
ইরানের সঙ্গে ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের সরাসরি সংঘাতের দুই সপ্তাহ পার হয়েছে। শত্রুপক্ষের যৌথ আগ্রাসনের জবাবে ইসরায়েলের পাশাপাশি মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোতে অবস্থিত মার্কিন সামরিক ঘাঁটিগুলোতেও অব্যাহতভাবে হামলা চালিয়ে যাচ্ছে ইরান। চলমান পাল্টাপাল্টি হামলায় পুরো মধ্যপ্রাচ্য এখন এক ভয়ংকর যুদ্ধক্ষেত্রে পরিণত হয়েছে।
এই উত্তেজনাপূর্ণ পরিস্থিতির মধ্যেই তিন দেশে অবস্থিত মার্কিন ও ইসরায়েলি সামরিক স্থাপনা ধ্বংস করার দাবি করেছে তেহরান।
দেশটির সামরিক বাহিনী ইসলামি বিপ্লবী গার্ড বাহিনী (আইআরজিসি) এক বিশেষ বিবৃতিতে জানিয়েছে, তাদের নিক্ষেপ করা ভারী ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলায় ইসরায়েল, ইরাক ও কুয়েতে অবস্থিত গুরুত্বপূর্ণ সামরিক ঘাঁটিগুলোতে বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। খবর আল জাজিরার।
আইআরজিসির তথ্য অনুযায়ী, ইরানি ক্ষেপণাস্ত্র ইসরায়েলের রাজধানী তেল আবিবের শিল্পাঞ্চলে সরাসরি আঘাত হেনেছে। শহরজুড়ে অ্যাম্বুলেন্সের সাইরেন এবং হতাহতের সংখ্যা বাড়ার কথা স্বীকার করেছে ইসরায়েলি কর্তৃপক্ষ, যা হামলার প্রভাবের ইঙ্গিত দিচ্ছে।
ইসরায়েলের পাশাপাশি ইরাক ও কুয়েতে অবস্থানরত মার্কিন সেনাদের প্রধান ঘাঁটিগুলোকেও লক্ষ্যবস্তু করা হয়েছে বলে দাবি করেছে আইআরজিসি। হামলার লক্ষ্যবস্তুগুলোর মধ্যে রয়েছে ইরাকের এরবিলে অবস্থিত কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ হারির বিমানঘাঁটি এবং কুয়েতে মার্কিন সেনাদের প্রধান লজিস্টিক কেন্দ্র আলি আল সালেম ও আরিফজান ঘাঁটি।
তেহরানের দাবি, শক্তিশালী ইরানি ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলায় এসব ঘাঁটি ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে এবং মার্কিন আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ফাঁকি দিয়ে নিখুঁতভাবে লক্ষ্যভেদ করতে সক্ষম হয়েছে তাদের অস্ত্র। বিশেষ করে কুয়েতের ঘাঁটিগুলোতে মার্কিন সেনাদের আবাসন এলাকাতেও বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতির ইঙ্গিত দিয়েছে আইআরজিসি।
তবে এসব দাবির বিষয়ে সংশ্লিষ্ট দেশগুলো বা যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষা দপ্তরের পক্ষ থেকে এখনো কোনো স্বাধীন নিশ্চিতকরণ পাওয়া যায়নি। তবে পাল্টাপাল্টি হামলার তীব্রতা মধ্যপ্রাচ্যে চলমান সংঘাতকে আরও জটিল করে তুলছে।

ইরানের সঙ্গে ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের সরাসরি সংঘাতের দুই সপ্তাহ পার হয়েছে। শত্রুপক্ষের যৌথ আগ্রাসনের জবাবে ইসরায়েলের পাশাপাশি মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোতে অবস্থিত মার্কিন সামরিক ঘাঁটিগুলোতেও অব্যাহতভাবে হামলা চালিয়ে যাচ্ছে ইরান। চলমান পাল্টাপাল্টি হামলায় পুরো মধ্যপ্রাচ্য এখন এক ভয়ংকর যুদ্ধক্ষেত্রে পরিণত হয়েছে।
এই উত্তেজনাপূর্ণ পরিস্থিতির মধ্যেই তিন দেশে অবস্থিত মার্কিন ও ইসরায়েলি সামরিক স্থাপনা ধ্বংস করার দাবি করেছে তেহরান।
দেশটির সামরিক বাহিনী ইসলামি বিপ্লবী গার্ড বাহিনী (আইআরজিসি) এক বিশেষ বিবৃতিতে জানিয়েছে, তাদের নিক্ষেপ করা ভারী ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলায় ইসরায়েল, ইরাক ও কুয়েতে অবস্থিত গুরুত্বপূর্ণ সামরিক ঘাঁটিগুলোতে বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। খবর আল জাজিরার।
