
নতুন সরকারের মন্ত্রিসভায় টেকনোক্র্যাট কোটায় মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রী হচ্ছেন তিনজন। তারেক রহমান-এর নেতৃত্বাধীন সরকারে পূর্ণমন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রী মিলিয়ে ৪৯ জন শপথের জন্য ডাক পেয়েছেন। এর মধ্যে সংবিধান অনুযায়ী বিশেষজ্ঞ কোটায় অন্তর্ভুক্ত হচ্ছেন তিনজন।
যারা টেকনোক্র্যাট কোটায়
টেকনোক্র্যাট কোটায় মন্ত্রী হিসেবে আমন্ত্রণ পেয়েছেন ড. খলিলুর রহমান এবং হাজি আমিনুর রশীদ ইয়াছিন। এছাড়া প্রতিমন্ত্রী হিসেবে টেকনোক্র্যাট কোটায় থাকছেন আমিনুল হক।
ড. খলিলুর রহমান
ড. খলিলুর রহমান একজন অভিজ্ঞ কূটনীতিক ও আমলা। তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে অর্থনীতিতে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন। পরে যুক্তরাষ্ট্রের Tufts University ও Harvard University থেকে আইন, কূটনীতি ও অর্থনীতিতে উচ্চশিক্ষা গ্রহণ করেন। ১৯৭৯ সালে বিসিএসের মাধ্যমে পররাষ্ট্র ক্যাডারে যোগ দিয়ে দীর্ঘ সময় জাতিসংঘ সচিবালয়ে দায়িত্ব পালন করেন। পরবর্তীতে প্রধান উপদেষ্টার একান্ত সচিব ও উচ্চপর্যায়ের বিভিন্ন দায়িত্বে কাজ করেন। সাম্প্রতিক সময়ে তিনি অন্তর্বর্তী সরকারের গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করেছেন।
হাজি আমিনুর রশীদ ইয়াছিন
কুমিল্লা জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক হাজি আমিনুর রশীদ ইয়াছিন অতীতে সংসদ সদস্য ছিলেন। তিনি কুমিল্লা-৬ আসনে নির্বাচন প্রস্তুতি নিলেও পরবর্তীতে সরে দাঁড়ান। দীর্ঘদিন ধরে দলীয় রাজনীতিতে সক্রিয় এ নেতা এবার টেকনোক্র্যাট কোটায় মন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পাচ্ছেন।
আমিনুল হক
সাবেক জাতীয় ফুটবল দলের অধিনায়ক ও গোলরক্ষক আমিনুল হক ঢাকা-১৬ আসন থেকে নির্বাচন করেছিলেন। ক্রীড়াঙ্গনে সাফল্যের পাশাপাশি তিনি ব্যবসার সঙ্গে যুক্ত। এবার প্রথমবারের মতো মন্ত্রিসভায় প্রতিমন্ত্রী হিসেবে যুক্ত হচ্ছেন তিনি।
টেকনোক্র্যাট কোটা কী?
বাংলাদেশের সংবিধানের ৫৬(২) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, মন্ত্রিসভার সর্বোচ্চ ১০ শতাংশ সদস্য সংসদ সদস্য নন—এমন বিশেষজ্ঞ বা টেকনোক্র্যাট হতে পারেন। তবে তাদের সংসদ সদস্য হওয়ার যোগ্যতা থাকতে হবে। এই বিধান অনুযায়ী নতুন মন্ত্রিসভায় তিনজন টেকনোক্র্যাট অন্তর্ভুক্ত হচ্ছেন।

নতুন সরকারের মন্ত্রিসভায় টেকনোক্র্যাট কোটায় মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রী হচ্ছেন তিনজন। তারেক রহমান-এর নেতৃত্বাধীন সরকারে পূর্ণমন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রী মিলিয়ে ৪৯ জন শপথের জন্য ডাক পেয়েছেন। এর মধ্যে সংবিধান অনুযায়ী বিশেষজ্ঞ কোটায় অন্তর্ভুক্ত হচ্ছেন তিনজন।
যারা টেকনোক্র্যাট কোটায়
টেকনোক্র্যাট কোটায় মন্ত্রী হিসেবে আমন্ত্রণ পেয়েছেন ড. খলিলুর রহমান এবং হাজি আমিনুর রশীদ ইয়াছিন। এছাড়া প্রতিমন্ত্রী হিসেবে টেকনোক্র্যাট কোটায় থাকছেন আমিনুল হক।
ড. খলিলুর রহমান
ড. খলিলুর রহমান একজন অভিজ্ঞ কূটনীতিক ও আমলা। তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে অর্থনীতিতে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন। পরে যুক্তরাষ্ট্রের Tufts University ও Harvard University থেকে আইন, কূটনীতি ও অর্থনীতিতে উচ্চশিক্ষা গ্রহণ করেন। ১৯৭৯ সালে বিসিএসের মাধ্যমে পররাষ্ট্র ক্যাডারে যোগ দিয়ে দীর্ঘ সময় জাতিসংঘ সচিবালয়ে দায়িত্ব পালন করেন। পরবর্তীতে প্রধান উপদেষ্টার একান্ত সচিব ও উচ্চপর্যায়ের বিভিন্ন দায়িত্বে কাজ করেন। সাম্প্রতিক সময়ে তিনি অন্তর্বর্তী সরকারের গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করেছেন।
