
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) ভিপি সাদিক কায়েম ভোটকেন্দ্রে মোবাইল নিষিদ্ধের সিদ্ধান্ত বাতিলের দাবি জানিয়েছেন। তিনি বলেন, এই নিষেধাজ্ঞার পেছনে রাজনৈতিক প্রভাব কাজ করছে এবং এটি নাগরিক ও ভোটারদের তথ্য পাওয়ার অধিকার সীমিত করবে।
সাদিক কায়েম সোমবার (৯ ফেব্রুয়ারি) ফেসবুকে লিখেছেন, ভোটকেন্দ্রের ৪০০ গজের মধ্যে মোবাইল নিষিদ্ধ মানে সবাইকে নিজের মোবাইল ঘরে রেখে যেতে হবে। এতে সাংবাদিকরা বা সিটিজেন জার্নালিজম কার্যকর করতে পারবে না। ভোটকেন্দ্র এলাকায় কোনো অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ঘটলেও তার তথ্য বা ফুটেজ পাওয়া যাবে না।
তিনি আরও বলেন, নির্বাচন কমিশন দেশের নাগরিকদের তথ্য পাওয়ার অধিকার কেড়ে নেওয়ার জন্য নয়, বরং ফ্রি, ফেয়ার এবং নিরাপদ নির্বাচনী পরিবেশ নিশ্চিত করার জন্য কাজ করে। তাই আমরা স্পষ্টভাবে দাবি করছি, এই সিদ্ধান্ত অবিলম্বে বাতিল করতে হবে।
এর আগে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটে ভোটারদের মোবাইল ব্যবহারে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে নির্বাচন কমিশন। রবিবার (৮ ফেব্রুয়ারি) ইসির জ্যেষ্ঠ সহকারী সচিব মো. শহিদুল ইসলাম নির্দেশনা জারি করেন। এতে বলা হয়েছে, ভোটকেন্দ্রের ৪০০ গজের মধ্যে সাধারণ ভোটার মোবাইল বহন করতে পারবেন না। তবে দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রিজাইডিং অফিসার, পুলিশ ইনচার্জ, দায়িত্বপ্রাপ্ত আনসার এবং ‘নির্বাচন সুরক্ষা ২০২৬’ অ্যাপ ব্যবহারকারী দুজন আনসার মোবাইল রাখতে পারবেন।
নির্বাচনে সহিংসতা রোধ ও দ্রুত তথ্য পৌঁছানোর জন্য এবার ‘নির্বাচন সুরক্ষা’ অ্যাপ ব্যবহার করা হচ্ছে। দেশের ৪৩ হাজার ভোটকেন্দ্রের মধ্যে ২৫ হাজার ৭০০ কেন্দ্রে পুলিশ সদস্যদের জন্য বডি ওর্ন ক্যামেরা সরবরাহ করা হয়েছে, যা কেন্দ্রগুলোর পরিস্থিতি সরাসরি পর্যবেক্ষণ করবে।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) ভিপি সাদিক কায়েম ভোটকেন্দ্রে মোবাইল নিষিদ্ধের সিদ্ধান্ত বাতিলের দাবি জানিয়েছেন। তিনি বলেন, এই নিষেধাজ্ঞার পেছনে রাজনৈতিক প্রভাব কাজ করছে এবং এটি নাগরিক ও ভোটারদের তথ্য পাওয়ার অধিকার সীমিত করবে।
সাদিক কায়েম সোমবার (৯ ফেব্রুয়ারি) ফেসবুকে লিখেছেন, ভোটকেন্দ্রের ৪০০ গজের মধ্যে মোবাইল নিষিদ্ধ মানে সবাইকে নিজের মোবাইল ঘরে রেখে যেতে হবে। এতে সাংবাদিকরা বা সিটিজেন জার্নালিজম কার্যকর করতে পারবে না। ভোটকেন্দ্র এলাকায় কোনো অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ঘটলেও তার তথ্য বা ফুটেজ পাওয়া যাবে না।
