
নাগরিকের পরিচয় ও আর্থিক লেনদেন একটি সমন্বিত প্ল্যাটফর্মে আসবে বলে জানিয়েছেন-প্রধানমন্ত্রী ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি এবং বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিষয়ক উপদেষ্টা রেহান আসিফ আসাদ। তিনি বলেন- ডিজিটাল আইডি বাস্তবায়িত হলে নাগরিকের পরিচয় ও আর্থিক লেনদেন একটি সমন্বিত প্ল্যাটফর্মে আসবে। এতে করে সরকারি-বেসরকারি সেবা গ্রহণ হবে আরও সহজ, দ্রুত ও কার্যকর। আগামী ১২ থেকে ১৮ মাসের মধ্যে ধাপে ধাপে এ কার্যক্রম শুরু করার লক্ষ্য রয়েছে।
শনিবার (২৫ এপ্রিল) রাজধানীর একটি অভিজাত হোটেলে টেলিকম অ্যান্ড টেকনোলজি রিপোর্টার্স নেটওয়ার্ক অব বাংলাদেশ (টিআরএনবি) আয়োজিত ‘নতুন টেলিকম পলিসি ও তার প্রভাব’ শীর্ষক সেমিনারে এসব তথ্য জানান তিনি।
তিনি বলেন, ‘টেলিকম খাতে কোনো রাজনীতি নয়, এটি দেশের জন্য ভবিষ্যত শিল্প খাত। দেশের ৯০ শতাংশ জনগণকে ১০০এমবি ব্রডব্যান্ড কানেক্টিভিটি এবং ৫জি মোবাইল নেটওয়ার্কে আনতে কাজ করছে সরকার।
সরকার টেলিকম সেক্টরে ৪টি বিষয় গুরুত্ব দিয়ে কাজ করছেন জানিয়ে তিনি বলেন, সরকার টেলিকম সেক্টরের সবার সঙ্গে কথা বলে পলেসি প্রণয়ন, প্রত্যেকে নাগরিকের ডিজিটাল আইডি ও ডিজিটাল ওয়ালেট করা, এআই নীতিমালা প্রণয়ন এবং এ খাতে সুষ্ঠু রাজস্ব ব্যবস্থাপনা তৈরি করতে কাজ করে যাচ্ছে।
মোবাইল সাবসক্রাইবার হিসেবে বাংলাদেশ তৃতীয় অবস্থানে থাকলেও সেবায় ১৪১তম অবস্থান নিয়ে আক্ষেপ করে উপদেষ্টা বলেন, মোবাইল ও ব্রডব্যান্ড সেবার বর্তমান চিত্র একটি সমষ্টিগত ব্যর্থতা। তবে একইসঙ্গে এটি একটি বড় সুযোগও তৈরি করেছে। দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার অনেক দেশের তুলনায় বাংলাদেশ ব্রডব্যান্ড সেবায় পিছিয়ে আছে, যা স্বীকার করে সামনে এগোতে হবে। তাছাড়া সরকারের প্রথম অগ্রাধিকার হচ্ছে দেশের মানুষ বা ভোক্তা। দ্বিতীয়ত, ব্যবসা ও অর্থনীতির বিকাশ এবং তৃতীয়ত বিদেশি বিনিয়োগ (এফডিআই) বাড়ানো। আগামীতে এফডিআই জিডিপির ২ দশমিক ৫ শতাংশে উন্নীত করার লক্ষ্য রয়েছে, যা প্রায় ৪০০ শতাংশ বৃদ্ধির সমান।
রেহান আসিফ বলেন, টেলিকম সেবায় বিগত সময়ের কালেক্টিভ ফেইলরকে অপরচুনিটি হিসেবে দেখছে সরকার। তাই সবার আগে বাংলাদেশ স্লোগানে আমরা গ্রাহকের স্বার্থ দেখি। তবে ডিজিটাল সার্বভৌমত্ব খুবই গুরুত্বপূর্ণ। তবে এরজন্য সাইবার সুরক্ষায় আমরা গুরুত্ব দিচ্ছি। শিক্ষাক্রমে এআই অন্তর্ভূক্তি করতে কাজ করছি।
