
দুই দিনের বিরতি শেষে চট্টগ্রাম বন্দরে আবারও অনির্দিষ্টকালের ধর্মঘট শুরু করেছেন শ্রমিক-কর্মচারীরা। নিউমুরিং কন্টেইনার টার্মিনাল (এনসিটি) পরিচালনার দায়িত্ব বিদেশি কোম্পানির হাতে হস্তান্তরের প্রতিবাদে রোববার (৮ ফেব্রুয়ারি) সকাল থেকে এই কর্মসূচি শুরু হয়। ফলে বন্দরের সব ধরনের অপারেশনাল কার্যক্রম কার্যত বন্ধ হয়ে গেছে।
এর আগে একই দাবিতে ‘বন্দর রক্ষা সংগ্রাম পরিষদ’ গত বুধবার থেকে অনির্দিষ্টকালের ধর্মঘট এবং শনিবার থেকে কর্মবিরতি পালন করে আসছিল। পরিস্থিতির পরিপ্রেক্ষিতে বৃহস্পতিবার বিকেলে নৌপরিবহণ উপদেষ্টা শ্রমিক নেতাদের সঙ্গে বৈঠক করেন। সরকারের উচ্চ পর্যায়ে আলোচনার আশ্বাসে শুক্রবার ও শনিবার কর্মসূচি সাময়িকভাবে স্থগিত রাখা হয়।
তবে শ্রমিক নেতাদের অভিযোগ, দাবি পূরণের কোনো অগ্রগতি না হয়ে বরং আন্দোলনকারীদের ওপর দমন-পীড়ন শুরু হয়েছে। এর প্রতিবাদেই ফের ধর্মঘটে ফিরেছেন তারা।
রোববার এক সংবাদ সম্মেলনে আন্দোলনের সমন্বয়ক মো. ইব্রাহিম খোকন বলেন, দাবি আদায় না হওয়ায় তারা পুনরায় কঠোর কর্মসূচিতে যেতে বাধ্য হয়েছেন। তিনি অভিযোগ করেন, শনিবার রাতে শ্রমিক নেতাদের বাসায় পুলিশ তল্লাশি চালিয়েছে এবং রোববার সকাল পর্যন্ত অন্তত তিনজন শ্রমিক নেতাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
তিনি আরও জানান, বর্তমানে বন্দরে পণ্য খালাস, পরিবহণ ও জাহাজ পরিচালনাসহ কোনো ধরনের কার্যক্রম চলছে না।
শ্রমিক নেতারা অভিযোগ করেন, কর্মসূচি স্থগিত থাকাকালীন বন্দর কর্তৃপক্ষ আন্দোলনরত শ্রমিকদের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া শুরু করেছে। শ্রমিক ঐক্য পরিষদের (স্কপ) যুগ্ম সম্পাদক ইফতেখার কামালসহ অন্যান্য নেতারা এ পরিস্থিতির জন্য বন্দর চেয়ারম্যানকে দায়ী করে তার পদত্যাগ দাবি করেন।
দাবি আদায় এবং গ্রেপ্তারকৃত শ্রমিক নেতাদের মুক্তি না দেওয়া পর্যন্ত আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা দেন তারা।

দুই দিনের বিরতি শেষে চট্টগ্রাম বন্দরে আবারও অনির্দিষ্টকালের ধর্মঘট শুরু করেছেন শ্রমিক-কর্মচারীরা। নিউমুরিং কন্টেইনার টার্মিনাল (এনসিটি) পরিচালনার দায়িত্ব বিদেশি কোম্পানির হাতে হস্তান্তরের প্রতিবাদে রোববার (৮ ফেব্রুয়ারি) সকাল থেকে এই কর্মসূচি শুরু হয়। ফলে বন্দরের সব ধরনের অপারেশনাল কার্যক্রম কার্যত বন্ধ হয়ে গেছে।
এর আগে একই দাবিতে ‘বন্দর রক্ষা সংগ্রাম পরিষদ’ গত বুধবার থেকে অনির্দিষ্টকালের ধর্মঘট এবং শনিবার থেকে কর্মবিরতি পালন করে আসছিল। পরিস্থিতির পরিপ্রেক্ষিতে বৃহস্পতিবার বিকেলে নৌপরিবহণ উপদেষ্টা শ্রমিক নেতাদের সঙ্গে বৈঠক করেন। সরকারের উচ্চ পর্যায়ে আলোচনার আশ্বাসে শুক্রবার ও শনিবার কর্মসূচি সাময়িকভাবে স্থগিত রাখা হয়।