হাজি আমিনুর রশীদ ইয়াছিন
কুমিল্লা জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক হাজি আমিনুর রশীদ ইয়াছিন অতীতে সংসদ সদস্য ছিলেন। তিনি কুমিল্লা-৬ আসনে নির্বাচন প্রস্তুতি নিলেও পরবর্তীতে সরে দাঁড়ান। দীর্ঘদিন ধরে দলীয় রাজনীতিতে সক্রিয় এ নেতা এবার টেকনোক্র্যাট কোটায় মন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পাচ্ছেন।
আমিনুল হক
সাবেক জাতীয় ফুটবল দলের অধিনায়ক ও গোলরক্ষক আমিনুল হক ঢাকা-১৬ আসন থেকে নির্বাচন করেছিলেন। ক্রীড়াঙ্গনে সাফল্যের পাশাপাশি তিনি ব্যবসার সঙ্গে যুক্ত। এবার প্রথমবারের মতো মন্ত্রিসভায় প্রতিমন্ত্রী হিসেবে যুক্ত হচ্ছেন তিনি।
টেকনোক্র্যাট কোটা কী?
বাংলাদেশের সংবিধানের ৫৬(২) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, মন্ত্রিসভার সর্বোচ্চ ১০ শতাংশ সদস্য সংসদ সদস্য নন—এমন বিশেষজ্ঞ বা টেকনোক্র্যাট হতে পারেন। তবে তাদের সংসদ সদস্য হওয়ার যোগ্যতা থাকতে হবে। এই বিধান অনুযায়ী নতুন মন্ত্রিসভায় তিনজন টেকনোক্র্যাট অন্তর্ভুক্ত হচ্ছেন।

নতুন সরকারের মন্ত্রিসভায় টেকনোক্র্যাট কোটায় মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রী হচ্ছেন তিনজন। তারেক রহমান-এর নেতৃত্বাধীন সরকারে পূর্ণমন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রী মিলিয়ে ৪৯ জন শপথের জন্য ডাক পেয়েছেন। এর মধ্যে সংবিধান অনুযায়ী বিশেষজ্ঞ কোটায় অন্তর্ভুক্ত হচ্ছেন তিনজন।
যারা টেকনোক্র্যাট কোটায়
টেকনোক্র্যাট কোটায় মন্ত্রী হিসেবে আমন্ত্রণ পেয়েছেন ড. খলিলুর রহমান এবং হাজি আমিনুর রশীদ ইয়াছিন। এছাড়া প্রতিমন্ত্রী হিসেবে টেকনোক্র্যাট কোটায় থাকছেন আমিনুল হক।
ড. খলিলুর রহমান
ড. খলিলুর রহমান একজন অভিজ্ঞ কূটনীতিক ও আমলা। তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে অর্থনীতিতে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন। পরে যুক্তরাষ্ট্রের Tufts University ও Harvard University থেকে আইন, কূটনীতি ও অর্থনীতিতে উচ্চশিক্ষা গ্রহণ করেন। ১৯৭৯ সালে বিসিএসের মাধ্যমে পররাষ্ট্র ক্যাডারে যোগ দিয়ে দীর্ঘ সময় জাতিসংঘ সচিবালয়ে দায়িত্ব পালন করেন। পরবর্তীতে প্রধান উপদেষ্টার একান্ত সচিব ও উচ্চপর্যায়ের বিভিন্ন দায়িত্বে কাজ করেন। সাম্প্রতিক সময়ে তিনি অন্তর্বর্তী সরকারের গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করেছেন।
হাজি আমিনুর রশীদ ইয়াছিন
কুমিল্লা জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক হাজি আমিনুর রশীদ ইয়াছিন অতীতে সংসদ সদস্য ছিলেন। তিনি কুমিল্লা-৬ আসনে নির্বাচন প্রস্তুতি নিলেও পরবর্তীতে সরে দাঁড়ান। দীর্ঘদিন ধরে দলীয় রাজনীতিতে সক্রিয় এ নেতা এবার টেকনোক্র্যাট কোটায় মন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পাচ্ছেন।
আমিনুল হক
সাবেক জাতীয় ফুটবল দলের অধিনায়ক ও গোলরক্ষক আমিনুল হক ঢাকা-১৬ আসন থেকে নির্বাচন করেছিলেন। ক্রীড়াঙ্গনে সাফল্যের পাশাপাশি তিনি ব্যবসার সঙ্গে যুক্ত। এবার প্রথমবারের মতো মন্ত্রিসভায় প্রতিমন্ত্রী হিসেবে যুক্ত হচ্ছেন তিনি।
টেকনোক্র্যাট কোটা কী?
