সরকারপ্রধানের নিরাপত্তা ও সচিবালয়ে যাতায়াতের সুবিধার্থে রাজধানীর হেয়ার রোডে অবস্থিত রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনতেই উঠছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। সরকারি আবাসন পরিদপ্তর জানিয়েছে, নতুন সরকারের মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রীদের বাসা বরাদ্দের কাজ ইতোমধ্যে সম্পন্ন হয়েছে। শিগগিরই তাদের কাছে আনুষ্ঠানিক চিঠি পাঠানো হবে।
মন্ত্রিপাড়ায় নতুন বরাদ্দ
ঢাকার হেয়ার রোড, মিন্টো রোড ও বেইলি রোড এলাকা ‘মন্ত্রিপাড়া’ নামে পরিচিত। আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর গঠিত অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টারা সেখানে অবস্থান করছিলেন। ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিজয়ের পর ১৭ ফেব্রুয়ারি শপথ নিয়ে সরকার গঠন করে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)। দায়িত্ব হস্তান্তরের পর অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টারা বাংলোবাড়ি ছাড়তে শুরু করেছেন।
গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের অধীন সরকারি আবাসন পরিদপ্তর জানিয়েছে, কিছু সংস্কারকাজ শেষে ঈদুল ফিতরের পর মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রীরা নতুন বাসায় উঠতে পারবেন।
কে কোথায় বরাদ্দ পেলেন
পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান মিন্টো রোডের ৩৩ নম্বর বাংলোবাড়িতে থাকছেন।
এ ছাড়া-স্থানীয় সরকারমন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর ৩৫ হেয়ার রোড, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ ২৪ বেইলি রোড, মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী হাফিজ উদ্দিন আহমদ (বীর বিক্রম) ৫ হেয়ার রোড, সমাজকল্যাণমন্ত্রী আবু জাফর মো. জাহিদ হোসেন ২৫ বেইলি রোড, ধর্মমন্ত্রী কাজী শাহ মোফাজ্জাল হোসাইন কায়কোবাদ ৭ মিন্টো রোড, ভূমিমন্ত্রী মিজানুর রহমান মিনু ২ মিন্টো রোড, সংস্কৃতিমন্ত্রী নিতাই রায় চৌধুরী ৫ মিন্টো রোড, আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান ১ হেয়ার রোড, পানিসম্পদমন্ত্রী শহীদ উদ্দীন চৌধুরী এ্যানি ৬ হেয়ার রোড।
বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটনমন্ত্রী আফরোজা খানম রিতা পেয়েছেন ১ মিন্টো রোড, স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন ৪ মিন্টো রোড, শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন ৩৪ মিন্টো রোড, ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি এবং বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিমন্ত্রী ফকির মাহবুব আনাম ৪১ মিন্টো রোড এবং প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা ইসমাইল জবিউল্লাহ ২ হেয়ার রোডে বাংলোবাড়ি বরাদ্দ পেয়েছেন।
অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী ও শ্রম ও কর্মসংস্থান এবং প্রবাসীকল্যাণমন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরীকে গুলশানে এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী শেখ রবিউল আলমকে ধানমন্ডিতে সরকারি বাসা দেওয়া হয়েছে।
প্রতিমন্ত্রীদের জন্য হেয়ার রোডে অবস্থিত মিনিস্টার্স অ্যাপার্টমেন্টে ফ্ল্যাট বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে।
এদিকে সদ্যবিলুপ্ত অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা মুহাম্মদ ইউনূস এখনো যমুনায় অবস্থান করছেন। আগামী ২৭ ফেব্রুয়ারি তিনি সেখান থেকে বিদায় নেবেন বলে সরকারি সূত্র জানিয়েছে।
সরকারপ্রধানের নিরাপত্তা ও সচিবালয়ে যাতায়াতের সুবিধার্থে রাজধানীর হেয়ার রোডে অবস্থিত রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনতেই উঠছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। সরকারি আবাসন পরিদপ্তর জানিয়েছে, নতুন সরকারের মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রীদের বাসা বরাদ্দের কাজ ইতোমধ্যে সম্পন্ন হয়েছে। শিগগিরই তাদের কাছে আনুষ্ঠানিক চিঠি পাঠানো হবে।
মন্ত্রিপাড়ায় নতুন বরাদ্দ
ঢাকার হেয়ার রোড, মিন্টো রোড ও বেইলি রোড এলাকা ‘মন্ত্রিপাড়া’ নামে পরিচিত। আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর গঠিত অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টারা সেখানে অবস্থান করছিলেন। ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিজয়ের পর ১৭ ফেব্রুয়ারি শপথ নিয়ে সরকার গঠন করে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)। দায়িত্ব হস্তান্তরের পর অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টারা বাংলোবাড়ি ছাড়তে শুরু করেছেন।
গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের অধীন সরকারি আবাসন পরিদপ্তর জানিয়েছে, কিছু সংস্কারকাজ শেষে ঈদুল ফিতরের পর মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রীরা নতুন বাসায় উঠতে পারবেন।
কে কোথায় বরাদ্দ পেলেন
পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান মিন্টো রোডের ৩৩ নম্বর বাংলোবাড়িতে থাকছেন।
এ ছাড়া-স্থানীয় সরকারমন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর ৩৫ হেয়ার রোড, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ ২৪ বেইলি রোড, মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী হাফিজ উদ্দিন আহমদ (বীর বিক্রম) ৫ হেয়ার রোড, সমাজকল্যাণমন্ত্রী আবু জাফর মো. জাহিদ হোসেন ২৫ বেইলি রোড, ধর্মমন্ত্রী কাজী শাহ মোফাজ্জাল হোসাইন কায়কোবাদ ৭ মিন্টো রোড, ভূমিমন্ত্রী মিজানুর রহমান মিনু ২ মিন্টো রোড, সংস্কৃতিমন্ত্রী নিতাই রায় চৌধুরী ৫ মিন্টো রোড, আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান ১ হেয়ার রোড, পানিসম্পদমন্ত্রী শহীদ উদ্দীন চৌধুরী এ্যানি ৬ হেয়ার রোড।
বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটনমন্ত্রী আফরোজা খানম রিতা পেয়েছেন ১ মিন্টো রোড, স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন ৪ মিন্টো রোড, শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন ৩৪ মিন্টো রোড, ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি এবং বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিমন্ত্রী ফকির মাহবুব আনাম ৪১ মিন্টো রোড এবং প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা ইসমাইল জবিউল্লাহ ২ হেয়ার রোডে বাংলোবাড়ি বরাদ্দ পেয়েছেন।
অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী ও শ্রম ও কর্মসংস্থান এবং প্রবাসীকল্যাণমন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরীকে গুলশানে এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী শেখ রবিউল আলমকে ধানমন্ডিতে সরকারি বাসা দেওয়া হয়েছে।
প্রতিমন্ত্রীদের জন্য হেয়ার রোডে অবস্থিত মিনিস্টার্স অ্যাপার্টমেন্টে ফ্ল্যাট বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে।
এদিকে সদ্যবিলুপ্ত অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা মুহাম্মদ ইউনূস এখনো যমুনায় অবস্থান করছেন। আগামী ২৭ ফেব্রুয়ারি তিনি সেখান থেকে বিদায় নেবেন বলে সরকারি সূত্র জানিয়েছে।
সরকারপ্রধানের নিরাপত্তা ও সচিবালয়ে যাতায়াতের সুবিধার্থে রাজধানীর হেয়ার রোডে অবস্থিত রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনতেই উঠছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। সরকারি আবাসন পরিদপ্তর জানিয়েছে, নতুন সরকারের মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রীদের বাসা বরাদ্দের কাজ ইতোমধ্যে সম্পন্ন হয়েছে। শিগগিরই তাদের কাছে আনুষ্ঠানিক চিঠি পাঠানো হবে।
মন্ত্রিপাড়ায় নতুন বরাদ্দ
ঢাকার হেয়ার রোড, মিন্টো রোড ও বেইলি রোড এলাকা ‘মন্ত্রিপাড়া’ নামে পরিচিত। আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর গঠিত অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টারা সেখানে অবস্থান করছিলেন। ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিজয়ের পর ১৭ ফেব্রুয়ারি শপথ নিয়ে সরকার গঠন করে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)। দায়িত্ব হস্তান্তরের পর অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টারা বাংলোবাড়ি ছাড়তে শুরু করেছেন।
গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের অধীন সরকারি আবাসন পরিদপ্তর জানিয়েছে, কিছু সংস্কারকাজ শেষে ঈদুল ফিতরের পর মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রীরা নতুন বাসায় উঠতে পারবেন।
কে কোথায় বরাদ্দ পেলেন
পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান মিন্টো রোডের ৩৩ নম্বর বাংলোবাড়িতে থাকছেন।
এ ছাড়া-স্থানীয় সরকারমন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর ৩৫ হেয়ার রোড, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ ২৪ বেইলি রোড, মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী হাফিজ উদ্দিন আহমদ (বীর বিক্রম) ৫ হেয়ার রোড, সমাজকল্যাণমন্ত্রী আবু জাফর মো. জাহিদ হোসেন ২৫ বেইলি রোড, ধর্মমন্ত্রী কাজী শাহ মোফাজ্জাল হোসাইন কায়কোবাদ ৭ মিন্টো রোড, ভূমিমন্ত্রী মিজানুর রহমান মিনু ২ মিন্টো রোড, সংস্কৃতিমন্ত্রী নিতাই রায় চৌধুরী ৫ মিন্টো রোড, আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান ১ হেয়ার রোড, পানিসম্পদমন্ত্রী শহীদ উদ্দীন চৌধুরী এ্যানি ৬ হেয়ার রোড।
বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটনমন্ত্রী আফরোজা খানম রিতা পেয়েছেন ১ মিন্টো রোড, স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন ৪ মিন্টো রোড, শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন ৩৪ মিন্টো রোড, ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি এবং বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিমন্ত্রী ফকির মাহবুব আনাম ৪১ মিন্টো রোড এবং প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা ইসমাইল জবিউল্লাহ ২ হেয়ার রোডে বাংলোবাড়ি বরাদ্দ পেয়েছেন।
অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী ও শ্রম ও কর্মসংস্থান এবং প্রবাসীকল্যাণমন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরীকে গুলশানে এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী শেখ রবিউল আলমকে ধানমন্ডিতে সরকারি বাসা দেওয়া হয়েছে।
প্রতিমন্ত্রীদের জন্য হেয়ার রোডে অবস্থিত মিনিস্টার্স অ্যাপার্টমেন্টে ফ্ল্যাট বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে।
এদিকে সদ্যবিলুপ্ত অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা মুহাম্মদ ইউনূস এখনো যমুনায় অবস্থান করছেন। আগামী ২৭ ফেব্রুয়ারি তিনি সেখান থেকে বিদায় নেবেন বলে সরকারি সূত্র জানিয়েছে।
সরকারপ্রধানের নিরাপত্তা ও সচিবালয়ে যাতায়াতের সুবিধার্থে রাজধানীর হেয়ার রোডে অবস্থিত রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনতেই উঠছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। সরকারি আবাসন পরিদপ্তর জানিয়েছে, নতুন সরকারের মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রীদের বাসা বরাদ্দের কাজ ইতোমধ্যে সম্পন্ন হয়েছে। শিগগিরই তাদের কাছে আনুষ্ঠানিক চিঠি পাঠানো হবে।
মন্ত্রিপাড়ায় নতুন বরাদ্দ
ঢাকার হেয়ার রোড, মিন্টো রোড ও বেইলি রোড এলাকা ‘মন্ত্রিপাড়া’ নামে পরিচিত। আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর গঠিত অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টারা সেখানে অবস্থান করছিলেন। ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিজয়ের পর ১৭ ফেব্রুয়ারি শপথ নিয়ে সরকার গঠন করে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)। দায়িত্ব হস্তান্তরের পর অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টারা বাংলোবাড়ি ছাড়তে শুরু করেছেন।
গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের অধীন সরকারি আবাসন পরিদপ্তর জানিয়েছে, কিছু সংস্কারকাজ শেষে ঈদুল ফিতরের পর মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রীরা নতুন বাসায় উঠতে পারবেন।
কে কোথায় বরাদ্দ পেলেন
পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান মিন্টো রোডের ৩৩ নম্বর বাংলোবাড়িতে থাকছেন।
এ ছাড়া-স্থানীয় সরকারমন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর ৩৫ হেয়ার রোড, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ ২৪ বেইলি রোড, মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী হাফিজ উদ্দিন আহমদ (বীর বিক্রম) ৫ হেয়ার রোড, সমাজকল্যাণমন্ত্রী আবু জাফর মো. জাহিদ হোসেন ২৫ বেইলি রোড, ধর্মমন্ত্রী কাজী শাহ মোফাজ্জাল হোসাইন কায়কোবাদ ৭ মিন্টো রোড, ভূমিমন্ত্রী মিজানুর রহমান মিনু ২ মিন্টো রোড, সংস্কৃতিমন্ত্রী নিতাই রায় চৌধুরী ৫ মিন্টো রোড, আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান ১ হেয়ার রোড, পানিসম্পদমন্ত্রী শহীদ উদ্দীন চৌধুরী এ্যানি ৬ হেয়ার রোড।
বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটনমন্ত্রী আফরোজা খানম রিতা পেয়েছেন ১ মিন্টো রোড, স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন ৪ মিন্টো রোড, শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন ৩৪ মিন্টো রোড, ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি এবং বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিমন্ত্রী ফকির মাহবুব আনাম ৪১ মিন্টো রোড এবং প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা ইসমাইল জবিউল্লাহ ২ হেয়ার রোডে বাংলোবাড়ি বরাদ্দ পেয়েছেন।
অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী ও শ্রম ও কর্মসংস্থান এবং প্রবাসীকল্যাণমন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরীকে গুলশানে এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী শেখ রবিউল আলমকে ধানমন্ডিতে সরকারি বাসা দেওয়া হয়েছে।
প্রতিমন্ত্রীদের জন্য হেয়ার রোডে অবস্থিত মিনিস্টার্স অ্যাপার্টমেন্টে ফ্ল্যাট বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে।
এদিকে সদ্যবিলুপ্ত অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা মুহাম্মদ ইউনূস এখনো যমুনায় অবস্থান করছেন। আগামী ২৭ ফেব্রুয়ারি তিনি সেখান থেকে বিদায় নেবেন বলে সরকারি সূত্র জানিয়েছে।
এখনও কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!