
রাজধানীর বাড্ডা থানাধীন বড় বেড়াইদ পশ্চিম ঋষিপাড়া এলাকায় শ্বাসরোধে মো. হাবিবুল্লাহ (৩) নামে এক শিশুকে হত্যা করেছেন শিশুটির বাবা। এ ঘটনায় শিশুটির বাবা মো. শাহীন মিয়াকে (৩৫) আটক করেছে পুলিশ।
সোমবার (২৭ এপ্রিল) রাত সাড়ে ৯টার দিকে জুলহাস মিয়ার বাড়িতে এই ঘটনা ঘটে। পরে আইনি প্রক্রিয়া শেষে শিশুটির মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে।
বাড্ডা থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) মো. জামাল হোসেন জানান, ওই বাসায় রিকশাচালক শাহীন মিয়া তার স্ত্রী শিল্পী খাতুন ও দুই ছেলে সন্তান নিয়ে ভাড়া থাকতেন। ঘটনার সময় বড় ছেলে বাসায় ছিল না এবং শিশুটির মা ওষুধ কিনতে বাইরে গিয়েছিলেন।
তিনি আরও জানান, কিছুক্ষণ পর বাসায় ফিরে শিল্পী খাতুন রুমের দরজা ভেতর থেকে বন্ধ দেখতে পান। ডাকাডাকি করেও দরজা না খোলায় বাড়িওয়ালা ও স্থানীয়দের সহায়তায় চাপ প্রয়োগ করা হলে শাহীন দরজা খুলে দেন। এ সময় তিনি নিজেই স্বীকার করেন যে, ঘরের ভেতরে তার ছেলেকে তিনি হত্যা করেছেন। পরে সবাই ঘরে ঢুকে বিছানার ওপর শিশুটিকে মৃত অবস্থায় দেখতে পান এবং শাহীনকে আটক করে রাখেন।
পরে খবর পেয়ে রাত ১১টার দিকে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে এবং অভিযুক্ত শাহীনকে থানায় নিয়ে যায়।
এসআই জামাল হোসেন বলেন, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে শাহীন তার ছেলেকে শ্বাসরোধে হত্যার কথা স্বীকার করেছেন।
পরিবার ও প্রতিবেশীদের কাছ থেকে জানা গেছে, শিশুটির বাবা মাদকাসক্ত ছিলেন এবং মাদকের টাকার জন্য স্ত্রীকে চাপ দিতেন। এ নিয়ে প্রায়ই দাম্পত্য কলহ লেগে থাকত।
তবে কী কারণে তিনি নিজের সন্তানকে হত্যা করেছেন, সে বিষয়ে এখনও স্পষ্ট কোনো তথ্য জানা যায়নি বলে জানিয়েছে পুলিশ।

রাজধানীর বাড্ডা থানাধীন বড় বেড়াইদ পশ্চিম ঋষিপাড়া এলাকায় শ্বাসরোধে মো. হাবিবুল্লাহ (৩) নামে এক শিশুকে হত্যা করেছেন শিশুটির বাবা। এ ঘটনায় শিশুটির বাবা মো. শাহীন মিয়াকে (৩৫) আটক করেছে পুলিশ।
সোমবার (২৭ এপ্রিল) রাত সাড়ে ৯টার দিকে জুলহাস মিয়ার বাড়িতে এই ঘটনা ঘটে। পরে আইনি প্রক্রিয়া শেষে শিশুটির মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে।
বাড্ডা থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) মো. জামাল হোসেন জানান, ওই বাসায় রিকশাচালক শাহীন মিয়া তার স্ত্রী শিল্পী খাতুন ও দুই ছেলে সন্তান নিয়ে ভাড়া থাকতেন। ঘটনার সময় বড় ছেলে বাসায় ছিল না এবং শিশুটির মা ওষুধ কিনতে বাইরে গিয়েছিলেন।
তিনি আরও জানান, কিছুক্ষণ পর বাসায় ফিরে শিল্পী খাতুন রুমের দরজা ভেতর থেকে বন্ধ দেখতে পান। ডাকাডাকি করেও দরজা না খোলায় বাড়িওয়ালা ও স্থানীয়দের সহায়তায় চাপ প্রয়োগ করা হলে শাহীন দরজা খুলে দেন। এ সময় তিনি নিজেই স্বীকার করেন যে, ঘরের ভেতরে তার ছেলেকে তিনি হত্যা করেছেন। পরে সবাই ঘরে ঢুকে বিছানার ওপর শিশুটিকে মৃত অবস্থায় দেখতে পান এবং শাহীনকে আটক করে রাখেন।
পরে খবর পেয়ে রাত ১১টার দিকে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে এবং অভিযুক্ত শাহীনকে থানায় নিয়ে যায়।
এসআই জামাল হোসেন বলেন, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে শাহীন তার ছেলেকে শ্বাসরোধে হত্যার কথা স্বীকার করেছেন।
পরিবার ও প্রতিবেশীদের কাছ থেকে জানা গেছে, শিশুটির বাবা মাদকাসক্ত ছিলেন এবং মাদকের টাকার জন্য স্ত্রীকে চাপ দিতেন। এ নিয়ে প্রায়ই দাম্পত্য কলহ লেগে থাকত।
তবে কী কারণে তিনি নিজের সন্তানকে হত্যা করেছেন, সে বিষয়ে এখনও স্পষ্ট কোনো তথ্য জানা যায়নি বলে জানিয়েছে পুলিশ।

