ভারত ও মালয়েশিয়া থেকে এলপিজি নিয়ে আরও দুটি জাহাজ চট্টগ্রাম বন্দরের বহির্নোঙরে পৌঁছেছে। একইসঙ্গে এলপিজি ও এলএনজি বহনকারী বিভিন্ন দেশ থেকে আরও অন্তত চারটি জাহাজ দেশের পথে রয়েছে।
রোববার (১২ এপ্রিল) বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন চট্টগ্রাম বন্দরের সচিব সৈয়দ রেফায়েত হামিম।
তিনি জানান, শনিবার রাতে মালয়েশিয়া থেকে এলপিজিবাহী জাহাজ ডিএল লিলি এবং ভারত থেকে গ্যাস ক্যারেজ চট্টগ্রাম বন্দরের বহির্নোঙরে এসে পৌঁছায়। জাহাজ দুটি বর্তমানে চার্লি ও ব্রাভো পয়েন্টে অবস্থান করছে। তিনি আরও জানান, রোববার যুক্তরাষ্ট্র থেকে এলএনজি নিয়ে কংটং নামের আরেকটি জাহাজ আসার কথা রয়েছে। আগামীকাল মালয়েশিয়া থেকে এলপিজি বহনকারী পল জাহাজ পৌঁছাবে বলে আশা করা হচ্ছে।
এছাড়া ১৫ এপ্রিল অস্ট্রেলিয়া থেকে এলএনজি নিয়ে মারান গ্যাস হাইড্রা এবং ১৮ এপ্রিল লবিটো নামের আরেকটি জাহাজ দেশে পৌঁছানোর কথা রয়েছে।
চট্টগ্রাম বন্দর সূত্র জানায়, আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানি সরবরাহ পরিস্থিতি এবং মধ্যপ্রাচ্যে চলমান উত্তেজনার প্রেক্ষাপটে দেশে জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে নিয়মিত আমদানি কার্যক্রম অব্যাহত রাখা হয়েছে।
বিশ্লেষকরা বলছেন, সময়মতো জাহাজ আগমন অব্যাহত থাকলে দেশের এলপিজি ও এলএনজি সরবরাহ ব্যবস্থায় স্থিতিশীলতা বজায় থাকবে।
ভারত ও মালয়েশিয়া থেকে এলপিজি নিয়ে আরও দুটি জাহাজ চট্টগ্রাম বন্দরের বহির্নোঙরে পৌঁছেছে। একইসঙ্গে এলপিজি ও এলএনজি বহনকারী বিভিন্ন দেশ থেকে আরও অন্তত চারটি জাহাজ দেশের পথে রয়েছে।
রোববার (১২ এপ্রিল) বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন চট্টগ্রাম বন্দরের সচিব সৈয়দ রেফায়েত হামিম।
তিনি জানান, শনিবার রাতে মালয়েশিয়া থেকে এলপিজিবাহী জাহাজ ডিএল লিলি এবং ভারত থেকে গ্যাস ক্যারেজ চট্টগ্রাম বন্দরের বহির্নোঙরে এসে পৌঁছায়। জাহাজ দুটি বর্তমানে চার্লি ও ব্রাভো পয়েন্টে অবস্থান করছে। তিনি আরও জানান, রোববার যুক্তরাষ্ট্র থেকে এলএনজি নিয়ে কংটং নামের আরেকটি জাহাজ আসার কথা রয়েছে। আগামীকাল মালয়েশিয়া থেকে এলপিজি বহনকারী পল জাহাজ পৌঁছাবে বলে আশা করা হচ্ছে।
এছাড়া ১৫ এপ্রিল অস্ট্রেলিয়া থেকে এলএনজি নিয়ে মারান গ্যাস হাইড্রা এবং ১৮ এপ্রিল লবিটো নামের আরেকটি জাহাজ দেশে পৌঁছানোর কথা রয়েছে।
চট্টগ্রাম বন্দর সূত্র জানায়, আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানি সরবরাহ পরিস্থিতি এবং মধ্যপ্রাচ্যে চলমান উত্তেজনার প্রেক্ষাপটে দেশে জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে নিয়মিত আমদানি কার্যক্রম অব্যাহত রাখা হয়েছে।
বিশ্লেষকরা বলছেন, সময়মতো জাহাজ আগমন অব্যাহত থাকলে দেশের এলপিজি ও এলএনজি সরবরাহ ব্যবস্থায় স্থিতিশীলতা বজায় থাকবে।
