
কথা ছিল ওয়েব কনটেন্ট হিসেবে নির্মাণ করার। কিন্তু সেটাকে টেনে বড় করে তৈরি করা হলো সিনেমা! হ্যাঁ, ‘কন্ট্রাক্ট ম্যারেজ’-এর মাধ্যমে এমন অদ্ভুত কাণ্ডই ঘটিয়েছেন নির্মাতা হাসান জাহাঙ্গীর, যেখানে অভিনয় করেছেন দেশের জনপ্রিয় চিত্রনায়িকা মৌসুমী।
সিনেমাটি সেন্সরও পেয়েছে সম্প্রতি। জানা যায়, আগামী ১৫ মে প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পেতে যাচ্ছে তা। এ খবরের পর মৌসুমী ও চিত্রনায়কা ওমর সানীও ক্ষোভ প্রকাশ করেছিলেন। যেখানে একটি শর্টফিল্মের মতো কনটেন্ট তৈরির কথা ছিল, সেখানে মৌসুমীকে ব্যবহার করে একটি নিম্নমানের কনটেন্ট তৈরি করা হয়েছে।
গত বৃহস্পতিবার ‘কন্ট্রাক্ট ম্যারেজ’-এর টিজার প্রকাশ করেন নির্মাতা হাসান জাহাঙ্গীর। সামাজিক মাধ্যম ও ইউটিউবে তা প্রকাশ হতেই যেন মাথায় হাত দর্শকদের! নেটিজেনদের মাঝে চলছে তীব্র সমালোচনার ঝড়, মন্তব্য ঘরে দর্শকরা সিনেমাটির মান নিয়ে কড়া সমালোচনা ও কটাক্ষ করছেন।
ট্রেলার দেখে ক্ষুব্ধ নেটিজেনদের প্রশ্ন, কেন টাকা খরচ করে এই ধরনের নিম্নমানের কাজ নির্মাণ করা হয় এবং কারা দেখবে এসব। আরেকজন দর্শক মন্তব্য করেছেন, ২০২৬ সালে এসেও এমন অখাদ্য সিনেমা দেখতে হচ্ছে যা সত্যিই অবাক করার মতো। অন্য এক দর্শক আক্ষেপ করে লিখেছেন যে টিজারের মধ্যেই তিনি পুরো সিনেমা দেখে ফেলেছেন।
সাধারণ দর্শকদের পাশাপাশি চিত্রনায়িকা মৌসুমীর একনিষ্ঠ ভক্তরাও প্রিয় অভিনেত্রীকে এমন কাজে দেখে হতাশা ব্যক্ত করেছেন। একজনের মতে, মৌসুমীর মতো গুণী শিল্পীর এমন দিন আসলো যে তাকে এই ধরণের কনটেন্টে থাকতে হচ্ছে।
এর আগে এক ভিডিও বার্তায় ওমর সানী জানিয়েছিলেন যে কন্ট্রাক্ট ম্যারেজ কোনো সিনেমা নয় বরং এটি যুক্তরাষ্ট্রে শুটিং করা একটি নাটক। দর্শকদের প্রত্যাশার সাথে এই কাজটি যায় না উল্লেখ করে তিনি ছবিটির মুক্তি বন্ধের আহ্বান জানান। পুরো বিষয়টি নিয়ে চিত্রনায়িকা মৌসুমী নিজেও তার অবস্থান পরিষ্কার করেছিলেন। জানান, নির্মাতার অনুরোধে তিনি যুক্তরাষ্ট্রে একটি এক ঘণ্টার নাটকে কাজ করতে রাজি হয়েছিলেন এবং পরে তাকে জানানো হয় ফুটেজ বেশি হওয়ায় এটি টেলিছবি হিসেবে মুক্তি পাবে।
কিন্তু পরবর্তীতে কাজটিকে সিনেমা হিসেবে মুক্তি দেওয়া এবং সেন্সর সনদ পাওয়ার বিষয়টি তাকে বিস্মিত করেছে। মৌসুমীর অভিযোগ তার অজান্তেই কাজটিকে অন্যভাবে উপস্থাপন করা হয়েছে এবং তাকে কাটপিসের মতো ব্যবহার করা হয়েছে যা অত্যন্ত অনৈতিক।
তবে এতোসব অভিযোগের পরেও পিছু হটতে নারাজ নির্মাতা হাসান জাহাঙ্গীর। সংবাদমাধ্যমে তার দাবি, সিনেমাটি মুক্তির পর দর্শক এর থেকে অনেক ইতিবাচক বার্তা পাবে।

