
চলতি ২০২৫-২৬ অর্থবছরের দ্বিতীয়ার্ধের (জানুয়ারি–জুন) মুদ্রানীতি ঘোষণা করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। নতুন মুদ্রানীতিতে বেসরকারি খাতে ঋণ প্রবৃদ্ধির লক্ষ্যমাত্রা বাড়িয়ে সাড়ে ৮ শতাংশ নির্ধারণ করা হয়েছে, যা আগে ছিল ৮ শতাংশ।
সোমবার (৯ ফেব্রুয়ারি) সকালে বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ের সভাকক্ষে মুদ্রানীতি উপস্থাপন করেন ডেপুটি গভর্নর হাবিবুর রহমান। এ সময় গভর্নর আহসান এইচ মনসুর, ডেপুটি গভর্নর নুরুন নাহারসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
মুদ্রানীতিতে জানানো হয়, এর আগে গত ডিসেম্বর পর্যন্ত বেসরকারি খাতে ঋণ প্রবৃদ্ধির লক্ষ্যমাত্রা ছিল ৭ দশমিক ২০ শতাংশ। তবে বাস্তবে ওই সময়ে ঋণ প্রবৃদ্ধি হয়েছে মাত্র ৬ দশমিক ১০ শতাংশ।
নতুন মুদ্রানীতিতে আগামী জুন পর্যন্ত সরকারি খাতে ঋণ প্রবৃদ্ধির লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে ২১ দশমিক ৬০ শতাংশ, যা ডিসেম্বর পর্যন্ত ছিল ২০ দশমিক ৫০ শতাংশ। তবে ওই সময় বাস্তবে সরকারি খাতে ঋণ প্রবৃদ্ধি হয়েছে ২৮ দশমিক ৯০ শতাংশ, যা নির্ধারিত লক্ষ্যমাত্রার তুলনায় অনেক বেশি।
মুদ্রানীতি ঘোষণার অনুষ্ঠানে গভর্নর আহসান এইচ মনসুর বলেন, সরকার যখন বেশি ঋণ নেয়, তখন স্বাভাবিকভাবেই বেসরকারি খাতে ঋণপ্রবাহে চাপ সৃষ্টি হয়। এ ক্ষেত্রে ঋণ বণ্টনে কিছু কাঠামোগত সমস্যাও রয়েছে বলে তিনি উল্লেখ করেন।
তিনি আরও বলেন, রাজস্ব আদায় প্রত্যাশা অনুযায়ী না বাড়ায় সরকারের জন্য বিকল্প পথ সীমিত হয়ে পড়ছে, যার ফলে সরকারি খাতে ঋণ গ্রহণ বাড়ছে।
বাংলাদেশ ব্যাংকের নতুন মুদ্রানীতির লক্ষ্য হিসেবে মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণের পাশাপাশি অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি বজায় রাখা এবং ঋণপ্রবাহকে ভারসাম্যপূর্ণ রাখার কথা জানানো হয়।

চলতি ২০২৫-২৬ অর্থবছরের দ্বিতীয়ার্ধের (জানুয়ারি–জুন) মুদ্রানীতি ঘোষণা করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। নতুন মুদ্রানীতিতে বেসরকারি খাতে ঋণ প্রবৃদ্ধির লক্ষ্যমাত্রা বাড়িয়ে সাড়ে ৮ শতাংশ নির্ধারণ করা হয়েছে, যা আগে ছিল ৮ শতাংশ।
সোমবার (৯ ফেব্রুয়ারি) সকালে বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ের সভাকক্ষে মুদ্রানীতি উপস্থাপন করেন ডেপুটি গভর্নর হাবিবুর রহমান। এ সময় গভর্নর আহসান এইচ মনসুর, ডেপুটি গভর্নর নুরুন নাহারসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
