দেশের ১১তম প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিয়েছেন তারেক রহমান। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা পাওয়ার পর মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় তাকে শপথবাক্য পাঠ করান রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন। শপথ অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন মন্ত্রিপরিষদ সচিব নাসিমুল গনি।এর আগে সকালে জাতীয় সংসদে শপথ গ্রহণের পর সংসদীয় দলের সভায় বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)-এর সংসদ সদস্যরা তারেক রহমানকে সংসদ নেতা ও প্রধানমন্ত্রী হিসেবে নির্বাচিত করেন।
প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণের মাধ্যমে জিয়া পরিবারের তৃতীয় ব্যক্তি হিসেবে সরকারপ্রধান হলেন তারেক রহমান। তার বাবা জিয়াউর রহমান স্বাধীনতা-উত্তর সময়ে রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন করেন এবং ১৯৭৮ সালে বিএনপি প্রতিষ্ঠা করেন। ১৯৮১ সালে তার হত্যাকাণ্ডের পর রাজনীতিতে সক্রিয় হন তার মা খালেদা জিয়া।
স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলনে নেতৃত্ব দিয়ে জনসমর্থন অর্জনের পর ১৯৯১ সালে দেশের প্রথম নারী প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব নেন খালেদা জিয়া। পরবর্তীতে আরও দুই দফায় সরকার পরিচালনা করেন তিনি। এবার বাবা-মায়ের পর সরকার পরিচালনার দায়িত্বে এলেন তারেক রহমান। এর মধ্য দিয়ে একই পরিবারের তিনজন সরকারপ্রধান হওয়ার পাশাপাশি দ্বিতীয় প্রজন্মের নেতৃত্বে অভিষেক ঘটলো।
নতুন মন্ত্রিসভা
প্রধানমন্ত্রীর শপথের পর নতুন সরকারের ২৫ জন মন্ত্রী ও ২৪ জন প্রতিমন্ত্রী শপথ নেন। রাষ্ট্রপতি পর্যায়ক্রমে তাদের শপথবাক্য পাঠ করান।
মন্ত্রী হিসেবে শপথ নিলেন যারা— ১. মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, ২. আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী, ৩. সালাহউদ্দিন আহমদ, ৪. ইকবাল হাসান মাহমুদ, ৫. হাফিজ উদ্দিন আহমেদ, ৬. আবু জাফর মোহাম্মদ জাহিদ হোসেন, ৭. আব্দুল আওয়াল মিন্টু, ৮. কাজী শাহ মোফাজ্জল হোসেন কায়কোবাদ, ৯. মিজানুর রহমান মিনু, ১০. নিতাই রায় চৌধুরী, ১১. খন্দকার আব্দুল মোকতাদির, ১২. আরিফুল হক চৌধুরী, ১৩. জহির উদ্দিন স্বপন, ১৪. আফরোজা খানম রিতা, ১৫. মো. শহিদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানি, ১৬. আসাদুল হাবিব বুলু, ১৭. মো. আসাদুজ্জামান, ১৮. জাকারিয়া তাহের, ১৯. দীপেন দেওয়ান, ২০. আ ন ম এহসানুল হক মিলন, ২১, ফকির মাহবুব আনাম স্বপন, ২২. সরদার সাখাওয়াত হোসেন বকুল, ২৩. শেখ রবিউল আলম, ২৪. মোহাম্মদ আমিন উর রশীদ (টেকনোক্র্যাট) এবং ২৫. ড. খলিলুর রহমান (টেকনোক্র্যাট)।
প্রতিমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিলেন যারা