কথা ছিল ওয়েব কনটেন্ট হিসেবে নির্মাণ করার। কিন্তু সেটাকে টেনে বড় করে তৈরি করা হলো সিনেমা! হ্যাঁ, ‘কন্ট্রাক্ট ম্যারেজ’-এর মাধ্যমে এমন অদ্ভুত কাণ্ডই ঘটিয়েছেন নির্মাতা হাসান জাহাঙ্গীর, যেখানে অভিনয় করেছেন দেশের জনপ্রিয় চিত্রনায়িকা মৌসুমী।
সিনেমাটি সেন্সরও পেয়েছে সম্প্রতি। জানা যায়, আগামী ১৫ মে প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পেতে যাচ্ছে তা। এ খবরের পর মৌসুমী ও চিত্রনায়কা ওমর সানীও ক্ষোভ প্রকাশ করেছিলেন। যেখানে একটি শর্টফিল্মের মতো কনটেন্ট তৈরির কথা ছিল, সেখানে মৌসুমীকে ব্যবহার করে একটি নিম্নমানের কনটেন্ট তৈরি করা হয়েছে।
গত বৃহস্পতিবার ‘কন্ট্রাক্ট ম্যারেজ’-এর টিজার প্রকাশ করেন নির্মাতা হাসান জাহাঙ্গীর। সামাজিক মাধ্যম ও ইউটিউবে তা প্রকাশ হতেই যেন মাথায় হাত দর্শকদের! নেটিজেনদের মাঝে চলছে তীব্র সমালোচনার ঝড়, মন্তব্য ঘরে দর্শকরা সিনেমাটির মান নিয়ে কড়া সমালোচনা ও কটাক্ষ করছেন।
ট্রেলার দেখে ক্ষুব্ধ নেটিজেনদের প্রশ্ন, কেন টাকা খরচ করে এই ধরনের নিম্নমানের কাজ নির্মাণ করা হয় এবং কারা দেখবে এসব। আরেকজন দর্শক মন্তব্য করেছেন, ২০২৬ সালে এসেও এমন অখাদ্য সিনেমা দেখতে হচ্ছে যা সত্যিই অবাক করার মতো। অন্য এক দর্শক আক্ষেপ করে লিখেছেন যে টিজারের মধ্যেই তিনি পুরো সিনেমা দেখে ফেলেছেন।
সাধারণ দর্শকদের পাশাপাশি চিত্রনায়িকা মৌসুমীর একনিষ্ঠ ভক্তরাও প্রিয় অভিনেত্রীকে এমন কাজে দেখে হতাশা ব্যক্ত করেছেন। একজনের মতে, মৌসুমীর মতো গুণী শিল্পীর এমন দিন আসলো যে তাকে এই ধরণের কনটেন্টে থাকতে হচ্ছে।
এর আগে এক ভিডিও বার্তায় ওমর সানী জানিয়েছিলেন যে কন্ট্রাক্ট ম্যারেজ কোনো সিনেমা নয় বরং এটি যুক্তরাষ্ট্রে শুটিং করা একটি নাটক। দর্শকদের প্রত্যাশার সাথে এই কাজটি যায় না উল্লেখ করে তিনি ছবিটির মুক্তি বন্ধের আহ্বান জানান। পুরো বিষয়টি নিয়ে চিত্রনায়িকা মৌসুমী নিজেও তার অবস্থান পরিষ্কার করেছিলেন। জানান, নির্মাতার অনুরোধে তিনি যুক্তরাষ্ট্রে একটি এক ঘণ্টার নাটকে কাজ করতে রাজি হয়েছিলেন এবং পরে তাকে জানানো হয় ফুটেজ বেশি হওয়ায় এটি টেলিছবি হিসেবে মুক্তি পাবে।
কিন্তু পরবর্তীতে কাজটিকে সিনেমা হিসেবে মুক্তি দেওয়া এবং সেন্সর সনদ পাওয়ার বিষয়টি তাকে বিস্মিত করেছে। মৌসুমীর অভিযোগ তার অজান্তেই কাজটিকে অন্যভাবে উপস্থাপন করা হয়েছে এবং তাকে কাটপিসের মতো ব্যবহার করা হয়েছে যা অত্যন্ত অনৈতিক।
তবে এতোসব অভিযোগের পরেও পিছু হটতে নারাজ নির্মাতা হাসান জাহাঙ্গীর। সংবাদমাধ্যমে তার দাবি, সিনেমাটি মুক্তির পর দর্শক এর থেকে অনেক ইতিবাচক বার্তা পাবে।

