
মধ্যপ্রাচ্যে চলমান সংঘাতের মধ্যে যুদ্ধবিরতি ইস্যুতে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের দাবিকে সরাসরি নাকচ করেছে ইরান।
বুধবার (১ এপ্রিল) ট্রাম্প দাবি করেন, ইরান যুদ্ধবিরতির প্রস্তাব দিয়েছে এবং হরমুজ প্রণালি নৌ-চলাচলের জন্য সম্পূর্ণ উন্মুক্ত না হওয়া পর্যন্ত যুক্তরাষ্ট্র তা বিবেচনা করবে না।
তবে এর পরপরই ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি স্পষ্ট করে জানান, তাদের পক্ষ থেকে কোনো যুদ্ধবিরতির প্রস্তাব দেওয়া হয়নি।
ইরানের রাষ্ট্রীয় সম্প্রচারমাধ্যম আইআরআইবি-এর বরাতে প্রকাশিত প্রতিবেদনে বলা হয়, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া পাঁচ দফা শান্তি পরিকল্পনাকে ‘মিডিয়ার কল্পনা’ হিসেবে উল্লেখ করেছেন আরাগচি।
তিনি বলেন, আগ্রাসী পক্ষকে শাস্তি দেওয়া এবং ইরানের ক্ষয়ক্ষতির পূর্ণ ক্ষতিপূরণ নিশ্চিত না হওয়া পর্যন্ত এই সংঘাত বন্ধ হবে না।
এর আগে ট্রাম্প নিজের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দাবি করেন, ইরানের প্রেসিডেন্ট যুক্তরাষ্ট্রের কাছে যুদ্ধবিরতির অনুরোধ জানিয়েছেন। পাশাপাশি তিনি হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, হরমুজ প্রণালি পুরোপুরি উন্মুক্ত না হলে যুক্তরাষ্ট্র সামরিক অভিযান অব্যাহত রাখবে।
উল্লেখ্য, এক মাসেরও বেশি সময় ধরে চলমান এই সংঘাত ঘিরে বিশ্বজুড়ে উদ্বেগ বাড়ছে এবং জ্বালানি সরবরাহসহ বিভিন্ন খাতে এর প্রভাব পড়ছে।

মধ্যপ্রাচ্যে চলমান সংঘাতের মধ্যে যুদ্ধবিরতি ইস্যুতে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের দাবিকে সরাসরি নাকচ করেছে ইরান।
বুধবার (১ এপ্রিল) ট্রাম্প দাবি করেন, ইরান যুদ্ধবিরতির প্রস্তাব দিয়েছে এবং হরমুজ প্রণালি নৌ-চলাচলের জন্য সম্পূর্ণ উন্মুক্ত না হওয়া পর্যন্ত যুক্তরাষ্ট্র তা বিবেচনা করবে না।
তবে এর পরপরই ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি স্পষ্ট করে জানান, তাদের পক্ষ থেকে কোনো যুদ্ধবিরতির প্রস্তাব দেওয়া হয়নি।
ইরানের রাষ্ট্রীয় সম্প্রচারমাধ্যম আইআরআইবি-এর বরাতে প্রকাশিত প্রতিবেদনে বলা হয়, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া পাঁচ দফা শান্তি পরিকল্পনাকে ‘মিডিয়ার কল্পনা’ হিসেবে উল্লেখ করেছেন আরাগচি।
তিনি বলেন, আগ্রাসী পক্ষকে শাস্তি দেওয়া এবং ইরানের ক্ষয়ক্ষতির পূর্ণ ক্ষতিপূরণ নিশ্চিত না হওয়া পর্যন্ত এই সংঘাত বন্ধ হবে না।
এর আগে ট্রাম্প নিজের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দাবি করেন, ইরানের প্রেসিডেন্ট যুক্তরাষ্ট্রের কাছে যুদ্ধবিরতির অনুরোধ জানিয়েছেন। পাশাপাশি তিনি হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, হরমুজ প্রণালি পুরোপুরি উন্মুক্ত না হলে যুক্তরাষ্ট্র সামরিক অভিযান অব্যাহত রাখবে।
উল্লেখ্য, এক মাসেরও বেশি সময় ধরে চলমান এই সংঘাত ঘিরে বিশ্বজুড়ে উদ্বেগ বাড়ছে এবং জ্বালানি সরবরাহসহ বিভিন্ন খাতে এর প্রভাব পড়ছে।

