‘জাতীয় মুক্তিযোদ্ধা কাউন্সিল (সংশোধন) বিল, ২০২৬’, ‘ভূমি ব্যবহার নিয়ন্ত্রণ ও কৃষিভূমি সুরক্ষা বিল, ২০২৬’, ‘বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ (সংশোধন) বিল, ২০২৬’, ‘বাংলাদেশ গ্যাস (সংশোধন) বিল, ২০২৬’, ‘মানবদেহে অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ সংযোজন বিল, ২০২৬’, ‘বৈদেশিক অনুদান (স্বেচ্ছাসেবামূলক কার্যক্রম) রেগুলেশন (সংশোধন) বিল, ২০২৬’, ‘মানব পাচার ও অভিবাসী চোরাচালান প্রতিরোধ ও দমন বিল, ২০২৬’, ‘বন ও বৃক্ষ সংরক্ষণ বিল, ২০২৬’, ‘বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান নভোথিয়েটার (সংশোধন) বিল, ২০২৬’, ‘বঙ্গবন্ধু বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি ফেলোশিপ ট্রাস্ট (সংশোধন) বিল, ২০২৬’, ‘জেলা পরিষদ (সংশোধন) বিল, ২০২৬’, স্থানীয় সরকার (পৌরসভা) (সংশোধন) বিল, ২০২৬’, ‘সুপ্রিম কোর্ট সচিবালয় (রহিতকরণ) বিল, ২০২৬’।
‘জাতীয় মানবাধিকার কমিশন (রহিত ও পুনঃপ্রচলন) বিল, ২০২৬’, ‘সুপ্রিম কোর্টের বিচারক নিয়োগ (রহিতকরণ) বিল, ২০২৬’, ‘স্থানীয় সরকার (সিটি কর্পোরেশন) (সংশোধন) বিল, ২০২৬’, ‘বাংলাদেশ বিল্ডিং রেগুলেটরী কর্তৃপক্ষ বিল, ২০২৬’, ‘রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ বিল ২০২৬’, স্থানীয় সরকার (উপজেলা পরিষদ) (সংশোধন) বিল, ২০২৬’, ‘ব্যক্তিগত উপাত্ত সুরক্ষা বিল, ২০২৬’, ‘বাংলাদেশ হাউজ বিল্ডিং ফাইনান্স কর্পোরেশন (এমেন্ডমেন্ট) বিল, ২০২৬’ এবং ‘নেগুশিয়েবল ইনষ্টুমেন্ট (এমেন্ডমেন্ট) বিল, ২০২৬’।

বিরোধী দলের তীব্র আপত্তি ও বিতর্কের মধ্যেই জাতীয় সংসদে একদিনে সর্বোচ্চ ৩১টি বিল পাসের নজির স্থাপিত হয়েছে, যা দেশের সংসদীয় ইতিহাসে নতুন রেকর্ড হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।
বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) প্রথম অধিবেশনের ১১তম কার্যদিবসে কণ্ঠভোটে এসব বিল পাস হয়। এর মধ্যে অন্তর্বর্তী সরকারের জারি করা ২৮টি অধ্যাদেশ কোনো পরিবর্তন ছাড়াই অনুমোদন দেওয়া হয়। পাশাপাশি অধ্যাদেশ রহিত করে আরও তিনটি বিল পাস করা হয়েছে।
ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামালের সভাপতিত্বে অধিবেশনে ‘স্থানীয় সরকার (পৌরসভা) (সংশোধন) বিল-২০২৬’ উত্থাপন করা হলে বিরোধী দল আপত্তি জানায়। তবে পরবর্তীতে বিলটি কণ্ঠভোটে পাস হয়।
এ ঘটনায় প্রতিক্রিয়া জানিয়ে বিরোধী দলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান সংসদ থেকে ওয়াকআউটের ঘোষণা দেন। তিনি বলেন, বিরোধী দলের আপত্তি উপেক্ষা করে যেসব গণবিরোধী বিল পাস হয়েছে, তার দায় তারা নেবেন না।
আলোচনার সময় জামায়াতে ইসলামীর সংসদ সদস্য নাজিবুর রহমান বিলটির বিরোধিতা করে বলেন, নির্বাচিত জনপ্রতিনিধিদের সরিয়ে অনির্বাচিত ব্যক্তিদের দায়িত্ব দেওয়ার সুযোগ আইনে নেই। এর মাধ্যমে স্থানীয় সরকার ব্যবস্থাকে দলীয়করণ করা হচ্ছে।
