
ফরিদপুরের বোয়ালমারীতে সহকর্মীর পায়ুপথে কম্প্রেসার মেশিনের বাতাস ঢুকিয়ে নৃশংসভাবে সজিব শরীফ (১৫) নামে এক কিশোর শ্রমিককে হত্যার ঘটনায় মূল অভিযুক্ত রিহাত শেখ ওরফে হাকিমকে (২২) গ্রেপ্তার করেছে র্যাব। বৃহস্পতিবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) রাতে র্যাব-১০ ফরিদপুর ক্যাম্পে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য নিশ্চিত করা হয়।
গত সোমবার (২৩ ফেব্রুয়ারি) রাত সাড়ে ৯টার দিকে বোয়ালমারী উপজেলার সাতৈর ইউনিয়নের ডোবরা গ্রামে অবস্থিত ‘আকিজ-বশির জনতা জুট মিলে’ এই মর্মান্তিক ঘটনা ঘটে। নিহত সজিব শরীফ পার্শ্ববর্তী দাদপুর ইউনিয়নের বাড়ৈপাড়া গ্রামের কৃষক শহিদুল শরীফের ছেলে। সে ওই মিলের স্পিনিং বিভাগে হেলপার হিসেবে কাজ করত।
পুলিশ ও প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা যায়, কাজ শেষে শরীরে লেগে থাকা পাটের আঁশ পরিষ্কার করার জন্য সজিব কম্প্রেসার মেশিনের হাওয়ার পাইপ ব্যবহার করছিল। এ সময় সহকর্মী রিহাত শেখ ও তার এক সহযোগী মিলে হঠাৎ মেশিনের উচ্চচাপের বাতাস সজিবের পায়ুপথে ঢুকিয়ে দেয়। এতে সজিবের পেট অস্বাভাবিকভাবে ফুলে যায় এবং সে তাৎক্ষণিকভাবে অচেতন হয়ে পড়ে।
আশঙ্কাজনক অবস্থায় সজিবকে প্রথমে ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়। অবস্থার অবনতি হলে তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় পাঠানো হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় বুধবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) সকালে তার মৃত্যু হয়। চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, অতিরিক্ত বায়ুচাপের কারণে সজিবের অন্ত্রের একাধিক স্থানে ছিদ্র হয়ে গিয়েছিল।
ঘটনার পর থেকেই অভিযুক্ত রিহাত শেখ আত্মগোপনে চলে যান। র্যাব-১০ সিপিসি-৩ এর কোম্পানি কমান্ডার স্কোয়াড্রন লিডার তারিকুল ইসলাম জানান, গোয়েন্দা নজরদারি ও তথ্য-প্রযুক্তির সহায়তায় মাগুরার শ্রীপুর এলাকায় অভিযান চালিয়ে মামলার ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই তাকে গ্রেফতার করা হয়েছে।
র্যাব আরও জানায়, এ ধরনের নৃশংস অপরাধের বিরুদ্ধে তারা জিরো টলারেন্স নীতি অনুসরণ করছে। গ্রেফতার আসামিকে সংশ্লিষ্ট থানায় হস্তান্তরের প্রক্রিয়া চলছে। এই ঘটনায় নিহত সজিবের বাবা বোয়ালমারী থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেছেন।

ফরিদপুরের বোয়ালমারীতে সহকর্মীর পায়ুপথে কম্প্রেসার মেশিনের বাতাস ঢুকিয়ে নৃশংসভাবে সজিব শরীফ (১৫) নামে এক কিশোর শ্রমিককে হত্যার ঘটনায় মূল অভিযুক্ত রিহাত শেখ ওরফে হাকিমকে (২২) গ্রেপ্তার করেছে র্যাব। বৃহস্পতিবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) রাতে র্যাব-১০ ফরিদপুর ক্যাম্পে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য নিশ্চিত করা হয়।
গত সোমবার (২৩ ফেব্রুয়ারি) রাত সাড়ে ৯টার দিকে বোয়ালমারী উপজেলার সাতৈর ইউনিয়নের ডোবরা গ্রামে অবস্থিত ‘আকিজ-বশির জনতা জুট মিলে’ এই মর্মান্তিক ঘটনা ঘটে। নিহত সজিব শরীফ পার্শ্ববর্তী দাদপুর ইউনিয়নের বাড়ৈপাড়া গ্রামের কৃষক শহিদুল শরীফের ছেলে। সে ওই মিলের স্পিনিং বিভাগে হেলপার হিসেবে কাজ করত।