মধ্যপ্রাচ্যে চলমান সংঘাতের মধ্যে যুদ্ধবিরতি ইস্যুতে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের দাবিকে সরাসরি নাকচ করেছে ইরান।
বুধবার (১ এপ্রিল) ট্রাম্প দাবি করেন, ইরান যুদ্ধবিরতির প্রস্তাব দিয়েছে এবং হরমুজ প্রণালি নৌ-চলাচলের জন্য সম্পূর্ণ উন্মুক্ত না হওয়া পর্যন্ত যুক্তরাষ্ট্র তা বিবেচনা করবে না।
তবে এর পরপরই ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি স্পষ্ট করে জানান, তাদের পক্ষ থেকে কোনো যুদ্ধবিরতির প্রস্তাব দেওয়া হয়নি।
ইরানের রাষ্ট্রীয় সম্প্রচারমাধ্যম আইআরআইবি-এর বরাতে প্রকাশিত প্রতিবেদনে বলা হয়, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া পাঁচ দফা শান্তি পরিকল্পনাকে ‘মিডিয়ার কল্পনা’ হিসেবে উল্লেখ করেছেন আরাগচি।
তিনি বলেন, আগ্রাসী পক্ষকে শাস্তি দেওয়া এবং ইরানের ক্ষয়ক্ষতির পূর্ণ ক্ষতিপূরণ নিশ্চিত না হওয়া পর্যন্ত এই সংঘাত বন্ধ হবে না।
এর আগে ট্রাম্প নিজের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দাবি করেন, ইরানের প্রেসিডেন্ট যুক্তরাষ্ট্রের কাছে যুদ্ধবিরতির অনুরোধ জানিয়েছেন। পাশাপাশি তিনি হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, হরমুজ প্রণালি পুরোপুরি উন্মুক্ত না হলে যুক্তরাষ্ট্র সামরিক অভিযান অব্যাহত রাখবে।
উল্লেখ্য, এক মাসেরও বেশি সময় ধরে চলমান এই সংঘাত ঘিরে বিশ্বজুড়ে উদ্বেগ বাড়ছে এবং জ্বালানি সরবরাহসহ বিভিন্ন খাতে এর প্রভাব পড়ছে।

মধ্যপ্রাচ্যে চলমান সংঘাতের মধ্যে যুদ্ধবিরতি ইস্যুতে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের দাবিকে সরাসরি নাকচ করেছে ইরান।
বুধবার (১ এপ্রিল) ট্রাম্প দাবি করেন, ইরান যুদ্ধবিরতির প্রস্তাব দিয়েছে এবং হরমুজ প্রণালি নৌ-চলাচলের জন্য সম্পূর্ণ উন্মুক্ত না হওয়া পর্যন্ত যুক্তরাষ্ট্র তা বিবেচনা করবে না।
তবে এর পরপরই ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি স্পষ্ট করে জানান, তাদের পক্ষ থেকে কোনো যুদ্ধবিরতির প্রস্তাব দেওয়া হয়নি।
ইরানের রাষ্ট্রীয় সম্প্রচারমাধ্যম আইআরআইবি-এর বরাতে প্রকাশিত প্রতিবেদনে বলা হয়, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া পাঁচ দফা শান্তি পরিকল্পনাকে ‘মিডিয়ার কল্পনা’ হিসেবে উল্লেখ করেছেন আরাগচি।
তিনি বলেন, আগ্রাসী পক্ষকে শাস্তি দেওয়া এবং ইরানের ক্ষয়ক্ষতির পূর্ণ ক্ষতিপূরণ নিশ্চিত না হওয়া পর্যন্ত এই সংঘাত বন্ধ হবে না।
এর আগে ট্রাম্প নিজের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দাবি করেন, ইরানের প্রেসিডেন্ট যুক্তরাষ্ট্রের কাছে যুদ্ধবিরতির অনুরোধ জানিয়েছেন। পাশাপাশি তিনি হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, হরমুজ প্রণালি পুরোপুরি উন্মুক্ত না হলে যুক্তরাষ্ট্র সামরিক অভিযান অব্যাহত রাখবে।
উল্লেখ্য, এক মাসেরও বেশি সময় ধরে চলমান এই সংঘাত ঘিরে বিশ্বজুড়ে উদ্বেগ বাড়ছে এবং জ্বালানি সরবরাহসহ বিভিন্ন খাতে এর প্রভাব পড়ছে।
এখনও কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!