রাজধানীর বাড্ডা থানাধীন বড় বেড়াইদ পশ্চিম ঋষিপাড়া এলাকায় শ্বাসরোধে মো. হাবিবুল্লাহ (৩) নামে এক শিশুকে হত্যা করেছেন শিশুটির বাবা। এ ঘটনায় শিশুটির বাবা মো. শাহীন মিয়াকে (৩৫) আটক করেছে পুলিশ।
সোমবার (২৭ এপ্রিল) রাত সাড়ে ৯টার দিকে জুলহাস মিয়ার বাড়িতে এই ঘটনা ঘটে। পরে আইনি প্রক্রিয়া শেষে শিশুটির মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে।
বাড্ডা থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) মো. জামাল হোসেন জানান, ওই বাসায় রিকশাচালক শাহীন মিয়া তার স্ত্রী শিল্পী খাতুন ও দুই ছেলে সন্তান নিয়ে ভাড়া থাকতেন। ঘটনার সময় বড় ছেলে বাসায় ছিল না এবং শিশুটির মা ওষুধ কিনতে বাইরে গিয়েছিলেন।
তিনি আরও জানান, কিছুক্ষণ পর বাসায় ফিরে শিল্পী খাতুন রুমের দরজা ভেতর থেকে বন্ধ দেখতে পান। ডাকাডাকি করেও দরজা না খোলায় বাড়িওয়ালা ও স্থানীয়দের সহায়তায় চাপ প্রয়োগ করা হলে শাহীন দরজা খুলে দেন। এ সময় তিনি নিজেই স্বীকার করেন যে, ঘরের ভেতরে তার ছেলেকে তিনি হত্যা করেছেন। পরে সবাই ঘরে ঢুকে বিছানার ওপর শিশুটিকে মৃত অবস্থায় দেখতে পান এবং শাহীনকে আটক করে রাখেন।
পরে খবর পেয়ে রাত ১১টার দিকে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে এবং অভিযুক্ত শাহীনকে থানায় নিয়ে যায়।
এসআই জামাল হোসেন বলেন, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে শাহীন তার ছেলেকে শ্বাসরোধে হত্যার কথা স্বীকার করেছেন।
পরিবার ও প্রতিবেশীদের কাছ থেকে জানা গেছে, শিশুটির বাবা মাদকাসক্ত ছিলেন এবং মাদকের টাকার জন্য স্ত্রীকে চাপ দিতেন। এ নিয়ে প্রায়ই দাম্পত্য কলহ লেগে থাকত।
তবে কী কারণে তিনি নিজের সন্তানকে হত্যা করেছেন, সে বিষয়ে এখনও স্পষ্ট কোনো তথ্য জানা যায়নি বলে জানিয়েছে পুলিশ।

রাজধানীর বাড্ডা থানাধীন বড় বেড়াইদ পশ্চিম ঋষিপাড়া এলাকায় শ্বাসরোধে মো. হাবিবুল্লাহ (৩) নামে এক শিশুকে হত্যা করেছেন শিশুটির বাবা। এ ঘটনায় শিশুটির বাবা মো. শাহীন মিয়াকে (৩৫) আটক করেছে পুলিশ।
সোমবার (২৭ এপ্রিল) রাত সাড়ে ৯টার দিকে জুলহাস মিয়ার বাড়িতে এই ঘটনা ঘটে। পরে আইনি প্রক্রিয়া শেষে শিশুটির মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে।
বাড্ডা থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) মো. জামাল হোসেন জানান, ওই বাসায় রিকশাচালক শাহীন মিয়া তার স্ত্রী শিল্পী খাতুন ও দুই ছেলে সন্তান নিয়ে ভাড়া থাকতেন। ঘটনার সময় বড় ছেলে বাসায় ছিল না এবং শিশুটির মা ওষুধ কিনতে বাইরে গিয়েছিলেন।
তিনি আরও জানান, কিছুক্ষণ পর বাসায় ফিরে শিল্পী খাতুন রুমের দরজা ভেতর থেকে বন্ধ দেখতে পান। ডাকাডাকি করেও দরজা না খোলায় বাড়িওয়ালা ও স্থানীয়দের সহায়তায় চাপ প্রয়োগ করা হলে শাহীন দরজা খুলে দেন। এ সময় তিনি নিজেই স্বীকার করেন যে, ঘরের ভেতরে তার ছেলেকে তিনি হত্যা করেছেন। পরে সবাই ঘরে ঢুকে বিছানার ওপর শিশুটিকে মৃত অবস্থায় দেখতে পান এবং শাহীনকে আটক করে রাখেন।
পরে খবর পেয়ে রাত ১১টার দিকে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে এবং অভিযুক্ত শাহীনকে থানায় নিয়ে যায়।
এসআই জামাল হোসেন বলেন, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে শাহীন তার ছেলেকে শ্বাসরোধে হত্যার কথা স্বীকার করেছেন।
পরিবার ও প্রতিবেশীদের কাছ থেকে জানা গেছে, শিশুটির বাবা মাদকাসক্ত ছিলেন এবং মাদকের টাকার জন্য স্ত্রীকে চাপ দিতেন। এ নিয়ে প্রায়ই দাম্পত্য কলহ লেগে থাকত।
তবে কী কারণে তিনি নিজের সন্তানকে হত্যা করেছেন, সে বিষয়ে এখনও স্পষ্ট কোনো তথ্য জানা যায়নি বলে জানিয়েছে পুলিশ।
এখনও কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!