জামায়াতে ইসলামীর আমির ও জাতীয় সংসদের বিরোধী দলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান অভিযোগ করেছেন, বিএনপি জাতির সঙ্গে ধোঁকা, প্রতারণা ও ‘গাদ্দারি’ করে তাদের রাজনৈতিক যাত্রা শুরু করেছে।
রোববার (১২ এপ্রিল) রাজধানীর কাকরাইলে জুলাই সনদ বাস্তবায়ন ইস্যুতে আয়োজিত এক আলোচনা সভায় তিনি এ মন্তব্য করেন। সভায় জুলাই আন্দোলনে শহীদদের পরিবার ও অংশগ্রহণকারী যোদ্ধারা উপস্থিত ছিলেন।
ডা. শফিকুর রহমান বলেন, বিএনপি একদলীয় শাসনব্যবস্থা প্রতিষ্ঠার চেষ্টা করছে। একই সঙ্গে জুলাই শহীদদের নিয়ে রাজনৈতিক স্বার্থে বিভাজন তৈরি করা হচ্ছে বলেও অভিযোগ করেন তিনি। তার ভাষায়, ‘শহীদরা কোনো দলের সম্পত্তি নয়, তারা জাতির গর্ব।’ তিনি আরও বলেন, জুলাই আন্দোলনের অংশগ্রহণকারীদের ব্যবহার করে সংসদে প্রভাব বিস্তার ও অস্থিতিশীলতা সৃষ্টির চেষ্টা হয়েছে।
বিএনপির সমালোচনা করে জামায়াত আমির বলেন, দলটি সংবিধান সংস্কার পরিষদের সদস্য হিসেবে শপথ নেয়নি এবং গণভোটকে ‘হারাম’ বলে আখ্যা দিয়েছে। তিনি প্রশ্ন তুলে বলেন, ‘বিএনপি দাবি করে একাত্তর, নব্বই ও চব্বিশ-সবই তাদের। অথচ একাত্তরের সময় বিএনপির অস্তিত্বই ছিল না।’
এ প্রসঙ্গে তিনি শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের অবদানের কথা উল্লেখ করে বলেন, তার প্রতি সম্মান থাকলেও মুক্তিযুদ্ধের কৃতিত্ব এককভাবে কাউকে দেওয়া সমীচীন নয়।
ডা. শফিকুর রহমান অভিযোগ করেন, বিএনপি ঘোষিত ৩১ দফা সংস্কারের অবস্থান থেকেও সরে এসেছে। স্থানীয় সরকারে অনির্বাচিত প্রতিনিধি না রাখার প্রতিশ্রুতি দিলেও বাস্তবে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে দলীয়করণ করা হচ্ছে বলে দাবি করেন তিনি।
সংসদীয় অভিজ্ঞতা তুলে ধরে তিনি বলেন, বর্তমান সরকারি দল সংসদ নির্বাচনে ‘ইঞ্জিনিয়ারিং’-এর কথা স্বীকার করেছে এবং দুই-তৃতীয়াংশ সংখ্যাগরিষ্ঠতার জোরে জনমতের রায় উপেক্ষা করছে। এমনকি জুলাই জাদুঘরকেও দলীয়করণের চেষ্টা চলছে বলেও অভিযোগ করেন তিনি।
গুম কমিশন, মানবাধিকার কমিশন ও পুলিশ সংস্কারের মতো গুরুত্বপূর্ণ প্রস্তাবগুলোও প্রত্যাখ্যান করা হয়েছে বলে দাবি করে তিনি বলেন, ‘সংসদে আমাদের সামনে কোনো কাগজপত্র না দিয়েই সিদ্ধান্তে সম্মতি চাওয়া হয়েছে। আমরা তাতে সাড়া না দিয়ে ওয়াকআউট করেছি।’ শহীদদের সংখ্যা নিয়ে বিভাজনের সমালোচনা করে তিনি বলেন, ‘শহীদদের ভাগ-বাটোয়ারার যে প্রবণতা দেখা যাচ্ছে, আমরা তার ঘোর বিরোধী।’
আহত ও পঙ্গুত্ব বরণকারী যোদ্ধাদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে তিনি বলেন, তাদের ঋণ কখনো শোধ করা সম্ভব নয় এবং জামায়াত তাদের পাশে থাকবে।
সভায় বিরোধী দলের চিফ হুইপ ও এনসিপির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম বলেন, প্রয়োজনীয় সংস্কার বাস্তবায়ন না হলে রাজপথে নামার প্রস্তুতি রয়েছে। তিনি বলেন, গণআন্দোলনের মাধ্যমেই দাবি আদায় করা হবে।
অনুষ্ঠানে ১১ দলের শীর্ষ নেতারা এবং জুলাই আন্দোলনে শহীদ পরিবারের সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।