উচ্চশিক্ষা ও দীর্ঘ ২২ বছরের বিদেশে কাজের অভিজ্ঞতা সম্পন্ন এক প্রতিষ্ঠাতা দেশের স্বার্থকে অগ্রাধিকার দিয়ে ডিজিটাল সার্বভৌমত্ব প্রতিষ্ঠার ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন। তিনি বলেন, ডিজিটাল সার্বভৌমত্ব অনেকটা সামরিক শক্তির মতোই গুরুত্বপূর্ণ। নাগরিকদের তথ্য সুরক্ষায় সরকার ন্যাশনাল ডাটা পলিসি নিয়ে কাজ করছে এবং আগামী ৩০ বছরের অর্থনৈতিক কাঠামোর ভিত্তি প্রযুক্তিনির্ভর করে গড়ে তোলার লক্ষ্যে বিভিন্ন চুক্তি করা হবে।
এদিকে, মোবাইল সাবস্ক্রিপশনের দিক থেকে বাংলাদেশ বিশ্বে এগিয়ে থাকলেও সেবার মানে পিছিয়ে পড়ার বিষয়টি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেন সংশ্লিষ্ট উপদেষ্টা। তিনি বলেন, ১৫৩টি দেশের মধ্যে বাংলাদেশের অবস্থান ১৪১তম, যা অত্যন্ত হতাশাজনক।
তবে এই সংকটকেই সম্ভাবনায় রূপান্তরের সুযোগ হিসেবে দেখছেন তিনি। যথাযথ নীতি গ্রহণ ও কার্যকর বাস্তবায়নের মাধ্যমে টেলিযোগাযোগ খাতে দ্রুত উন্নয়ন সম্ভব বলেও আশাবাদ ব্যক্ত করেন উপদেষ্টা।
দ্রুত বদলে যাওয়া প্রযুক্তির সঙ্গে ব্যবসায়ীদের মানিয়ে নেওয়ার আহ্বান জানিয়ে বিটিআরসি চেয়ারম্যান এমদাদ উল বারী বলেন, সবাই মিলে উইন উইন হয়ে এগিয়ে যেতে হবে। মিথ্যার ওপর ভিত্তি করে কোনো সমালোচনা না করার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, আমরা অবকাঠামো উন্নয়নে বিদেশি বিনিয়োগে সুযোগ রেখেছি। টেলিকম নীতিমালয় বিদেশি বিনিয়োগ নিয়ে চেয়ারম্যান বলেন, আমরা উদ্ভাবক নই। ব্যবহার কারি। তাই বিদেশি কোম্পানিকে সুযোগ দিতে হয়।
বৈঠকে কলামিস্ট ও সাংবাদিক মাসুদ কামাল দেশের গ্রামীণ এলাকায় ইন্টারনেট সেবার মান নিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করেন। তিনি রাষ্ট্রীয় মোবাইল অপারেটর টেলিটককে শক্তিশালী করার দাবি জানান, যাতে সারা দেশে সেবার মান উন্নয়ন সম্ভব হয়।
টিআরএনবির সভাপতি সমীর কুমার দের সঞ্চালনায় সভায় স্বাগত বক্তব্য দেন টিআরএনবির সাধারণ সম্পাদক মাসুদুজ্জামান রবিন। এসময় অন্যানের মধ্যে বক্তব্য রাখেন ইন্টারনেট সার্ভিস প্রোভাইডার অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (আইএসপিএবি) সভাপতি এম এ হাকিম, ফাইবার এট হোমের চেয়ারম্যান মইনুল হক সিদ্দিকী, মোবাইল টেলিকম অপারেটরস অব বাংলাদেশের (এমটব) মহাসচিব লেফটেন্যান্ট কর্নেল (অব.) মোহাম্মদ জুলফিকার, অ্যাসোসিয়েশন অব আইসিএক্স অপারেটরস অব বাংলাদেশ (এআইওবি) সাধারণ সম্পাদক নূরুল আলম ও আইআইজিডব্লিউ ফোরামের সাধারণ সম্পাদক আহমেদ জুনায়েদ প্রমুখ।

