আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের প্রধান প্রসিকিউটর মোহাম্মদ আমিনুল ইসলাম বলেছেন, হেফাজতে ইসলামের শাপলা চত্বরের ঘটনার প্রকৃত চিত্র আড়ালের চেষ্টা করেছিলেন সাংবাদিক ফারজানা রুপা ও মোজাম্মেল বাবু। মৃত্যুর তথ্য লুকাতে ঘটনাটি ভিন্নখাতে নেওয়ারও চেষ্টা করা হয়েছিল বলে মন্তব্য করেন তিনি।
বৃহস্পতিবার (৭ মে) দুপুরে নিজ কার্যালয়ের সম্মেলন কক্ষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এসব কথা বলেন প্রধান প্রসিকিউটর।
তিনি বলেন, ২০১৩ সালের ৫ মে শাপলা চত্বরে সংঘটিত হত্যাকাণ্ডের পর ‘সমীকরণ’ শীর্ষক অনুসন্ধানী প্রতিবেদনের মাধ্যমে পরিকল্পিতভাবে বিভ্রান্তিকর তথ্য প্রচার করা হয়েছিল। ওই প্রতিবেদনটি প্রচারিত হয় একাত্তর টেলিভিশনে। সেখানে এমন ধারণা দেওয়ার চেষ্টা করা হয় যে, শাপলা চত্বরে কোনো হতাহতের ঘটনা ঘটেনি। আমিনুল ইসলাম বলেন, তদন্তে নতুন কিছু তথ্য পাওয়া গেছে। এর মধ্যে তৎকালীন পররাষ্ট্রমন্ত্রী দীপু মনির একটি সাক্ষাৎকারও রয়েছে। এছাড়া মোজাম্মেল বাবুর সংশ্লিষ্টতার তথ্যও তদন্তে উঠে এসেছে।
তিনি আরও বলেন, ‘সারা দেশব্যাপী আলোড়ন সৃষ্টিকারী একটি ঘটনাকে ভিন্নখাতে নিতে বিতর্কিত ব্যক্তিদের বক্তব্য ব্যবহার করে বিভ্রান্তিকর তথ্য প্রচার করা হয়েছিল।’
প্রধান প্রসিকিউটরের দাবি, শাপলা চত্বরের প্রকৃত ঘটনা আড়ালের ক্ষেত্রে ফারজানা রুপা ও মোজাম্মেল বাবুর ভূমিকা ছিল “অনন্য”। মৃত্যুর তথ্য গোপনের চেষ্টাও তারা করেছেন বলে অভিযোগ করেন তিনি।
তদন্তের স্বার্থে ফারজানা রুপা, মোজাম্মেল বাবু ও দীপু মনিকে জিজ্ঞাসাবাদ করা প্রয়োজন উল্লেখ করে তাদের বিরুদ্ধে হাজিরা পরোয়ানা চাওয়া হয়েছে বলে জানান তিনি। আগামী ১৪ মে তাদের ট্রাইব্যুনালে হাজিরের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। তদন্তে সংশ্লিষ্টতা পাওয়া গেলে তাদের মামলায় আসামি করা হতে পারে বলেও জানান প্রধান প্রসিকিউটর।
আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের প্রধান প্রসিকিউটর মোহাম্মদ আমিনুল ইসলাম বলেছেন, হেফাজতে ইসলামের শাপলা চত্বরের ঘটনার প্রকৃত চিত্র আড়ালের চেষ্টা করেছিলেন সাংবাদিক ফারজানা রুপা ও মোজাম্মেল বাবু। মৃত্যুর তথ্য লুকাতে ঘটনাটি ভিন্নখাতে নেওয়ারও চেষ্টা করা হয়েছিল বলে মন্তব্য করেন তিনি।
বৃহস্পতিবার (৭ মে) দুপুরে নিজ কার্যালয়ের সম্মেলন কক্ষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এসব কথা বলেন প্রধান প্রসিকিউটর।