কথা ছিল ওয়েব কনটেন্ট হিসেবে নির্মাণ করার। কিন্তু সেটাকে টেনে বড় করে তৈরি করা হলো সিনেমা! হ্যাঁ, ‘কন্ট্রাক্ট ম্যারেজ’-এর মাধ্যমে এমন অদ্ভুত কাণ্ডই ঘটিয়েছেন নির্মাতা হাসান জাহাঙ্গীর, যেখানে অভিনয় করেছেন দেশের জনপ্রিয় চিত্রনায়িকা মৌসুমী।
সিনেমাটি সেন্সরও পেয়েছে সম্প্রতি। জানা যায়, আগামী ১৫ মে প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পেতে যাচ্ছে তা। এ খবরের পর মৌসুমী ও চিত্রনায়কা ওমর সানীও ক্ষোভ প্রকাশ করেছিলেন। যেখানে একটি শর্টফিল্মের মতো কনটেন্ট তৈরির কথা ছিল, সেখানে মৌসুমীকে ব্যবহার করে একটি নিম্নমানের কনটেন্ট তৈরি করা হয়েছে।
গত বৃহস্পতিবার ‘কন্ট্রাক্ট ম্যারেজ’-এর টিজার প্রকাশ করেন নির্মাতা হাসান জাহাঙ্গীর। সামাজিক মাধ্যম ও ইউটিউবে তা প্রকাশ হতেই যেন মাথায় হাত দর্শকদের! নেটিজেনদের মাঝে চলছে তীব্র সমালোচনার ঝড়, মন্তব্য ঘরে দর্শকরা সিনেমাটির মান নিয়ে কড়া সমালোচনা ও কটাক্ষ করছেন।
ট্রেলার দেখে ক্ষুব্ধ নেটিজেনদের প্রশ্ন, কেন টাকা খরচ করে এই ধরনের নিম্নমানের কাজ নির্মাণ করা হয় এবং কারা দেখবে এসব। আরেকজন দর্শক মন্তব্য করেছেন, ২০২৬ সালে এসেও এমন অখাদ্য সিনেমা দেখতে হচ্ছে যা সত্যিই অবাক করার মতো। অন্য এক দর্শক আক্ষেপ করে লিখেছেন যে টিজারের মধ্যেই তিনি পুরো সিনেমা দেখে ফেলেছেন।
সাধারণ দর্শকদের পাশাপাশি চিত্রনায়িকা মৌসুমীর একনিষ্ঠ ভক্তরাও প্রিয় অভিনেত্রীকে এমন কাজে দেখে হতাশা ব্যক্ত করেছেন। একজনের মতে, মৌসুমীর মতো গুণী শিল্পীর এমন দিন আসলো যে তাকে এই ধরণের কনটেন্টে থাকতে হচ্ছে।
এর আগে এক ভিডিও বার্তায় ওমর সানী জানিয়েছিলেন যে কন্ট্রাক্ট ম্যারেজ কোনো সিনেমা নয় বরং এটি যুক্তরাষ্ট্রে শুটিং করা একটি নাটক। দর্শকদের প্রত্যাশার সাথে এই কাজটি যায় না উল্লেখ করে তিনি ছবিটির মুক্তি বন্ধের আহ্বান জানান। পুরো বিষয়টি নিয়ে চিত্রনায়িকা মৌসুমী নিজেও তার অবস্থান পরিষ্কার করেছিলেন। জানান, নির্মাতার অনুরোধে তিনি যুক্তরাষ্ট্রে একটি এক ঘণ্টার নাটকে কাজ করতে রাজি হয়েছিলেন এবং পরে তাকে জানানো হয় ফুটেজ বেশি হওয়ায় এটি টেলিছবি হিসেবে মুক্তি পাবে।
কিন্তু পরবর্তীতে কাজটিকে সিনেমা হিসেবে মুক্তি দেওয়া এবং সেন্সর সনদ পাওয়ার বিষয়টি তাকে বিস্মিত করেছে। মৌসুমীর অভিযোগ তার অজান্তেই কাজটিকে অন্যভাবে উপস্থাপন করা হয়েছে এবং তাকে কাটপিসের মতো ব্যবহার করা হয়েছে যা অত্যন্ত অনৈতিক।
তবে এতোসব অভিযোগের পরেও পিছু হটতে নারাজ নির্মাতা হাসান জাহাঙ্গীর। সংবাদমাধ্যমে তার দাবি, সিনেমাটি মুক্তির পর দর্শক এর থেকে অনেক ইতিবাচক বার্তা পাবে।

