
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সরাইলে বিকাশে টাকা লেনদেন সংক্রান্ত বিরোধকে কেন্দ্র করে টর্চলাইটের আলোতে ত্রিমুখী সংঘর্ষে অন্তত ৩০ জন আহত হয়েছেন। রোববার (২৬ এপ্রিল) সন্ধ্যা থেকে উপজেলার নতুন হাবলি গ্রামের পশ্চিম পাড়া, পূর্ব পাড়া ও দক্ষিণ আরিফাইল এলাকার বাসিন্দাদের মধ্যে এ ঘটনা ঘটে। সংঘর্ষ ছড়িয়ে পড়লে এলাকায় আতঙ্ক তৈরি হয়। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে প্রায় এক ঘণ্টা চেষ্টা চালিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।
স্থানীয়রা জানান, ২ থেকে ৩ সপ্তাহ আগে নতুন হাবলি গ্রামের পশ্চিম পাড়া এলাকার বোরহান মিয়া পূর্ব পাড়ার শিহাবের দোকানে বিকাশের মাধ্যমে টাকা পাঠাতে যান। টাকা পাঠাতে দেরি হওয়ায় বোরহান মিয়া গালাগাল করেন। এ সময় দুজনের মধ্যে কথা কাটাকাটি হলে স্থানীয়রা বিষয়টি মীমাংসা করেন। তবে এ নিয়ে উত্তেজনা থেকে যায়।
রোববার বিকেলে শিহাব দক্ষিণ আরিফাইল এলাকার রায়হান, ইয়াসিনসহ বন্ধুদের নিয়ে পশ্চিম পাড়া এলাকায় যান। এ সময় একটি মাঠে ফুটবল খেলা নিয়ে শিহাব ও বোরহানের মধ্যে তর্ক হয়। এতে ক্ষুব্ধ হয়ে বোরহান তার লোকজন নিয়ে শিহাব ও তার বন্ধুদের ওপর হামলা করেন।
ঘটনাটি জানাজানি হলে সন্ধ্যায় পশ্চিম পাড়ার বাসিন্দাদের সঙ্গে পূর্ব পাড়া ও দক্ষিণ আরিফাইল এলাকার লোকজন দেশীয় অস্ত্র নিয়ে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়েন। রাতের আঁধারে টর্চলাইট জ্বালিয়ে কয়েক ঘণ্টা ধরে সংঘর্ষ চলে। ইটপাটকেল নিক্ষেপ ও ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ায় পুরো এলাকা উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। এতে সাংবাদিকসহ উভয় পক্ষের অন্তত ৩০ জন আহত হন। আহতরা বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসা নিয়েছেন।
সরাইল সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর আলম জানান, সংঘর্ষের খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। সংঘর্ষের কারণ জানতে তদন্ত চলছে। এ ঘটনায় প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন।

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সরাইলে বিকাশে টাকা লেনদেন সংক্রান্ত বিরোধকে কেন্দ্র করে টর্চলাইটের আলোতে ত্রিমুখী সংঘর্ষে অন্তত ৩০ জন আহত হয়েছেন। রোববার (২৬ এপ্রিল) সন্ধ্যা থেকে উপজেলার নতুন হাবলি গ্রামের পশ্চিম পাড়া, পূর্ব পাড়া ও দক্ষিণ আরিফাইল এলাকার বাসিন্দাদের মধ্যে এ ঘটনা ঘটে। সংঘর্ষ ছড়িয়ে পড়লে এলাকায় আতঙ্ক তৈরি হয়। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে প্রায় এক ঘণ্টা চেষ্টা চালিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।
স্থানীয়রা জানান, ২ থেকে ৩ সপ্তাহ আগে নতুন হাবলি গ্রামের পশ্চিম পাড়া এলাকার বোরহান মিয়া পূর্ব পাড়ার শিহাবের দোকানে বিকাশের মাধ্যমে টাকা পাঠাতে যান। টাকা পাঠাতে দেরি হওয়ায় বোরহান মিয়া গালাগাল করেন। এ সময় দুজনের মধ্যে কথা কাটাকাটি হলে স্থানীয়রা বিষয়টি মীমাংসা করেন। তবে এ নিয়ে উত্তেজনা থেকে যায়।
রোববার বিকেলে শিহাব দক্ষিণ আরিফাইল এলাকার রায়হান, ইয়াসিনসহ বন্ধুদের নিয়ে পশ্চিম পাড়া এলাকায় যান। এ সময় একটি মাঠে ফুটবল খেলা নিয়ে শিহাব ও বোরহানের মধ্যে তর্ক হয়। এতে ক্ষুব্ধ হয়ে বোরহান তার লোকজন নিয়ে শিহাব ও তার বন্ধুদের ওপর হামলা করেন।
ঘটনাটি জানাজানি হলে সন্ধ্যায় পশ্চিম পাড়ার বাসিন্দাদের সঙ্গে পূর্ব পাড়া ও দক্ষিণ আরিফাইল এলাকার লোকজন দেশীয় অস্ত্র নিয়ে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়েন। রাতের আঁধারে টর্চলাইট জ্বালিয়ে কয়েক ঘণ্টা ধরে সংঘর্ষ চলে। ইটপাটকেল নিক্ষেপ ও ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ায় পুরো এলাকা উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। এতে সাংবাদিকসহ উভয় পক্ষের অন্তত ৩০ জন আহত হন। আহতরা বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসা নিয়েছেন।
সরাইল সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর আলম জানান, সংঘর্ষের খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। সংঘর্ষের কারণ জানতে তদন্ত চলছে। এ ঘটনায় প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন।

