
জাপানের সঙ্গে অর্থনৈতিক অংশীদারিত্ব চুক্তি (ইপিএ) স্বাক্ষর করেছে বাংলাদেশ। এর মাধ্যমে তৈরি পোশাকসহ মোট ৭ হাজার ৩৭৯টি বাংলাদেশি পণ্য জাপানের বাজারে শতভাগ শুল্কমুক্ত সুবিধা পাবে। এটিই বাংলাদেশের প্রথম পূর্ণাঙ্গ মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি।
শুক্রবার (৬ ফেব্রুয়ারি) জাপানের রাজধানী টোকিওতে দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে আয়োজিত এক আনুষ্ঠানিক অনুষ্ঠানে চুক্তিটি স্বাক্ষরিত হয়। বাংলাদেশের পক্ষে বাণিজ্য উপদেষ্টা শেখ বশিরউদ্দীন এবং জাপানের পক্ষে দেশটির পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হোরি ইওয়াও চুক্তিতে সই করেন।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বাণিজ্য সচিব মাহবুবুর রহমান, জাপানে বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত দাউদ আলী, বাংলাদেশে জাপানের রাষ্ট্রদূত সাইদা শিনিচিসহ সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।
চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে বাণিজ্য উপদেষ্টা শেখ বশিরউদ্দীন বলেন, এই ইপিএ কেবল একটি বাণিজ্যিক চুক্তি নয়; এটি বাংলাদেশের উজ্জ্বল অর্থনৈতিক ভবিষ্যৎ এবং বাংলাদেশ–জাপানের দীর্ঘস্থায়ী বন্ধুত্ব ও পারস্পরিক আস্থার প্রতিফলন। এর কার্যকর বাস্তবায়নের মাধ্যমে দুই দেশের মধ্যে বাণিজ্য ও বিনিয়োগে নতুন দিগন্ত উন্মোচিত হবে।
বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, ইপিএ কার্যকর হওয়ার প্রথম দিন থেকেই তৈরি পোশাকসহ বাংলাদেশের ৭ হাজার ৩৭৯টি পণ্য জাপানের বাজারে শুল্কমুক্ত সুবিধা পাচ্ছে। অন্যদিকে, পর্যায়ক্রমে জাপানের ১ হাজার ৩৯টি পণ্য বাংলাদেশের বাজারে শুল্কমুক্ত বা অগ্রাধিকারমূলক সুবিধা পাবে। পরবর্তী ছয় থেকে আট বছরের মধ্যে ধাপে ধাপে আরও ২ হাজার ৭০২টি জাপানি পণ্য শুল্ক ছাড়ের আওতায় আসবে।
এ চুক্তির আওতায় এক পর্যায়ে উভয় দেশের মোট ৯ হাজার ৩৫৪টি পণ্যে শুল্ক সম্পূর্ণ প্রত্যাহার করা হবে। এর মধ্যে বাংলাদেশি পণ্যের সংখ্যা ৭ হাজার ৪৩৬টি। তবে জাপানি গাড়ি এই চুক্তির আওতায় শুল্কমুক্ত সুবিধা পাবে না। স্থানীয়ভাবে গাড়ি উৎপাদনে জাপানি বিনিয়োগ উৎসাহিত করতেই এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা।
তথ্য বিবরণীতে বলা হয়েছে, পোশাক খাতে ‘সিঙ্গেল স্টেজ ট্রান্সফরমেশন’ সুবিধা যুক্ত হওয়ায় এখন থেকে কাঁচামাল সংক্রান্ত জটিলতা ছাড়াই বাংলাদেশি পোশাক জাপানে রপ্তানি করা যাবে। পাশাপাশি তথ্যপ্রযুক্তি, প্রকৌশল, শিক্ষা, কেয়ারগিভিং ও নার্সিংসহ প্রায় ১৬টি খাতে ১২০টি সেবা বিভাগে বাংলাদেশি দক্ষ পেশাজীবীদের কাজের সুযোগ তৈরি হবে।
