
অনেক সময় পর্যাপ্ত পানির অভাবে মল-মূত্র ত্যাগের পর পবিত্রতা অর্জনে শুধু টিস্যু ব্যবহার করতে হয়। কখনো কেউ এমন পরিস্থিতিতে পড়লে শুধু টিস্যু ব্যবহার করে তিনি নামাজ আদায় করতে পারবেন কি না?
ফেকাহবিদদের মতামত হলো-পবিত্রতা অর্জনের ক্ষেত্রে পানি ব্যবহার করা সব থেকে উত্তম। তবে বিশেষ পরিস্থিতিতে কিছু শর্ত সাপেক্ষে শুধু টিস্যু বা পাথর জাতীয় বস্তু দিয়ে ইস্তিনজা বা শৌচকার্য সম্পাদন করা জায়েজ।
ফেকাহবিদদের মতে, যদি মানবদেহ থেকে নির্গত অপবিত্রতা (প্রস্রাব বা পায়খানা) শরীরের নির্দিষ্ট নির্গমন পথ থেকে ছড়িয়ে না পড়ে, তবে শুধু টিস্যু দিয়ে ভালো করে মুছে পবিত্র হওয়া সম্ভব। এক্ষেত্রে টিস্যু ব্যবহারের পর অজু করে নামাজ পড়লে তা শুদ্ধ হবে।
তবে এখানে একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো, যদি অপবিত্রতা নির্গমন পথ থেকে শরীরের অন্য অংশে ছড়িয়ে পড়ে এবং সেই ছড়িয়ে পড়া নাপাকির পরিমাণ এক দিরহামের (হাতের তালুর গভীরতা বা একটি বড় কয়েনের আয়তন) চেয়ে বেশি হয়, তবে শুধু টিস্যু ব্যবহার যথেষ্ট হবে না। এমন পরিস্থিতিতে ওই স্থান পানি দিয়ে ধোয়া বাধ্যতামূলক। পানি দিয়ে না ধুয়ে শুধু টিস্যু ব্যবহার করে নামাজ পড়লে তা আদায় হবে না।
আলেমরা আরও জানান, ইস্তিনজার মূল উদ্দেশ্য হলো নাপাকি দূর করা। তাই পানি পাওয়া না গেলে টিস্যু দিয়ে এমনভাবে পরিষ্কার করতে হবে যেন নাপাকির কোনো চিহ্ন অবশিষ্ট না থাকে। তবে যদি নাপাকি ছড়িয়ে পড়ে দিরহামের পরিমাণের চেয়ে বেশি হয়ে যায়, তবে যেভাবেই হোক পানি সংগ্রহ করে ধুয়ে নিতে হবে। এরপর অজু করে নামাজ আদায় করতে হবে।

অনেক সময় পর্যাপ্ত পানির অভাবে মল-মূত্র ত্যাগের পর পবিত্রতা অর্জনে শুধু টিস্যু ব্যবহার করতে হয়। কখনো কেউ এমন পরিস্থিতিতে পড়লে শুধু টিস্যু ব্যবহার করে তিনি নামাজ আদায় করতে পারবেন কি না?
ফেকাহবিদদের মতামত হলো-পবিত্রতা অর্জনের ক্ষেত্রে পানি ব্যবহার করা সব থেকে উত্তম। তবে বিশেষ পরিস্থিতিতে কিছু শর্ত সাপেক্ষে শুধু টিস্যু বা পাথর জাতীয় বস্তু দিয়ে ইস্তিনজা বা শৌচকার্য সম্পাদন করা জায়েজ।
ফেকাহবিদদের মতে, যদি মানবদেহ থেকে নির্গত অপবিত্রতা (প্রস্রাব বা পায়খানা) শরীরের নির্দিষ্ট নির্গমন পথ থেকে ছড়িয়ে না পড়ে, তবে শুধু টিস্যু দিয়ে ভালো করে মুছে পবিত্র হওয়া সম্ভব। এক্ষেত্রে টিস্যু ব্যবহারের পর অজু করে নামাজ পড়লে তা শুদ্ধ হবে।
তবে এখানে একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো, যদি অপবিত্রতা নির্গমন পথ থেকে শরীরের অন্য অংশে ছড়িয়ে পড়ে এবং সেই ছড়িয়ে পড়া নাপাকির পরিমাণ এক দিরহামের (হাতের তালুর গভীরতা বা একটি বড় কয়েনের আয়তন) চেয়ে বেশি হয়, তবে শুধু টিস্যু ব্যবহার যথেষ্ট হবে না। এমন পরিস্থিতিতে ওই স্থান পানি দিয়ে ধোয়া বাধ্যতামূলক। পানি দিয়ে না ধুয়ে শুধু টিস্যু ব্যবহার করে নামাজ পড়লে তা আদায় হবে না।
আলেমরা আরও জানান, ইস্তিনজার মূল উদ্দেশ্য হলো নাপাকি দূর করা। তাই পানি পাওয়া না গেলে টিস্যু দিয়ে এমনভাবে পরিষ্কার করতে হবে যেন নাপাকির কোনো চিহ্ন অবশিষ্ট না থাকে। তবে যদি নাপাকি ছড়িয়ে পড়ে দিরহামের পরিমাণের চেয়ে বেশি হয়ে যায়, তবে যেভাবেই হোক পানি সংগ্রহ করে ধুয়ে নিতে হবে। এরপর অজু করে নামাজ আদায় করতে হবে।

