
দেশের ইতিহাসে এক মাসে সর্বোচ্চ রেমিট্যান্স এসেছে সদ্য সমাপ্ত মার্চ মাসে। এ সময়ে প্রবাসী বাংলাদেশিরা পাঠিয়েছেন প্রায় ৩ দশমিক ৭৫ বিলিয়ন মার্কিন ডলার, যা অতীতের সব রেকর্ড ছাড়িয়েছে।
বুধবার (১ এপ্রিল) বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান এ তথ্য জানান।
কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, মার্চে দেশে এসেছে ৩৭৫ কোটি ৫০ লাখ ডলার। বর্তমান বিনিময় হার (প্রতি ডলার ১২২ টাকা ৭৫ পয়সা) অনুযায়ী, যার পরিমাণ দাঁড়ায় ৪৬ হাজার কোটি টাকারও বেশি।
খাত সংশ্লিষ্টরা বলছেন, পবিত্র রমজান ও ঈদকে সামনে রেখে প্রবাসীরা পরিবারের অতিরিক্ত খরচ মেটাতে বেশি অর্থ পাঠিয়েছেন। ফলে রেমিট্যান্স প্রবাহে ইতিবাচক ধারা তৈরি হয়েছে, যা বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ বৃদ্ধিতে সহায়ক ভূমিকা রাখছে।
তথ্য অনুযায়ী, গত বছরের মার্চের তুলনায় চলতি বছরের মার্চে রেমিট্যান্স বেড়েছে প্রায় ১৪ শতাংশ। গত বছর মার্চে এ অঙ্ক ছিল ৩৩০ কোটি ডলার। এর আগে ফেব্রুয়ারি মাসে দেশে এসেছিল ৩০২ কোটি ডলার।
চলতি ২০২৫-২৬ অর্থবছরের জুলাই থেকে মার্চ পর্যন্ত মোট রেমিট্যান্স এসেছে ২ হাজার ৬২১ কোটি ডলার, যা আগের অর্থবছরের একই সময়ের তুলনায় ২০ শতাংশ বেশি। আগের অর্থবছরের একই সময়ে এ পরিমাণ ছিল ২ হাজার ১৭৮ কোটি ডলার।
এদিকে প্রবাসী আয় বাড়ায় আমদানি ব্যয় পরিশোধের পরও বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভে ইতিবাচক প্রভাব পড়েছে। বুধবার দিন শেষে মোট রিজার্ভ দাঁড়িয়েছে ৩৪ দশমিক ২৫ বিলিয়ন ডলার। আন্তর্জাতিক মানদণ্ড অনুযায়ী হিসাব করলে রিজার্ভের পরিমাণ ২৯ দশমিক ৬১ বিলিয়ন ডলার।

দেশের ইতিহাসে এক মাসে সর্বোচ্চ রেমিট্যান্স এসেছে সদ্য সমাপ্ত মার্চ মাসে। এ সময়ে প্রবাসী বাংলাদেশিরা পাঠিয়েছেন প্রায় ৩ দশমিক ৭৫ বিলিয়ন মার্কিন ডলার, যা অতীতের সব রেকর্ড ছাড়িয়েছে।
বুধবার (১ এপ্রিল) বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান এ তথ্য জানান।
কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, মার্চে দেশে এসেছে ৩৭৫ কোটি ৫০ লাখ ডলার। বর্তমান বিনিময় হার (প্রতি ডলার ১২২ টাকা ৭৫ পয়সা) অনুযায়ী, যার পরিমাণ দাঁড়ায় ৪৬ হাজার কোটি টাকারও বেশি।
খাত সংশ্লিষ্টরা বলছেন, পবিত্র রমজান ও ঈদকে সামনে রেখে প্রবাসীরা পরিবারের অতিরিক্ত খরচ মেটাতে বেশি অর্থ পাঠিয়েছেন। ফলে রেমিট্যান্স প্রবাহে ইতিবাচক ধারা তৈরি হয়েছে, যা বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ বৃদ্ধিতে সহায়ক ভূমিকা রাখছে।
তথ্য অনুযায়ী, গত বছরের মার্চের তুলনায় চলতি বছরের মার্চে রেমিট্যান্স বেড়েছে প্রায় ১৪ শতাংশ। গত বছর মার্চে এ অঙ্ক ছিল ৩৩০ কোটি ডলার। এর আগে ফেব্রুয়ারি মাসে দেশে এসেছিল ৩০২ কোটি ডলার।
চলতি ২০২৫-২৬ অর্থবছরের জুলাই থেকে মার্চ পর্যন্ত মোট রেমিট্যান্স এসেছে ২ হাজার ৬২১ কোটি ডলার, যা আগের অর্থবছরের একই সময়ের তুলনায় ২০ শতাংশ বেশি। আগের অর্থবছরের একই সময়ে এ পরিমাণ ছিল ২ হাজার ১৭৮ কোটি ডলার।
এদিকে প্রবাসী আয় বাড়ায় আমদানি ব্যয় পরিশোধের পরও বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভে ইতিবাচক প্রভাব পড়েছে। বুধবার দিন শেষে মোট রিজার্ভ দাঁড়িয়েছে ৩৪ দশমিক ২৫ বিলিয়ন ডলার। আন্তর্জাতিক মানদণ্ড অনুযায়ী হিসাব করলে রিজার্ভের পরিমাণ ২৯ দশমিক ৬১ বিলিয়ন ডলার।