পুলিশ ও প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা যায়, কাজ শেষে শরীরে লেগে থাকা পাটের আঁশ পরিষ্কার করার জন্য সজিব কম্প্রেসার মেশিনের হাওয়ার পাইপ ব্যবহার করছিল। এ সময় সহকর্মী রিহাত শেখ ও তার এক সহযোগী মিলে হঠাৎ মেশিনের উচ্চচাপের বাতাস সজিবের পায়ুপথে ঢুকিয়ে দেয়। এতে সজিবের পেট অস্বাভাবিকভাবে ফুলে যায় এবং সে তাৎক্ষণিকভাবে অচেতন হয়ে পড়ে।
আশঙ্কাজনক অবস্থায় সজিবকে প্রথমে ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়। অবস্থার অবনতি হলে তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় পাঠানো হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় বুধবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) সকালে তার মৃত্যু হয়। চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, অতিরিক্ত বায়ুচাপের কারণে সজিবের অন্ত্রের একাধিক স্থানে ছিদ্র হয়ে গিয়েছিল।
ঘটনার পর থেকেই অভিযুক্ত রিহাত শেখ আত্মগোপনে চলে যান। র্যাব-১০ সিপিসি-৩ এর কোম্পানি কমান্ডার স্কোয়াড্রন লিডার তারিকুল ইসলাম জানান, গোয়েন্দা নজরদারি ও তথ্য-প্রযুক্তির সহায়তায় মাগুরার শ্রীপুর এলাকায় অভিযান চালিয়ে মামলার ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই তাকে গ্রেফতার করা হয়েছে।
র্যাব আরও জানায়, এ ধরনের নৃশংস অপরাধের বিরুদ্ধে তারা জিরো টলারেন্স নীতি অনুসরণ করছে। গ্রেফতার আসামিকে সংশ্লিষ্ট থানায় হস্তান্তরের প্রক্রিয়া চলছে। এই ঘটনায় নিহত সজিবের বাবা বোয়ালমারী থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেছেন।

ফরিদপুরের বোয়ালমারীতে সহকর্মীর পায়ুপথে কম্প্রেসার মেশিনের বাতাস ঢুকিয়ে নৃশংসভাবে সজিব শরীফ (১৫) নামে এক কিশোর শ্রমিককে হত্যার ঘটনায় মূল অভিযুক্ত রিহাত শেখ ওরফে হাকিমকে (২২) গ্রেপ্তার করেছে র্যাব। বৃহস্পতিবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) রাতে র্যাব-১০ ফরিদপুর ক্যাম্পে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য নিশ্চিত করা হয়।
গত সোমবার (২৩ ফেব্রুয়ারি) রাত সাড়ে ৯টার দিকে বোয়ালমারী উপজেলার সাতৈর ইউনিয়নের ডোবরা গ্রামে অবস্থিত ‘আকিজ-বশির জনতা জুট মিলে’ এই মর্মান্তিক ঘটনা ঘটে। নিহত সজিব শরীফ পার্শ্ববর্তী দাদপুর ইউনিয়নের বাড়ৈপাড়া গ্রামের কৃষক শহিদুল শরীফের ছেলে। সে ওই মিলের স্পিনিং বিভাগে হেলপার হিসেবে কাজ করত।
পুলিশ ও প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা যায়, কাজ শেষে শরীরে লেগে থাকা পাটের আঁশ পরিষ্কার করার জন্য সজিব কম্প্রেসার মেশিনের হাওয়ার পাইপ ব্যবহার করছিল। এ সময় সহকর্মী রিহাত শেখ ও তার এক সহযোগী মিলে হঠাৎ মেশিনের উচ্চচাপের বাতাস সজিবের পায়ুপথে ঢুকিয়ে দেয়। এতে সজিবের পেট অস্বাভাবিকভাবে ফুলে যায় এবং সে তাৎক্ষণিকভাবে অচেতন হয়ে পড়ে।
আশঙ্কাজনক অবস্থায় সজিবকে প্রথমে ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়। অবস্থার অবনতি হলে তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় পাঠানো হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় বুধবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) সকালে তার মৃত্যু হয়। চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, অতিরিক্ত বায়ুচাপের কারণে সজিবের অন্ত্রের একাধিক স্থানে ছিদ্র হয়ে গিয়েছিল।