মুদ্রানীতিতে জানানো হয়, এর আগে গত ডিসেম্বর পর্যন্ত বেসরকারি খাতে ঋণ প্রবৃদ্ধির লক্ষ্যমাত্রা ছিল ৭ দশমিক ২০ শতাংশ। তবে বাস্তবে ওই সময়ে ঋণ প্রবৃদ্ধি হয়েছে মাত্র ৬ দশমিক ১০ শতাংশ।
নতুন মুদ্রানীতিতে আগামী জুন পর্যন্ত সরকারি খাতে ঋণ প্রবৃদ্ধির লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে ২১ দশমিক ৬০ শতাংশ, যা ডিসেম্বর পর্যন্ত ছিল ২০ দশমিক ৫০ শতাংশ। তবে ওই সময় বাস্তবে সরকারি খাতে ঋণ প্রবৃদ্ধি হয়েছে ২৮ দশমিক ৯০ শতাংশ, যা নির্ধারিত লক্ষ্যমাত্রার তুলনায় অনেক বেশি।
মুদ্রানীতি ঘোষণার অনুষ্ঠানে গভর্নর আহসান এইচ মনসুর বলেন, সরকার যখন বেশি ঋণ নেয়, তখন স্বাভাবিকভাবেই বেসরকারি খাতে ঋণপ্রবাহে চাপ সৃষ্টি হয়। এ ক্ষেত্রে ঋণ বণ্টনে কিছু কাঠামোগত সমস্যাও রয়েছে বলে তিনি উল্লেখ করেন।
তিনি আরও বলেন, রাজস্ব আদায় প্রত্যাশা অনুযায়ী না বাড়ায় সরকারের জন্য বিকল্প পথ সীমিত হয়ে পড়ছে, যার ফলে সরকারি খাতে ঋণ গ্রহণ বাড়ছে।
বাংলাদেশ ব্যাংকের নতুন মুদ্রানীতির লক্ষ্য হিসেবে মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণের পাশাপাশি অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি বজায় রাখা এবং ঋণপ্রবাহকে ভারসাম্যপূর্ণ রাখার কথা জানানো হয়।

চলতি ২০২৫-২৬ অর্থবছরের দ্বিতীয়ার্ধের (জানুয়ারি–জুন) মুদ্রানীতি ঘোষণা করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। নতুন মুদ্রানীতিতে বেসরকারি খাতে ঋণ প্রবৃদ্ধির লক্ষ্যমাত্রা বাড়িয়ে সাড়ে ৮ শতাংশ নির্ধারণ করা হয়েছে, যা আগে ছিল ৮ শতাংশ।
সোমবার (৯ ফেব্রুয়ারি) সকালে বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ের সভাকক্ষে মুদ্রানীতি উপস্থাপন করেন ডেপুটি গভর্নর হাবিবুর রহমান। এ সময় গভর্নর আহসান এইচ মনসুর, ডেপুটি গভর্নর নুরুন নাহারসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
মুদ্রানীতিতে জানানো হয়, এর আগে গত ডিসেম্বর পর্যন্ত বেসরকারি খাতে ঋণ প্রবৃদ্ধির লক্ষ্যমাত্রা ছিল ৭ দশমিক ২০ শতাংশ। তবে বাস্তবে ওই সময়ে ঋণ প্রবৃদ্ধি হয়েছে মাত্র ৬ দশমিক ১০ শতাংশ।
নতুন মুদ্রানীতিতে আগামী জুন পর্যন্ত সরকারি খাতে ঋণ প্রবৃদ্ধির লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে ২১ দশমিক ৬০ শতাংশ, যা ডিসেম্বর পর্যন্ত ছিল ২০ দশমিক ৫০ শতাংশ। তবে ওই সময় বাস্তবে সরকারি খাতে ঋণ প্রবৃদ্ধি হয়েছে ২৮ দশমিক ৯০ শতাংশ, যা নির্ধারিত লক্ষ্যমাত্রার তুলনায় অনেক বেশি।
