কোনো ধরনের ঐকমত্য ছাড়াই শেষ হয়েছে পরমাণু অস্ত্র বিস্তার রোধ চুক্তির (এনপিটি) ১১তম পর্যালোচনা সম্মেলন। গুরুত্বপূর্ণ এই বৈশ্বিক সম্মেলন ব্যর্থ হওয়ায় গভীর হতাশা প্রকাশ করেছেন জাতিসংঘের মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস।
জাতিসংঘের মুখপাত্র স্টিফেন ডুজারিক এক বিবৃতিতে জানান, সদস্য রাষ্ট্রগুলোর অংশগ্রহণ ও আলোচনায় আন্তরিকতা থাকলেও শেষ পর্যন্ত কোনো কার্যকর সিদ্ধান্তে পৌঁছানো সম্ভব হয়নি।
জাতিসংঘ মহাসচিব বলেন, এমন এক সময়ে এই সম্মেলন ব্যর্থ হলো, যখন বিশ্বজুড়ে ভূ-রাজনৈতিক উত্তেজনা, আঞ্চলিক সংঘাত এবং পরমাণু অস্ত্র প্রতিযোগিতা আন্তর্জাতিক নিরাপত্তাকে মারাত্মকভাবে ঝুঁকির মুখে ফেলছে। তিনি বলেন, পরমাণু অস্ত্র বিস্তার রোধ এবং নিরস্ত্রীকরণের মতো গুরুত্বপূর্ণ ইস্যুতে ঐকমত্য না হওয়া বিশ্বকে আরও অনিরাপদ করে তুলবে। এটি বৈশ্বিক শান্তি প্রতিষ্ঠার একটি বড় সুযোগ হাতছাড়া হওয়া বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
বিশ্লেষকদের মতে, পরমাণু শক্তিধর দেশগুলোর মধ্যে অস্ত্র আধুনিকায়নের প্রতিযোগিতা এবং চলমান ভূ-রাজনৈতিক উত্তেজনা নিরস্ত্রীকরণ প্রক্রিয়াকে আরও জটিল করে তুলছে। ফলে আন্তর্জাতিক নিরাপত্তা কাঠামো নতুন করে চাপের মুখে পড়েছে।
কূটনৈতিক সমাধানের আহ্বান
গুতেরেস সব সদস্য রাষ্ট্রকে সংলাপ, কূটনীতি এবং পারস্পরিক আলোচনার পথ উন্মুক্ত রাখার আহ্বান জানিয়েছেন। তিনি বলেন, যেকোনো উপায়ে উত্তেজনা কমানো এবং পরমাণু যুদ্ধের ঝুঁকি সর্বনিম্ন পর্যায়ে রাখা এখন সময়ের দাবি। জাতিসংঘ মহাসচিব পুনর্ব্যক্ত করেন, পরমাণু অস্ত্রমুক্ত বিশ্ব গড়াই জাতিসংঘের নিরস্ত্রীকরণ নীতির সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার এবং এই লক্ষ্য অর্জনে প্রচেষ্টা অব্যাহত থাকবে।
কোনো ধরনের ঐকমত্য ছাড়াই শেষ হয়েছে পরমাণু অস্ত্র বিস্তার রোধ চুক্তির (এনপিটি) ১১তম পর্যালোচনা সম্মেলন। গুরুত্বপূর্ণ এই বৈশ্বিক সম্মেলন ব্যর্থ হওয়ায় গভীর হতাশা প্রকাশ করেছেন জাতিসংঘের মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস।
জাতিসংঘের মুখপাত্র স্টিফেন ডুজারিক এক বিবৃতিতে জানান, সদস্য রাষ্ট্রগুলোর অংশগ্রহণ ও আলোচনায় আন্তরিকতা থাকলেও শেষ পর্যন্ত কোনো কার্যকর সিদ্ধান্তে পৌঁছানো সম্ভব হয়নি।