জামায়াতে ইসলামীর আমির ও জাতীয় সংসদের বিরোধী দলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান অভিযোগ করেছেন, বিএনপি জাতির সঙ্গে ধোঁকা, প্রতারণা ও ‘গাদ্দারি’ করে তাদের রাজনৈতিক যাত্রা শুরু করেছে।
রোববার (১২ এপ্রিল) রাজধানীর কাকরাইলে জুলাই সনদ বাস্তবায়ন ইস্যুতে আয়োজিত এক আলোচনা সভায় তিনি এ মন্তব্য করেন। সভায় জুলাই আন্দোলনে শহীদদের পরিবার ও অংশগ্রহণকারী যোদ্ধারা উপস্থিত ছিলেন।
ডা. শফিকুর রহমান বলেন, বিএনপি একদলীয় শাসনব্যবস্থা প্রতিষ্ঠার চেষ্টা করছে। একই সঙ্গে জুলাই শহীদদের নিয়ে রাজনৈতিক স্বার্থে বিভাজন তৈরি করা হচ্ছে বলেও অভিযোগ করেন তিনি। তার ভাষায়, ‘শহীদরা কোনো দলের সম্পত্তি নয়, তারা জাতির গর্ব।’ তিনি আরও বলেন, জুলাই আন্দোলনের অংশগ্রহণকারীদের ব্যবহার করে সংসদে প্রভাব বিস্তার ও অস্থিতিশীলতা সৃষ্টির চেষ্টা হয়েছে।
বিএনপির সমালোচনা করে জামায়াত আমির বলেন, দলটি সংবিধান সংস্কার পরিষদের সদস্য হিসেবে শপথ নেয়নি এবং গণভোটকে ‘হারাম’ বলে আখ্যা দিয়েছে। তিনি প্রশ্ন তুলে বলেন, ‘বিএনপি দাবি করে একাত্তর, নব্বই ও চব্বিশ-সবই তাদের। অথচ একাত্তরের সময় বিএনপির অস্তিত্বই ছিল না।’
এ প্রসঙ্গে তিনি শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের অবদানের কথা উল্লেখ করে বলেন, তার প্রতি সম্মান থাকলেও মুক্তিযুদ্ধের কৃতিত্ব এককভাবে কাউকে দেওয়া সমীচীন নয়।
ডা. শফিকুর রহমান অভিযোগ করেন, বিএনপি ঘোষিত ৩১ দফা সংস্কারের অবস্থান থেকেও সরে এসেছে। স্থানীয় সরকারে অনির্বাচিত প্রতিনিধি না রাখার প্রতিশ্রুতি দিলেও বাস্তবে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে দলীয়করণ করা হচ্ছে বলে দাবি করেন তিনি।
সংসদীয় অভিজ্ঞতা তুলে ধরে তিনি বলেন, বর্তমান সরকারি দল সংসদ নির্বাচনে ‘ইঞ্জিনিয়ারিং’-এর কথা স্বীকার করেছে এবং দুই-তৃতীয়াংশ সংখ্যাগরিষ্ঠতার জোরে জনমতের রায় উপেক্ষা করছে। এমনকি জুলাই জাদুঘরকেও দলীয়করণের চেষ্টা চলছে বলেও অভিযোগ করেন তিনি।
গুম কমিশন, মানবাধিকার কমিশন ও পুলিশ সংস্কারের মতো গুরুত্বপূর্ণ প্রস্তাবগুলোও প্রত্যাখ্যান করা হয়েছে বলে দাবি করে তিনি বলেন, ‘সংসদে আমাদের সামনে কোনো কাগজপত্র না দিয়েই সিদ্ধান্তে সম্মতি চাওয়া হয়েছে। আমরা তাতে সাড়া না দিয়ে ওয়াকআউট করেছি।’ শহীদদের সংখ্যা নিয়ে বিভাজনের সমালোচনা করে তিনি বলেন, ‘শহীদদের ভাগ-বাটোয়ারার যে প্রবণতা দেখা যাচ্ছে, আমরা তার ঘোর বিরোধী।’
আহত ও পঙ্গুত্ব বরণকারী যোদ্ধাদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে তিনি বলেন, তাদের ঋণ কখনো শোধ করা সম্ভব নয় এবং জামায়াত তাদের পাশে থাকবে।
সভায় বিরোধী দলের চিফ হুইপ ও এনসিপির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম বলেন, প্রয়োজনীয় সংস্কার বাস্তবায়ন না হলে রাজপথে নামার প্রস্তুতি রয়েছে। তিনি বলেন, গণআন্দোলনের মাধ্যমেই দাবি আদায় করা হবে।
অনুষ্ঠানে ১১ দলের শীর্ষ নেতারা এবং জুলাই আন্দোলনে শহীদ পরিবারের সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।
