
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে আরোপিত মোবাইল ফিন্যান্সিয়াল সার্ভিস (এমএফএস) ও ইন্টারনেট ব্যাংকিং লেনদেনের বিধিনিষেধ তুলে নেওয়া হয়েছে। গতকাল রাত ১২টার পর থেকে লেনদেন স্বাভাবিক হয়েছে বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক।
নির্বাচনে টাকার অপব্যবহার রোধে চার দিনের জন্য এমএফএস ও ইন্টারনেট ব্যাংকিং সেবা সীমিত করা হয়েছিল। এতে বিকাশ, নগদ ও রকেট-এর মতো সেবায় ব্যক্তি পর্যায়ে একবারে সর্বোচ্চ এক হাজার টাকা পাঠানোর সীমা নির্ধারণ করা হয়। পাশাপাশি দৈনিক লেনদেনের সংখ্যাও সীমিত ছিল।
কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নির্দেশনা অনুযায়ী, ৯ ফেব্রুয়ারি রাত ১২টা থেকে ১২ ফেব্রুয়ারি রাত ১২টা পর্যন্ত এ সীমা কার্যকর ছিল। একই সময়ে ব্যাংকের অ্যাপ ও ইন্টারনেট ব্যাংকিংয়ে ব্যক্তি-থেকে-ব্যক্তি (পি-টু-পি) অর্থ স্থানান্তর বন্ধ রাখা হয়।
এ সময় মার্চেন্ট পেমেন্ট ও ইউটিলিটি বিল পরিশোধ চালু থাকলেও অন্যান্য কিছু লেনদেন সাময়িকভাবে বন্ধ ছিল। সন্দেহজনক লেনদেন নজরদারিতে রাখতে এমএফএস প্রদানকারী প্রতিষ্ঠানগুলোকে ‘কুইক রেসপন্স সেল’ গঠনের নির্দেশ দেওয়া হয় এবং সার্বক্ষণিক মনিটরিং চালানো হয়।
বাংলাদেশ ব্যাংক জানিয়েছে, নির্ধারিত সময়সীমা শেষ হওয়ায় এখন সব ধরনের লেনদেন স্বাভাবিক নিয়মে চালু হয়েছে।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে আরোপিত মোবাইল ফিন্যান্সিয়াল সার্ভিস (এমএফএস) ও ইন্টারনেট ব্যাংকিং লেনদেনের বিধিনিষেধ তুলে নেওয়া হয়েছে। গতকাল রাত ১২টার পর থেকে লেনদেন স্বাভাবিক হয়েছে বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক।
নির্বাচনে টাকার অপব্যবহার রোধে চার দিনের জন্য এমএফএস ও ইন্টারনেট ব্যাংকিং সেবা সীমিত করা হয়েছিল। এতে বিকাশ, নগদ ও রকেট-এর মতো সেবায় ব্যক্তি পর্যায়ে একবারে সর্বোচ্চ এক হাজার টাকা পাঠানোর সীমা নির্ধারণ করা হয়। পাশাপাশি দৈনিক লেনদেনের সংখ্যাও সীমিত ছিল।
কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নির্দেশনা অনুযায়ী, ৯ ফেব্রুয়ারি রাত ১২টা থেকে ১২ ফেব্রুয়ারি রাত ১২টা পর্যন্ত এ সীমা কার্যকর ছিল। একই সময়ে ব্যাংকের অ্যাপ ও ইন্টারনেট ব্যাংকিংয়ে ব্যক্তি-থেকে-ব্যক্তি (পি-টু-পি) অর্থ স্থানান্তর বন্ধ রাখা হয়।
এ সময় মার্চেন্ট পেমেন্ট ও ইউটিলিটি বিল পরিশোধ চালু থাকলেও অন্যান্য কিছু লেনদেন সাময়িকভাবে বন্ধ ছিল। সন্দেহজনক লেনদেন নজরদারিতে রাখতে এমএফএস প্রদানকারী প্রতিষ্ঠানগুলোকে ‘কুইক রেসপন্স সেল’ গঠনের নির্দেশ দেওয়া হয় এবং সার্বক্ষণিক মনিটরিং চালানো হয়।