নাগরিকের পরিচয় ও আর্থিক লেনদেন একটি সমন্বিত প্ল্যাটফর্মে আসবে বলে জানিয়েছেন-প্রধানমন্ত্রী ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি এবং বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিষয়ক উপদেষ্টা রেহান আসিফ আসাদ। তিনি বলেন- ডিজিটাল আইডি বাস্তবায়িত হলে নাগরিকের পরিচয় ও আর্থিক লেনদেন একটি সমন্বিত প্ল্যাটফর্মে আসবে। এতে করে সরকারি-বেসরকারি সেবা গ্রহণ হবে আরও সহজ, দ্রুত ও কার্যকর। আগামী ১২ থেকে ১৮ মাসের মধ্যে ধাপে ধাপে এ কার্যক্রম শুরু করার লক্ষ্য রয়েছে।
শনিবার (২৫ এপ্রিল) রাজধানীর একটি অভিজাত হোটেলে টেলিকম অ্যান্ড টেকনোলজি রিপোর্টার্স নেটওয়ার্ক অব বাংলাদেশ (টিআরএনবি) আয়োজিত ‘নতুন টেলিকম পলিসি ও তার প্রভাব’ শীর্ষক সেমিনারে এসব তথ্য জানান তিনি।
তিনি বলেন, ‘টেলিকম খাতে কোনো রাজনীতি নয়, এটি দেশের জন্য ভবিষ্যত শিল্প খাত। দেশের ৯০ শতাংশ জনগণকে ১০০এমবি ব্রডব্যান্ড কানেক্টিভিটি এবং ৫জি মোবাইল নেটওয়ার্কে আনতে কাজ করছে সরকার।
সরকার টেলিকম সেক্টরে ৪টি বিষয় গুরুত্ব দিয়ে কাজ করছেন জানিয়ে তিনি বলেন, সরকার টেলিকম সেক্টরের সবার সঙ্গে কথা বলে পলেসি প্রণয়ন, প্রত্যেকে নাগরিকের ডিজিটাল আইডি ও ডিজিটাল ওয়ালেট করা, এআই নীতিমালা প্রণয়ন এবং এ খাতে সুষ্ঠু রাজস্ব ব্যবস্থাপনা তৈরি করতে কাজ করে যাচ্ছে।
মোবাইল সাবসক্রাইবার হিসেবে বাংলাদেশ তৃতীয় অবস্থানে থাকলেও সেবায় ১৪১তম অবস্থান নিয়ে আক্ষেপ করে উপদেষ্টা বলেন, মোবাইল ও ব্রডব্যান্ড সেবার বর্তমান চিত্র একটি সমষ্টিগত ব্যর্থতা। তবে একইসঙ্গে এটি একটি বড় সুযোগও তৈরি করেছে। দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার অনেক দেশের তুলনায় বাংলাদেশ ব্রডব্যান্ড সেবায় পিছিয়ে আছে, যা স্বীকার করে সামনে এগোতে হবে। তাছাড়া সরকারের প্রথম অগ্রাধিকার হচ্ছে দেশের মানুষ বা ভোক্তা। দ্বিতীয়ত, ব্যবসা ও অর্থনীতির বিকাশ এবং তৃতীয়ত বিদেশি বিনিয়োগ (এফডিআই) বাড়ানো। আগামীতে এফডিআই জিডিপির ২ দশমিক ৫ শতাংশে উন্নীত করার লক্ষ্য রয়েছে, যা প্রায় ৪০০ শতাংশ বৃদ্ধির সমান।
রেহান আসিফ বলেন, টেলিকম সেবায় বিগত সময়ের কালেক্টিভ ফেইলরকে অপরচুনিটি হিসেবে দেখছে সরকার। তাই সবার আগে বাংলাদেশ স্লোগানে আমরা গ্রাহকের স্বার্থ দেখি। তবে ডিজিটাল সার্বভৌমত্ব খুবই গুরুত্বপূর্ণ। তবে এরজন্য সাইবার সুরক্ষায় আমরা গুরুত্ব দিচ্ছি। শিক্ষাক্রমে এআই অন্তর্ভূক্তি করতে কাজ করছি।