জামায়াতে ইসলামীর আমির ও জাতীয় সংসদের বিরোধী দলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান অভিযোগ করেছেন, বিএনপি জাতির সঙ্গে ধোঁকা, প্রতারণা ও ‘গাদ্দারি’ করে তাদের রাজনৈতিক যাত্রা শুরু করেছে।
রোববার (১২ এপ্রিল) রাজধানীর কাকরাইলে জুলাই সনদ বাস্তবায়ন ইস্যুতে আয়োজিত এক আলোচনা সভায় তিনি এ মন্তব্য করেন। সভায় জুলাই আন্দোলনে শহীদদের পরিবার ও অংশগ্রহণকারী যোদ্ধারা উপস্থিত ছিলেন।
ডা. শফিকুর রহমান বলেন, বিএনপি একদলীয় শাসনব্যবস্থা প্রতিষ্ঠার চেষ্টা করছে। একই সঙ্গে জুলাই শহীদদের নিয়ে রাজনৈতিক স্বার্থে বিভাজন তৈরি করা হচ্ছে বলেও অভিযোগ করেন তিনি। তার ভাষায়, ‘শহীদরা কোনো দলের সম্পত্তি নয়, তারা জাতির গর্ব।’ তিনি আরও বলেন, জুলাই আন্দোলনের অংশগ্রহণকারীদের ব্যবহার করে সংসদে প্রভাব বিস্তার ও অস্থিতিশীলতা সৃষ্টির চেষ্টা হয়েছে।
বিএনপির সমালোচনা করে জামায়াত আমির বলেন, দলটি সংবিধান সংস্কার পরিষদের সদস্য হিসেবে শপথ নেয়নি এবং গণভোটকে ‘হারাম’ বলে আখ্যা দিয়েছে। তিনি প্রশ্ন তুলে বলেন, ‘বিএনপি দাবি করে একাত্তর, নব্বই ও চব্বিশ-সবই তাদের। অথচ একাত্তরের সময় বিএনপির অস্তিত্বই ছিল না।’
এ প্রসঙ্গে তিনি শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের অবদানের কথা উল্লেখ করে বলেন, তার প্রতি সম্মান থাকলেও মুক্তিযুদ্ধের কৃতিত্ব এককভাবে কাউকে দেওয়া সমীচীন নয়।
ডা. শফিকুর রহমান অভিযোগ করেন, বিএনপি ঘোষিত ৩১ দফা সংস্কারের অবস্থান থেকেও সরে এসেছে। স্থানীয় সরকারে অনির্বাচিত প্রতিনিধি না রাখার প্রতিশ্রুতি দিলেও বাস্তবে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে দলীয়করণ করা হচ্ছে বলে দাবি করেন তিনি।
সংসদীয় অভিজ্ঞতা তুলে ধরে তিনি বলেন, বর্তমান সরকারি দল সংসদ নির্বাচনে ‘ইঞ্জিনিয়ারিং’-এর কথা স্বীকার করেছে এবং দুই-তৃতীয়াংশ সংখ্যাগরিষ্ঠতার জোরে জনমতের রায় উপেক্ষা করছে। এমনকি জুলাই জাদুঘরকেও দলীয়করণের চেষ্টা চলছে বলেও অভিযোগ করেন তিনি।
গুম কমিশন, মানবাধিকার কমিশন ও পুলিশ সংস্কারের মতো গুরুত্বপূর্ণ প্রস্তাবগুলোও প্রত্যাখ্যান করা হয়েছে বলে দাবি করে তিনি বলেন, ‘সংসদে আমাদের সামনে কোনো কাগজপত্র না দিয়েই সিদ্ধান্তে সম্মতি চাওয়া হয়েছে। আমরা তাতে সাড়া না দিয়ে ওয়াকআউট করেছি।’ শহীদদের সংখ্যা নিয়ে বিভাজনের সমালোচনা করে তিনি বলেন, ‘শহীদদের ভাগ-বাটোয়ারার যে প্রবণতা দেখা যাচ্ছে, আমরা তার ঘোর বিরোধী।’
আহত ও পঙ্গুত্ব বরণকারী যোদ্ধাদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে তিনি বলেন, তাদের ঋণ কখনো শোধ করা সম্ভব নয় এবং জামায়াত তাদের পাশে থাকবে।
সভায় বিরোধী দলের চিফ হুইপ ও এনসিপির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম বলেন, প্রয়োজনীয় সংস্কার বাস্তবায়ন না হলে রাজপথে নামার প্রস্তুতি রয়েছে। তিনি বলেন, গণআন্দোলনের মাধ্যমেই দাবি আদায় করা হবে।
অনুষ্ঠানে ১১ দলের শীর্ষ নেতারা এবং জুলাই আন্দোলনে শহীদ পরিবারের সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।