প্রতিমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিলেন যারা—১. এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত, ২. অনিন্দ্য ইসলাম অমিত, ৩. মো. শরিফুল আলম, ৪. শামা ওবায়েদ ইসলাম, ৫. সুলতান সালাউদ্দিন টুকু, ৬. কায়সার কামাল, ৭. ফরহাদ হোসেন আজাদ, ৮. আমিনুল হক (টেকনোক্র্যাট), ৯. মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দিন, ১০. হাবিবুর রশীদ, ১১. মো. রাজিব আহসান, ১২. মো. আব্দুল বারী, ১৩. মীর শাহে আলাম, ১৪. জোনায়েদ সাকি, ১৫. ইশরাক হোসেন, ১৬. ফারজানা শারমিন, ১৭. শেখ ফরিদুল ইসলাম, ১৮. নুরুল হক, ১৯. ইয়াসের খান চৌধুরী, ২০. এম ইকবাল হোসেইন, ২১. এম এ মুহিত, ২২. আহমেদ সোহেল মঞ্জুর, ২৩. ববি হাজ্জাজ, ২৪. আলী নেওয়াজ মাহমুদ খৈয়াম।
২০০১ থেকে ২০০৬ সাল পর্যন্ত বিএনপি সরকারে ছিল। ২০ বছর পর ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিপুল সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে সরকার গঠন করলো দলটি। বিএনপি সরকারের মন্ত্রিসভায় ৫০ জনের মধ্যে মন্ত্রী ২৫ জন ও প্রতিমন্ত্রী ২৪ জন। তাদের মধ্যে টেকনোক্র্যাট রয়েছেন তিনজন। ২৫ জন মন্ত্রীর মধ্যে নতুন মুখ ১৬ জন আর ২৪ জন প্রতিমন্ত্রীর মধ্যে সবাই নতুন। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানও এবারই প্রথম মন্ত্রিসভার সদস্য হচ্ছেন। সব মিলিয়ে ৫০ জনের মন্ত্রিসভায় নতুন মুখ ৪১ জন।
এদিকে, শপথ অনুষ্ঠানকে কেন্দ্র করে দুপুরের আগে থেকেই রাজধানী ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা জাতীয় সংসদ ভবন সংলগ্ন মানিক মিয়া এভিনিউ এলাকায় জড়ো হন। স্লোগান ও উচ্ছ্বাসে পুরো সংসদ এলাকা উৎসবমুখর হয়ে ওঠে।
দেশের ১১তম প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিয়েছেন তারেক রহমান। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা পাওয়ার পর মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় তাকে শপথবাক্য পাঠ করান রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন। শপথ অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন মন্ত্রিপরিষদ সচিব নাসিমুল গনি।এর আগে সকালে জাতীয় সংসদে শপথ গ্রহণের পর সংসদীয় দলের সভায় বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)-এর সংসদ সদস্যরা তারেক রহমানকে সংসদ নেতা ও প্রধানমন্ত্রী হিসেবে নির্বাচিত করেন।
প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণের মাধ্যমে জিয়া পরিবারের তৃতীয় ব্যক্তি হিসেবে সরকারপ্রধান হলেন তারেক রহমান। তার বাবা জিয়াউর রহমান স্বাধীনতা-উত্তর সময়ে রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন করেন এবং ১৯৭৮ সালে বিএনপি প্রতিষ্ঠা করেন। ১৯৮১ সালে তার হত্যাকাণ্ডের পর রাজনীতিতে সক্রিয় হন তার মা খালেদা জিয়া।
স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলনে নেতৃত্ব দিয়ে জনসমর্থন অর্জনের পর ১৯৯১ সালে দেশের প্রথম নারী প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব নেন খালেদা জিয়া। পরবর্তীতে আরও দুই দফায় সরকার পরিচালনা করেন তিনি। এবার বাবা-মায়ের পর সরকার পরিচালনার দায়িত্বে এলেন তারেক রহমান। এর মধ্য দিয়ে একই পরিবারের তিনজন সরকারপ্রধান হওয়ার পাশাপাশি দ্বিতীয় প্রজন্মের নেতৃত্বে অভিষেক ঘটলো।