তিনি বলেন, ২০১৩ সালের ৫ মে শাপলা চত্বরে সংঘটিত হত্যাকাণ্ডের পর ‘সমীকরণ’ শীর্ষক অনুসন্ধানী প্রতিবেদনের মাধ্যমে পরিকল্পিতভাবে বিভ্রান্তিকর তথ্য প্রচার করা হয়েছিল। ওই প্রতিবেদনটি প্রচারিত হয় একাত্তর টেলিভিশনে। সেখানে এমন ধারণা দেওয়ার চেষ্টা করা হয় যে, শাপলা চত্বরে কোনো হতাহতের ঘটনা ঘটেনি। আমিনুল ইসলাম বলেন, তদন্তে নতুন কিছু তথ্য পাওয়া গেছে। এর মধ্যে তৎকালীন পররাষ্ট্রমন্ত্রী দীপু মনির একটি সাক্ষাৎকারও রয়েছে। এছাড়া মোজাম্মেল বাবুর সংশ্লিষ্টতার তথ্যও তদন্তে উঠে এসেছে।
তিনি আরও বলেন, ‘সারা দেশব্যাপী আলোড়ন সৃষ্টিকারী একটি ঘটনাকে ভিন্নখাতে নিতে বিতর্কিত ব্যক্তিদের বক্তব্য ব্যবহার করে বিভ্রান্তিকর তথ্য প্রচার করা হয়েছিল।’
প্রধান প্রসিকিউটরের দাবি, শাপলা চত্বরের প্রকৃত ঘটনা আড়ালের ক্ষেত্রে ফারজানা রুপা ও মোজাম্মেল বাবুর ভূমিকা ছিল “অনন্য”। মৃত্যুর তথ্য গোপনের চেষ্টাও তারা করেছেন বলে অভিযোগ করেন তিনি।
তদন্তের স্বার্থে ফারজানা রুপা, মোজাম্মেল বাবু ও দীপু মনিকে জিজ্ঞাসাবাদ করা প্রয়োজন উল্লেখ করে তাদের বিরুদ্ধে হাজিরা পরোয়ানা চাওয়া হয়েছে বলে জানান তিনি। আগামী ১৪ মে তাদের ট্রাইব্যুনালে হাজিরের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। তদন্তে সংশ্লিষ্টতা পাওয়া গেলে তাদের মামলায় আসামি করা হতে পারে বলেও জানান প্রধান প্রসিকিউটর।
আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের প্রধান প্রসিকিউটর মোহাম্মদ আমিনুল ইসলাম বলেছেন, হেফাজতে ইসলামের শাপলা চত্বরের ঘটনার প্রকৃত চিত্র আড়ালের চেষ্টা করেছিলেন সাংবাদিক ফারজানা রুপা ও মোজাম্মেল বাবু। মৃত্যুর তথ্য লুকাতে ঘটনাটি ভিন্নখাতে নেওয়ারও চেষ্টা করা হয়েছিল বলে মন্তব্য করেন তিনি।
বৃহস্পতিবার (৭ মে) দুপুরে নিজ কার্যালয়ের সম্মেলন কক্ষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এসব কথা বলেন প্রধান প্রসিকিউটর।
তিনি বলেন, ২০১৩ সালের ৫ মে শাপলা চত্বরে সংঘটিত হত্যাকাণ্ডের পর ‘সমীকরণ’ শীর্ষক অনুসন্ধানী প্রতিবেদনের মাধ্যমে পরিকল্পিতভাবে বিভ্রান্তিকর তথ্য প্রচার করা হয়েছিল। ওই প্রতিবেদনটি প্রচারিত হয় একাত্তর টেলিভিশনে। সেখানে এমন ধারণা দেওয়ার চেষ্টা করা হয় যে, শাপলা চত্বরে কোনো হতাহতের ঘটনা ঘটেনি। আমিনুল ইসলাম বলেন, তদন্তে নতুন কিছু তথ্য পাওয়া গেছে। এর মধ্যে তৎকালীন পররাষ্ট্রমন্ত্রী দীপু মনির একটি সাক্ষাৎকারও রয়েছে। এছাড়া মোজাম্মেল বাবুর সংশ্লিষ্টতার তথ্যও তদন্তে উঠে এসেছে।
তিনি আরও বলেন, ‘সারা দেশব্যাপী আলোড়ন সৃষ্টিকারী একটি ঘটনাকে ভিন্নখাতে নিতে বিতর্কিত ব্যক্তিদের বক্তব্য ব্যবহার করে বিভ্রান্তিকর তথ্য প্রচার করা হয়েছিল।’