জাতিসংঘ মহাসচিব বলেন, এমন এক সময়ে এই সম্মেলন ব্যর্থ হলো, যখন বিশ্বজুড়ে ভূ-রাজনৈতিক উত্তেজনা, আঞ্চলিক সংঘাত এবং পরমাণু অস্ত্র প্রতিযোগিতা আন্তর্জাতিক নিরাপত্তাকে মারাত্মকভাবে ঝুঁকির মুখে ফেলছে। তিনি বলেন, পরমাণু অস্ত্র বিস্তার রোধ এবং নিরস্ত্রীকরণের মতো গুরুত্বপূর্ণ ইস্যুতে ঐকমত্য না হওয়া বিশ্বকে আরও অনিরাপদ করে তুলবে। এটি বৈশ্বিক শান্তি প্রতিষ্ঠার একটি বড় সুযোগ হাতছাড়া হওয়া বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
বিশ্লেষকদের মতে, পরমাণু শক্তিধর দেশগুলোর মধ্যে অস্ত্র আধুনিকায়নের প্রতিযোগিতা এবং চলমান ভূ-রাজনৈতিক উত্তেজনা নিরস্ত্রীকরণ প্রক্রিয়াকে আরও জটিল করে তুলছে। ফলে আন্তর্জাতিক নিরাপত্তা কাঠামো নতুন করে চাপের মুখে পড়েছে।
কূটনৈতিক সমাধানের আহ্বান
গুতেরেস সব সদস্য রাষ্ট্রকে সংলাপ, কূটনীতি এবং পারস্পরিক আলোচনার পথ উন্মুক্ত রাখার আহ্বান জানিয়েছেন। তিনি বলেন, যেকোনো উপায়ে উত্তেজনা কমানো এবং পরমাণু যুদ্ধের ঝুঁকি সর্বনিম্ন পর্যায়ে রাখা এখন সময়ের দাবি। জাতিসংঘ মহাসচিব পুনর্ব্যক্ত করেন, পরমাণু অস্ত্রমুক্ত বিশ্ব গড়াই জাতিসংঘের নিরস্ত্রীকরণ নীতির সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার এবং এই লক্ষ্য অর্জনে প্রচেষ্টা অব্যাহত থাকবে।
কোনো ধরনের ঐকমত্য ছাড়াই শেষ হয়েছে পরমাণু অস্ত্র বিস্তার রোধ চুক্তির (এনপিটি) ১১তম পর্যালোচনা সম্মেলন। গুরুত্বপূর্ণ এই বৈশ্বিক সম্মেলন ব্যর্থ হওয়ায় গভীর হতাশা প্রকাশ করেছেন জাতিসংঘের মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস।
জাতিসংঘের মুখপাত্র স্টিফেন ডুজারিক এক বিবৃতিতে জানান, সদস্য রাষ্ট্রগুলোর অংশগ্রহণ ও আলোচনায় আন্তরিকতা থাকলেও শেষ পর্যন্ত কোনো কার্যকর সিদ্ধান্তে পৌঁছানো সম্ভব হয়নি।
জাতিসংঘ মহাসচিব বলেন, এমন এক সময়ে এই সম্মেলন ব্যর্থ হলো, যখন বিশ্বজুড়ে ভূ-রাজনৈতিক উত্তেজনা, আঞ্চলিক সংঘাত এবং পরমাণু অস্ত্র প্রতিযোগিতা আন্তর্জাতিক নিরাপত্তাকে মারাত্মকভাবে ঝুঁকির মুখে ফেলছে। তিনি বলেন, পরমাণু অস্ত্র বিস্তার রোধ এবং নিরস্ত্রীকরণের মতো গুরুত্বপূর্ণ ইস্যুতে ঐকমত্য না হওয়া বিশ্বকে আরও অনিরাপদ করে তুলবে। এটি বৈশ্বিক শান্তি প্রতিষ্ঠার একটি বড় সুযোগ হাতছাড়া হওয়া বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
বিশ্লেষকদের মতে, পরমাণু শক্তিধর দেশগুলোর মধ্যে অস্ত্র আধুনিকায়নের প্রতিযোগিতা এবং চলমান ভূ-রাজনৈতিক উত্তেজনা নিরস্ত্রীকরণ প্রক্রিয়াকে আরও জটিল করে তুলছে। ফলে আন্তর্জাতিক নিরাপত্তা কাঠামো নতুন করে চাপের মুখে পড়েছে।