নতুন মন্ত্রিসভা
প্রধানমন্ত্রীর শপথের পর নতুন সরকারের ২৫ জন মন্ত্রী ও ২৪ জন প্রতিমন্ত্রী শপথ নেন। রাষ্ট্রপতি পর্যায়ক্রমে তাদের শপথবাক্য পাঠ করান।
মন্ত্রী হিসেবে শপথ নিলেন যারা— ১. মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, ২. আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী, ৩. সালাহউদ্দিন আহমদ, ৪. ইকবাল হাসান মাহমুদ, ৫. হাফিজ উদ্দিন আহমেদ, ৬. আবু জাফর মোহাম্মদ জাহিদ হোসেন, ৭. আব্দুল আওয়াল মিন্টু, ৮. কাজী শাহ মোফাজ্জল হোসেন কায়কোবাদ, ৯. মিজানুর রহমান মিনু, ১০. নিতাই রায় চৌধুরী, ১১. খন্দকার আব্দুল মোকতাদির, ১২. আরিফুল হক চৌধুরী, ১৩. জহির উদ্দিন স্বপন, ১৪. আফরোজা খানম রিতা, ১৫. মো. শহিদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানি, ১৬. আসাদুল হাবিব বুলু, ১৭. মো. আসাদুজ্জামান, ১৮. জাকারিয়া তাহের, ১৯. দীপেন দেওয়ান, ২০. আ ন ম এহসানুল হক মিলন, ২১, ফকির মাহবুব আনাম স্বপন, ২২. সরদার সাখাওয়াত হোসেন বকুল, ২৩. শেখ রবিউল আলম, ২৪. মোহাম্মদ আমিন উর রশীদ (টেকনোক্র্যাট) এবং ২৫. ড. খলিলুর রহমান (টেকনোক্র্যাট)।
প্রতিমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিলেন যারা
প্রতিমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিলেন যারা—১. এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত, ২. অনিন্দ্য ইসলাম অমিত, ৩. মো. শরিফুল আলম, ৪. শামা ওবায়েদ ইসলাম, ৫. সুলতান সালাউদ্দিন টুকু, ৬. কায়সার কামাল, ৭. ফরহাদ হোসেন আজাদ, ৮. আমিনুল হক (টেকনোক্র্যাট), ৯. মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দিন, ১০. হাবিবুর রশীদ, ১১. মো. রাজিব আহসান, ১২. মো. আব্দুল বারী, ১৩. মীর শাহে আলাম, ১৪. জোনায়েদ সাকি, ১৫. ইশরাক হোসেন, ১৬. ফারজানা শারমিন, ১৭. শেখ ফরিদুল ইসলাম, ১৮. নুরুল হক, ১৯. ইয়াসের খান চৌধুরী, ২০. এম ইকবাল হোসেইন, ২১. এম এ মুহিত, ২২. আহমেদ সোহেল মঞ্জুর, ২৩. ববি হাজ্জাজ, ২৪. আলী নেওয়াজ মাহমুদ খৈয়াম।
২০০১ থেকে ২০০৬ সাল পর্যন্ত বিএনপি সরকারে ছিল। ২০ বছর পর ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিপুল সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে সরকার গঠন করলো দলটি। বিএনপি সরকারের মন্ত্রিসভায় ৫০ জনের মধ্যে মন্ত্রী ২৫ জন ও প্রতিমন্ত্রী ২৪ জন। তাদের মধ্যে টেকনোক্র্যাট রয়েছেন তিনজন। ২৫ জন মন্ত্রীর মধ্যে নতুন মুখ ১৬ জন আর ২৪ জন প্রতিমন্ত্রীর মধ্যে সবাই নতুন। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানও এবারই প্রথম মন্ত্রিসভার সদস্য হচ্ছেন। সব মিলিয়ে ৫০ জনের মন্ত্রিসভায় নতুন মুখ ৪১ জন।
এদিকে, শপথ অনুষ্ঠানকে কেন্দ্র করে দুপুরের আগে থেকেই রাজধানী ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা জাতীয় সংসদ ভবন সংলগ্ন মানিক মিয়া এভিনিউ এলাকায় জড়ো হন। স্লোগান ও উচ্ছ্বাসে পুরো সংসদ এলাকা উৎসবমুখর হয়ে ওঠে।