তবে শ্রমিক নেতাদের অভিযোগ, দাবি পূরণের কোনো অগ্রগতি না হয়ে বরং আন্দোলনকারীদের ওপর দমন-পীড়ন শুরু হয়েছে। এর প্রতিবাদেই ফের ধর্মঘটে ফিরেছেন তারা।
রোববার এক সংবাদ সম্মেলনে আন্দোলনের সমন্বয়ক মো. ইব্রাহিম খোকন বলেন, দাবি আদায় না হওয়ায় তারা পুনরায় কঠোর কর্মসূচিতে যেতে বাধ্য হয়েছেন। তিনি অভিযোগ করেন, শনিবার রাতে শ্রমিক নেতাদের বাসায় পুলিশ তল্লাশি চালিয়েছে এবং রোববার সকাল পর্যন্ত অন্তত তিনজন শ্রমিক নেতাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
তিনি আরও জানান, বর্তমানে বন্দরে পণ্য খালাস, পরিবহণ ও জাহাজ পরিচালনাসহ কোনো ধরনের কার্যক্রম চলছে না।
শ্রমিক নেতারা অভিযোগ করেন, কর্মসূচি স্থগিত থাকাকালীন বন্দর কর্তৃপক্ষ আন্দোলনরত শ্রমিকদের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া শুরু করেছে। শ্রমিক ঐক্য পরিষদের (স্কপ) যুগ্ম সম্পাদক ইফতেখার কামালসহ অন্যান্য নেতারা এ পরিস্থিতির জন্য বন্দর চেয়ারম্যানকে দায়ী করে তার পদত্যাগ দাবি করেন।
দাবি আদায় এবং গ্রেপ্তারকৃত শ্রমিক নেতাদের মুক্তি না দেওয়া পর্যন্ত আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা দেন তারা।

দুই দিনের বিরতি শেষে চট্টগ্রাম বন্দরে আবারও অনির্দিষ্টকালের ধর্মঘট শুরু করেছেন শ্রমিক-কর্মচারীরা। নিউমুরিং কন্টেইনার টার্মিনাল (এনসিটি) পরিচালনার দায়িত্ব বিদেশি কোম্পানির হাতে হস্তান্তরের প্রতিবাদে রোববার (৮ ফেব্রুয়ারি) সকাল থেকে এই কর্মসূচি শুরু হয়। ফলে বন্দরের সব ধরনের অপারেশনাল কার্যক্রম কার্যত বন্ধ হয়ে গেছে।
এর আগে একই দাবিতে ‘বন্দর রক্ষা সংগ্রাম পরিষদ’ গত বুধবার থেকে অনির্দিষ্টকালের ধর্মঘট এবং শনিবার থেকে কর্মবিরতি পালন করে আসছিল। পরিস্থিতির পরিপ্রেক্ষিতে বৃহস্পতিবার বিকেলে নৌপরিবহণ উপদেষ্টা শ্রমিক নেতাদের সঙ্গে বৈঠক করেন। সরকারের উচ্চ পর্যায়ে আলোচনার আশ্বাসে শুক্রবার ও শনিবার কর্মসূচি সাময়িকভাবে স্থগিত রাখা হয়।
তবে শ্রমিক নেতাদের অভিযোগ, দাবি পূরণের কোনো অগ্রগতি না হয়ে বরং আন্দোলনকারীদের ওপর দমন-পীড়ন শুরু হয়েছে। এর প্রতিবাদেই ফের ধর্মঘটে ফিরেছেন তারা।
রোববার এক সংবাদ সম্মেলনে আন্দোলনের সমন্বয়ক মো. ইব্রাহিম খোকন বলেন, দাবি আদায় না হওয়ায় তারা পুনরায় কঠোর কর্মসূচিতে যেতে বাধ্য হয়েছেন। তিনি অভিযোগ করেন, শনিবার রাতে শ্রমিক নেতাদের বাসায় পুলিশ তল্লাশি চালিয়েছে এবং রোববার সকাল পর্যন্ত অন্তত তিনজন শ্রমিক নেতাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