অনেক সময় পর্যাপ্ত পানির অভাবে মল-মূত্র ত্যাগের পর পবিত্রতা অর্জনে শুধু টিস্যু ব্যবহার করতে হয়। কখনো কেউ এমন পরিস্থিতিতে পড়লে শুধু টিস্যু ব্যবহার করে তিনি নামাজ আদায় করতে পারবেন কি না?
ফেকাহবিদদের মতামত হলো-পবিত্রতা অর্জনের ক্ষেত্রে পানি ব্যবহার করা সব থেকে উত্তম। তবে বিশেষ পরিস্থিতিতে কিছু শর্ত সাপেক্ষে শুধু টিস্যু বা পাথর জাতীয় বস্তু দিয়ে ইস্তিনজা বা শৌচকার্য সম্পাদন করা জায়েজ।
ফেকাহবিদদের মতে, যদি মানবদেহ থেকে নির্গত অপবিত্রতা (প্রস্রাব বা পায়খানা) শরীরের নির্দিষ্ট নির্গমন পথ থেকে ছড়িয়ে না পড়ে, তবে শুধু টিস্যু দিয়ে ভালো করে মুছে পবিত্র হওয়া সম্ভব। এক্ষেত্রে টিস্যু ব্যবহারের পর অজু করে নামাজ পড়লে তা শুদ্ধ হবে।
তবে এখানে একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো, যদি অপবিত্রতা নির্গমন পথ থেকে শরীরের অন্য অংশে ছড়িয়ে পড়ে এবং সেই ছড়িয়ে পড়া নাপাকির পরিমাণ এক দিরহামের (হাতের তালুর গভীরতা বা একটি বড় কয়েনের আয়তন) চেয়ে বেশি হয়, তবে শুধু টিস্যু ব্যবহার যথেষ্ট হবে না। এমন পরিস্থিতিতে ওই স্থান পানি দিয়ে ধোয়া বাধ্যতামূলক। পানি দিয়ে না ধুয়ে শুধু টিস্যু ব্যবহার করে নামাজ পড়লে তা আদায় হবে না।
আলেমরা আরও জানান, ইস্তিনজার মূল উদ্দেশ্য হলো নাপাকি দূর করা। তাই পানি পাওয়া না গেলে টিস্যু দিয়ে এমনভাবে পরিষ্কার করতে হবে যেন নাপাকির কোনো চিহ্ন অবশিষ্ট না থাকে। তবে যদি নাপাকি ছড়িয়ে পড়ে দিরহামের পরিমাণের চেয়ে বেশি হয়ে যায়, তবে যেভাবেই হোক পানি সংগ্রহ করে ধুয়ে নিতে হবে। এরপর অজু করে নামাজ আদায় করতে হবে।

অনেক সময় পর্যাপ্ত পানির অভাবে মল-মূত্র ত্যাগের পর পবিত্রতা অর্জনে শুধু টিস্যু ব্যবহার করতে হয়। কখনো কেউ এমন পরিস্থিতিতে পড়লে শুধু টিস্যু ব্যবহার করে তিনি নামাজ আদায় করতে পারবেন কি না?
ফেকাহবিদদের মতামত হলো-পবিত্রতা অর্জনের ক্ষেত্রে পানি ব্যবহার করা সব থেকে উত্তম। তবে বিশেষ পরিস্থিতিতে কিছু শর্ত সাপেক্ষে শুধু টিস্যু বা পাথর জাতীয় বস্তু দিয়ে ইস্তিনজা বা শৌচকার্য সম্পাদন করা জায়েজ।
ফেকাহবিদদের মতে, যদি মানবদেহ থেকে নির্গত অপবিত্রতা (প্রস্রাব বা পায়খানা) শরীরের নির্দিষ্ট নির্গমন পথ থেকে ছড়িয়ে না পড়ে, তবে শুধু টিস্যু দিয়ে ভালো করে মুছে পবিত্র হওয়া সম্ভব। এক্ষেত্রে টিস্যু ব্যবহারের পর অজু করে নামাজ পড়লে তা শুদ্ধ হবে।
তবে এখানে একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো, যদি অপবিত্রতা নির্গমন পথ থেকে শরীরের অন্য অংশে ছড়িয়ে পড়ে এবং সেই ছড়িয়ে পড়া নাপাকির পরিমাণ এক দিরহামের (হাতের তালুর গভীরতা বা একটি বড় কয়েনের আয়তন) চেয়ে বেশি হয়, তবে শুধু টিস্যু ব্যবহার যথেষ্ট হবে না। এমন পরিস্থিতিতে ওই স্থান পানি দিয়ে ধোয়া বাধ্যতামূলক। পানি দিয়ে না ধুয়ে শুধু টিস্যু ব্যবহার করে নামাজ পড়লে তা আদায় হবে না।
আলেমরা আরও জানান, ইস্তিনজার মূল উদ্দেশ্য হলো নাপাকি দূর করা। তাই পানি পাওয়া না গেলে টিস্যু দিয়ে এমনভাবে পরিষ্কার করতে হবে যেন নাপাকির কোনো চিহ্ন অবশিষ্ট না থাকে। তবে যদি নাপাকি ছড়িয়ে পড়ে দিরহামের পরিমাণের চেয়ে বেশি হয়ে যায়, তবে যেভাবেই হোক পানি সংগ্রহ করে ধুয়ে নিতে হবে। এরপর অজু করে নামাজ আদায় করতে হবে।
এখনও কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!