জুলাই-আগস্ট আন্দোলনের শহিদ ও বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী আবু সাঈদ হত্যা মামলার রায়ে অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন তার বাবা মকবুল হোসেন। তিনি বলেছেন, রায়ে মাত্র দুজনের মৃত্যুদণ্ড হওয়ায় তিনি সন্তুষ্ট নন।
বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) রংপুরে ছেলের কবরের পাশে প্রতিক্রিয়া জানিয়ে তিনি বলেন, ‘বিচারে মাত্র দুইজনের ফাঁসি দেওয়া হয়েছে। আরও অনেক অপরাধীর ফাঁসি হওয়া উচিত ছিল। অনেক আসামি পার পেয়ে গেছে, যারা প্রকৃত অপরাধী।’ তিনি আরও বলেন, ‘মূল পরিকল্পনাকারী ও নির্দেশদাতারা তুলনামূলক কম শাস্তি পেয়েছে। আইনজীবী ও পরিবারের সঙ্গে পরামর্শ করে পরবর্তী পদক্ষেপ নেওয়া হবে।’
মকবুল হোসেন অভিযোগ করেন, বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের তৎকালীন সভাপতি পোমেল বড়ুয়া আবু সাঈদের সঙ্গে খারাপ আচরণ করেছেন এবং হত্যাকাণ্ডে জড়িত ছিলেন। অথচ তাকে ১০ বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে, যা তার কাছে অপ্রতুল মনে হয়েছে।
উল্লেখ্য, আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে এ মামলার রায়ে মানবতাবিরোধী অপরাধে দুই সাবেক পুলিশ সদস্য— আমির হোসেন ও সুজন চন্দ্র রায়কে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়েছে। এছাড়া তিনজনকে যাবজ্জীবন এবং অন্যান্য আসামিদের বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দেওয়া হয়।
যাবজ্জীবন দণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন সাবেক সহকারী কমিশনার আরিফুজ্জামান, সাবেক পরিদর্শক রবিউল ইসলাম নয়ন এবং সাবেক উপপরিদর্শক বিভূতিভূষণ রায়।
এছাড়া বিভিন্ন মেয়াদে সাজাপ্রাপ্তদের মধ্যে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, সাবেক উপাচার্যসহ পুলিশ কর্মকর্তারাও রয়েছেন।
জুলাই-আগস্ট আন্দোলনের শহিদ ও বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী আবু সাঈদ হত্যা মামলার রায়ে অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন তার বাবা মকবুল হোসেন। তিনি বলেছেন, রায়ে মাত্র দুজনের মৃত্যুদণ্ড হওয়ায় তিনি সন্তুষ্ট নন।
বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) রংপুরে ছেলের কবরের পাশে প্রতিক্রিয়া জানিয়ে তিনি বলেন, ‘বিচারে মাত্র দুইজনের ফাঁসি দেওয়া হয়েছে। আরও অনেক অপরাধীর ফাঁসি হওয়া উচিত ছিল। অনেক আসামি পার পেয়ে গেছে, যারা প্রকৃত অপরাধী।’ তিনি আরও বলেন, ‘মূল পরিকল্পনাকারী ও নির্দেশদাতারা তুলনামূলক কম শাস্তি পেয়েছে। আইনজীবী ও পরিবারের সঙ্গে পরামর্শ করে পরবর্তী পদক্ষেপ নেওয়া হবে।’
মকবুল হোসেন অভিযোগ করেন, বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের তৎকালীন সভাপতি পোমেল বড়ুয়া আবু সাঈদের সঙ্গে খারাপ আচরণ করেছেন এবং হত্যাকাণ্ডে জড়িত ছিলেন। অথচ তাকে ১০ বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে, যা তার কাছে অপ্রতুল মনে হয়েছে।
উল্লেখ্য, আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে এ মামলার রায়ে মানবতাবিরোধী অপরাধে দুই সাবেক পুলিশ সদস্য— আমির হোসেন ও সুজন চন্দ্র রায়কে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়েছে। এছাড়া তিনজনকে যাবজ্জীবন এবং অন্যান্য আসামিদের বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দেওয়া হয়।
যাবজ্জীবন দণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন সাবেক সহকারী কমিশনার আরিফুজ্জামান, সাবেক পরিদর্শক রবিউল ইসলাম নয়ন এবং সাবেক উপপরিদর্শক বিভূতিভূষণ রায়।
এছাড়া বিভিন্ন মেয়াদে সাজাপ্রাপ্তদের মধ্যে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, সাবেক উপাচার্যসহ পুলিশ কর্মকর্তারাও রয়েছেন।