বাংলাদেশ ব্যাংক জানিয়েছে, নির্ধারিত সময়সীমা শেষ হওয়ায় এখন সব ধরনের লেনদেন স্বাভাবিক নিয়মে চালু হয়েছে।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে আরোপিত মোবাইল ফিন্যান্সিয়াল সার্ভিস (এমএফএস) ও ইন্টারনেট ব্যাংকিং লেনদেনের বিধিনিষেধ তুলে নেওয়া হয়েছে। গতকাল রাত ১২টার পর থেকে লেনদেন স্বাভাবিক হয়েছে বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক।
নির্বাচনে টাকার অপব্যবহার রোধে চার দিনের জন্য এমএফএস ও ইন্টারনেট ব্যাংকিং সেবা সীমিত করা হয়েছিল। এতে বিকাশ, নগদ ও রকেট-এর মতো সেবায় ব্যক্তি পর্যায়ে একবারে সর্বোচ্চ এক হাজার টাকা পাঠানোর সীমা নির্ধারণ করা হয়। পাশাপাশি দৈনিক লেনদেনের সংখ্যাও সীমিত ছিল।
কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নির্দেশনা অনুযায়ী, ৯ ফেব্রুয়ারি রাত ১২টা থেকে ১২ ফেব্রুয়ারি রাত ১২টা পর্যন্ত এ সীমা কার্যকর ছিল। একই সময়ে ব্যাংকের অ্যাপ ও ইন্টারনেট ব্যাংকিংয়ে ব্যক্তি-থেকে-ব্যক্তি (পি-টু-পি) অর্থ স্থানান্তর বন্ধ রাখা হয়।
এ সময় মার্চেন্ট পেমেন্ট ও ইউটিলিটি বিল পরিশোধ চালু থাকলেও অন্যান্য কিছু লেনদেন সাময়িকভাবে বন্ধ ছিল। সন্দেহজনক লেনদেন নজরদারিতে রাখতে এমএফএস প্রদানকারী প্রতিষ্ঠানগুলোকে ‘কুইক রেসপন্স সেল’ গঠনের নির্দেশ দেওয়া হয় এবং সার্বক্ষণিক মনিটরিং চালানো হয়।
বাংলাদেশ ব্যাংক জানিয়েছে, নির্ধারিত সময়সীমা শেষ হওয়ায় এখন সব ধরনের লেনদেন স্বাভাবিক নিয়মে চালু হয়েছে।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে আরোপিত মোবাইল ফিন্যান্সিয়াল সার্ভিস (এমএফএস) ও ইন্টারনেট ব্যাংকিং লেনদেনের বিধিনিষেধ তুলে নেওয়া হয়েছে। গতকাল রাত ১২টার পর থেকে লেনদেন স্বাভাবিক হয়েছে বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক।
নির্বাচনে টাকার অপব্যবহার রোধে চার দিনের জন্য এমএফএস ও ইন্টারনেট ব্যাংকিং সেবা সীমিত করা হয়েছিল। এতে বিকাশ, নগদ ও রকেট-এর মতো সেবায় ব্যক্তি পর্যায়ে একবারে সর্বোচ্চ এক হাজার টাকা পাঠানোর সীমা নির্ধারণ করা হয়। পাশাপাশি দৈনিক লেনদেনের সংখ্যাও সীমিত ছিল।
কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নির্দেশনা অনুযায়ী, ৯ ফেব্রুয়ারি রাত ১২টা থেকে ১২ ফেব্রুয়ারি রাত ১২টা পর্যন্ত এ সীমা কার্যকর ছিল। একই সময়ে ব্যাংকের অ্যাপ ও ইন্টারনেট ব্যাংকিংয়ে ব্যক্তি-থেকে-ব্যক্তি (পি-টু-পি) অর্থ স্থানান্তর বন্ধ রাখা হয়।
এ সময় মার্চেন্ট পেমেন্ট ও ইউটিলিটি বিল পরিশোধ চালু থাকলেও অন্যান্য কিছু লেনদেন সাময়িকভাবে বন্ধ ছিল। সন্দেহজনক লেনদেন নজরদারিতে রাখতে এমএফএস প্রদানকারী প্রতিষ্ঠানগুলোকে ‘কুইক রেসপন্স সেল’ গঠনের নির্দেশ দেওয়া হয় এবং সার্বক্ষণিক মনিটরিং চালানো হয়।
বাংলাদেশ ব্যাংক জানিয়েছে, নির্ধারিত সময়সীমা শেষ হওয়ায় এখন সব ধরনের লেনদেন স্বাভাবিক নিয়মে চালু হয়েছে।
এখনও কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!