
কলকাতার প্রেক্ষাগৃহে অবশেষে আলোর মুখ দেখছে বিবেক অগ্নিহোত্রী পরিচালিত বহুল আলোচিত ও বিতর্কিত সিনেমা ‘দ্য বেঙ্গল ফাইলস’। আইনি জটিলতা, রাজনৈতিক নিষেধাজ্ঞা আর দীর্ঘ টালবাহানা কাটিয়ে আগামী শুক্রবার (৮মে) মুক্তি পাচ্ছে ছবিটি। ভারতের অন্যান্য রাজ্যে আগেই প্রদর্শিত হলেও ওপার বাংলার দর্শকদের দীর্ঘ প্রতীক্ষার অবসান হতে যাচ্ছে এই সপ্তাহেই।
২০২৫ সালে নির্মাণের ঘোষণা আসার পর থেকেই ‘দ্য বেঙ্গল ফাইলস’ নিয়ে পশ্চিমবঙ্গ রাজনীতিতে ঝড় বয়ে যায়। ২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনের আগে ছবিটিকে ‘বিজেপির প্রোপাগান্ডা’ হিসেবে অভিহিত করে অঘোষিত নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছিল। এমনকি গোপালচন্দ্র মুখোপাধ্যায়ের পরিবারের পক্ষ থেকেও আইনি পদক্ষেপ নেওয়া হয়।
অভিনেতা শাশ্বত চট্টোপাধ্যায় ও সৌরভ দাসদের মতো বাঙালি শিল্পীরা কেন এই ছবিতে অভিনয় করেছেন, তা নিয়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় তোপের মুখে পড়তে হয়েছিল তাদের। তবে রাজনৈতিক পট পরিবর্তনের পরপরই ছবিটির মুক্তিতে সব বাধা সরে গেল।
ছবিটির মুক্তি উপলক্ষে এক ভিডিও বার্তায় পরিচালক বিবেক অগ্নিহোত্রী তার দীর্ঘ লড়াইয়ের কথা তুলে ধরেন। তিনি বলেন, ‘কাশ্মীর ফাইলস মুক্তির পর থেকেই আমাকে বাংলায় কার্যত নিষিদ্ধ করা হয়েছিল। গত বছর ‘দ্য বেঙ্গল ফাইলস’ পুরোপুরি আটকে দেওয়া হয়। আমাদের ট্রেলার লঞ্চ করতে দেওয়া হয়নি, এমনকি আমার ওপর শারীরিক হামলাও চালানো হয়েছে।’
‘ডজন ডজন এফআইআর করা হয়েছিল আমার বিরুদ্ধে। পরিস্থিতি এমন ছিল যে, রাজ্যপালের কাছ থেকে পুরস্কার নিতেও আমি যেতে পারিনি। ভাগ্যিস আমরা হাল ছাড়িনি। আমাদের নিজস্ব ক্ষুদ্র উপায়ে লড়াই চালিয়ে গিয়েছি। এবার শুধু কলকাতা নয়, বাংলার প্রতিটি প্রান্তে এই ছবি পৌঁছে দিতে চাই।’
দক্ষিণ কলকাতার বিখ্যাত ‘প্রিয়া’ সিনেমা হলে প্রদর্শিত হবে ‘দ্য বেঙ্গল ফাইলস’। হলটির কর্ণধার অরিজিৎ দত্ত ভারতীয় সংবাদমাধ্যমকে বলেন, ‘একটি রাজনৈতিক দলের নির্দেশ বা স্বৈরাচারের কারণে সেন্সর-অনুমোদিত ছবি হওয়া সত্ত্বেও এটি এতদিন মুক্তি পায়নি। ভারতের অন্য সব জায়গায় চললেও বাংলায় সম্ভব হয়নি। অবশেষে মানুষ এটি দেখার সুযোগ পাচ্ছেন, এতে আমি অত্যন্ত আনন্দিত।’

