
বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগের (বিপিএল) প্রথম কোয়ালিফায়ারে রাজশাহী ওয়ারিয়র্সকে ৬ উইকেটে হারিয়ে সবার আগে ফাইনালের টিকিট কেটে নিয়েছে চট্টগ্রাম রয়্যালস। মিরপুর শেরেবাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে ৩ বল হাতে রেখেই জয় নিশ্চিত করে দলটি।
টস জিতে রাজশাহীকে ব্যাট করতে পাঠান চট্টগ্রামের অধিনায়ক শেখ মেহেদী হাসান। শুরুটা খুব একটা খারাপ না হলেও বড় জুটি গড়তে পারেনি রাজশাহীর ওপেনাররা। ৩০ রানে ভাঙে উদ্বোধনী জুটি। সাহিবজাদা ফারহান ১৯ বলে ২১ রান করে ফিরে যান। অন্য ওপেনার তানজিদ হাসান তামিম ৩৭ বলে ৪১ রান করে ইনিংস টানার চেষ্টা করেন।
তবে এরপরই ব্যাটিং ধস নামে রাজশাহীর। একে একে ব্যর্থ হন অভিজ্ঞ ও মিডল অর্ডারের ব্যাটাররা। অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্ত করেন মাত্র ৮ রান, মুশফিকুর রহিম ফেরেন খাতা না খুলেই। আকবর আলি করেন ৩, জিমি নিশাম ৬ এবং রায়ান বার্ল করেন ৩ রান।
শেষদিকে ঝড়ো ইনিংস খেলেন আব্দুল গাফফার সাকলাইন। মাত্র ১৫ বলে দুটি চার ও তিনটি ছক্কায় করেন ৩৫ রান। তার এই ক্যামিও ইনিংসেই মিরপুরের মন্থর উইকেটে লড়াই করার মতো পুঁজি পায় রাজশাহী। নির্ধারিত ২০ ওভারে তাদের সংগ্রহ দাঁড়ায় ১৩৩ রান।
চট্টগ্রামের হয়ে বোলিংয়ে সবচেয়ে সফল ছিলেন শেখ মেহেদী হাসান ও আমির জামাল—দুজনই নেন দুটি করে উইকেট। বাকি পাঁচজন বোলার পান একটি করে উইকেট।
১৩৪ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে ধীরগতির শুরু করলেও বড় জুটির ভিত গড়ে দেন চট্টগ্রামের দুই ওপেনার। উদ্বোধনী জুটিতে আসে ৬৪ রান। মোহাম্মদ নাঈম শেখ ৩৮ বলে ৩০ রান করে আউট হন। এরপর হাসান মিরাজ ১৪ বলে কার্যকর ২০ রান যোগ করেন। আসিফ আলি খেলেন ৮ বলে ১১ রানের ছোট কিন্তু গুরুত্বপূর্ণ ইনিংস।
ওপেনার মির্জা বেগ একপ্রান্ত আগলে রেখে খেলেন ৪৭ বলে ৪৫ রানের ইনিংস। শেষদিকে অধিনায়ক শেখ মেহেদী হাসান আমির জামালকে সঙ্গে নিয়ে ম্যাচ শেষ করেন। মেহেদী ৯ বলে অপরাজিত ১৯ এবং জামাল ২ বলে অপরাজিত ২ রান করেন।
এই জয়ে বিপিএলের প্রথম দল হিসেবে ফাইনালে উঠে গেল চট্টগ্রাম রয়্যালস। আগামীকাল দ্বিতীয় কোয়ালিফায়ারে সিলেটের বিপক্ষে মাঠে নামবে রাজশাহী ওয়ারিয়র্স।

বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগের (বিপিএল) প্রথম কোয়ালিফায়ারে রাজশাহী ওয়ারিয়র্সকে ৬ উইকেটে হারিয়ে সবার আগে ফাইনালের টিকিট কেটে নিয়েছে চট্টগ্রাম রয়্যালস। মিরপুর শেরেবাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে ৩ বল হাতে রেখেই জয় নিশ্চিত করে দলটি।
টস জিতে রাজশাহীকে ব্যাট করতে পাঠান চট্টগ্রামের অধিনায়ক শেখ মেহেদী হাসান। শুরুটা খুব একটা খারাপ না হলেও বড় জুটি গড়তে পারেনি রাজশাহীর ওপেনাররা। ৩০ রানে ভাঙে উদ্বোধনী জুটি। সাহিবজাদা ফারহান ১৯ বলে ২১ রান করে ফিরে যান। অন্য ওপেনার তানজিদ হাসান তামিম ৩৭ বলে ৪১ রান করে ইনিংস টানার চেষ্টা করেন।