দেশের ১১তম প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিয়েছেন তারেক রহমান। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা পাওয়ার পর মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় তাকে শপথবাক্য পাঠ করান রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন। শপথ অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন মন্ত্রিপরিষদ সচিব নাসিমুল গনি।এর আগে সকালে জাতীয় সংসদে শপথ গ্রহণের পর সংসদীয় দলের সভায় বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)-এর সংসদ সদস্যরা তারেক রহমানকে সংসদ নেতা ও প্রধানমন্ত্রী হিসেবে নির্বাচিত করেন।
প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণের মাধ্যমে জিয়া পরিবারের তৃতীয় ব্যক্তি হিসেবে সরকারপ্রধান হলেন তারেক রহমান। তার বাবা জিয়াউর রহমান স্বাধীনতা-উত্তর সময়ে রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন করেন এবং ১৯৭৮ সালে বিএনপি প্রতিষ্ঠা করেন। ১৯৮১ সালে তার হত্যাকাণ্ডের পর রাজনীতিতে সক্রিয় হন তার মা খালেদা জিয়া।
স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলনে নেতৃত্ব দিয়ে জনসমর্থন অর্জনের পর ১৯৯১ সালে দেশের প্রথম নারী প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব নেন খালেদা জিয়া। পরবর্তীতে আরও দুই দফায় সরকার পরিচালনা করেন তিনি। এবার বাবা-মায়ের পর সরকার পরিচালনার দায়িত্বে এলেন তারেক রহমান। এর মধ্য দিয়ে একই পরিবারের তিনজন সরকারপ্রধান হওয়ার পাশাপাশি দ্বিতীয় প্রজন্মের নেতৃত্বে অভিষেক ঘটলো।
নতুন মন্ত্রিসভা
প্রধানমন্ত্রীর শপথের পর নতুন সরকারের ২৫ জন মন্ত্রী ও ২৪ জন প্রতিমন্ত্রী শপথ নেন। রাষ্ট্রপতি পর্যায়ক্রমে তাদের শপথবাক্য পাঠ করান।
মন্ত্রী হিসেবে শপথ নিলেন যারা— ১. মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, ২. আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী, ৩. সালাহউদ্দিন আহমদ, ৪. ইকবাল হাসান মাহমুদ, ৫. হাফিজ উদ্দিন আহমেদ, ৬. আবু জাফর মোহাম্মদ জাহিদ হোসেন, ৭. আব্দুল আওয়াল মিন্টু, ৮. কাজী শাহ মোফাজ্জল হোসেন কায়কোবাদ, ৯. মিজানুর রহমান মিনু, ১০. নিতাই রায় চৌধুরী, ১১. খন্দকার আব্দুল মোকতাদির, ১২. আরিফুল হক চৌধুরী, ১৩. জহির উদ্দিন স্বপন, ১৪. আফরোজা খানম রিতা, ১৫. মো. শহিদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানি, ১৬. আসাদুল হাবিব বুলু, ১৭. মো. আসাদুজ্জামান, ১৮. জাকারিয়া তাহের, ১৯. দীপেন দেওয়ান, ২০. আ ন ম এহসানুল হক মিলন, ২১, ফকির মাহবুব আনাম স্বপন, ২২. সরদার সাখাওয়াত হোসেন বকুল, ২৩. শেখ রবিউল আলম, ২৪. মোহাম্মদ আমিন উর রশীদ (টেকনোক্র্যাট) এবং ২৫. ড. খলিলুর রহমান (টেকনোক্র্যাট)।
প্রতিমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিলেন যারা