আইআরজিসির তথ্য অনুযায়ী, ইরানি ক্ষেপণাস্ত্র ইসরায়েলের রাজধানী তেল আবিবের শিল্পাঞ্চলে সরাসরি আঘাত হেনেছে। শহরজুড়ে অ্যাম্বুলেন্সের সাইরেন এবং হতাহতের সংখ্যা বাড়ার কথা স্বীকার করেছে ইসরায়েলি কর্তৃপক্ষ, যা হামলার প্রভাবের ইঙ্গিত দিচ্ছে।
ইসরায়েলের পাশাপাশি ইরাক ও কুয়েতে অবস্থানরত মার্কিন সেনাদের প্রধান ঘাঁটিগুলোকেও লক্ষ্যবস্তু করা হয়েছে বলে দাবি করেছে আইআরজিসি। হামলার লক্ষ্যবস্তুগুলোর মধ্যে রয়েছে ইরাকের এরবিলে অবস্থিত কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ হারির বিমানঘাঁটি এবং কুয়েতে মার্কিন সেনাদের প্রধান লজিস্টিক কেন্দ্র আলি আল সালেম ও আরিফজান ঘাঁটি।
তেহরানের দাবি, শক্তিশালী ইরানি ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলায় এসব ঘাঁটি ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে এবং মার্কিন আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ফাঁকি দিয়ে নিখুঁতভাবে লক্ষ্যভেদ করতে সক্ষম হয়েছে তাদের অস্ত্র। বিশেষ করে কুয়েতের ঘাঁটিগুলোতে মার্কিন সেনাদের আবাসন এলাকাতেও বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতির ইঙ্গিত দিয়েছে আইআরজিসি।
তবে এসব দাবির বিষয়ে সংশ্লিষ্ট দেশগুলো বা যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষা দপ্তরের পক্ষ থেকে এখনো কোনো স্বাধীন নিশ্চিতকরণ পাওয়া যায়নি। তবে পাল্টাপাল্টি হামলার তীব্রতা মধ্যপ্রাচ্যে চলমান সংঘাতকে আরও জটিল করে তুলছে।

ইরানের সঙ্গে ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের সরাসরি সংঘাতের দুই সপ্তাহ পার হয়েছে। শত্রুপক্ষের যৌথ আগ্রাসনের জবাবে ইসরায়েলের পাশাপাশি মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোতে অবস্থিত মার্কিন সামরিক ঘাঁটিগুলোতেও অব্যাহতভাবে হামলা চালিয়ে যাচ্ছে ইরান। চলমান পাল্টাপাল্টি হামলায় পুরো মধ্যপ্রাচ্য এখন এক ভয়ংকর যুদ্ধক্ষেত্রে পরিণত হয়েছে।
এই উত্তেজনাপূর্ণ পরিস্থিতির মধ্যেই তিন দেশে অবস্থিত মার্কিন ও ইসরায়েলি সামরিক স্থাপনা ধ্বংস করার দাবি করেছে তেহরান।
দেশটির সামরিক বাহিনী ইসলামি বিপ্লবী গার্ড বাহিনী (আইআরজিসি) এক বিশেষ বিবৃতিতে জানিয়েছে, তাদের নিক্ষেপ করা ভারী ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলায় ইসরায়েল, ইরাক ও কুয়েতে অবস্থিত গুরুত্বপূর্ণ সামরিক ঘাঁটিগুলোতে বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। খবর আল জাজিরার।
আইআরজিসির তথ্য অনুযায়ী, ইরানি ক্ষেপণাস্ত্র ইসরায়েলের রাজধানী তেল আবিবের শিল্পাঞ্চলে সরাসরি আঘাত হেনেছে। শহরজুড়ে অ্যাম্বুলেন্সের সাইরেন এবং হতাহতের সংখ্যা বাড়ার কথা স্বীকার করেছে ইসরায়েলি কর্তৃপক্ষ, যা হামলার প্রভাবের ইঙ্গিত দিচ্ছে।
ইসরায়েলের পাশাপাশি ইরাক ও কুয়েতে অবস্থানরত মার্কিন সেনাদের প্রধান ঘাঁটিগুলোকেও লক্ষ্যবস্তু করা হয়েছে বলে দাবি করেছে আইআরজিসি। হামলার লক্ষ্যবস্তুগুলোর মধ্যে রয়েছে ইরাকের এরবিলে অবস্থিত কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ হারির বিমানঘাঁটি এবং কুয়েতে মার্কিন সেনাদের প্রধান লজিস্টিক কেন্দ্র আলি আল সালেম ও আরিফজান ঘাঁটি।