বাণিজ্য মন্ত্রণালয় সূত্র জানায়, ইপিএ কার্যকর হলে বাংলাদেশের উৎপাদন, অবকাঠামো, জ্বালানি ও লজিস্টিকস খাতে জাপানের সরাসরি বিদেশি বিনিয়োগ (এফডিআই) উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়বে বলে আশা করা হচ্ছে।
বর্তমানে এশিয়ায় বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় রপ্তানি গন্তব্য জাপান। দেশটিতে বাংলাদেশের বার্ষিক রপ্তানি প্রায় ২০০ কোটি ডলার, যার বেশির ভাগই তৈরি পোশাক। অন্যদিকে জাপান থেকে বাংলাদেশে আমদানির পরিমাণ বছরে প্রায় ১৮০ থেকে ২৭০ কোটি ডলারের মধ্যে ওঠানামা করছে।

জাপানের সঙ্গে অর্থনৈতিক অংশীদারিত্ব চুক্তি (ইপিএ) স্বাক্ষর করেছে বাংলাদেশ। এর মাধ্যমে তৈরি পোশাকসহ মোট ৭ হাজার ৩৭৯টি বাংলাদেশি পণ্য জাপানের বাজারে শতভাগ শুল্কমুক্ত সুবিধা পাবে। এটিই বাংলাদেশের প্রথম পূর্ণাঙ্গ মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি।
শুক্রবার (৬ ফেব্রুয়ারি) জাপানের রাজধানী টোকিওতে দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে আয়োজিত এক আনুষ্ঠানিক অনুষ্ঠানে চুক্তিটি স্বাক্ষরিত হয়। বাংলাদেশের পক্ষে বাণিজ্য উপদেষ্টা শেখ বশিরউদ্দীন এবং জাপানের পক্ষে দেশটির পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হোরি ইওয়াও চুক্তিতে সই করেন।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বাণিজ্য সচিব মাহবুবুর রহমান, জাপানে বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত দাউদ আলী, বাংলাদেশে জাপানের রাষ্ট্রদূত সাইদা শিনিচিসহ সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।
চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে বাণিজ্য উপদেষ্টা শেখ বশিরউদ্দীন বলেন, এই ইপিএ কেবল একটি বাণিজ্যিক চুক্তি নয়; এটি বাংলাদেশের উজ্জ্বল অর্থনৈতিক ভবিষ্যৎ এবং বাংলাদেশ–জাপানের দীর্ঘস্থায়ী বন্ধুত্ব ও পারস্পরিক আস্থার প্রতিফলন। এর কার্যকর বাস্তবায়নের মাধ্যমে দুই দেশের মধ্যে বাণিজ্য ও বিনিয়োগে নতুন দিগন্ত উন্মোচিত হবে।
বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, ইপিএ কার্যকর হওয়ার প্রথম দিন থেকেই তৈরি পোশাকসহ বাংলাদেশের ৭ হাজার ৩৭৯টি পণ্য জাপানের বাজারে শুল্কমুক্ত সুবিধা পাচ্ছে। অন্যদিকে, পর্যায়ক্রমে জাপানের ১ হাজার ৩৯টি পণ্য বাংলাদেশের বাজারে শুল্কমুক্ত বা অগ্রাধিকারমূলক সুবিধা পাবে। পরবর্তী ছয় থেকে আট বছরের মধ্যে ধাপে ধাপে আরও ২ হাজার ৭০২টি জাপানি পণ্য শুল্ক ছাড়ের আওতায় আসবে।