ভারত ও মালয়েশিয়া থেকে এলপিজি নিয়ে আরও দুটি জাহাজ চট্টগ্রাম বন্দরের বহির্নোঙরে পৌঁছেছে। একইসঙ্গে এলপিজি ও এলএনজি বহনকারী বিভিন্ন দেশ থেকে আরও অন্তত চারটি জাহাজ দেশের পথে রয়েছে।
রোববার (১২ এপ্রিল) বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন চট্টগ্রাম বন্দরের সচিব সৈয়দ রেফায়েত হামিম।
তিনি জানান, শনিবার রাতে মালয়েশিয়া থেকে এলপিজিবাহী জাহাজ ডিএল লিলি এবং ভারত থেকে গ্যাস ক্যারেজ চট্টগ্রাম বন্দরের বহির্নোঙরে এসে পৌঁছায়। জাহাজ দুটি বর্তমানে চার্লি ও ব্রাভো পয়েন্টে অবস্থান করছে। তিনি আরও জানান, রোববার যুক্তরাষ্ট্র থেকে এলএনজি নিয়ে কংটং নামের আরেকটি জাহাজ আসার কথা রয়েছে। আগামীকাল মালয়েশিয়া থেকে এলপিজি বহনকারী পল জাহাজ পৌঁছাবে বলে আশা করা হচ্ছে।
এছাড়া ১৫ এপ্রিল অস্ট্রেলিয়া থেকে এলএনজি নিয়ে মারান গ্যাস হাইড্রা এবং ১৮ এপ্রিল লবিটো নামের আরেকটি জাহাজ দেশে পৌঁছানোর কথা রয়েছে।
চট্টগ্রাম বন্দর সূত্র জানায়, আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানি সরবরাহ পরিস্থিতি এবং মধ্যপ্রাচ্যে চলমান উত্তেজনার প্রেক্ষাপটে দেশে জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে নিয়মিত আমদানি কার্যক্রম অব্যাহত রাখা হয়েছে।
বিশ্লেষকরা বলছেন, সময়মতো জাহাজ আগমন অব্যাহত থাকলে দেশের এলপিজি ও এলএনজি সরবরাহ ব্যবস্থায় স্থিতিশীলতা বজায় থাকবে।
ভারত ও মালয়েশিয়া থেকে এলপিজি নিয়ে আরও দুটি জাহাজ চট্টগ্রাম বন্দরের বহির্নোঙরে পৌঁছেছে। একইসঙ্গে এলপিজি ও এলএনজি বহনকারী বিভিন্ন দেশ থেকে আরও অন্তত চারটি জাহাজ দেশের পথে রয়েছে।
রোববার (১২ এপ্রিল) বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন চট্টগ্রাম বন্দরের সচিব সৈয়দ রেফায়েত হামিম।
তিনি জানান, শনিবার রাতে মালয়েশিয়া থেকে এলপিজিবাহী জাহাজ ডিএল লিলি এবং ভারত থেকে গ্যাস ক্যারেজ চট্টগ্রাম বন্দরের বহির্নোঙরে এসে পৌঁছায়। জাহাজ দুটি বর্তমানে চার্লি ও ব্রাভো পয়েন্টে অবস্থান করছে। তিনি আরও জানান, রোববার যুক্তরাষ্ট্র থেকে এলএনজি নিয়ে কংটং নামের আরেকটি জাহাজ আসার কথা রয়েছে। আগামীকাল মালয়েশিয়া থেকে এলপিজি বহনকারী পল জাহাজ পৌঁছাবে বলে আশা করা হচ্ছে।
এছাড়া ১৫ এপ্রিল অস্ট্রেলিয়া থেকে এলএনজি নিয়ে মারান গ্যাস হাইড্রা এবং ১৮ এপ্রিল লবিটো নামের আরেকটি জাহাজ দেশে পৌঁছানোর কথা রয়েছে।
চট্টগ্রাম বন্দর সূত্র জানায়, আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানি সরবরাহ পরিস্থিতি এবং মধ্যপ্রাচ্যে চলমান উত্তেজনার প্রেক্ষাপটে দেশে জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে নিয়মিত আমদানি কার্যক্রম অব্যাহত রাখা হয়েছে।
বিশ্লেষকরা বলছেন, সময়মতো জাহাজ আগমন অব্যাহত থাকলে দেশের এলপিজি ও এলএনজি সরবরাহ ব্যবস্থায় স্থিতিশীলতা বজায় থাকবে।
এখনও কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!