উচ্চশিক্ষা ও দীর্ঘ ২২ বছরের বিদেশে কাজের অভিজ্ঞতা সম্পন্ন এক প্রতিষ্ঠাতা দেশের স্বার্থকে অগ্রাধিকার দিয়ে ডিজিটাল সার্বভৌমত্ব প্রতিষ্ঠার ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন। তিনি বলেন, ডিজিটাল সার্বভৌমত্ব অনেকটা সামরিক শক্তির মতোই গুরুত্বপূর্ণ। নাগরিকদের তথ্য সুরক্ষায় সরকার ন্যাশনাল ডাটা পলিসি নিয়ে কাজ করছে এবং আগামী ৩০ বছরের অর্থনৈতিক কাঠামোর ভিত্তি প্রযুক্তিনির্ভর করে গড়ে তোলার লক্ষ্যে বিভিন্ন চুক্তি করা হবে।
এদিকে, মোবাইল সাবস্ক্রিপশনের দিক থেকে বাংলাদেশ বিশ্বে এগিয়ে থাকলেও সেবার মানে পিছিয়ে পড়ার বিষয়টি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেন সংশ্লিষ্ট উপদেষ্টা। তিনি বলেন, ১৫৩টি দেশের মধ্যে বাংলাদেশের অবস্থান ১৪১তম, যা অত্যন্ত হতাশাজনক।
তবে এই সংকটকেই সম্ভাবনায় রূপান্তরের সুযোগ হিসেবে দেখছেন তিনি। যথাযথ নীতি গ্রহণ ও কার্যকর বাস্তবায়নের মাধ্যমে টেলিযোগাযোগ খাতে দ্রুত উন্নয়ন সম্ভব বলেও আশাবাদ ব্যক্ত করেন উপদেষ্টা।
দ্রুত বদলে যাওয়া প্রযুক্তির সঙ্গে ব্যবসায়ীদের মানিয়ে নেওয়ার আহ্বান জানিয়ে বিটিআরসি চেয়ারম্যান এমদাদ উল বারী বলেন, সবাই মিলে উইন উইন হয়ে এগিয়ে যেতে হবে। মিথ্যার ওপর ভিত্তি করে কোনো সমালোচনা না করার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, আমরা অবকাঠামো উন্নয়নে বিদেশি বিনিয়োগে সুযোগ রেখেছি। টেলিকম নীতিমালয় বিদেশি বিনিয়োগ নিয়ে চেয়ারম্যান বলেন, আমরা উদ্ভাবক নই। ব্যবহার কারি। তাই বিদেশি কোম্পানিকে সুযোগ দিতে হয়।
বৈঠকে কলামিস্ট ও সাংবাদিক মাসুদ কামাল দেশের গ্রামীণ এলাকায় ইন্টারনেট সেবার মান নিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করেন। তিনি রাষ্ট্রীয় মোবাইল অপারেটর টেলিটককে শক্তিশালী করার দাবি জানান, যাতে সারা দেশে সেবার মান উন্নয়ন সম্ভব হয়।
টিআরএনবির সভাপতি সমীর কুমার দের সঞ্চালনায় সভায় স্বাগত বক্তব্য দেন টিআরএনবির সাধারণ সম্পাদক মাসুদুজ্জামান রবিন। এসময় অন্যানের মধ্যে বক্তব্য রাখেন ইন্টারনেট সার্ভিস প্রোভাইডার অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (আইএসপিএবি) সভাপতি এম এ হাকিম, ফাইবার এট হোমের চেয়ারম্যান মইনুল হক সিদ্দিকী, মোবাইল টেলিকম অপারেটরস অব বাংলাদেশের (এমটব) মহাসচিব লেফটেন্যান্ট কর্নেল (অব.) মোহাম্মদ জুলফিকার, অ্যাসোসিয়েশন অব আইসিএক্স অপারেটরস অব বাংলাদেশ (এআইওবি) সাধারণ সম্পাদক নূরুল আলম ও আইআইজিডব্লিউ ফোরামের সাধারণ সম্পাদক আহমেদ জুনায়েদ প্রমুখ।