কথা ছিল ওয়েব কনটেন্ট হিসেবে নির্মাণ করার। কিন্তু সেটাকে টেনে বড় করে তৈরি করা হলো সিনেমা! হ্যাঁ, ‘কন্ট্রাক্ট ম্যারেজ’-এর মাধ্যমে এমন অদ্ভুত কাণ্ডই ঘটিয়েছেন নির্মাতা হাসান জাহাঙ্গীর, যেখানে অভিনয় করেছেন দেশের জনপ্রিয় চিত্রনায়িকা মৌসুমী।
সিনেমাটি সেন্সরও পেয়েছে সম্প্রতি। জানা যায়, আগামী ১৫ মে প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পেতে যাচ্ছে তা। এ খবরের পর মৌসুমী ও চিত্রনায়কা ওমর সানীও ক্ষোভ প্রকাশ করেছিলেন। যেখানে একটি শর্টফিল্মের মতো কনটেন্ট তৈরির কথা ছিল, সেখানে মৌসুমীকে ব্যবহার করে একটি নিম্নমানের কনটেন্ট তৈরি করা হয়েছে।
গত বৃহস্পতিবার ‘কন্ট্রাক্ট ম্যারেজ’-এর টিজার প্রকাশ করেন নির্মাতা হাসান জাহাঙ্গীর। সামাজিক মাধ্যম ও ইউটিউবে তা প্রকাশ হতেই যেন মাথায় হাত দর্শকদের! নেটিজেনদের মাঝে চলছে তীব্র সমালোচনার ঝড়, মন্তব্য ঘরে দর্শকরা সিনেমাটির মান নিয়ে কড়া সমালোচনা ও কটাক্ষ করছেন।
ট্রেলার দেখে ক্ষুব্ধ নেটিজেনদের প্রশ্ন, কেন টাকা খরচ করে এই ধরনের নিম্নমানের কাজ নির্মাণ করা হয় এবং কারা দেখবে এসব। আরেকজন দর্শক মন্তব্য করেছেন, ২০২৬ সালে এসেও এমন অখাদ্য সিনেমা দেখতে হচ্ছে যা সত্যিই অবাক করার মতো। অন্য এক দর্শক আক্ষেপ করে লিখেছেন যে টিজারের মধ্যেই তিনি পুরো সিনেমা দেখে ফেলেছেন।
সাধারণ দর্শকদের পাশাপাশি চিত্রনায়িকা মৌসুমীর একনিষ্ঠ ভক্তরাও প্রিয় অভিনেত্রীকে এমন কাজে দেখে হতাশা ব্যক্ত করেছেন। একজনের মতে, মৌসুমীর মতো গুণী শিল্পীর এমন দিন আসলো যে তাকে এই ধরণের কনটেন্টে থাকতে হচ্ছে।
এর আগে এক ভিডিও বার্তায় ওমর সানী জানিয়েছিলেন যে কন্ট্রাক্ট ম্যারেজ কোনো সিনেমা নয় বরং এটি যুক্তরাষ্ট্রে শুটিং করা একটি নাটক। দর্শকদের প্রত্যাশার সাথে এই কাজটি যায় না উল্লেখ করে তিনি ছবিটির মুক্তি বন্ধের আহ্বান জানান। পুরো বিষয়টি নিয়ে চিত্রনায়িকা মৌসুমী নিজেও তার অবস্থান পরিষ্কার করেছিলেন। জানান, নির্মাতার অনুরোধে তিনি যুক্তরাষ্ট্রে একটি এক ঘণ্টার নাটকে কাজ করতে রাজি হয়েছিলেন এবং পরে তাকে জানানো হয় ফুটেজ বেশি হওয়ায় এটি টেলিছবি হিসেবে মুক্তি পাবে।
কিন্তু পরবর্তীতে কাজটিকে সিনেমা হিসেবে মুক্তি দেওয়া এবং সেন্সর সনদ পাওয়ার বিষয়টি তাকে বিস্মিত করেছে। মৌসুমীর অভিযোগ তার অজান্তেই কাজটিকে অন্যভাবে উপস্থাপন করা হয়েছে এবং তাকে কাটপিসের মতো ব্যবহার করা হয়েছে যা অত্যন্ত অনৈতিক।
তবে এতোসব অভিযোগের পরেও পিছু হটতে নারাজ নির্মাতা হাসান জাহাঙ্গীর। সংবাদমাধ্যমে তার দাবি, সিনেমাটি মুক্তির পর দর্শক এর থেকে অনেক ইতিবাচক বার্তা পাবে।
এখনও কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!