তিনি আরও বলেন, নির্বাচন কমিশন দেশের নাগরিকদের তথ্য পাওয়ার অধিকার কেড়ে নেওয়ার জন্য নয়, বরং ফ্রি, ফেয়ার এবং নিরাপদ নির্বাচনী পরিবেশ নিশ্চিত করার জন্য কাজ করে। তাই আমরা স্পষ্টভাবে দাবি করছি, এই সিদ্ধান্ত অবিলম্বে বাতিল করতে হবে।
এর আগে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটে ভোটারদের মোবাইল ব্যবহারে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে নির্বাচন কমিশন। রবিবার (৮ ফেব্রুয়ারি) ইসির জ্যেষ্ঠ সহকারী সচিব মো. শহিদুল ইসলাম নির্দেশনা জারি করেন। এতে বলা হয়েছে, ভোটকেন্দ্রের ৪০০ গজের মধ্যে সাধারণ ভোটার মোবাইল বহন করতে পারবেন না। তবে দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রিজাইডিং অফিসার, পুলিশ ইনচার্জ, দায়িত্বপ্রাপ্ত আনসার এবং ‘নির্বাচন সুরক্ষা ২০২৬’ অ্যাপ ব্যবহারকারী দুজন আনসার মোবাইল রাখতে পারবেন।
নির্বাচনে সহিংসতা রোধ ও দ্রুত তথ্য পৌঁছানোর জন্য এবার ‘নির্বাচন সুরক্ষা’ অ্যাপ ব্যবহার করা হচ্ছে। দেশের ৪৩ হাজার ভোটকেন্দ্রের মধ্যে ২৫ হাজার ৭০০ কেন্দ্রে পুলিশ সদস্যদের জন্য বডি ওর্ন ক্যামেরা সরবরাহ করা হয়েছে, যা কেন্দ্রগুলোর পরিস্থিতি সরাসরি পর্যবেক্ষণ করবে।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) ভিপি সাদিক কায়েম ভোটকেন্দ্রে মোবাইল নিষিদ্ধের সিদ্ধান্ত বাতিলের দাবি জানিয়েছেন। তিনি বলেন, এই নিষেধাজ্ঞার পেছনে রাজনৈতিক প্রভাব কাজ করছে এবং এটি নাগরিক ও ভোটারদের তথ্য পাওয়ার অধিকার সীমিত করবে।
সাদিক কায়েম সোমবার (৯ ফেব্রুয়ারি) ফেসবুকে লিখেছেন, ভোটকেন্দ্রের ৪০০ গজের মধ্যে মোবাইল নিষিদ্ধ মানে সবাইকে নিজের মোবাইল ঘরে রেখে যেতে হবে। এতে সাংবাদিকরা বা সিটিজেন জার্নালিজম কার্যকর করতে পারবে না। ভোটকেন্দ্র এলাকায় কোনো অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ঘটলেও তার তথ্য বা ফুটেজ পাওয়া যাবে না।
তিনি আরও বলেন, নির্বাচন কমিশন দেশের নাগরিকদের তথ্য পাওয়ার অধিকার কেড়ে নেওয়ার জন্য নয়, বরং ফ্রি, ফেয়ার এবং নিরাপদ নির্বাচনী পরিবেশ নিশ্চিত করার জন্য কাজ করে। তাই আমরা স্পষ্টভাবে দাবি করছি, এই সিদ্ধান্ত অবিলম্বে বাতিল করতে হবে।
এর আগে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটে ভোটারদের মোবাইল ব্যবহারে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে নির্বাচন কমিশন। রবিবার (৮ ফেব্রুয়ারি) ইসির জ্যেষ্ঠ সহকারী সচিব মো. শহিদুল ইসলাম নির্দেশনা জারি করেন। এতে বলা হয়েছে, ভোটকেন্দ্রের ৪০০ গজের মধ্যে সাধারণ ভোটার মোবাইল বহন করতে পারবেন না। তবে দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রিজাইডিং অফিসার, পুলিশ ইনচার্জ, দায়িত্বপ্রাপ্ত আনসার এবং ‘নির্বাচন সুরক্ষা ২০২৬’ অ্যাপ ব্যবহারকারী দুজন আনসার মোবাইল রাখতে পারবেন।