ঘটনার পর থেকেই অভিযুক্ত রিহাত শেখ আত্মগোপনে চলে যান। র্যাব-১০ সিপিসি-৩ এর কোম্পানি কমান্ডার স্কোয়াড্রন লিডার তারিকুল ইসলাম জানান, গোয়েন্দা নজরদারি ও তথ্য-প্রযুক্তির সহায়তায় মাগুরার শ্রীপুর এলাকায় অভিযান চালিয়ে মামলার ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই তাকে গ্রেফতার করা হয়েছে।
র্যাব আরও জানায়, এ ধরনের নৃশংস অপরাধের বিরুদ্ধে তারা জিরো টলারেন্স নীতি অনুসরণ করছে। গ্রেফতার আসামিকে সংশ্লিষ্ট থানায় হস্তান্তরের প্রক্রিয়া চলছে। এই ঘটনায় নিহত সজিবের বাবা বোয়ালমারী থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেছেন।

ফরিদপুরের বোয়ালমারীতে সহকর্মীর পায়ুপথে কম্প্রেসার মেশিনের বাতাস ঢুকিয়ে নৃশংসভাবে সজিব শরীফ (১৫) নামে এক কিশোর শ্রমিককে হত্যার ঘটনায় মূল অভিযুক্ত রিহাত শেখ ওরফে হাকিমকে (২২) গ্রেপ্তার করেছে র্যাব। বৃহস্পতিবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) রাতে র্যাব-১০ ফরিদপুর ক্যাম্পে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য নিশ্চিত করা হয়।
গত সোমবার (২৩ ফেব্রুয়ারি) রাত সাড়ে ৯টার দিকে বোয়ালমারী উপজেলার সাতৈর ইউনিয়নের ডোবরা গ্রামে অবস্থিত ‘আকিজ-বশির জনতা জুট মিলে’ এই মর্মান্তিক ঘটনা ঘটে। নিহত সজিব শরীফ পার্শ্ববর্তী দাদপুর ইউনিয়নের বাড়ৈপাড়া গ্রামের কৃষক শহিদুল শরীফের ছেলে। সে ওই মিলের স্পিনিং বিভাগে হেলপার হিসেবে কাজ করত।
পুলিশ ও প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা যায়, কাজ শেষে শরীরে লেগে থাকা পাটের আঁশ পরিষ্কার করার জন্য সজিব কম্প্রেসার মেশিনের হাওয়ার পাইপ ব্যবহার করছিল। এ সময় সহকর্মী রিহাত শেখ ও তার এক সহযোগী মিলে হঠাৎ মেশিনের উচ্চচাপের বাতাস সজিবের পায়ুপথে ঢুকিয়ে দেয়। এতে সজিবের পেট অস্বাভাবিকভাবে ফুলে যায় এবং সে তাৎক্ষণিকভাবে অচেতন হয়ে পড়ে।
আশঙ্কাজনক অবস্থায় সজিবকে প্রথমে ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়। অবস্থার অবনতি হলে তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় পাঠানো হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় বুধবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) সকালে তার মৃত্যু হয়। চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, অতিরিক্ত বায়ুচাপের কারণে সজিবের অন্ত্রের একাধিক স্থানে ছিদ্র হয়ে গিয়েছিল।
ঘটনার পর থেকেই অভিযুক্ত রিহাত শেখ আত্মগোপনে চলে যান। র্যাব-১০ সিপিসি-৩ এর কোম্পানি কমান্ডার স্কোয়াড্রন লিডার তারিকুল ইসলাম জানান, গোয়েন্দা নজরদারি ও তথ্য-প্রযুক্তির সহায়তায় মাগুরার শ্রীপুর এলাকায় অভিযান চালিয়ে মামলার ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই তাকে গ্রেফতার করা হয়েছে।
র্যাব আরও জানায়, এ ধরনের নৃশংস অপরাধের বিরুদ্ধে তারা জিরো টলারেন্স নীতি অনুসরণ করছে। গ্রেফতার আসামিকে সংশ্লিষ্ট থানায় হস্তান্তরের প্রক্রিয়া চলছে। এই ঘটনায় নিহত সজিবের বাবা বোয়ালমারী থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেছেন।
এখনও কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!