প্রধান প্রসিকিউটরের দাবি, শাপলা চত্বরের প্রকৃত ঘটনা আড়ালের ক্ষেত্রে ফারজানা রুপা ও মোজাম্মেল বাবুর ভূমিকা ছিল “অনন্য”। মৃত্যুর তথ্য গোপনের চেষ্টাও তারা করেছেন বলে অভিযোগ করেন তিনি।
তদন্তের স্বার্থে ফারজানা রুপা, মোজাম্মেল বাবু ও দীপু মনিকে জিজ্ঞাসাবাদ করা প্রয়োজন উল্লেখ করে তাদের বিরুদ্ধে হাজিরা পরোয়ানা চাওয়া হয়েছে বলে জানান তিনি। আগামী ১৪ মে তাদের ট্রাইব্যুনালে হাজিরের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। তদন্তে সংশ্লিষ্টতা পাওয়া গেলে তাদের মামলায় আসামি করা হতে পারে বলেও জানান প্রধান প্রসিকিউটর।
আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের প্রধান প্রসিকিউটর মোহাম্মদ আমিনুল ইসলাম বলেছেন, হেফাজতে ইসলামের শাপলা চত্বরের ঘটনার প্রকৃত চিত্র আড়ালের চেষ্টা করেছিলেন সাংবাদিক ফারজানা রুপা ও মোজাম্মেল বাবু। মৃত্যুর তথ্য লুকাতে ঘটনাটি ভিন্নখাতে নেওয়ারও চেষ্টা করা হয়েছিল বলে মন্তব্য করেন তিনি।
বৃহস্পতিবার (৭ মে) দুপুরে নিজ কার্যালয়ের সম্মেলন কক্ষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এসব কথা বলেন প্রধান প্রসিকিউটর।
তিনি বলেন, ২০১৩ সালের ৫ মে শাপলা চত্বরে সংঘটিত হত্যাকাণ্ডের পর ‘সমীকরণ’ শীর্ষক অনুসন্ধানী প্রতিবেদনের মাধ্যমে পরিকল্পিতভাবে বিভ্রান্তিকর তথ্য প্রচার করা হয়েছিল। ওই প্রতিবেদনটি প্রচারিত হয় একাত্তর টেলিভিশনে। সেখানে এমন ধারণা দেওয়ার চেষ্টা করা হয় যে, শাপলা চত্বরে কোনো হতাহতের ঘটনা ঘটেনি। আমিনুল ইসলাম বলেন, তদন্তে নতুন কিছু তথ্য পাওয়া গেছে। এর মধ্যে তৎকালীন পররাষ্ট্রমন্ত্রী দীপু মনির একটি সাক্ষাৎকারও রয়েছে। এছাড়া মোজাম্মেল বাবুর সংশ্লিষ্টতার তথ্যও তদন্তে উঠে এসেছে।
তিনি আরও বলেন, ‘সারা দেশব্যাপী আলোড়ন সৃষ্টিকারী একটি ঘটনাকে ভিন্নখাতে নিতে বিতর্কিত ব্যক্তিদের বক্তব্য ব্যবহার করে বিভ্রান্তিকর তথ্য প্রচার করা হয়েছিল।’
প্রধান প্রসিকিউটরের দাবি, শাপলা চত্বরের প্রকৃত ঘটনা আড়ালের ক্ষেত্রে ফারজানা রুপা ও মোজাম্মেল বাবুর ভূমিকা ছিল “অনন্য”। মৃত্যুর তথ্য গোপনের চেষ্টাও তারা করেছেন বলে অভিযোগ করেন তিনি।
তদন্তের স্বার্থে ফারজানা রুপা, মোজাম্মেল বাবু ও দীপু মনিকে জিজ্ঞাসাবাদ করা প্রয়োজন উল্লেখ করে তাদের বিরুদ্ধে হাজিরা পরোয়ানা চাওয়া হয়েছে বলে জানান তিনি। আগামী ১৪ মে তাদের ট্রাইব্যুনালে হাজিরের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। তদন্তে সংশ্লিষ্টতা পাওয়া গেলে তাদের মামলায় আসামি করা হতে পারে বলেও জানান প্রধান প্রসিকিউটর।
এখনও কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!