তিন দফায় দাম বাড়ানোর পর উড়োজাহাজে ব্যবহৃত জ্বালানি জেট ফুয়েলের দাম কমানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে বাংলাদেশ জ্বালানি নিয়ন্ত্রণ কমিশন।
বৃহস্পতিবার (৭ মে) সংস্থাটি লিটারপ্রতি ২২ টাকা কমিয়ে নতুন মূল্য নির্ধারণ করে।
নতুন ঘোষিত দামে অভ্যন্তরীণ রুটের ফ্লাইটে ব্যবহৃত প্রতি লিটার জেট ফুয়েলের দাম ২২৭ টাকা ৮ পয়সা থেকে কমে ২০৫ টাকা ৪৫ পয়সা হয়েছে। এছাড়া আন্তর্জাতিক রুটের ফ্লাইটের জন্য প্রতি লিটার জেট ফুয়েলের দাম শুল্ক ও মূল্য সংযোজন কর ছাড়া ১ দশমিক ৪৮০৬ ডলার থেকে কমিয়ে ১ দশমিক ৩৩৮৫ ডলার নির্ধারণ করা হয়েছে।
নতুন এই মূল্য বুধবার রাত ১২টার পর থেকে কার্যকর হয়েছে।
চলতি বছরের জানুয়ারিতে প্রতি লিটার জেট ফুয়েলের দাম ছিল ৯৪ টাকা ৯৩ পয়সা। ফেব্রুয়ারিতে তা সামান্য বেড়ে ৯৫ টাকা ১২ পয়সা হয়। তবে ফেব্রুয়ারির শেষভাগে ইরান-যুক্তরাষ্ট্র সংঘাত শুরুর পর আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানির সরবরাহে প্রভাব পড়ে। এর জেরে মার্চে প্রথম দফায় দাম বাড়িয়ে ১১২ টাকা ৪১ পয়সা নির্ধারণ করা হয়।
এরপর ২৪ মার্চ দ্বিতীয় দফায় দাম বেড়ে দাঁড়ায় ২০২ টাকা ২৯ পয়সায়। সর্বশেষ এপ্রিলে তা আরও বেড়ে ২২৭ টাকা ৮ পয়সায় পৌঁছায়।
তিন দফায় দাম বাড়ানোর পর উড়োজাহাজে ব্যবহৃত জ্বালানি জেট ফুয়েলের দাম কমানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে বাংলাদেশ জ্বালানি নিয়ন্ত্রণ কমিশন।
বৃহস্পতিবার (৭ মে) সংস্থাটি লিটারপ্রতি ২২ টাকা কমিয়ে নতুন মূল্য নির্ধারণ করে।
নতুন ঘোষিত দামে অভ্যন্তরীণ রুটের ফ্লাইটে ব্যবহৃত প্রতি লিটার জেট ফুয়েলের দাম ২২৭ টাকা ৮ পয়সা থেকে কমে ২০৫ টাকা ৪৫ পয়সা হয়েছে। এছাড়া আন্তর্জাতিক রুটের ফ্লাইটের জন্য প্রতি লিটার জেট ফুয়েলের দাম শুল্ক ও মূল্য সংযোজন কর ছাড়া ১ দশমিক ৪৮০৬ ডলার থেকে কমিয়ে ১ দশমিক ৩৩৮৫ ডলার নির্ধারণ করা হয়েছে।
নতুন এই মূল্য বুধবার রাত ১২টার পর থেকে কার্যকর হয়েছে।
চলতি বছরের জানুয়ারিতে প্রতি লিটার জেট ফুয়েলের দাম ছিল ৯৪ টাকা ৯৩ পয়সা। ফেব্রুয়ারিতে তা সামান্য বেড়ে ৯৫ টাকা ১২ পয়সা হয়। তবে ফেব্রুয়ারির শেষভাগে ইরান-যুক্তরাষ্ট্র সংঘাত শুরুর পর আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানির সরবরাহে প্রভাব পড়ে। এর জেরে মার্চে প্রথম দফায় দাম বাড়িয়ে ১১২ টাকা ৪১ পয়সা নির্ধারণ করা হয়।
এরপর ২৪ মার্চ দ্বিতীয় দফায় দাম বেড়ে দাঁড়ায় ২০২ টাকা ২৯ পয়সায়। সর্বশেষ এপ্রিলে তা আরও বেড়ে ২২৭ টাকা ৮ পয়সায় পৌঁছায়।