কলকাতার প্রেক্ষাগৃহে অবশেষে আলোর মুখ দেখছে বিবেক অগ্নিহোত্রী পরিচালিত বহুল আলোচিত ও বিতর্কিত সিনেমা ‘দ্য বেঙ্গল ফাইলস’। আইনি জটিলতা, রাজনৈতিক নিষেধাজ্ঞা আর দীর্ঘ টালবাহানা কাটিয়ে আগামী শুক্রবার (৮মে) মুক্তি পাচ্ছে ছবিটি। ভারতের অন্যান্য রাজ্যে আগেই প্রদর্শিত হলেও ওপার বাংলার দর্শকদের দীর্ঘ প্রতীক্ষার অবসান হতে যাচ্ছে এই সপ্তাহেই।
২০২৫ সালে নির্মাণের ঘোষণা আসার পর থেকেই ‘দ্য বেঙ্গল ফাইলস’ নিয়ে পশ্চিমবঙ্গ রাজনীতিতে ঝড় বয়ে যায়। ২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনের আগে ছবিটিকে ‘বিজেপির প্রোপাগান্ডা’ হিসেবে অভিহিত করে অঘোষিত নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছিল। এমনকি গোপালচন্দ্র মুখোপাধ্যায়ের পরিবারের পক্ষ থেকেও আইনি পদক্ষেপ নেওয়া হয়।
অভিনেতা শাশ্বত চট্টোপাধ্যায় ও সৌরভ দাসদের মতো বাঙালি শিল্পীরা কেন এই ছবিতে অভিনয় করেছেন, তা নিয়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় তোপের মুখে পড়তে হয়েছিল তাদের। তবে রাজনৈতিক পট পরিবর্তনের পরপরই ছবিটির মুক্তিতে সব বাধা সরে গেল।
ছবিটির মুক্তি উপলক্ষে এক ভিডিও বার্তায় পরিচালক বিবেক অগ্নিহোত্রী তার দীর্ঘ লড়াইয়ের কথা তুলে ধরেন। তিনি বলেন, ‘কাশ্মীর ফাইলস মুক্তির পর থেকেই আমাকে বাংলায় কার্যত নিষিদ্ধ করা হয়েছিল। গত বছর ‘দ্য বেঙ্গল ফাইলস’ পুরোপুরি আটকে দেওয়া হয়। আমাদের ট্রেলার লঞ্চ করতে দেওয়া হয়নি, এমনকি আমার ওপর শারীরিক হামলাও চালানো হয়েছে।’
‘ডজন ডজন এফআইআর করা হয়েছিল আমার বিরুদ্ধে। পরিস্থিতি এমন ছিল যে, রাজ্যপালের কাছ থেকে পুরস্কার নিতেও আমি যেতে পারিনি। ভাগ্যিস আমরা হাল ছাড়িনি। আমাদের নিজস্ব ক্ষুদ্র উপায়ে লড়াই চালিয়ে গিয়েছি। এবার শুধু কলকাতা নয়, বাংলার প্রতিটি প্রান্তে এই ছবি পৌঁছে দিতে চাই।’
দক্ষিণ কলকাতার বিখ্যাত ‘প্রিয়া’ সিনেমা হলে প্রদর্শিত হবে ‘দ্য বেঙ্গল ফাইলস’। হলটির কর্ণধার অরিজিৎ দত্ত ভারতীয় সংবাদমাধ্যমকে বলেন, ‘একটি রাজনৈতিক দলের নির্দেশ বা স্বৈরাচারের কারণে সেন্সর-অনুমোদিত ছবি হওয়া সত্ত্বেও এটি এতদিন মুক্তি পায়নি। ভারতের অন্য সব জায়গায় চললেও বাংলায় সম্ভব হয়নি। অবশেষে মানুষ এটি দেখার সুযোগ পাচ্ছেন, এতে আমি অত্যন্ত আনন্দিত।’