বাংলাদেশের সংবিধানের ৫৬(২) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, মন্ত্রিসভার সর্বোচ্চ ১০ শতাংশ সদস্য সংসদ সদস্য নন—এমন বিশেষজ্ঞ বা টেকনোক্র্যাট হতে পারেন। তবে তাদের সংসদ সদস্য হওয়ার যোগ্যতা থাকতে হবে। এই বিধান অনুযায়ী নতুন মন্ত্রিসভায় তিনজন টেকনোক্র্যাট অন্তর্ভুক্ত হচ্ছেন।

নতুন সরকারের মন্ত্রিসভায় টেকনোক্র্যাট কোটায় মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রী হচ্ছেন তিনজন। তারেক রহমান-এর নেতৃত্বাধীন সরকারে পূর্ণমন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রী মিলিয়ে ৪৯ জন শপথের জন্য ডাক পেয়েছেন। এর মধ্যে সংবিধান অনুযায়ী বিশেষজ্ঞ কোটায় অন্তর্ভুক্ত হচ্ছেন তিনজন।
যারা টেকনোক্র্যাট কোটায়
টেকনোক্র্যাট কোটায় মন্ত্রী হিসেবে আমন্ত্রণ পেয়েছেন ড. খলিলুর রহমান এবং হাজি আমিনুর রশীদ ইয়াছিন। এছাড়া প্রতিমন্ত্রী হিসেবে টেকনোক্র্যাট কোটায় থাকছেন আমিনুল হক।
ড. খলিলুর রহমান
ড. খলিলুর রহমান একজন অভিজ্ঞ কূটনীতিক ও আমলা। তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে অর্থনীতিতে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন। পরে যুক্তরাষ্ট্রের Tufts University ও Harvard University থেকে আইন, কূটনীতি ও অর্থনীতিতে উচ্চশিক্ষা গ্রহণ করেন। ১৯৭৯ সালে বিসিএসের মাধ্যমে পররাষ্ট্র ক্যাডারে যোগ দিয়ে দীর্ঘ সময় জাতিসংঘ সচিবালয়ে দায়িত্ব পালন করেন। পরবর্তীতে প্রধান উপদেষ্টার একান্ত সচিব ও উচ্চপর্যায়ের বিভিন্ন দায়িত্বে কাজ করেন। সাম্প্রতিক সময়ে তিনি অন্তর্বর্তী সরকারের গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করেছেন।
হাজি আমিনুর রশীদ ইয়াছিন
কুমিল্লা জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক হাজি আমিনুর রশীদ ইয়াছিন অতীতে সংসদ সদস্য ছিলেন। তিনি কুমিল্লা-৬ আসনে নির্বাচন প্রস্তুতি নিলেও পরবর্তীতে সরে দাঁড়ান। দীর্ঘদিন ধরে দলীয় রাজনীতিতে সক্রিয় এ নেতা এবার টেকনোক্র্যাট কোটায় মন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পাচ্ছেন।
আমিনুল হক
সাবেক জাতীয় ফুটবল দলের অধিনায়ক ও গোলরক্ষক আমিনুল হক ঢাকা-১৬ আসন থেকে নির্বাচন করেছিলেন। ক্রীড়াঙ্গনে সাফল্যের পাশাপাশি তিনি ব্যবসার সঙ্গে যুক্ত। এবার প্রথমবারের মতো মন্ত্রিসভায় প্রতিমন্ত্রী হিসেবে যুক্ত হচ্ছেন তিনি।
টেকনোক্র্যাট কোটা কী?
বাংলাদেশের সংবিধানের ৫৬(২) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, মন্ত্রিসভার সর্বোচ্চ ১০ শতাংশ সদস্য সংসদ সদস্য নন—এমন বিশেষজ্ঞ বা টেকনোক্র্যাট হতে পারেন। তবে তাদের সংসদ সদস্য হওয়ার যোগ্যতা থাকতে হবে। এই বিধান অনুযায়ী নতুন মন্ত্রিসভায় তিনজন টেকনোক্র্যাট অন্তর্ভুক্ত হচ্ছেন।
এখনও কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!