নাগরিকের পরিচয় ও আর্থিক লেনদেন একটি সমন্বিত প্ল্যাটফর্মে আসবে বলে জানিয়েছেন-প্রধানমন্ত্রী ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি এবং বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিষয়ক উপদেষ্টা রেহান আসিফ আসাদ। তিনি বলেন- ডিজিটাল আইডি বাস্তবায়িত হলে নাগরিকের পরিচয় ও আর্থিক লেনদেন একটি সমন্বিত প্ল্যাটফর্মে আসবে। এতে করে সরকারি-বেসরকারি সেবা গ্রহণ হবে আরও সহজ, দ্রুত ও কার্যকর। আগামী ১২ থেকে ১৮ মাসের মধ্যে ধাপে ধাপে এ কার্যক্রম শুরু করার লক্ষ্য রয়েছে।
শনিবার (২৫ এপ্রিল) রাজধানীর একটি অভিজাত হোটেলে টেলিকম অ্যান্ড টেকনোলজি রিপোর্টার্স নেটওয়ার্ক অব বাংলাদেশ (টিআরএনবি) আয়োজিত ‘নতুন টেলিকম পলিসি ও তার প্রভাব’ শীর্ষক সেমিনারে এসব তথ্য জানান তিনি।
তিনি বলেন, ‘টেলিকম খাতে কোনো রাজনীতি নয়, এটি দেশের জন্য ভবিষ্যত শিল্প খাত। দেশের ৯০ শতাংশ জনগণকে ১০০এমবি ব্রডব্যান্ড কানেক্টিভিটি এবং ৫জি মোবাইল নেটওয়ার্কে আনতে কাজ করছে সরকার।
সরকার টেলিকম সেক্টরে ৪টি বিষয় গুরুত্ব দিয়ে কাজ করছেন জানিয়ে তিনি বলেন, সরকার টেলিকম সেক্টরের সবার সঙ্গে কথা বলে পলেসি প্রণয়ন, প্রত্যেকে নাগরিকের ডিজিটাল আইডি ও ডিজিটাল ওয়ালেট করা, এআই নীতিমালা প্রণয়ন এবং এ খাতে সুষ্ঠু রাজস্ব ব্যবস্থাপনা তৈরি করতে কাজ করে যাচ্ছে।
মোবাইল সাবসক্রাইবার হিসেবে বাংলাদেশ তৃতীয় অবস্থানে থাকলেও সেবায় ১৪১তম অবস্থান নিয়ে আক্ষেপ করে উপদেষ্টা বলেন, মোবাইল ও ব্রডব্যান্ড সেবার বর্তমান চিত্র একটি সমষ্টিগত ব্যর্থতা। তবে একইসঙ্গে এটি একটি বড় সুযোগও তৈরি করেছে। দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার অনেক দেশের তুলনায় বাংলাদেশ ব্রডব্যান্ড সেবায় পিছিয়ে আছে, যা স্বীকার করে সামনে এগোতে হবে। তাছাড়া সরকারের প্রথম অগ্রাধিকার হচ্ছে দেশের মানুষ বা ভোক্তা। দ্বিতীয়ত, ব্যবসা ও অর্থনীতির বিকাশ এবং তৃতীয়ত বিদেশি বিনিয়োগ (এফডিআই) বাড়ানো। আগামীতে এফডিআই জিডিপির ২ দশমিক ৫ শতাংশে উন্নীত করার লক্ষ্য রয়েছে, যা প্রায় ৪০০ শতাংশ বৃদ্ধির সমান।
রেহান আসিফ বলেন, টেলিকম সেবায় বিগত সময়ের কালেক্টিভ ফেইলরকে অপরচুনিটি হিসেবে দেখছে সরকার। তাই সবার আগে বাংলাদেশ স্লোগানে আমরা গ্রাহকের স্বার্থ দেখি। তবে ডিজিটাল সার্বভৌমত্ব খুবই গুরুত্বপূর্ণ। তবে এরজন্য সাইবার সুরক্ষায় আমরা গুরুত্ব দিচ্ছি। শিক্ষাক্রমে এআই অন্তর্ভূক্তি করতে কাজ করছি।