তবে এরপরই ব্যাটিং ধস নামে রাজশাহীর। একে একে ব্যর্থ হন অভিজ্ঞ ও মিডল অর্ডারের ব্যাটাররা। অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্ত করেন মাত্র ৮ রান, মুশফিকুর রহিম ফেরেন খাতা না খুলেই। আকবর আলি করেন ৩, জিমি নিশাম ৬ এবং রায়ান বার্ল করেন ৩ রান।
শেষদিকে ঝড়ো ইনিংস খেলেন আব্দুল গাফফার সাকলাইন। মাত্র ১৫ বলে দুটি চার ও তিনটি ছক্কায় করেন ৩৫ রান। তার এই ক্যামিও ইনিংসেই মিরপুরের মন্থর উইকেটে লড়াই করার মতো পুঁজি পায় রাজশাহী। নির্ধারিত ২০ ওভারে তাদের সংগ্রহ দাঁড়ায় ১৩৩ রান।
চট্টগ্রামের হয়ে বোলিংয়ে সবচেয়ে সফল ছিলেন শেখ মেহেদী হাসান ও আমির জামাল—দুজনই নেন দুটি করে উইকেট। বাকি পাঁচজন বোলার পান একটি করে উইকেট।
১৩৪ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে ধীরগতির শুরু করলেও বড় জুটির ভিত গড়ে দেন চট্টগ্রামের দুই ওপেনার। উদ্বোধনী জুটিতে আসে ৬৪ রান। মোহাম্মদ নাঈম শেখ ৩৮ বলে ৩০ রান করে আউট হন। এরপর হাসান মিরাজ ১৪ বলে কার্যকর ২০ রান যোগ করেন। আসিফ আলি খেলেন ৮ বলে ১১ রানের ছোট কিন্তু গুরুত্বপূর্ণ ইনিংস।
ওপেনার মির্জা বেগ একপ্রান্ত আগলে রেখে খেলেন ৪৭ বলে ৪৫ রানের ইনিংস। শেষদিকে অধিনায়ক শেখ মেহেদী হাসান আমির জামালকে সঙ্গে নিয়ে ম্যাচ শেষ করেন। মেহেদী ৯ বলে অপরাজিত ১৯ এবং জামাল ২ বলে অপরাজিত ২ রান করেন।
এই জয়ে বিপিএলের প্রথম দল হিসেবে ফাইনালে উঠে গেল চট্টগ্রাম রয়্যালস। আগামীকাল দ্বিতীয় কোয়ালিফায়ারে সিলেটের বিপক্ষে মাঠে নামবে রাজশাহী ওয়ারিয়র্স।

বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগের (বিপিএল) প্রথম কোয়ালিফায়ারে রাজশাহী ওয়ারিয়র্সকে ৬ উইকেটে হারিয়ে সবার আগে ফাইনালের টিকিট কেটে নিয়েছে চট্টগ্রাম রয়্যালস। মিরপুর শেরেবাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে ৩ বল হাতে রেখেই জয় নিশ্চিত করে দলটি।
টস জিতে রাজশাহীকে ব্যাট করতে পাঠান চট্টগ্রামের অধিনায়ক শেখ মেহেদী হাসান। শুরুটা খুব একটা খারাপ না হলেও বড় জুটি গড়তে পারেনি রাজশাহীর ওপেনাররা। ৩০ রানে ভাঙে উদ্বোধনী জুটি। সাহিবজাদা ফারহান ১৯ বলে ২১ রান করে ফিরে যান। অন্য ওপেনার তানজিদ হাসান তামিম ৩৭ বলে ৪১ রান করে ইনিংস টানার চেষ্টা করেন।
তবে এরপরই ব্যাটিং ধস নামে রাজশাহীর। একে একে ব্যর্থ হন অভিজ্ঞ ও মিডল অর্ডারের ব্যাটাররা। অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্ত করেন মাত্র ৮ রান, মুশফিকুর রহিম ফেরেন খাতা না খুলেই। আকবর আলি করেন ৩, জিমি নিশাম ৬ এবং রায়ান বার্ল করেন ৩ রান।
শেষদিকে ঝড়ো ইনিংস খেলেন আব্দুল গাফফার সাকলাইন। মাত্র ১৫ বলে দুটি চার ও তিনটি ছক্কায় করেন ৩৫ রান। তার এই ক্যামিও ইনিংসেই মিরপুরের মন্থর উইকেটে লড়াই করার মতো পুঁজি পায় রাজশাহী। নির্ধারিত ২০ ওভারে তাদের সংগ্রহ দাঁড়ায় ১৩৩ রান।
চট্টগ্রামের হয়ে বোলিংয়ে সবচেয়ে সফল ছিলেন শেখ মেহেদী হাসান ও আমির জামাল—দুজনই নেন দুটি করে উইকেট। বাকি পাঁচজন বোলার পান একটি করে উইকেট।
