
সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপির প্রয়াত চেয়ারপারসন খালেদা জিয়াসহ ছয় নারীকে শ্রেষ্ঠ অদম্য নারী পুরস্কারে সম্মানিত করা হয়েছে। আন্তর্জাতিক নারী দিবস উপলক্ষে মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের আয়োজনে রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে রোববার এই পুরস্কার প্রদান করা হয়।
খালেদা জিয়ার পক্ষে রাষ্ট্রপতির হাত থেকে পুরস্কার গ্রহণ করেন তার নাতনি ব্যারিস্টার জাইমা রহমান। নারী শিক্ষা ও গণতন্ত্রের অগ্রযাত্রায় অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে মরণোত্তরভাবে তাকে এই সম্মাননা দেওয়া হয়।
অনুষ্ঠানে আরও পুরস্কার পেয়েছেন- অর্থনৈতিক ক্ষেত্রে সাফল্য অর্জনকারী নারী নুরুন নাহার আক্তার, শিক্ষা ও চাকরিক্ষেত্রে সাফল্য অর্জনকারী নারী মোছা. ববিতা খাতুন, সফল জননী নারী নুরবানু কবীর, নির্যাতনের দুঃস্বপ্ন মুছে ফেলে জীবন সংগ্রামে জয়ী নারী মোছা. শমলা বেগম, সমাজ উন্নয়নে অসামান্য অবদান রাখা নারী মোছা. আফরোজা ইয়াসমিন।
প্রসঙ্গত, মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে আয়োজিত এই পুরস্কার প্রথা দেশের নারীদের সামাজিক, অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক ক্ষেত্রে অংশগ্রহণ বাড়াতে সহায়ক হিসেবে বিবেচিত। বিশেষ করে এমন ধরনের স্বীকৃতি নারীর সংগ্রাম, নেতৃত্ব ও অবদানের গল্পকে দেশের জনসাধারণের সামনে তুলে ধরার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।

সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপির প্রয়াত চেয়ারপারসন খালেদা জিয়াসহ ছয় নারীকে শ্রেষ্ঠ অদম্য নারী পুরস্কারে সম্মানিত করা হয়েছে। আন্তর্জাতিক নারী দিবস উপলক্ষে মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের আয়োজনে রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে রোববার এই পুরস্কার প্রদান করা হয়।
খালেদা জিয়ার পক্ষে রাষ্ট্রপতির হাত থেকে পুরস্কার গ্রহণ করেন তার নাতনি ব্যারিস্টার জাইমা রহমান। নারী শিক্ষা ও গণতন্ত্রের অগ্রযাত্রায় অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে মরণোত্তরভাবে তাকে এই সম্মাননা দেওয়া হয়।
অনুষ্ঠানে আরও পুরস্কার পেয়েছেন- অর্থনৈতিক ক্ষেত্রে সাফল্য অর্জনকারী নারী নুরুন নাহার আক্তার, শিক্ষা ও চাকরিক্ষেত্রে সাফল্য অর্জনকারী নারী মোছা. ববিতা খাতুন, সফল জননী নারী নুরবানু কবীর, নির্যাতনের দুঃস্বপ্ন মুছে ফেলে জীবন সংগ্রামে জয়ী নারী মোছা. শমলা বেগম, সমাজ উন্নয়নে অসামান্য অবদান রাখা নারী মোছা. আফরোজা ইয়াসমিন।
প্রসঙ্গত, মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে আয়োজিত এই পুরস্কার প্রথা দেশের নারীদের সামাজিক, অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক ক্ষেত্রে অংশগ্রহণ বাড়াতে সহায়ক হিসেবে বিবেচিত। বিশেষ করে এমন ধরনের স্বীকৃতি নারীর সংগ্রাম, নেতৃত্ব ও অবদানের গল্পকে দেশের জনসাধারণের সামনে তুলে ধরার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।

সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপির প্রয়াত চেয়ারপারসন খালেদা জিয়াসহ ছয় নারীকে শ্রেষ্ঠ অদম্য নারী পুরস্কারে সম্মানিত করা হয়েছে। আন্তর্জাতিক নারী দিবস উপলক্ষে মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের আয়োজনে রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে রোববার এই পুরস্কার প্রদান করা হয়।
খালেদা জিয়ার পক্ষে রাষ্ট্রপতির হাত থেকে পুরস্কার গ্রহণ করেন তার নাতনি ব্যারিস্টার জাইমা রহমান। নারী শিক্ষা ও গণতন্ত্রের অগ্রযাত্রায় অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে মরণোত্তরভাবে তাকে এই সম্মাননা দেওয়া হয়।
অনুষ্ঠানে আরও পুরস্কার পেয়েছেন- অর্থনৈতিক ক্ষেত্রে সাফল্য অর্জনকারী নারী নুরুন নাহার আক্তার, শিক্ষা ও চাকরিক্ষেত্রে সাফল্য অর্জনকারী নারী মোছা. ববিতা খাতুন, সফল জননী নারী নুরবানু কবীর, নির্যাতনের দুঃস্বপ্ন মুছে ফেলে জীবন সংগ্রামে জয়ী নারী মোছা. শমলা বেগম, সমাজ উন্নয়নে অসামান্য অবদান রাখা নারী মোছা. আফরোজা ইয়াসমিন।
প্রসঙ্গত, মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে আয়োজিত এই পুরস্কার প্রথা দেশের নারীদের সামাজিক, অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক ক্ষেত্রে অংশগ্রহণ বাড়াতে সহায়ক হিসেবে বিবেচিত। বিশেষ করে এমন ধরনের স্বীকৃতি নারীর সংগ্রাম, নেতৃত্ব ও অবদানের গল্পকে দেশের জনসাধারণের সামনে তুলে ধরার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।

সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপির প্রয়াত চেয়ারপারসন খালেদা জিয়াসহ ছয় নারীকে শ্রেষ্ঠ অদম্য নারী পুরস্কারে সম্মানিত করা হয়েছে। আন্তর্জাতিক নারী দিবস উপলক্ষে মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের আয়োজনে রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে রোববার এই পুরস্কার প্রদান করা হয়।
খালেদা জিয়ার পক্ষে রাষ্ট্রপতির হাত থেকে পুরস্কার গ্রহণ করেন তার নাতনি ব্যারিস্টার জাইমা রহমান। নারী শিক্ষা ও গণতন্ত্রের অগ্রযাত্রায় অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে মরণোত্তরভাবে তাকে এই সম্মাননা দেওয়া হয়।
অনুষ্ঠানে আরও পুরস্কার পেয়েছেন- অর্থনৈতিক ক্ষেত্রে সাফল্য অর্জনকারী নারী নুরুন নাহার আক্তার, শিক্ষা ও চাকরিক্ষেত্রে সাফল্য অর্জনকারী নারী মোছা. ববিতা খাতুন, সফল জননী নারী নুরবানু কবীর, নির্যাতনের দুঃস্বপ্ন মুছে ফেলে জীবন সংগ্রামে জয়ী নারী মোছা. শমলা বেগম, সমাজ উন্নয়নে অসামান্য অবদান রাখা নারী মোছা. আফরোজা ইয়াসমিন।
প্রসঙ্গত, মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে আয়োজিত এই পুরস্কার প্রথা দেশের নারীদের সামাজিক, অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক ক্ষেত্রে অংশগ্রহণ বাড়াতে সহায়ক হিসেবে বিবেচিত। বিশেষ করে এমন ধরনের স্বীকৃতি নারীর সংগ্রাম, নেতৃত্ব ও অবদানের গল্পকে দেশের জনসাধারণের সামনে তুলে ধরার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।
এখনও কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!