কূটনৈতিক সমাধানের আহ্বান
গুতেরেস সব সদস্য রাষ্ট্রকে সংলাপ, কূটনীতি এবং পারস্পরিক আলোচনার পথ উন্মুক্ত রাখার আহ্বান জানিয়েছেন। তিনি বলেন, যেকোনো উপায়ে উত্তেজনা কমানো এবং পরমাণু যুদ্ধের ঝুঁকি সর্বনিম্ন পর্যায়ে রাখা এখন সময়ের দাবি। জাতিসংঘ মহাসচিব পুনর্ব্যক্ত করেন, পরমাণু অস্ত্রমুক্ত বিশ্ব গড়াই জাতিসংঘের নিরস্ত্রীকরণ নীতির সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার এবং এই লক্ষ্য অর্জনে প্রচেষ্টা অব্যাহত থাকবে।
কোনো ধরনের ঐকমত্য ছাড়াই শেষ হয়েছে পরমাণু অস্ত্র বিস্তার রোধ চুক্তির (এনপিটি) ১১তম পর্যালোচনা সম্মেলন। গুরুত্বপূর্ণ এই বৈশ্বিক সম্মেলন ব্যর্থ হওয়ায় গভীর হতাশা প্রকাশ করেছেন জাতিসংঘের মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস।
জাতিসংঘের মুখপাত্র স্টিফেন ডুজারিক এক বিবৃতিতে জানান, সদস্য রাষ্ট্রগুলোর অংশগ্রহণ ও আলোচনায় আন্তরিকতা থাকলেও শেষ পর্যন্ত কোনো কার্যকর সিদ্ধান্তে পৌঁছানো সম্ভব হয়নি।
জাতিসংঘ মহাসচিব বলেন, এমন এক সময়ে এই সম্মেলন ব্যর্থ হলো, যখন বিশ্বজুড়ে ভূ-রাজনৈতিক উত্তেজনা, আঞ্চলিক সংঘাত এবং পরমাণু অস্ত্র প্রতিযোগিতা আন্তর্জাতিক নিরাপত্তাকে মারাত্মকভাবে ঝুঁকির মুখে ফেলছে। তিনি বলেন, পরমাণু অস্ত্র বিস্তার রোধ এবং নিরস্ত্রীকরণের মতো গুরুত্বপূর্ণ ইস্যুতে ঐকমত্য না হওয়া বিশ্বকে আরও অনিরাপদ করে তুলবে। এটি বৈশ্বিক শান্তি প্রতিষ্ঠার একটি বড় সুযোগ হাতছাড়া হওয়া বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
বিশ্লেষকদের মতে, পরমাণু শক্তিধর দেশগুলোর মধ্যে অস্ত্র আধুনিকায়নের প্রতিযোগিতা এবং চলমান ভূ-রাজনৈতিক উত্তেজনা নিরস্ত্রীকরণ প্রক্রিয়াকে আরও জটিল করে তুলছে। ফলে আন্তর্জাতিক নিরাপত্তা কাঠামো নতুন করে চাপের মুখে পড়েছে।
কূটনৈতিক সমাধানের আহ্বান
গুতেরেস সব সদস্য রাষ্ট্রকে সংলাপ, কূটনীতি এবং পারস্পরিক আলোচনার পথ উন্মুক্ত রাখার আহ্বান জানিয়েছেন। তিনি বলেন, যেকোনো উপায়ে উত্তেজনা কমানো এবং পরমাণু যুদ্ধের ঝুঁকি সর্বনিম্ন পর্যায়ে রাখা এখন সময়ের দাবি। জাতিসংঘ মহাসচিব পুনর্ব্যক্ত করেন, পরমাণু অস্ত্রমুক্ত বিশ্ব গড়াই জাতিসংঘের নিরস্ত্রীকরণ নীতির সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার এবং এই লক্ষ্য অর্জনে প্রচেষ্টা অব্যাহত থাকবে।
এখনও কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!