১৩৪ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে ধীরগতির শুরু করলেও বড় জুটির ভিত গড়ে দেন চট্টগ্রামের দুই ওপেনার। উদ্বোধনী জুটিতে আসে ৬৪ রান। মোহাম্মদ নাঈম শেখ ৩৮ বলে ৩০ রান করে আউট হন। এরপর হাসান মিরাজ ১৪ বলে কার্যকর ২০ রান যোগ করেন। আসিফ আলি খেলেন ৮ বলে ১১ রানের ছোট কিন্তু গুরুত্বপূর্ণ ইনিংস।
ওপেনার মির্জা বেগ একপ্রান্ত আগলে রেখে খেলেন ৪৭ বলে ৪৫ রানের ইনিংস। শেষদিকে অধিনায়ক শেখ মেহেদী হাসান আমির জামালকে সঙ্গে নিয়ে ম্যাচ শেষ করেন। মেহেদী ৯ বলে অপরাজিত ১৯ এবং জামাল ২ বলে অপরাজিত ২ রান করেন।
এই জয়ে বিপিএলের প্রথম দল হিসেবে ফাইনালে উঠে গেল চট্টগ্রাম রয়্যালস। আগামীকাল দ্বিতীয় কোয়ালিফায়ারে সিলেটের বিপক্ষে মাঠে নামবে রাজশাহী ওয়ারিয়র্স।

বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগের (বিপিএল) প্রথম কোয়ালিফায়ারে রাজশাহী ওয়ারিয়র্সকে ৬ উইকেটে হারিয়ে সবার আগে ফাইনালের টিকিট কেটে নিয়েছে চট্টগ্রাম রয়্যালস। মিরপুর শেরেবাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে ৩ বল হাতে রেখেই জয় নিশ্চিত করে দলটি।
টস জিতে রাজশাহীকে ব্যাট করতে পাঠান চট্টগ্রামের অধিনায়ক শেখ মেহেদী হাসান। শুরুটা খুব একটা খারাপ না হলেও বড় জুটি গড়তে পারেনি রাজশাহীর ওপেনাররা। ৩০ রানে ভাঙে উদ্বোধনী জুটি। সাহিবজাদা ফারহান ১৯ বলে ২১ রান করে ফিরে যান। অন্য ওপেনার তানজিদ হাসান তামিম ৩৭ বলে ৪১ রান করে ইনিংস টানার চেষ্টা করেন।
তবে এরপরই ব্যাটিং ধস নামে রাজশাহীর। একে একে ব্যর্থ হন অভিজ্ঞ ও মিডল অর্ডারের ব্যাটাররা। অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্ত করেন মাত্র ৮ রান, মুশফিকুর রহিম ফেরেন খাতা না খুলেই। আকবর আলি করেন ৩, জিমি নিশাম ৬ এবং রায়ান বার্ল করেন ৩ রান।
শেষদিকে ঝড়ো ইনিংস খেলেন আব্দুল গাফফার সাকলাইন। মাত্র ১৫ বলে দুটি চার ও তিনটি ছক্কায় করেন ৩৫ রান। তার এই ক্যামিও ইনিংসেই মিরপুরের মন্থর উইকেটে লড়াই করার মতো পুঁজি পায় রাজশাহী। নির্ধারিত ২০ ওভারে তাদের সংগ্রহ দাঁড়ায় ১৩৩ রান।
চট্টগ্রামের হয়ে বোলিংয়ে সবচেয়ে সফল ছিলেন শেখ মেহেদী হাসান ও আমির জামাল—দুজনই নেন দুটি করে উইকেট। বাকি পাঁচজন বোলার পান একটি করে উইকেট।
১৩৪ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে ধীরগতির শুরু করলেও বড় জুটির ভিত গড়ে দেন চট্টগ্রামের দুই ওপেনার। উদ্বোধনী জুটিতে আসে ৬৪ রান। মোহাম্মদ নাঈম শেখ ৩৮ বলে ৩০ রান করে আউট হন। এরপর হাসান মিরাজ ১৪ বলে কার্যকর ২০ রান যোগ করেন। আসিফ আলি খেলেন ৮ বলে ১১ রানের ছোট কিন্তু গুরুত্বপূর্ণ ইনিংস।
ওপেনার মির্জা বেগ একপ্রান্ত আগলে রেখে খেলেন ৪৭ বলে ৪৫ রানের ইনিংস। শেষদিকে অধিনায়ক শেখ মেহেদী হাসান আমির জামালকে সঙ্গে নিয়ে ম্যাচ শেষ করেন। মেহেদী ৯ বলে অপরাজিত ১৯ এবং জামাল ২ বলে অপরাজিত ২ রান করেন।
এই জয়ে বিপিএলের প্রথম দল হিসেবে ফাইনালে উঠে গেল চট্টগ্রাম রয়্যালস। আগামীকাল দ্বিতীয় কোয়ালিফায়ারে সিলেটের বিপক্ষে মাঠে নামবে রাজশাহী ওয়ারিয়র্স।
এখনও কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!