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সরাইলে বিকাশে টাকা লেনদেন সংক্রান্ত বিরোধকে কেন্দ্র করে টর্চলাইটের আলোতে ত্রিমুখী সংঘর্ষে অন্তত ৩০ জন আহত হয়েছেন। রোববার (২৬ এপ্রিল) সন্ধ্যা থেকে উপজেলার নতুন হাবলি গ্রামের পশ্চিম পাড়া, পূর্ব পাড়া ও দক্ষিণ আরিফাইল এলাকার বাসিন্দাদের মধ্যে এ ঘটনা ঘটে। সংঘর্ষ ছড়িয়ে পড়লে এলাকায় আতঙ্ক তৈরি হয়। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে প্রায় এক ঘণ্টা চেষ্টা চালিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।
স্থানীয়রা জানান, ২ থেকে ৩ সপ্তাহ আগে নতুন হাবলি গ্রামের পশ্চিম পাড়া এলাকার বোরহান মিয়া পূর্ব পাড়ার শিহাবের দোকানে বিকাশের মাধ্যমে টাকা পাঠাতে যান। টাকা পাঠাতে দেরি হওয়ায় বোরহান মিয়া গালাগাল করেন। এ সময় দুজনের মধ্যে কথা কাটাকাটি হলে স্থানীয়রা বিষয়টি মীমাংসা করেন। তবে এ নিয়ে উত্তেজনা থেকে যায়।
রোববার বিকেলে শিহাব দক্ষিণ আরিফাইল এলাকার রায়হান, ইয়াসিনসহ বন্ধুদের নিয়ে পশ্চিম পাড়া এলাকায় যান। এ সময় একটি মাঠে ফুটবল খেলা নিয়ে শিহাব ও বোরহানের মধ্যে তর্ক হয়। এতে ক্ষুব্ধ হয়ে বোরহান তার লোকজন নিয়ে শিহাব ও তার বন্ধুদের ওপর হামলা করেন।
ঘটনাটি জানাজানি হলে সন্ধ্যায় পশ্চিম পাড়ার বাসিন্দাদের সঙ্গে পূর্ব পাড়া ও দক্ষিণ আরিফাইল এলাকার লোকজন দেশীয় অস্ত্র নিয়ে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়েন। রাতের আঁধারে টর্চলাইট জ্বালিয়ে কয়েক ঘণ্টা ধরে সংঘর্ষ চলে। ইটপাটকেল নিক্ষেপ ও ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ায় পুরো এলাকা উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। এতে সাংবাদিকসহ উভয় পক্ষের অন্তত ৩০ জন আহত হন। আহতরা বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসা নিয়েছেন।
সরাইল সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর আলম জানান, সংঘর্ষের খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। সংঘর্ষের কারণ জানতে তদন্ত চলছে। এ ঘটনায় প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন।

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সরাইলে বিকাশে টাকা লেনদেন সংক্রান্ত বিরোধকে কেন্দ্র করে টর্চলাইটের আলোতে ত্রিমুখী সংঘর্ষে অন্তত ৩০ জন আহত হয়েছেন। রোববার (২৬ এপ্রিল) সন্ধ্যা থেকে উপজেলার নতুন হাবলি গ্রামের পশ্চিম পাড়া, পূর্ব পাড়া ও দক্ষিণ আরিফাইল এলাকার বাসিন্দাদের মধ্যে এ ঘটনা ঘটে। সংঘর্ষ ছড়িয়ে পড়লে এলাকায় আতঙ্ক তৈরি হয়। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে প্রায় এক ঘণ্টা চেষ্টা চালিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।
স্থানীয়রা জানান, ২ থেকে ৩ সপ্তাহ আগে নতুন হাবলি গ্রামের পশ্চিম পাড়া এলাকার বোরহান মিয়া পূর্ব পাড়ার শিহাবের দোকানে বিকাশের মাধ্যমে টাকা পাঠাতে যান। টাকা পাঠাতে দেরি হওয়ায় বোরহান মিয়া গালাগাল করেন। এ সময় দুজনের মধ্যে কথা কাটাকাটি হলে স্থানীয়রা বিষয়টি মীমাংসা করেন। তবে এ নিয়ে উত্তেজনা থেকে যায়।
রোববার বিকেলে শিহাব দক্ষিণ আরিফাইল এলাকার রায়হান, ইয়াসিনসহ বন্ধুদের নিয়ে পশ্চিম পাড়া এলাকায় যান। এ সময় একটি মাঠে ফুটবল খেলা নিয়ে শিহাব ও বোরহানের মধ্যে তর্ক হয়। এতে ক্ষুব্ধ হয়ে বোরহান তার লোকজন নিয়ে শিহাব ও তার বন্ধুদের ওপর হামলা করেন।
ঘটনাটি জানাজানি হলে সন্ধ্যায় পশ্চিম পাড়ার বাসিন্দাদের সঙ্গে পূর্ব পাড়া ও দক্ষিণ আরিফাইল এলাকার লোকজন দেশীয় অস্ত্র নিয়ে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়েন। রাতের আঁধারে টর্চলাইট জ্বালিয়ে কয়েক ঘণ্টা ধরে সংঘর্ষ চলে। ইটপাটকেল নিক্ষেপ ও ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ায় পুরো এলাকা উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। এতে সাংবাদিকসহ উভয় পক্ষের অন্তত ৩০ জন আহত হন। আহতরা বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসা নিয়েছেন।
সরাইল সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর আলম জানান, সংঘর্ষের খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। সংঘর্ষের কারণ জানতে তদন্ত চলছে। এ ঘটনায় প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন।
এখনও কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!