কলকাতার প্রেক্ষাগৃহে অবশেষে আলোর মুখ দেখছে বিবেক অগ্নিহোত্রী পরিচালিত বহুল আলোচিত ও বিতর্কিত সিনেমা ‘দ্য বেঙ্গল ফাইলস’। আইনি জটিলতা, রাজনৈতিক নিষেধাজ্ঞা আর দীর্ঘ টালবাহানা কাটিয়ে আগামী শুক্রবার (৮মে) মুক্তি পাচ্ছে ছবিটি। ভারতের অন্যান্য রাজ্যে আগেই প্রদর্শিত হলেও ওপার বাংলার দর্শকদের দীর্ঘ প্রতীক্ষার অবসান হতে যাচ্ছে এই সপ্তাহেই।
২০২৫ সালে নির্মাণের ঘোষণা আসার পর থেকেই ‘দ্য বেঙ্গল ফাইলস’ নিয়ে পশ্চিমবঙ্গ রাজনীতিতে ঝড় বয়ে যায়। ২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনের আগে ছবিটিকে ‘বিজেপির প্রোপাগান্ডা’ হিসেবে অভিহিত করে অঘোষিত নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছিল। এমনকি গোপালচন্দ্র মুখোপাধ্যায়ের পরিবারের পক্ষ থেকেও আইনি পদক্ষেপ নেওয়া হয়।
অভিনেতা শাশ্বত চট্টোপাধ্যায় ও সৌরভ দাসদের মতো বাঙালি শিল্পীরা কেন এই ছবিতে অভিনয় করেছেন, তা নিয়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় তোপের মুখে পড়তে হয়েছিল তাদের। তবে রাজনৈতিক পট পরিবর্তনের পরপরই ছবিটির মুক্তিতে সব বাধা সরে গেল।
ছবিটির মুক্তি উপলক্ষে এক ভিডিও বার্তায় পরিচালক বিবেক অগ্নিহোত্রী তার দীর্ঘ লড়াইয়ের কথা তুলে ধরেন। তিনি বলেন, ‘কাশ্মীর ফাইলস মুক্তির পর থেকেই আমাকে বাংলায় কার্যত নিষিদ্ধ করা হয়েছিল। গত বছর ‘দ্য বেঙ্গল ফাইলস’ পুরোপুরি আটকে দেওয়া হয়। আমাদের ট্রেলার লঞ্চ করতে দেওয়া হয়নি, এমনকি আমার ওপর শারীরিক হামলাও চালানো হয়েছে।’
‘ডজন ডজন এফআইআর করা হয়েছিল আমার বিরুদ্ধে। পরিস্থিতি এমন ছিল যে, রাজ্যপালের কাছ থেকে পুরস্কার নিতেও আমি যেতে পারিনি। ভাগ্যিস আমরা হাল ছাড়িনি। আমাদের নিজস্ব ক্ষুদ্র উপায়ে লড়াই চালিয়ে গিয়েছি। এবার শুধু কলকাতা নয়, বাংলার প্রতিটি প্রান্তে এই ছবি পৌঁছে দিতে চাই।’
দক্ষিণ কলকাতার বিখ্যাত ‘প্রিয়া’ সিনেমা হলে প্রদর্শিত হবে ‘দ্য বেঙ্গল ফাইলস’। হলটির কর্ণধার অরিজিৎ দত্ত ভারতীয় সংবাদমাধ্যমকে বলেন, ‘একটি রাজনৈতিক দলের নির্দেশ বা স্বৈরাচারের কারণে সেন্সর-অনুমোদিত ছবি হওয়া সত্ত্বেও এটি এতদিন মুক্তি পায়নি। ভারতের অন্য সব জায়গায় চললেও বাংলায় সম্ভব হয়নি। অবশেষে মানুষ এটি দেখার সুযোগ পাচ্ছেন, এতে আমি অত্যন্ত আনন্দিত।’