উচ্চশিক্ষা ও দীর্ঘ ২২ বছরের বিদেশে কাজের অভিজ্ঞতা সম্পন্ন এক প্রতিষ্ঠাতা দেশের স্বার্থকে অগ্রাধিকার দিয়ে ডিজিটাল সার্বভৌমত্ব প্রতিষ্ঠার ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন। তিনি বলেন, ডিজিটাল সার্বভৌমত্ব অনেকটা সামরিক শক্তির মতোই গুরুত্বপূর্ণ। নাগরিকদের তথ্য সুরক্ষায় সরকার ন্যাশনাল ডাটা পলিসি নিয়ে কাজ করছে এবং আগামী ৩০ বছরের অর্থনৈতিক কাঠামোর ভিত্তি প্রযুক্তিনির্ভর করে গড়ে তোলার লক্ষ্যে বিভিন্ন চুক্তি করা হবে।
এদিকে, মোবাইল সাবস্ক্রিপশনের দিক থেকে বাংলাদেশ বিশ্বে এগিয়ে থাকলেও সেবার মানে পিছিয়ে পড়ার বিষয়টি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেন সংশ্লিষ্ট উপদেষ্টা। তিনি বলেন, ১৫৩টি দেশের মধ্যে বাংলাদেশের অবস্থান ১৪১তম, যা অত্যন্ত হতাশাজনক।
তবে এই সংকটকেই সম্ভাবনায় রূপান্তরের সুযোগ হিসেবে দেখছেন তিনি। যথাযথ নীতি গ্রহণ ও কার্যকর বাস্তবায়নের মাধ্যমে টেলিযোগাযোগ খাতে দ্রুত উন্নয়ন সম্ভব বলেও আশাবাদ ব্যক্ত করেন উপদেষ্টা।
দ্রুত বদলে যাওয়া প্রযুক্তির সঙ্গে ব্যবসায়ীদের মানিয়ে নেওয়ার আহ্বান জানিয়ে বিটিআরসি চেয়ারম্যান এমদাদ উল বারী বলেন, সবাই মিলে উইন উইন হয়ে এগিয়ে যেতে হবে। মিথ্যার ওপর ভিত্তি করে কোনো সমালোচনা না করার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, আমরা অবকাঠামো উন্নয়নে বিদেশি বিনিয়োগে সুযোগ রেখেছি। টেলিকম নীতিমালয় বিদেশি বিনিয়োগ নিয়ে চেয়ারম্যান বলেন, আমরা উদ্ভাবক নই। ব্যবহার কারি। তাই বিদেশি কোম্পানিকে সুযোগ দিতে হয়।
বৈঠকে কলামিস্ট ও সাংবাদিক মাসুদ কামাল দেশের গ্রামীণ এলাকায় ইন্টারনেট সেবার মান নিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করেন। তিনি রাষ্ট্রীয় মোবাইল অপারেটর টেলিটককে শক্তিশালী করার দাবি জানান, যাতে সারা দেশে সেবার মান উন্নয়ন সম্ভব হয়।
টিআরএনবির সভাপতি সমীর কুমার দের সঞ্চালনায় সভায় স্বাগত বক্তব্য দেন টিআরএনবির সাধারণ সম্পাদক মাসুদুজ্জামান রবিন। এসময় অন্যানের মধ্যে বক্তব্য রাখেন ইন্টারনেট সার্ভিস প্রোভাইডার অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (আইএসপিএবি) সভাপতি এম এ হাকিম, ফাইবার এট হোমের চেয়ারম্যান মইনুল হক সিদ্দিকী, মোবাইল টেলিকম অপারেটরস অব বাংলাদেশের (এমটব) মহাসচিব লেফটেন্যান্ট কর্নেল (অব.) মোহাম্মদ জুলফিকার, অ্যাসোসিয়েশন অব আইসিএক্স অপারেটরস অব বাংলাদেশ (এআইওবি) সাধারণ সম্পাদক নূরুল আলম ও আইআইজিডব্লিউ ফোরামের সাধারণ সম্পাদক আহমেদ জুনায়েদ প্রমুখ।

