
জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট উপলক্ষে সরকার ঘোষিত ১০ ফেব্রুয়ারির বিশেষ ছুটি শিল্প কারখানার মালিকপক্ষ এবং শ্রমিকদের মধ্যে দ্বিপাক্ষিক আলোচনার মাধ্যমে সুবিধাজনক সময়ে সমন্বয় করা যাবে। শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের (ওয়েজ বোর্ড বিভাগ) পাঠানো নির্দেশনায় বলা হয়েছে, বাংলাদেশের শ্রম আইন, ২০০৬-এর ১০৪ ধারার প্রক্রিয়া অনুসরণ করে মালিক ও শ্রমিক পক্ষ উভয়ই পারস্পরিক সম্মতিতে ছুটি নির্ধারণ করতে পারবেন।
এর আগে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় ২৫ জানুয়ারি স্মারক জারি করে ১০ ফেব্রুয়ারি মঙ্গলবার এক দিনের বিশেষ ছুটি ঘোষণা করেছিল। তবে শিল্প কারখানার উৎপাদন ও পরিচালনাগত প্রয়োজন বিবেচনায় নিয়ে মালিক ও শ্রমিক পক্ষ আলোচনার মাধ্যমে এই ছুটি অন্য সুবিধাজনক সময়ে সমন্বয় করতে পারবে।
মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, মালিকপক্ষ আইনানুগ প্রক্রিয়া অনুসরণ করে শ্রমিক পক্ষের সঙ্গে আলোচনার মাধ্যমে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত গ্রহণ করবে, যাতে উভয় পক্ষই ছুটির সুবিধা পেতে পারেন।

জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট উপলক্ষে সরকার ঘোষিত ১০ ফেব্রুয়ারির বিশেষ ছুটি শিল্প কারখানার মালিকপক্ষ এবং শ্রমিকদের মধ্যে দ্বিপাক্ষিক আলোচনার মাধ্যমে সুবিধাজনক সময়ে সমন্বয় করা যাবে। শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের (ওয়েজ বোর্ড বিভাগ) পাঠানো নির্দেশনায় বলা হয়েছে, বাংলাদেশের শ্রম আইন, ২০০৬-এর ১০৪ ধারার প্রক্রিয়া অনুসরণ করে মালিক ও শ্রমিক পক্ষ উভয়ই পারস্পরিক সম্মতিতে ছুটি নির্ধারণ করতে পারবেন।
এর আগে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় ২৫ জানুয়ারি স্মারক জারি করে ১০ ফেব্রুয়ারি মঙ্গলবার এক দিনের বিশেষ ছুটি ঘোষণা করেছিল। তবে শিল্প কারখানার উৎপাদন ও পরিচালনাগত প্রয়োজন বিবেচনায় নিয়ে মালিক ও শ্রমিক পক্ষ আলোচনার মাধ্যমে এই ছুটি অন্য সুবিধাজনক সময়ে সমন্বয় করতে পারবে।
মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, মালিকপক্ষ আইনানুগ প্রক্রিয়া অনুসরণ করে শ্রমিক পক্ষের সঙ্গে আলোচনার মাধ্যমে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত গ্রহণ করবে, যাতে উভয় পক্ষই ছুটির সুবিধা পেতে পারেন।

জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট উপলক্ষে সরকার ঘোষিত ১০ ফেব্রুয়ারির বিশেষ ছুটি শিল্প কারখানার মালিকপক্ষ এবং শ্রমিকদের মধ্যে দ্বিপাক্ষিক আলোচনার মাধ্যমে সুবিধাজনক সময়ে সমন্বয় করা যাবে। শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের (ওয়েজ বোর্ড বিভাগ) পাঠানো নির্দেশনায় বলা হয়েছে, বাংলাদেশের শ্রম আইন, ২০০৬-এর ১০৪ ধারার প্রক্রিয়া অনুসরণ করে মালিক ও শ্রমিক পক্ষ উভয়ই পারস্পরিক সম্মতিতে ছুটি নির্ধারণ করতে পারবেন।
এর আগে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় ২৫ জানুয়ারি স্মারক জারি করে ১০ ফেব্রুয়ারি মঙ্গলবার এক দিনের বিশেষ ছুটি ঘোষণা করেছিল। তবে শিল্প কারখানার উৎপাদন ও পরিচালনাগত প্রয়োজন বিবেচনায় নিয়ে মালিক ও শ্রমিক পক্ষ আলোচনার মাধ্যমে এই ছুটি অন্য সুবিধাজনক সময়ে সমন্বয় করতে পারবে।
মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, মালিকপক্ষ আইনানুগ প্রক্রিয়া অনুসরণ করে শ্রমিক পক্ষের সঙ্গে আলোচনার মাধ্যমে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত গ্রহণ করবে, যাতে উভয় পক্ষই ছুটির সুবিধা পেতে পারেন।

জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট উপলক্ষে সরকার ঘোষিত ১০ ফেব্রুয়ারির বিশেষ ছুটি শিল্প কারখানার মালিকপক্ষ এবং শ্রমিকদের মধ্যে দ্বিপাক্ষিক আলোচনার মাধ্যমে সুবিধাজনক সময়ে সমন্বয় করা যাবে। শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের (ওয়েজ বোর্ড বিভাগ) পাঠানো নির্দেশনায় বলা হয়েছে, বাংলাদেশের শ্রম আইন, ২০০৬-এর ১০৪ ধারার প্রক্রিয়া অনুসরণ করে মালিক ও শ্রমিক পক্ষ উভয়ই পারস্পরিক সম্মতিতে ছুটি নির্ধারণ করতে পারবেন।
এর আগে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় ২৫ জানুয়ারি স্মারক জারি করে ১০ ফেব্রুয়ারি মঙ্গলবার এক দিনের বিশেষ ছুটি ঘোষণা করেছিল। তবে শিল্প কারখানার উৎপাদন ও পরিচালনাগত প্রয়োজন বিবেচনায় নিয়ে মালিক ও শ্রমিক পক্ষ আলোচনার মাধ্যমে এই ছুটি অন্য সুবিধাজনক সময়ে সমন্বয় করতে পারবে।
মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, মালিকপক্ষ আইনানুগ প্রক্রিয়া অনুসরণ করে শ্রমিক পক্ষের সঙ্গে আলোচনার মাধ্যমে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত গ্রহণ করবে, যাতে উভয় পক্ষই ছুটির সুবিধা পেতে পারেন।
এখনও কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!