নির্বাচনে সহিংসতা রোধ ও দ্রুত তথ্য পৌঁছানোর জন্য এবার ‘নির্বাচন সুরক্ষা’ অ্যাপ ব্যবহার করা হচ্ছে। দেশের ৪৩ হাজার ভোটকেন্দ্রের মধ্যে ২৫ হাজার ৭০০ কেন্দ্রে পুলিশ সদস্যদের জন্য বডি ওর্ন ক্যামেরা সরবরাহ করা হয়েছে, যা কেন্দ্রগুলোর পরিস্থিতি সরাসরি পর্যবেক্ষণ করবে।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) ভিপি সাদিক কায়েম ভোটকেন্দ্রে মোবাইল নিষিদ্ধের সিদ্ধান্ত বাতিলের দাবি জানিয়েছেন। তিনি বলেন, এই নিষেধাজ্ঞার পেছনে রাজনৈতিক প্রভাব কাজ করছে এবং এটি নাগরিক ও ভোটারদের তথ্য পাওয়ার অধিকার সীমিত করবে।
সাদিক কায়েম সোমবার (৯ ফেব্রুয়ারি) ফেসবুকে লিখেছেন, ভোটকেন্দ্রের ৪০০ গজের মধ্যে মোবাইল নিষিদ্ধ মানে সবাইকে নিজের মোবাইল ঘরে রেখে যেতে হবে। এতে সাংবাদিকরা বা সিটিজেন জার্নালিজম কার্যকর করতে পারবে না। ভোটকেন্দ্র এলাকায় কোনো অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ঘটলেও তার তথ্য বা ফুটেজ পাওয়া যাবে না।
তিনি আরও বলেন, নির্বাচন কমিশন দেশের নাগরিকদের তথ্য পাওয়ার অধিকার কেড়ে নেওয়ার জন্য নয়, বরং ফ্রি, ফেয়ার এবং নিরাপদ নির্বাচনী পরিবেশ নিশ্চিত করার জন্য কাজ করে। তাই আমরা স্পষ্টভাবে দাবি করছি, এই সিদ্ধান্ত অবিলম্বে বাতিল করতে হবে।
এর আগে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটে ভোটারদের মোবাইল ব্যবহারে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে নির্বাচন কমিশন। রবিবার (৮ ফেব্রুয়ারি) ইসির জ্যেষ্ঠ সহকারী সচিব মো. শহিদুল ইসলাম নির্দেশনা জারি করেন। এতে বলা হয়েছে, ভোটকেন্দ্রের ৪০০ গজের মধ্যে সাধারণ ভোটার মোবাইল বহন করতে পারবেন না। তবে দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রিজাইডিং অফিসার, পুলিশ ইনচার্জ, দায়িত্বপ্রাপ্ত আনসার এবং ‘নির্বাচন সুরক্ষা ২০২৬’ অ্যাপ ব্যবহারকারী দুজন আনসার মোবাইল রাখতে পারবেন।
নির্বাচনে সহিংসতা রোধ ও দ্রুত তথ্য পৌঁছানোর জন্য এবার ‘নির্বাচন সুরক্ষা’ অ্যাপ ব্যবহার করা হচ্ছে। দেশের ৪৩ হাজার ভোটকেন্দ্রের মধ্যে ২৫ হাজার ৭০০ কেন্দ্রে পুলিশ সদস্যদের জন্য বডি ওর্ন ক্যামেরা সরবরাহ করা হয়েছে, যা কেন্দ্রগুলোর পরিস্থিতি সরাসরি পর্যবেক্ষণ করবে।
এখনও কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!