প্রতিমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিলেন যারা—১. এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত, ২. অনিন্দ্য ইসলাম অমিত, ৩. মো. শরিফুল আলম, ৪. শামা ওবায়েদ ইসলাম, ৫. সুলতান সালাউদ্দিন টুকু, ৬. কায়সার কামাল, ৭. ফরহাদ হোসেন আজাদ, ৮. আমিনুল হক (টেকনোক্র্যাট), ৯. মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দিন, ১০. হাবিবুর রশীদ, ১১. মো. রাজিব আহসান, ১২. মো. আব্দুল বারী, ১৩. মীর শাহে আলাম, ১৪. জোনায়েদ সাকি, ১৫. ইশরাক হোসেন, ১৬. ফারজানা শারমিন, ১৭. শেখ ফরিদুল ইসলাম, ১৮. নুরুল হক, ১৯. ইয়াসের খান চৌধুরী, ২০. এম ইকবাল হোসেইন, ২১. এম এ মুহিত, ২২. আহমেদ সোহেল মঞ্জুর, ২৩. ববি হাজ্জাজ, ২৪. আলী নেওয়াজ মাহমুদ খৈয়াম।
২০০১ থেকে ২০০৬ সাল পর্যন্ত বিএনপি সরকারে ছিল। ২০ বছর পর ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিপুল সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে সরকার গঠন করলো দলটি। বিএনপি সরকারের মন্ত্রিসভায় ৫০ জনের মধ্যে মন্ত্রী ২৫ জন ও প্রতিমন্ত্রী ২৪ জন। তাদের মধ্যে টেকনোক্র্যাট রয়েছেন তিনজন। ২৫ জন মন্ত্রীর মধ্যে নতুন মুখ ১৬ জন আর ২৪ জন প্রতিমন্ত্রীর মধ্যে সবাই নতুন। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানও এবারই প্রথম মন্ত্রিসভার সদস্য হচ্ছেন। সব মিলিয়ে ৫০ জনের মন্ত্রিসভায় নতুন মুখ ৪১ জন।
এদিকে, শপথ অনুষ্ঠানকে কেন্দ্র করে দুপুরের আগে থেকেই রাজধানী ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা জাতীয় সংসদ ভবন সংলগ্ন মানিক মিয়া এভিনিউ এলাকায় জড়ো হন। স্লোগান ও উচ্ছ্বাসে পুরো সংসদ এলাকা উৎসবমুখর হয়ে ওঠে।
দেশের ১১তম প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিয়েছেন তারেক রহমান। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা পাওয়ার পর মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় তাকে শপথবাক্য পাঠ করান রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন। শপথ অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন মন্ত্রিপরিষদ সচিব নাসিমুল গনি।এর আগে সকালে জাতীয় সংসদে শপথ গ্রহণের পর সংসদীয় দলের সভায় বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)-এর সংসদ সদস্যরা তারেক রহমানকে সংসদ নেতা ও প্রধানমন্ত্রী হিসেবে নির্বাচিত করেন।
প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণের মাধ্যমে জিয়া পরিবারের তৃতীয় ব্যক্তি হিসেবে সরকারপ্রধান হলেন তারেক রহমান। তার বাবা জিয়াউর রহমান স্বাধীনতা-উত্তর সময়ে রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন করেন এবং ১৯৭৮ সালে বিএনপি প্রতিষ্ঠা করেন। ১৯৮১ সালে তার হত্যাকাণ্ডের পর রাজনীতিতে সক্রিয় হন তার মা খালেদা জিয়া।
স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলনে নেতৃত্ব দিয়ে জনসমর্থন অর্জনের পর ১৯৯১ সালে দেশের প্রথম নারী প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব নেন খালেদা জিয়া। পরবর্তীতে আরও দুই দফায় সরকার পরিচালনা করেন তিনি। এবার বাবা-মায়ের পর সরকার পরিচালনার দায়িত্বে এলেন তারেক রহমান। এর মধ্য দিয়ে একই পরিবারের তিনজন সরকারপ্রধান হওয়ার পাশাপাশি দ্বিতীয় প্রজন্মের নেতৃত্বে অভিষেক ঘটলো।