জামায়াতে ইসলামীর আমির ও জাতীয় সংসদের বিরোধী দলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান অভিযোগ করেছেন, বিএনপি জাতির সঙ্গে ধোঁকা, প্রতারণা ও ‘গাদ্দারি’ করে তাদের রাজনৈতিক যাত্রা শুরু করেছে।
রোববার (১২ এপ্রিল) রাজধানীর কাকরাইলে জুলাই সনদ বাস্তবায়ন ইস্যুতে আয়োজিত এক আলোচনা সভায় তিনি এ মন্তব্য করেন। সভায় জুলাই আন্দোলনে শহীদদের পরিবার ও অংশগ্রহণকারী যোদ্ধারা উপস্থিত ছিলেন।
ডা. শফিকুর রহমান বলেন, বিএনপি একদলীয় শাসনব্যবস্থা প্রতিষ্ঠার চেষ্টা করছে। একই সঙ্গে জুলাই শহীদদের নিয়ে রাজনৈতিক স্বার্থে বিভাজন তৈরি করা হচ্ছে বলেও অভিযোগ করেন তিনি। তার ভাষায়, ‘শহীদরা কোনো দলের সম্পত্তি নয়, তারা জাতির গর্ব।’ তিনি আরও বলেন, জুলাই আন্দোলনের অংশগ্রহণকারীদের ব্যবহার করে সংসদে প্রভাব বিস্তার ও অস্থিতিশীলতা সৃষ্টির চেষ্টা হয়েছে।
বিএনপির সমালোচনা করে জামায়াত আমির বলেন, দলটি সংবিধান সংস্কার পরিষদের সদস্য হিসেবে শপথ নেয়নি এবং গণভোটকে ‘হারাম’ বলে আখ্যা দিয়েছে। তিনি প্রশ্ন তুলে বলেন, ‘বিএনপি দাবি করে একাত্তর, নব্বই ও চব্বিশ-সবই তাদের। অথচ একাত্তরের সময় বিএনপির অস্তিত্বই ছিল না।’
এ প্রসঙ্গে তিনি শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের অবদানের কথা উল্লেখ করে বলেন, তার প্রতি সম্মান থাকলেও মুক্তিযুদ্ধের কৃতিত্ব এককভাবে কাউকে দেওয়া সমীচীন নয়।
ডা. শফিকুর রহমান অভিযোগ করেন, বিএনপি ঘোষিত ৩১ দফা সংস্কারের অবস্থান থেকেও সরে এসেছে। স্থানীয় সরকারে অনির্বাচিত প্রতিনিধি না রাখার প্রতিশ্রুতি দিলেও বাস্তবে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে দলীয়করণ করা হচ্ছে বলে দাবি করেন তিনি।
সংসদীয় অভিজ্ঞতা তুলে ধরে তিনি বলেন, বর্তমান সরকারি দল সংসদ নির্বাচনে ‘ইঞ্জিনিয়ারিং’-এর কথা স্বীকার করেছে এবং দুই-তৃতীয়াংশ সংখ্যাগরিষ্ঠতার জোরে জনমতের রায় উপেক্ষা করছে। এমনকি জুলাই জাদুঘরকেও দলীয়করণের চেষ্টা চলছে বলেও অভিযোগ করেন তিনি।
গুম কমিশন, মানবাধিকার কমিশন ও পুলিশ সংস্কারের মতো গুরুত্বপূর্ণ প্রস্তাবগুলোও প্রত্যাখ্যান করা হয়েছে বলে দাবি করে তিনি বলেন, ‘সংসদে আমাদের সামনে কোনো কাগজপত্র না দিয়েই সিদ্ধান্তে সম্মতি চাওয়া হয়েছে। আমরা তাতে সাড়া না দিয়ে ওয়াকআউট করেছি।’ শহীদদের সংখ্যা নিয়ে বিভাজনের সমালোচনা করে তিনি বলেন, ‘শহীদদের ভাগ-বাটোয়ারার যে প্রবণতা দেখা যাচ্ছে, আমরা তার ঘোর বিরোধী।’
আহত ও পঙ্গুত্ব বরণকারী যোদ্ধাদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে তিনি বলেন, তাদের ঋণ কখনো শোধ করা সম্ভব নয় এবং জামায়াত তাদের পাশে থাকবে।
সভায় বিরোধী দলের চিফ হুইপ ও এনসিপির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম বলেন, প্রয়োজনীয় সংস্কার বাস্তবায়ন না হলে রাজপথে নামার প্রস্তুতি রয়েছে। তিনি বলেন, গণআন্দোলনের মাধ্যমেই দাবি আদায় করা হবে।
অনুষ্ঠানে ১১ দলের শীর্ষ নেতারা এবং জুলাই আন্দোলনে শহীদ পরিবারের সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।
এখনও কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!