নাগরিকের পরিচয় ও আর্থিক লেনদেন একটি সমন্বিত প্ল্যাটফর্মে আসবে বলে জানিয়েছেন-প্রধানমন্ত্রী ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি এবং বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিষয়ক উপদেষ্টা রেহান আসিফ আসাদ। তিনি বলেন- ডিজিটাল আইডি বাস্তবায়িত হলে নাগরিকের পরিচয় ও আর্থিক লেনদেন একটি সমন্বিত প্ল্যাটফর্মে আসবে। এতে করে সরকারি-বেসরকারি সেবা গ্রহণ হবে আরও সহজ, দ্রুত ও কার্যকর। আগামী ১২ থেকে ১৮ মাসের মধ্যে ধাপে ধাপে এ কার্যক্রম শুরু করার লক্ষ্য রয়েছে।
শনিবার (২৫ এপ্রিল) রাজধানীর একটি অভিজাত হোটেলে টেলিকম অ্যান্ড টেকনোলজি রিপোর্টার্স নেটওয়ার্ক অব বাংলাদেশ (টিআরএনবি) আয়োজিত ‘নতুন টেলিকম পলিসি ও তার প্রভাব’ শীর্ষক সেমিনারে এসব তথ্য জানান তিনি।
তিনি বলেন, ‘টেলিকম খাতে কোনো রাজনীতি নয়, এটি দেশের জন্য ভবিষ্যত শিল্প খাত। দেশের ৯০ শতাংশ জনগণকে ১০০এমবি ব্রডব্যান্ড কানেক্টিভিটি এবং ৫জি মোবাইল নেটওয়ার্কে আনতে কাজ করছে সরকার।
সরকার টেলিকম সেক্টরে ৪টি বিষয় গুরুত্ব দিয়ে কাজ করছেন জানিয়ে তিনি বলেন, সরকার টেলিকম সেক্টরের সবার সঙ্গে কথা বলে পলেসি প্রণয়ন, প্রত্যেকে নাগরিকের ডিজিটাল আইডি ও ডিজিটাল ওয়ালেট করা, এআই নীতিমালা প্রণয়ন এবং এ খাতে সুষ্ঠু রাজস্ব ব্যবস্থাপনা তৈরি করতে কাজ করে যাচ্ছে।
মোবাইল সাবসক্রাইবার হিসেবে বাংলাদেশ তৃতীয় অবস্থানে থাকলেও সেবায় ১৪১তম অবস্থান নিয়ে আক্ষেপ করে উপদেষ্টা বলেন, মোবাইল ও ব্রডব্যান্ড সেবার বর্তমান চিত্র একটি সমষ্টিগত ব্যর্থতা। তবে একইসঙ্গে এটি একটি বড় সুযোগও তৈরি করেছে। দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার অনেক দেশের তুলনায় বাংলাদেশ ব্রডব্যান্ড সেবায় পিছিয়ে আছে, যা স্বীকার করে সামনে এগোতে হবে। তাছাড়া সরকারের প্রথম অগ্রাধিকার হচ্ছে দেশের মানুষ বা ভোক্তা। দ্বিতীয়ত, ব্যবসা ও অর্থনীতির বিকাশ এবং তৃতীয়ত বিদেশি বিনিয়োগ (এফডিআই) বাড়ানো। আগামীতে এফডিআই জিডিপির ২ দশমিক ৫ শতাংশে উন্নীত করার লক্ষ্য রয়েছে, যা প্রায় ৪০০ শতাংশ বৃদ্ধির সমান।
রেহান আসিফ বলেন, টেলিকম সেবায় বিগত সময়ের কালেক্টিভ ফেইলরকে অপরচুনিটি হিসেবে দেখছে সরকার। তাই সবার আগে বাংলাদেশ স্লোগানে আমরা গ্রাহকের স্বার্থ দেখি। তবে ডিজিটাল সার্বভৌমত্ব খুবই গুরুত্বপূর্ণ। তবে এরজন্য সাইবার সুরক্ষায় আমরা গুরুত্ব দিচ্ছি। শিক্ষাক্রমে এআই অন্তর্ভূক্তি করতে কাজ করছি।