নতুন মন্ত্রিসভা
প্রধানমন্ত্রীর শপথের পর নতুন সরকারের ২৫ জন মন্ত্রী ও ২৪ জন প্রতিমন্ত্রী শপথ নেন। রাষ্ট্রপতি পর্যায়ক্রমে তাদের শপথবাক্য পাঠ করান।
মন্ত্রী হিসেবে শপথ নিলেন যারা— ১. মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, ২. আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী, ৩. সালাহউদ্দিন আহমদ, ৪. ইকবাল হাসান মাহমুদ, ৫. হাফিজ উদ্দিন আহমেদ, ৬. আবু জাফর মোহাম্মদ জাহিদ হোসেন, ৭. আব্দুল আওয়াল মিন্টু, ৮. কাজী শাহ মোফাজ্জল হোসেন কায়কোবাদ, ৯. মিজানুর রহমান মিনু, ১০. নিতাই রায় চৌধুরী, ১১. খন্দকার আব্দুল মোকতাদির, ১২. আরিফুল হক চৌধুরী, ১৩. জহির উদ্দিন স্বপন, ১৪. আফরোজা খানম রিতা, ১৫. মো. শহিদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানি, ১৬. আসাদুল হাবিব বুলু, ১৭. মো. আসাদুজ্জামান, ১৮. জাকারিয়া তাহের, ১৯. দীপেন দেওয়ান, ২০. আ ন ম এহসানুল হক মিলন, ২১, ফকির মাহবুব আনাম স্বপন, ২২. সরদার সাখাওয়াত হোসেন বকুল, ২৩. শেখ রবিউল আলম, ২৪. মোহাম্মদ আমিন উর রশীদ (টেকনোক্র্যাট) এবং ২৫. ড. খলিলুর রহমান (টেকনোক্র্যাট)।
প্রতিমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিলেন যারা
প্রতিমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিলেন যারা—১. এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত, ২. অনিন্দ্য ইসলাম অমিত, ৩. মো. শরিফুল আলম, ৪. শামা ওবায়েদ ইসলাম, ৫. সুলতান সালাউদ্দিন টুকু, ৬. কায়সার কামাল, ৭. ফরহাদ হোসেন আজাদ, ৮. আমিনুল হক (টেকনোক্র্যাট), ৯. মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দিন, ১০. হাবিবুর রশীদ, ১১. মো. রাজিব আহসান, ১২. মো. আব্দুল বারী, ১৩. মীর শাহে আলাম, ১৪. জোনায়েদ সাকি, ১৫. ইশরাক হোসেন, ১৬. ফারজানা শারমিন, ১৭. শেখ ফরিদুল ইসলাম, ১৮. নুরুল হক, ১৯. ইয়াসের খান চৌধুরী, ২০. এম ইকবাল হোসেইন, ২১. এম এ মুহিত, ২২. আহমেদ সোহেল মঞ্জুর, ২৩. ববি হাজ্জাজ, ২৪. আলী নেওয়াজ মাহমুদ খৈয়াম।
২০০১ থেকে ২০০৬ সাল পর্যন্ত বিএনপি সরকারে ছিল। ২০ বছর পর ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিপুল সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে সরকার গঠন করলো দলটি। বিএনপি সরকারের মন্ত্রিসভায় ৫০ জনের মধ্যে মন্ত্রী ২৫ জন ও প্রতিমন্ত্রী ২৪ জন। তাদের মধ্যে টেকনোক্র্যাট রয়েছেন তিনজন। ২৫ জন মন্ত্রীর মধ্যে নতুন মুখ ১৬ জন আর ২৪ জন প্রতিমন্ত্রীর মধ্যে সবাই নতুন। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানও এবারই প্রথম মন্ত্রিসভার সদস্য হচ্ছেন। সব মিলিয়ে ৫০ জনের মন্ত্রিসভায় নতুন মুখ ৪১ জন।
এদিকে, শপথ অনুষ্ঠানকে কেন্দ্র করে দুপুরের আগে থেকেই রাজধানী ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা জাতীয় সংসদ ভবন সংলগ্ন মানিক মিয়া এভিনিউ এলাকায় জড়ো হন। স্লোগান ও উচ্ছ্বাসে পুরো সংসদ এলাকা উৎসবমুখর হয়ে ওঠে।
এখনও কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!