তিনি আরও জানান, বর্তমানে বন্দরে পণ্য খালাস, পরিবহণ ও জাহাজ পরিচালনাসহ কোনো ধরনের কার্যক্রম চলছে না।
শ্রমিক নেতারা অভিযোগ করেন, কর্মসূচি স্থগিত থাকাকালীন বন্দর কর্তৃপক্ষ আন্দোলনরত শ্রমিকদের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া শুরু করেছে। শ্রমিক ঐক্য পরিষদের (স্কপ) যুগ্ম সম্পাদক ইফতেখার কামালসহ অন্যান্য নেতারা এ পরিস্থিতির জন্য বন্দর চেয়ারম্যানকে দায়ী করে তার পদত্যাগ দাবি করেন।
দাবি আদায় এবং গ্রেপ্তারকৃত শ্রমিক নেতাদের মুক্তি না দেওয়া পর্যন্ত আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা দেন তারা।

দুই দিনের বিরতি শেষে চট্টগ্রাম বন্দরে আবারও অনির্দিষ্টকালের ধর্মঘট শুরু করেছেন শ্রমিক-কর্মচারীরা। নিউমুরিং কন্টেইনার টার্মিনাল (এনসিটি) পরিচালনার দায়িত্ব বিদেশি কোম্পানির হাতে হস্তান্তরের প্রতিবাদে রোববার (৮ ফেব্রুয়ারি) সকাল থেকে এই কর্মসূচি শুরু হয়। ফলে বন্দরের সব ধরনের অপারেশনাল কার্যক্রম কার্যত বন্ধ হয়ে গেছে।
এর আগে একই দাবিতে ‘বন্দর রক্ষা সংগ্রাম পরিষদ’ গত বুধবার থেকে অনির্দিষ্টকালের ধর্মঘট এবং শনিবার থেকে কর্মবিরতি পালন করে আসছিল। পরিস্থিতির পরিপ্রেক্ষিতে বৃহস্পতিবার বিকেলে নৌপরিবহণ উপদেষ্টা শ্রমিক নেতাদের সঙ্গে বৈঠক করেন। সরকারের উচ্চ পর্যায়ে আলোচনার আশ্বাসে শুক্রবার ও শনিবার কর্মসূচি সাময়িকভাবে স্থগিত রাখা হয়।
তবে শ্রমিক নেতাদের অভিযোগ, দাবি পূরণের কোনো অগ্রগতি না হয়ে বরং আন্দোলনকারীদের ওপর দমন-পীড়ন শুরু হয়েছে। এর প্রতিবাদেই ফের ধর্মঘটে ফিরেছেন তারা।
রোববার এক সংবাদ সম্মেলনে আন্দোলনের সমন্বয়ক মো. ইব্রাহিম খোকন বলেন, দাবি আদায় না হওয়ায় তারা পুনরায় কঠোর কর্মসূচিতে যেতে বাধ্য হয়েছেন। তিনি অভিযোগ করেন, শনিবার রাতে শ্রমিক নেতাদের বাসায় পুলিশ তল্লাশি চালিয়েছে এবং রোববার সকাল পর্যন্ত অন্তত তিনজন শ্রমিক নেতাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
তিনি আরও জানান, বর্তমানে বন্দরে পণ্য খালাস, পরিবহণ ও জাহাজ পরিচালনাসহ কোনো ধরনের কার্যক্রম চলছে না।
শ্রমিক নেতারা অভিযোগ করেন, কর্মসূচি স্থগিত থাকাকালীন বন্দর কর্তৃপক্ষ আন্দোলনরত শ্রমিকদের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া শুরু করেছে। শ্রমিক ঐক্য পরিষদের (স্কপ) যুগ্ম সম্পাদক ইফতেখার কামালসহ অন্যান্য নেতারা এ পরিস্থিতির জন্য বন্দর চেয়ারম্যানকে দায়ী করে তার পদত্যাগ দাবি করেন।
দাবি আদায় এবং গ্রেপ্তারকৃত শ্রমিক নেতাদের মুক্তি না দেওয়া পর্যন্ত আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা দেন তারা।
এখনও কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!