জবাবে স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম বলেন, আইন সংশোধন না করলে ফ্যাসিস্ট শক্তি পুনরুত্থানের সুযোগ পেতে পারে। একইসঙ্গে এই সংশোধনের মাধ্যমে স্থানীয় সরকার নির্বাচনে দলীয় প্রতীকের ব্যবহার বাতিল করা হয়েছে এবং দ্রুত নির্বাচন দেওয়া হবে।
পরে বিরোধী সদস্যদের ওয়াকআউটের পর স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ সংসদে বলেন, আইন প্রণয়নের প্রতিটি ধাপে বিরোধীরা অংশ নিয়েছেন এবং অনেক ক্ষেত্রে সমর্থনও দিয়েছেন। তাই পরবর্তীতে ওয়াকআউটের যৌক্তিকতা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন তিনি।
পরবর্তীতে অধিবেশনে ফিরে ডা. শফিকুর রহমান বলেন, ওয়াকআউট করা গণতান্ত্রিক অধিকার। জবাবে ডেপুটি স্পিকার বলেন, এটি একটি স্বীকৃত গণতান্ত্রিক চর্চা।
এদিন পাস হওয়া বিলগুলোর মধ্যে রয়েছে—পাস হওয়া বিলগুলো হচ্ছে: ‘জাতীয় ক্রীড়া পরিষদ (সংশোধন) বিল, ২০২৬’, ‘বঙ্গবন্ধু ক্রীড়াসেবী কল্যাণ ফাউন্ডেশন (সংশোধন) বিল, ২০২৬’, ‘শেখ হাসিনা জাতীয় যুব উন্নয়ন ইনস্টিটিউট (সংশোধন) বিল, ২০২৬’, ‘বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (সংশোধন) বিল, ২০২৬’, ‘পাবলিক প্রকিউরমেন্ট (সংশোধন) বিল, ২০২৬’, ‘বৈদেশিক কর্মসংস্থান ও অভিবাসী (সংশোধন) বিল, ২০২৬’, ‘বাংলাদেশ শ্রম সংশোধন বিল, ২০২৬’, ‘স্থানীয় সরকার (ইউনিয়ন পরিষদ) (সংশোধন) বিল, ২০২৬’।
‘আইনগত সহায়তা প্রদান (সংশোধন) বিল, ২০২৬’, ‘জাতীয় মুক্তিযোদ্ধা কাউন্সিল (সংশোধন) বিল, ২০২৬’, ‘ভূমি ব্যবহার নিয়ন্ত্রণ ও কৃষিভূমি সুরক্ষা বিল, ২০২৬’, ‘বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ (সংশোধন) বিল, ২০২৬’, ‘বাংলাদেশ গ্যাস (সংশোধন) বিল, ২০২৬’, ‘মানবদেহে অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ সংযোজন বিল, ২০২৬’, ‘বৈদেশিক অনুদান (স্বেচ্ছাসেবামূলক কার্যক্রম) রেগুলেশন (সংশোধন) বিল, ২০২৬’, ‘মানব পাচার ও অভিবাসী চোরাচালান প্রতিরোধ ও দমন বিল, ২০২৬’, ‘বন ও বৃক্ষ সংরক্ষণ বিল, ২০২৬’, ‘বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান নভোথিয়েটার (সংশোধন) বিল, ২০২৬’, ‘বঙ্গবন্ধু বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি ফেলোশিপ ট্রাস্ট (সংশোধন) বিল, ২০২৬’, ‘জেলা পরিষদ (সংশোধন) বিল, ২০২৬’, স্থানীয় সরকার (পৌরসভা) (সংশোধন) বিল, ২০২৬’, ‘সুপ্রিম কোর্ট সচিবালয় (রহিতকরণ) বিল, ২০২৬’।
‘জাতীয় মানবাধিকার কমিশন (রহিত ও পুনঃপ্রচলন) বিল, ২০২৬’, ‘সুপ্রিম কোর্টের বিচারক নিয়োগ (রহিতকরণ) বিল, ২০২৬’, ‘স্থানীয় সরকার (সিটি কর্পোরেশন) (সংশোধন) বিল, ২০২৬’, ‘বাংলাদেশ বিল্ডিং রেগুলেটরী কর্তৃপক্ষ বিল, ২০২৬’, ‘রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ বিল ২০২৬’, স্থানীয় সরকার (উপজেলা পরিষদ) (সংশোধন) বিল, ২০২৬’, ‘ব্যক্তিগত উপাত্ত সুরক্ষা বিল, ২০২৬’, ‘বাংলাদেশ হাউজ বিল্ডিং ফাইনান্স কর্পোরেশন (এমেন্ডমেন্ট) বিল, ২০২৬’ এবং ‘নেগুশিয়েবল ইনষ্টুমেন্ট (এমেন্ডমেন্ট) বিল, ২০২৬’।
এখনও কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!