তেহরানের দাবি, শক্তিশালী ইরানি ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলায় এসব ঘাঁটি ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে এবং মার্কিন আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ফাঁকি দিয়ে নিখুঁতভাবে লক্ষ্যভেদ করতে সক্ষম হয়েছে তাদের অস্ত্র। বিশেষ করে কুয়েতের ঘাঁটিগুলোতে মার্কিন সেনাদের আবাসন এলাকাতেও বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতির ইঙ্গিত দিয়েছে আইআরজিসি।
তবে এসব দাবির বিষয়ে সংশ্লিষ্ট দেশগুলো বা যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষা দপ্তরের পক্ষ থেকে এখনো কোনো স্বাধীন নিশ্চিতকরণ পাওয়া যায়নি। তবে পাল্টাপাল্টি হামলার তীব্রতা মধ্যপ্রাচ্যে চলমান সংঘাতকে আরও জটিল করে তুলছে।

ইরানের সঙ্গে ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের সরাসরি সংঘাতের দুই সপ্তাহ পার হয়েছে। শত্রুপক্ষের যৌথ আগ্রাসনের জবাবে ইসরায়েলের পাশাপাশি মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোতে অবস্থিত মার্কিন সামরিক ঘাঁটিগুলোতেও অব্যাহতভাবে হামলা চালিয়ে যাচ্ছে ইরান। চলমান পাল্টাপাল্টি হামলায় পুরো মধ্যপ্রাচ্য এখন এক ভয়ংকর যুদ্ধক্ষেত্রে পরিণত হয়েছে।
এই উত্তেজনাপূর্ণ পরিস্থিতির মধ্যেই তিন দেশে অবস্থিত মার্কিন ও ইসরায়েলি সামরিক স্থাপনা ধ্বংস করার দাবি করেছে তেহরান।
দেশটির সামরিক বাহিনী ইসলামি বিপ্লবী গার্ড বাহিনী (আইআরজিসি) এক বিশেষ বিবৃতিতে জানিয়েছে, তাদের নিক্ষেপ করা ভারী ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলায় ইসরায়েল, ইরাক ও কুয়েতে অবস্থিত গুরুত্বপূর্ণ সামরিক ঘাঁটিগুলোতে বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। খবর আল জাজিরার।
আইআরজিসির তথ্য অনুযায়ী, ইরানি ক্ষেপণাস্ত্র ইসরায়েলের রাজধানী তেল আবিবের শিল্পাঞ্চলে সরাসরি আঘাত হেনেছে। শহরজুড়ে অ্যাম্বুলেন্সের সাইরেন এবং হতাহতের সংখ্যা বাড়ার কথা স্বীকার করেছে ইসরায়েলি কর্তৃপক্ষ, যা হামলার প্রভাবের ইঙ্গিত দিচ্ছে।
ইসরায়েলের পাশাপাশি ইরাক ও কুয়েতে অবস্থানরত মার্কিন সেনাদের প্রধান ঘাঁটিগুলোকেও লক্ষ্যবস্তু করা হয়েছে বলে দাবি করেছে আইআরজিসি। হামলার লক্ষ্যবস্তুগুলোর মধ্যে রয়েছে ইরাকের এরবিলে অবস্থিত কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ হারির বিমানঘাঁটি এবং কুয়েতে মার্কিন সেনাদের প্রধান লজিস্টিক কেন্দ্র আলি আল সালেম ও আরিফজান ঘাঁটি।
তেহরানের দাবি, শক্তিশালী ইরানি ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলায় এসব ঘাঁটি ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে এবং মার্কিন আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ফাঁকি দিয়ে নিখুঁতভাবে লক্ষ্যভেদ করতে সক্ষম হয়েছে তাদের অস্ত্র। বিশেষ করে কুয়েতের ঘাঁটিগুলোতে মার্কিন সেনাদের আবাসন এলাকাতেও বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতির ইঙ্গিত দিয়েছে আইআরজিসি।
তবে এসব দাবির বিষয়ে সংশ্লিষ্ট দেশগুলো বা যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষা দপ্তরের পক্ষ থেকে এখনো কোনো স্বাধীন নিশ্চিতকরণ পাওয়া যায়নি। তবে পাল্টাপাল্টি হামলার তীব্রতা মধ্যপ্রাচ্যে চলমান সংঘাতকে আরও জটিল করে তুলছে।
এখনও কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!