এ চুক্তির আওতায় এক পর্যায়ে উভয় দেশের মোট ৯ হাজার ৩৫৪টি পণ্যে শুল্ক সম্পূর্ণ প্রত্যাহার করা হবে। এর মধ্যে বাংলাদেশি পণ্যের সংখ্যা ৭ হাজার ৪৩৬টি। তবে জাপানি গাড়ি এই চুক্তির আওতায় শুল্কমুক্ত সুবিধা পাবে না। স্থানীয়ভাবে গাড়ি উৎপাদনে জাপানি বিনিয়োগ উৎসাহিত করতেই এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা।
তথ্য বিবরণীতে বলা হয়েছে, পোশাক খাতে ‘সিঙ্গেল স্টেজ ট্রান্সফরমেশন’ সুবিধা যুক্ত হওয়ায় এখন থেকে কাঁচামাল সংক্রান্ত জটিলতা ছাড়াই বাংলাদেশি পোশাক জাপানে রপ্তানি করা যাবে। পাশাপাশি তথ্যপ্রযুক্তি, প্রকৌশল, শিক্ষা, কেয়ারগিভিং ও নার্সিংসহ প্রায় ১৬টি খাতে ১২০টি সেবা বিভাগে বাংলাদেশি দক্ষ পেশাজীবীদের কাজের সুযোগ তৈরি হবে।
বাণিজ্য মন্ত্রণালয় সূত্র জানায়, ইপিএ কার্যকর হলে বাংলাদেশের উৎপাদন, অবকাঠামো, জ্বালানি ও লজিস্টিকস খাতে জাপানের সরাসরি বিদেশি বিনিয়োগ (এফডিআই) উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়বে বলে আশা করা হচ্ছে।
বর্তমানে এশিয়ায় বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় রপ্তানি গন্তব্য জাপান। দেশটিতে বাংলাদেশের বার্ষিক রপ্তানি প্রায় ২০০ কোটি ডলার, যার বেশির ভাগই তৈরি পোশাক। অন্যদিকে জাপান থেকে বাংলাদেশে আমদানির পরিমাণ বছরে প্রায় ১৮০ থেকে ২৭০ কোটি ডলারের মধ্যে ওঠানামা করছে।

জাপানের সঙ্গে অর্থনৈতিক অংশীদারিত্ব চুক্তি (ইপিএ) স্বাক্ষর করেছে বাংলাদেশ। এর মাধ্যমে তৈরি পোশাকসহ মোট ৭ হাজার ৩৭৯টি বাংলাদেশি পণ্য জাপানের বাজারে শতভাগ শুল্কমুক্ত সুবিধা পাবে। এটিই বাংলাদেশের প্রথম পূর্ণাঙ্গ মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি।
শুক্রবার (৬ ফেব্রুয়ারি) জাপানের রাজধানী টোকিওতে দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে আয়োজিত এক আনুষ্ঠানিক অনুষ্ঠানে চুক্তিটি স্বাক্ষরিত হয়। বাংলাদেশের পক্ষে বাণিজ্য উপদেষ্টা শেখ বশিরউদ্দীন এবং জাপানের পক্ষে দেশটির পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হোরি ইওয়াও চুক্তিতে সই করেন।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বাণিজ্য সচিব মাহবুবুর রহমান, জাপানে বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত দাউদ আলী, বাংলাদেশে জাপানের রাষ্ট্রদূত সাইদা শিনিচিসহ সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।
চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে বাণিজ্য উপদেষ্টা শেখ বশিরউদ্দীন বলেন, এই ইপিএ কেবল একটি বাণিজ্যিক চুক্তি নয়; এটি বাংলাদেশের উজ্জ্বল অর্থনৈতিক ভবিষ্যৎ এবং বাংলাদেশ–জাপানের দীর্ঘস্থায়ী বন্ধুত্ব ও পারস্পরিক আস্থার প্রতিফলন। এর কার্যকর বাস্তবায়নের মাধ্যমে দুই দেশের মধ্যে বাণিজ্য ও বিনিয়োগে নতুন দিগন্ত উন্মোচিত হবে।
বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, ইপিএ কার্যকর হওয়ার প্রথম দিন থেকেই তৈরি পোশাকসহ বাংলাদেশের ৭ হাজার ৩৭৯টি পণ্য জাপানের বাজারে শুল্কমুক্ত সুবিধা পাচ্ছে। অন্যদিকে, পর্যায়ক্রমে জাপানের ১ হাজার ৩৯টি পণ্য বাংলাদেশের বাজারে শুল্কমুক্ত বা অগ্রাধিকারমূলক সুবিধা পাবে। পরবর্তী ছয় থেকে আট বছরের মধ্যে ধাপে ধাপে আরও ২ হাজার ৭০২টি জাপানি পণ্য শুল্ক ছাড়ের আওতায় আসবে।
এ চুক্তির আওতায় এক পর্যায়ে উভয় দেশের মোট ৯ হাজার ৩৫৪টি পণ্যে শুল্ক সম্পূর্ণ প্রত্যাহার করা হবে। এর মধ্যে বাংলাদেশি পণ্যের সংখ্যা ৭ হাজার ৪৩৬টি। তবে জাপানি গাড়ি এই চুক্তির আওতায় শুল্কমুক্ত সুবিধা পাবে না। স্থানীয়ভাবে গাড়ি উৎপাদনে জাপানি বিনিয়োগ উৎসাহিত করতেই এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা।
তথ্য বিবরণীতে বলা হয়েছে, পোশাক খাতে ‘সিঙ্গেল স্টেজ ট্রান্সফরমেশন’ সুবিধা যুক্ত হওয়ায় এখন থেকে কাঁচামাল সংক্রান্ত জটিলতা ছাড়াই বাংলাদেশি পোশাক জাপানে রপ্তানি করা যাবে। পাশাপাশি তথ্যপ্রযুক্তি, প্রকৌশল, শিক্ষা, কেয়ারগিভিং ও নার্সিংসহ প্রায় ১৬টি খাতে ১২০টি সেবা বিভাগে বাংলাদেশি দক্ষ পেশাজীবীদের কাজের সুযোগ তৈরি হবে।
বাণিজ্য মন্ত্রণালয় সূত্র জানায়, ইপিএ কার্যকর হলে বাংলাদেশের উৎপাদন, অবকাঠামো, জ্বালানি ও লজিস্টিকস খাতে জাপানের সরাসরি বিদেশি বিনিয়োগ (এফডিআই) উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়বে বলে আশা করা হচ্ছে।
বর্তমানে এশিয়ায় বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় রপ্তানি গন্তব্য জাপান। দেশটিতে বাংলাদেশের বার্ষিক রপ্তানি প্রায় ২০০ কোটি ডলার, যার বেশির ভাগই তৈরি পোশাক। অন্যদিকে জাপান থেকে বাংলাদেশে আমদানির পরিমাণ বছরে প্রায় ১৮০ থেকে ২৭০ কোটি ডলারের মধ্যে ওঠানামা করছে।

জাপানের সঙ্গে অর্থনৈতিক অংশীদারিত্ব চুক্তি (ইপিএ) স্বাক্ষর করেছে বাংলাদেশ। এর মাধ্যমে তৈরি পোশাকসহ মোট ৭ হাজার ৩৭৯টি বাংলাদেশি পণ্য জাপানের বাজারে শতভাগ শুল্কমুক্ত সুবিধা পাবে। এটিই বাংলাদেশের প্রথম পূর্ণাঙ্গ মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি।
শুক্রবার (৬ ফেব্রুয়ারি) জাপানের রাজধানী টোকিওতে দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে আয়োজিত এক আনুষ্ঠানিক অনুষ্ঠানে চুক্তিটি স্বাক্ষরিত হয়। বাংলাদেশের পক্ষে বাণিজ্য উপদেষ্টা শেখ বশিরউদ্দীন এবং জাপানের পক্ষে দেশটির পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হোরি ইওয়াও চুক্তিতে সই করেন।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বাণিজ্য সচিব মাহবুবুর রহমান, জাপানে বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত দাউদ আলী, বাংলাদেশে জাপানের রাষ্ট্রদূত সাইদা শিনিচিসহ সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।
চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে বাণিজ্য উপদেষ্টা শেখ বশিরউদ্দীন বলেন, এই ইপিএ কেবল একটি বাণিজ্যিক চুক্তি নয়; এটি বাংলাদেশের উজ্জ্বল অর্থনৈতিক ভবিষ্যৎ এবং বাংলাদেশ–জাপানের দীর্ঘস্থায়ী বন্ধুত্ব ও পারস্পরিক আস্থার প্রতিফলন। এর কার্যকর বাস্তবায়নের মাধ্যমে দুই দেশের মধ্যে বাণিজ্য ও বিনিয়োগে নতুন দিগন্ত উন্মোচিত হবে।
বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, ইপিএ কার্যকর হওয়ার প্রথম দিন থেকেই তৈরি পোশাকসহ বাংলাদেশের ৭ হাজার ৩৭৯টি পণ্য জাপানের বাজারে শুল্কমুক্ত সুবিধা পাচ্ছে। অন্যদিকে, পর্যায়ক্রমে জাপানের ১ হাজার ৩৯টি পণ্য বাংলাদেশের বাজারে শুল্কমুক্ত বা অগ্রাধিকারমূলক সুবিধা পাবে। পরবর্তী ছয় থেকে আট বছরের মধ্যে ধাপে ধাপে আরও ২ হাজার ৭০২টি জাপানি পণ্য শুল্ক ছাড়ের আওতায় আসবে।
এ চুক্তির আওতায় এক পর্যায়ে উভয় দেশের মোট ৯ হাজার ৩৫৪টি পণ্যে শুল্ক সম্পূর্ণ প্রত্যাহার করা হবে। এর মধ্যে বাংলাদেশি পণ্যের সংখ্যা ৭ হাজার ৪৩৬টি। তবে জাপানি গাড়ি এই চুক্তির আওতায় শুল্কমুক্ত সুবিধা পাবে না। স্থানীয়ভাবে গাড়ি উৎপাদনে জাপানি বিনিয়োগ উৎসাহিত করতেই এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা।
তথ্য বিবরণীতে বলা হয়েছে, পোশাক খাতে ‘সিঙ্গেল স্টেজ ট্রান্সফরমেশন’ সুবিধা যুক্ত হওয়ায় এখন থেকে কাঁচামাল সংক্রান্ত জটিলতা ছাড়াই বাংলাদেশি পোশাক জাপানে রপ্তানি করা যাবে। পাশাপাশি তথ্যপ্রযুক্তি, প্রকৌশল, শিক্ষা, কেয়ারগিভিং ও নার্সিংসহ প্রায় ১৬টি খাতে ১২০টি সেবা বিভাগে বাংলাদেশি দক্ষ পেশাজীবীদের কাজের সুযোগ তৈরি হবে।
বাণিজ্য মন্ত্রণালয় সূত্র জানায়, ইপিএ কার্যকর হলে বাংলাদেশের উৎপাদন, অবকাঠামো, জ্বালানি ও লজিস্টিকস খাতে জাপানের সরাসরি বিদেশি বিনিয়োগ (এফডিআই) উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়বে বলে আশা করা হচ্ছে।
বর্তমানে এশিয়ায় বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় রপ্তানি গন্তব্য জাপান। দেশটিতে বাংলাদেশের বার্ষিক রপ্তানি প্রায় ২০০ কোটি ডলার, যার বেশির ভাগই তৈরি পোশাক। অন্যদিকে জাপান থেকে বাংলাদেশে আমদানির পরিমাণ বছরে প্রায় ১৮০ থেকে ২৭০ কোটি ডলারের মধ্যে ওঠানামা করছে।
এখনও কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!