উচ্চশিক্ষা ও দীর্ঘ ২২ বছরের বিদেশে কাজের অভিজ্ঞতা সম্পন্ন এক প্রতিষ্ঠাতা দেশের স্বার্থকে অগ্রাধিকার দিয়ে ডিজিটাল সার্বভৌমত্ব প্রতিষ্ঠার ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন। তিনি বলেন, ডিজিটাল সার্বভৌমত্ব অনেকটা সামরিক শক্তির মতোই গুরুত্বপূর্ণ। নাগরিকদের তথ্য সুরক্ষায় সরকার ন্যাশনাল ডাটা পলিসি নিয়ে কাজ করছে এবং আগামী ৩০ বছরের অর্থনৈতিক কাঠামোর ভিত্তি প্রযুক্তিনির্ভর করে গড়ে তোলার লক্ষ্যে বিভিন্ন চুক্তি করা হবে।
এদিকে, মোবাইল সাবস্ক্রিপশনের দিক থেকে বাংলাদেশ বিশ্বে এগিয়ে থাকলেও সেবার মানে পিছিয়ে পড়ার বিষয়টি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেন সংশ্লিষ্ট উপদেষ্টা। তিনি বলেন, ১৫৩টি দেশের মধ্যে বাংলাদেশের অবস্থান ১৪১তম, যা অত্যন্ত হতাশাজনক।
তবে এই সংকটকেই সম্ভাবনায় রূপান্তরের সুযোগ হিসেবে দেখছেন তিনি। যথাযথ নীতি গ্রহণ ও কার্যকর বাস্তবায়নের মাধ্যমে টেলিযোগাযোগ খাতে দ্রুত উন্নয়ন সম্ভব বলেও আশাবাদ ব্যক্ত করেন উপদেষ্টা।
দ্রুত বদলে যাওয়া প্রযুক্তির সঙ্গে ব্যবসায়ীদের মানিয়ে নেওয়ার আহ্বান জানিয়ে বিটিআরসি চেয়ারম্যান এমদাদ উল বারী বলেন, সবাই মিলে উইন উইন হয়ে এগিয়ে যেতে হবে। মিথ্যার ওপর ভিত্তি করে কোনো সমালোচনা না করার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, আমরা অবকাঠামো উন্নয়নে বিদেশি বিনিয়োগে সুযোগ রেখেছি। টেলিকম নীতিমালয় বিদেশি বিনিয়োগ নিয়ে চেয়ারম্যান বলেন, আমরা উদ্ভাবক নই। ব্যবহার কারি। তাই বিদেশি কোম্পানিকে সুযোগ দিতে হয়।
বৈঠকে কলামিস্ট ও সাংবাদিক মাসুদ কামাল দেশের গ্রামীণ এলাকায় ইন্টারনেট সেবার মান নিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করেন। তিনি রাষ্ট্রীয় মোবাইল অপারেটর টেলিটককে শক্তিশালী করার দাবি জানান, যাতে সারা দেশে সেবার মান উন্নয়ন সম্ভব হয়।
টিআরএনবির সভাপতি সমীর কুমার দের সঞ্চালনায় সভায় স্বাগত বক্তব্য দেন টিআরএনবির সাধারণ সম্পাদক মাসুদুজ্জামান রবিন। এসময় অন্যানের মধ্যে বক্তব্য রাখেন ইন্টারনেট সার্ভিস প্রোভাইডার অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (আইএসপিএবি) সভাপতি এম এ হাকিম, ফাইবার এট হোমের চেয়ারম্যান মইনুল হক সিদ্দিকী, মোবাইল টেলিকম অপারেটরস অব বাংলাদেশের (এমটব) মহাসচিব লেফটেন্যান্ট কর্নেল (অব.) মোহাম্মদ জুলফিকার, অ্যাসোসিয়েশন অব আইসিএক্স অপারেটরস অব বাংলাদেশ (এআইওবি) সাধারণ সম্পাদক নূরুল আলম ও আইআইজিডব্লিউ ফোরামের সাধারণ সম্পাদক আহমেদ জুনায়েদ প্রমুখ।
এখনও কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!