তিন দফায় দাম বাড়ানোর পর উড়োজাহাজে ব্যবহৃত জ্বালানি জেট ফুয়েলের দাম কমানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে বাংলাদেশ জ্বালানি নিয়ন্ত্রণ কমিশন।
বৃহস্পতিবার (৭ মে) সংস্থাটি লিটারপ্রতি ২২ টাকা কমিয়ে নতুন মূল্য নির্ধারণ করে।
নতুন ঘোষিত দামে অভ্যন্তরীণ রুটের ফ্লাইটে ব্যবহৃত প্রতি লিটার জেট ফুয়েলের দাম ২২৭ টাকা ৮ পয়সা থেকে কমে ২০৫ টাকা ৪৫ পয়সা হয়েছে। এছাড়া আন্তর্জাতিক রুটের ফ্লাইটের জন্য প্রতি লিটার জেট ফুয়েলের দাম শুল্ক ও মূল্য সংযোজন কর ছাড়া ১ দশমিক ৪৮০৬ ডলার থেকে কমিয়ে ১ দশমিক ৩৩৮৫ ডলার নির্ধারণ করা হয়েছে।
নতুন এই মূল্য বুধবার রাত ১২টার পর থেকে কার্যকর হয়েছে।
চলতি বছরের জানুয়ারিতে প্রতি লিটার জেট ফুয়েলের দাম ছিল ৯৪ টাকা ৯৩ পয়সা। ফেব্রুয়ারিতে তা সামান্য বেড়ে ৯৫ টাকা ১২ পয়সা হয়। তবে ফেব্রুয়ারির শেষভাগে ইরান-যুক্তরাষ্ট্র সংঘাত শুরুর পর আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানির সরবরাহে প্রভাব পড়ে। এর জেরে মার্চে প্রথম দফায় দাম বাড়িয়ে ১১২ টাকা ৪১ পয়সা নির্ধারণ করা হয়।
এরপর ২৪ মার্চ দ্বিতীয় দফায় দাম বেড়ে দাঁড়ায় ২০২ টাকা ২৯ পয়সায়। সর্বশেষ এপ্রিলে তা আরও বেড়ে ২২৭ টাকা ৮ পয়সায় পৌঁছায়।
তিন দফায় দাম বাড়ানোর পর উড়োজাহাজে ব্যবহৃত জ্বালানি জেট ফুয়েলের দাম কমানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে বাংলাদেশ জ্বালানি নিয়ন্ত্রণ কমিশন।
বৃহস্পতিবার (৭ মে) সংস্থাটি লিটারপ্রতি ২২ টাকা কমিয়ে নতুন মূল্য নির্ধারণ করে।
নতুন ঘোষিত দামে অভ্যন্তরীণ রুটের ফ্লাইটে ব্যবহৃত প্রতি লিটার জেট ফুয়েলের দাম ২২৭ টাকা ৮ পয়সা থেকে কমে ২০৫ টাকা ৪৫ পয়সা হয়েছে। এছাড়া আন্তর্জাতিক রুটের ফ্লাইটের জন্য প্রতি লিটার জেট ফুয়েলের দাম শুল্ক ও মূল্য সংযোজন কর ছাড়া ১ দশমিক ৪৮০৬ ডলার থেকে কমিয়ে ১ দশমিক ৩৩৮৫ ডলার নির্ধারণ করা হয়েছে।
নতুন এই মূল্য বুধবার রাত ১২টার পর থেকে কার্যকর হয়েছে।
চলতি বছরের জানুয়ারিতে প্রতি লিটার জেট ফুয়েলের দাম ছিল ৯৪ টাকা ৯৩ পয়সা। ফেব্রুয়ারিতে তা সামান্য বেড়ে ৯৫ টাকা ১২ পয়সা হয়। তবে ফেব্রুয়ারির শেষভাগে ইরান-যুক্তরাষ্ট্র সংঘাত শুরুর পর আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানির সরবরাহে প্রভাব পড়ে। এর জেরে মার্চে প্রথম দফায় দাম বাড়িয়ে ১১২ টাকা ৪১ পয়সা নির্ধারণ করা হয়।
এরপর ২৪ মার্চ দ্বিতীয় দফায় দাম বেড়ে দাঁড়ায় ২০২ টাকা ২৯ পয়সায়। সর্বশেষ এপ্রিলে তা আরও বেড়ে ২২৭ টাকা ৮ পয়সায় পৌঁছায়।
এখনও কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!