দেশের ইতিহাসে এক মাসে সর্বোচ্চ রেমিট্যান্স এসেছে সদ্য সমাপ্ত মার্চ মাসে। এ সময়ে প্রবাসী বাংলাদেশিরা পাঠিয়েছেন প্রায় ৩ দশমিক ৭৫ বিলিয়ন মার্কিন ডলার, যা অতীতের সব রেকর্ড ছাড়িয়েছে।
বুধবার (১ এপ্রিল) বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান এ তথ্য জানান।
কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, মার্চে দেশে এসেছে ৩৭৫ কোটি ৫০ লাখ ডলার। বর্তমান বিনিময় হার (প্রতি ডলার ১২২ টাকা ৭৫ পয়সা) অনুযায়ী, যার পরিমাণ দাঁড়ায় ৪৬ হাজার কোটি টাকারও বেশি।
খাত সংশ্লিষ্টরা বলছেন, পবিত্র রমজান ও ঈদকে সামনে রেখে প্রবাসীরা পরিবারের অতিরিক্ত খরচ মেটাতে বেশি অর্থ পাঠিয়েছেন। ফলে রেমিট্যান্স প্রবাহে ইতিবাচক ধারা তৈরি হয়েছে, যা বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ বৃদ্ধিতে সহায়ক ভূমিকা রাখছে।
তথ্য অনুযায়ী, গত বছরের মার্চের তুলনায় চলতি বছরের মার্চে রেমিট্যান্স বেড়েছে প্রায় ১৪ শতাংশ। গত বছর মার্চে এ অঙ্ক ছিল ৩৩০ কোটি ডলার। এর আগে ফেব্রুয়ারি মাসে দেশে এসেছিল ৩০২ কোটি ডলার।
চলতি ২০২৫-২৬ অর্থবছরের জুলাই থেকে মার্চ পর্যন্ত মোট রেমিট্যান্স এসেছে ২ হাজার ৬২১ কোটি ডলার, যা আগের অর্থবছরের একই সময়ের তুলনায় ২০ শতাংশ বেশি। আগের অর্থবছরের একই সময়ে এ পরিমাণ ছিল ২ হাজার ১৭৮ কোটি ডলার।
এদিকে প্রবাসী আয় বাড়ায় আমদানি ব্যয় পরিশোধের পরও বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভে ইতিবাচক প্রভাব পড়েছে। বুধবার দিন শেষে মোট রিজার্ভ দাঁড়িয়েছে ৩৪ দশমিক ২৫ বিলিয়ন ডলার। আন্তর্জাতিক মানদণ্ড অনুযায়ী হিসাব করলে রিজার্ভের পরিমাণ ২৯ দশমিক ৬১ বিলিয়ন ডলার।

দেশের ইতিহাসে এক মাসে সর্বোচ্চ রেমিট্যান্স এসেছে সদ্য সমাপ্ত মার্চ মাসে। এ সময়ে প্রবাসী বাংলাদেশিরা পাঠিয়েছেন প্রায় ৩ দশমিক ৭৫ বিলিয়ন মার্কিন ডলার, যা অতীতের সব রেকর্ড ছাড়িয়েছে।
বুধবার (১ এপ্রিল) বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান এ তথ্য জানান।
কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, মার্চে দেশে এসেছে ৩৭৫ কোটি ৫০ লাখ ডলার। বর্তমান বিনিময় হার (প্রতি ডলার ১২২ টাকা ৭৫ পয়সা) অনুযায়ী, যার পরিমাণ দাঁড়ায় ৪৬ হাজার কোটি টাকারও বেশি।
খাত সংশ্লিষ্টরা বলছেন, পবিত্র রমজান ও ঈদকে সামনে রেখে প্রবাসীরা পরিবারের অতিরিক্ত খরচ মেটাতে বেশি অর্থ পাঠিয়েছেন। ফলে রেমিট্যান্স প্রবাহে ইতিবাচক ধারা তৈরি হয়েছে, যা বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ বৃদ্ধিতে সহায়ক ভূমিকা রাখছে।
তথ্য অনুযায়ী, গত বছরের মার্চের তুলনায় চলতি বছরের মার্চে রেমিট্যান্স বেড়েছে প্রায় ১৪ শতাংশ। গত বছর মার্চে এ অঙ্ক ছিল ৩৩০ কোটি ডলার। এর আগে ফেব্রুয়ারি মাসে দেশে এসেছিল ৩০২ কোটি ডলার।
চলতি ২০২৫-২৬ অর্থবছরের জুলাই থেকে মার্চ পর্যন্ত মোট রেমিট্যান্স এসেছে ২ হাজার ৬২১ কোটি ডলার, যা আগের অর্থবছরের একই সময়ের তুলনায় ২০ শতাংশ বেশি। আগের অর্থবছরের একই সময়ে এ পরিমাণ ছিল ২ হাজার ১৭৮ কোটি ডলার।
এদিকে প্রবাসী আয় বাড়ায় আমদানি ব্যয় পরিশোধের পরও বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভে ইতিবাচক প্রভাব পড়েছে। বুধবার দিন শেষে মোট রিজার্ভ দাঁড়িয়েছে ৩৪ দশমিক ২৫ বিলিয়ন ডলার। আন্তর্জাতিক মানদণ্ড অনুযায়ী হিসাব করলে রিজার্ভের পরিমাণ ২৯ দশমিক ৬১ বিলিয়ন ডলার।
এখনও কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!