মুদ্রানীতি ঘোষণার অনুষ্ঠানে গভর্নর আহসান এইচ মনসুর বলেন, সরকার যখন বেশি ঋণ নেয়, তখন স্বাভাবিকভাবেই বেসরকারি খাতে ঋণপ্রবাহে চাপ সৃষ্টি হয়। এ ক্ষেত্রে ঋণ বণ্টনে কিছু কাঠামোগত সমস্যাও রয়েছে বলে তিনি উল্লেখ করেন।
তিনি আরও বলেন, রাজস্ব আদায় প্রত্যাশা অনুযায়ী না বাড়ায় সরকারের জন্য বিকল্প পথ সীমিত হয়ে পড়ছে, যার ফলে সরকারি খাতে ঋণ গ্রহণ বাড়ছে।
বাংলাদেশ ব্যাংকের নতুন মুদ্রানীতির লক্ষ্য হিসেবে মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণের পাশাপাশি অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি বজায় রাখা এবং ঋণপ্রবাহকে ভারসাম্যপূর্ণ রাখার কথা জানানো হয়।

চলতি ২০২৫-২৬ অর্থবছরের দ্বিতীয়ার্ধের (জানুয়ারি–জুন) মুদ্রানীতি ঘোষণা করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। নতুন মুদ্রানীতিতে বেসরকারি খাতে ঋণ প্রবৃদ্ধির লক্ষ্যমাত্রা বাড়িয়ে সাড়ে ৮ শতাংশ নির্ধারণ করা হয়েছে, যা আগে ছিল ৮ শতাংশ।
সোমবার (৯ ফেব্রুয়ারি) সকালে বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ের সভাকক্ষে মুদ্রানীতি উপস্থাপন করেন ডেপুটি গভর্নর হাবিবুর রহমান। এ সময় গভর্নর আহসান এইচ মনসুর, ডেপুটি গভর্নর নুরুন নাহারসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
মুদ্রানীতিতে জানানো হয়, এর আগে গত ডিসেম্বর পর্যন্ত বেসরকারি খাতে ঋণ প্রবৃদ্ধির লক্ষ্যমাত্রা ছিল ৭ দশমিক ২০ শতাংশ। তবে বাস্তবে ওই সময়ে ঋণ প্রবৃদ্ধি হয়েছে মাত্র ৬ দশমিক ১০ শতাংশ।
নতুন মুদ্রানীতিতে আগামী জুন পর্যন্ত সরকারি খাতে ঋণ প্রবৃদ্ধির লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে ২১ দশমিক ৬০ শতাংশ, যা ডিসেম্বর পর্যন্ত ছিল ২০ দশমিক ৫০ শতাংশ। তবে ওই সময় বাস্তবে সরকারি খাতে ঋণ প্রবৃদ্ধি হয়েছে ২৮ দশমিক ৯০ শতাংশ, যা নির্ধারিত লক্ষ্যমাত্রার তুলনায় অনেক বেশি।
মুদ্রানীতি ঘোষণার অনুষ্ঠানে গভর্নর আহসান এইচ মনসুর বলেন, সরকার যখন বেশি ঋণ নেয়, তখন স্বাভাবিকভাবেই বেসরকারি খাতে ঋণপ্রবাহে চাপ সৃষ্টি হয়। এ ক্ষেত্রে ঋণ বণ্টনে কিছু কাঠামোগত সমস্যাও রয়েছে বলে তিনি উল্লেখ করেন।
তিনি আরও বলেন, রাজস্ব আদায় প্রত্যাশা অনুযায়ী না বাড়ায় সরকারের জন্য বিকল্প পথ সীমিত হয়ে পড়ছে, যার ফলে সরকারি খাতে ঋণ গ্রহণ বাড়ছে।
বাংলাদেশ ব্যাংকের নতুন মুদ্রানীতির লক্ষ্য হিসেবে মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণের পাশাপাশি অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি বজায় রাখা এবং ঋণপ্রবাহকে ভারসাম্যপূর্ণ রাখার কথা জানানো হয়।
এখনও কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!