জুলাই-আগস্ট আন্দোলনের শহিদ ও বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী আবু সাঈদ হত্যা মামলার রায়ে অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন তার বাবা মকবুল হোসেন। তিনি বলেছেন, রায়ে মাত্র দুজনের মৃত্যুদণ্ড হওয়ায় তিনি সন্তুষ্ট নন।
বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) রংপুরে ছেলের কবরের পাশে প্রতিক্রিয়া জানিয়ে তিনি বলেন, ‘বিচারে মাত্র দুইজনের ফাঁসি দেওয়া হয়েছে। আরও অনেক অপরাধীর ফাঁসি হওয়া উচিত ছিল। অনেক আসামি পার পেয়ে গেছে, যারা প্রকৃত অপরাধী।’ তিনি আরও বলেন, ‘মূল পরিকল্পনাকারী ও নির্দেশদাতারা তুলনামূলক কম শাস্তি পেয়েছে। আইনজীবী ও পরিবারের সঙ্গে পরামর্শ করে পরবর্তী পদক্ষেপ নেওয়া হবে।’
মকবুল হোসেন অভিযোগ করেন, বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের তৎকালীন সভাপতি পোমেল বড়ুয়া আবু সাঈদের সঙ্গে খারাপ আচরণ করেছেন এবং হত্যাকাণ্ডে জড়িত ছিলেন। অথচ তাকে ১০ বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে, যা তার কাছে অপ্রতুল মনে হয়েছে।
উল্লেখ্য, আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে এ মামলার রায়ে মানবতাবিরোধী অপরাধে দুই সাবেক পুলিশ সদস্য— আমির হোসেন ও সুজন চন্দ্র রায়কে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়েছে। এছাড়া তিনজনকে যাবজ্জীবন এবং অন্যান্য আসামিদের বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দেওয়া হয়।
যাবজ্জীবন দণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন সাবেক সহকারী কমিশনার আরিফুজ্জামান, সাবেক পরিদর্শক রবিউল ইসলাম নয়ন এবং সাবেক উপপরিদর্শক বিভূতিভূষণ রায়।
এছাড়া বিভিন্ন মেয়াদে সাজাপ্রাপ্তদের মধ্যে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, সাবেক উপাচার্যসহ পুলিশ কর্মকর্তারাও রয়েছেন।
জুলাই-আগস্ট আন্দোলনের শহিদ ও বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী আবু সাঈদ হত্যা মামলার রায়ে অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন তার বাবা মকবুল হোসেন। তিনি বলেছেন, রায়ে মাত্র দুজনের মৃত্যুদণ্ড হওয়ায় তিনি সন্তুষ্ট নন।
বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) রংপুরে ছেলের কবরের পাশে প্রতিক্রিয়া জানিয়ে তিনি বলেন, ‘বিচারে মাত্র দুইজনের ফাঁসি দেওয়া হয়েছে। আরও অনেক অপরাধীর ফাঁসি হওয়া উচিত ছিল। অনেক আসামি পার পেয়ে গেছে, যারা প্রকৃত অপরাধী।’ তিনি আরও বলেন, ‘মূল পরিকল্পনাকারী ও নির্দেশদাতারা তুলনামূলক কম শাস্তি পেয়েছে। আইনজীবী ও পরিবারের সঙ্গে পরামর্শ করে পরবর্তী পদক্ষেপ নেওয়া হবে।’
মকবুল হোসেন অভিযোগ করেন, বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের তৎকালীন সভাপতি পোমেল বড়ুয়া আবু সাঈদের সঙ্গে খারাপ আচরণ করেছেন এবং হত্যাকাণ্ডে জড়িত ছিলেন। অথচ তাকে ১০ বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে, যা তার কাছে অপ্রতুল মনে হয়েছে।
উল্লেখ্য, আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে এ মামলার রায়ে মানবতাবিরোধী অপরাধে দুই সাবেক পুলিশ সদস্য— আমির হোসেন ও সুজন চন্দ্র রায়কে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়েছে। এছাড়া তিনজনকে যাবজ্জীবন এবং অন্যান্য আসামিদের বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দেওয়া হয়।
যাবজ্জীবন দণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন সাবেক সহকারী কমিশনার আরিফুজ্জামান, সাবেক পরিদর্শক রবিউল ইসলাম নয়ন এবং সাবেক উপপরিদর্শক বিভূতিভূষণ রায়।
এছাড়া বিভিন্ন মেয়াদে সাজাপ্রাপ্তদের মধ্যে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, সাবেক উপাচার্যসহ পুলিশ কর্মকর্তারাও রয়েছেন।
এখনও কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!