কলকাতার প্রেক্ষাগৃহে অবশেষে আলোর মুখ দেখছে বিবেক অগ্নিহোত্রী পরিচালিত বহুল আলোচিত ও বিতর্কিত সিনেমা ‘দ্য বেঙ্গল ফাইলস’। আইনি জটিলতা, রাজনৈতিক নিষেধাজ্ঞা আর দীর্ঘ টালবাহানা কাটিয়ে আগামী শুক্রবার (৮মে) মুক্তি পাচ্ছে ছবিটি। ভারতের অন্যান্য রাজ্যে আগেই প্রদর্শিত হলেও ওপার বাংলার দর্শকদের দীর্ঘ প্রতীক্ষার অবসান হতে যাচ্ছে এই সপ্তাহেই।
২০২৫ সালে নির্মাণের ঘোষণা আসার পর থেকেই ‘দ্য বেঙ্গল ফাইলস’ নিয়ে পশ্চিমবঙ্গ রাজনীতিতে ঝড় বয়ে যায়। ২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনের আগে ছবিটিকে ‘বিজেপির প্রোপাগান্ডা’ হিসেবে অভিহিত করে অঘোষিত নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছিল। এমনকি গোপালচন্দ্র মুখোপাধ্যায়ের পরিবারের পক্ষ থেকেও আইনি পদক্ষেপ নেওয়া হয়।
অভিনেতা শাশ্বত চট্টোপাধ্যায় ও সৌরভ দাসদের মতো বাঙালি শিল্পীরা কেন এই ছবিতে অভিনয় করেছেন, তা নিয়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় তোপের মুখে পড়তে হয়েছিল তাদের। তবে রাজনৈতিক পট পরিবর্তনের পরপরই ছবিটির মুক্তিতে সব বাধা সরে গেল।
ছবিটির মুক্তি উপলক্ষে এক ভিডিও বার্তায় পরিচালক বিবেক অগ্নিহোত্রী তার দীর্ঘ লড়াইয়ের কথা তুলে ধরেন। তিনি বলেন, ‘কাশ্মীর ফাইলস মুক্তির পর থেকেই আমাকে বাংলায় কার্যত নিষিদ্ধ করা হয়েছিল। গত বছর ‘দ্য বেঙ্গল ফাইলস’ পুরোপুরি আটকে দেওয়া হয়। আমাদের ট্রেলার লঞ্চ করতে দেওয়া হয়নি, এমনকি আমার ওপর শারীরিক হামলাও চালানো হয়েছে।’
‘ডজন ডজন এফআইআর করা হয়েছিল আমার বিরুদ্ধে। পরিস্থিতি এমন ছিল যে, রাজ্যপালের কাছ থেকে পুরস্কার নিতেও আমি যেতে পারিনি। ভাগ্যিস আমরা হাল ছাড়িনি। আমাদের নিজস্ব ক্ষুদ্র উপায়ে লড়াই চালিয়ে গিয়েছি। এবার শুধু কলকাতা নয়, বাংলার প্রতিটি প্রান্তে এই ছবি পৌঁছে দিতে চাই।’
দক্ষিণ কলকাতার বিখ্যাত ‘প্রিয়া’ সিনেমা হলে প্রদর্শিত হবে ‘দ্য বেঙ্গল ফাইলস’। হলটির কর্ণধার অরিজিৎ দত্ত ভারতীয় সংবাদমাধ্যমকে বলেন, ‘একটি রাজনৈতিক দলের নির্দেশ বা স্বৈরাচারের কারণে সেন্সর-অনুমোদিত ছবি হওয়া সত্ত্বেও এটি এতদিন মুক্তি পায়নি। ভারতের অন্য সব জায়গায় চললেও বাংলায় সম্ভব হয়নি। অবশেষে মানুষ এটি দেখার সুযোগ পাচ্ছেন, এতে আমি অত্যন্ত আনন্দিত।’
এখনও কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!