
সব ধরনের গুঞ্জন ও মৃত্যুর খবরের অবসান ঘটিয়ে ইরানের প্রয়াত সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা আয়াতুল্লাহ সাইয়্যেদ আলী খামেনির শোকযাত্রায় জনসমক্ষে দেখা দিয়েছেন দেশটির সাবেক প্রেসিডেন্ট মাহমুদ আহমাদিনেজাদ।
সোমবার (৬ জুলাই) রাজধানী তেহরানে অনুষ্ঠিত শোকযাত্রায় কালো জ্যাকেট ও মুখে মাস্ক পরে লাখো শোকাহত মানুষের সঙ্গে হেঁটে যেতে দেখা যায় তাকে। তার উপস্থিতির ছবি ও ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে নতুন করে আলোচনার জন্ম দেয়।
গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ হামলার পর ইরানের রাষ্ট্রীয় ঘনিষ্ঠ কয়েকটি গণমাধ্যমে আহমাদিনেজাদের নিহত হওয়ার খবর প্রকাশিত হয়েছিল। দাবি করা হয়, নিজ বাসভবনের কাছে ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় তিনি প্রাণ হারিয়েছেন। এরপর দীর্ঘ সময় তাকে জনসমক্ষে দেখা না যাওয়ায় বিষয়টি নিয়ে নানা জল্পনা-কল্পনা তৈরি হয়। তবে খামেনির শোকযাত্রায় অংশ নিয়ে সেই গুঞ্জনের অবসান ঘটালেন সাবেক এই প্রেসিডেন্ট।
এদিকে শোকযাত্রায় ইরানের জীবিত দুই সাবেক প্রেসিডেন্ট মোহাম্মদ খাতামি ও হাসান রুহানিকে দেখা যায়নি। স্থানীয় বিভিন্ন মহলে তাদের অনুপস্থিতি নিয়ে নানা আলোচনা শুরু হয়েছে।
অন্যদিকে, নতুন সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ মোজতবা খামেনি শোকানুষ্ঠানেও জনসমক্ষে আসেননি। তবে খামেনির জানাজার নামাজে তার তিন ছেলে—মোস্তফা, মাসউদ ও মেইসামকে সামনের সারিতে দেখা গেছে।
ইরানের রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনের সম্প্রচারিত আকাশপথের ভিডিওতে তেহরানের প্রধান সড়কজুড়ে মানুষের ঢল দেখা যায়। রাষ্ট্রীয় হিসাবে, শোকযাত্রায় বিপুলসংখ্যক মানুষ অংশ নেন। এ সময় খামেনির কফিন জাতীয় পতাকায় মোড়ানো অবস্থায় বহন করা হয়। একই সঙ্গে হামলায় নিহত তার পরিবারের সদস্যদের কফিনও শোকযাত্রায় রাখা হয়।
শোকযাত্রায় প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান, পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি, পার্লামেন্টের স্পিকার মোহাম্মদ বাঘের গালিবাফসহ রাজনৈতিক ও সামরিক নেতৃত্ব উপস্থিত ছিলেন।
রাষ্ট্রীয় কর্মসূচি অনুযায়ী, তেহরানে শোকানুষ্ঠান শেষে খামেনির মরদেহ পবিত্র শহর কোম এবং পরে ইরাকের নাজাফ ও কারবালায় নেওয়া হবে। সবশেষে উত্তর-পূর্বাঞ্চলের মাশহাদে ইমাম রেজার মাজার প্রাঙ্গণে তাকে দাফন করা হবে।

সব ধরনের গুঞ্জন ও মৃত্যুর খবরের অবসান ঘটিয়ে ইরানের প্রয়াত সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা আয়াতুল্লাহ সাইয়্যেদ আলী খামেনির শোকযাত্রায় জনসমক্ষে দেখা দিয়েছেন দেশটির সাবেক প্রেসিডেন্ট মাহমুদ আহমাদিনেজাদ।
সোমবার (৬ জুলাই) রাজধানী তেহরানে অনুষ্ঠিত শোকযাত্রায় কালো জ্যাকেট ও মুখে মাস্ক পরে লাখো শোকাহত মানুষের সঙ্গে হেঁটে যেতে দেখা যায় তাকে। তার উপস্থিতির ছবি ও ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে নতুন করে আলোচনার জন্ম দেয়।
গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ হামলার পর ইরানের রাষ্ট্রীয় ঘনিষ্ঠ কয়েকটি গণমাধ্যমে আহমাদিনেজাদের নিহত হওয়ার খবর প্রকাশিত হয়েছিল। দাবি করা হয়, নিজ বাসভবনের কাছে ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় তিনি প্রাণ হারিয়েছেন। এরপর দীর্ঘ সময় তাকে জনসমক্ষে দেখা না যাওয়ায় বিষয়টি নিয়ে নানা জল্পনা-কল্পনা তৈরি হয়। তবে খামেনির শোকযাত্রায় অংশ নিয়ে সেই গুঞ্জনের অবসান ঘটালেন সাবেক এই প্রেসিডেন্ট।
এদিকে শোকযাত্রায় ইরানের জীবিত দুই সাবেক প্রেসিডেন্ট মোহাম্মদ খাতামি ও হাসান রুহানিকে দেখা যায়নি। স্থানীয় বিভিন্ন মহলে তাদের অনুপস্থিতি নিয়ে নানা আলোচনা শুরু হয়েছে।
অন্যদিকে, নতুন সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ মোজতবা খামেনি শোকানুষ্ঠানেও জনসমক্ষে আসেননি। তবে খামেনির জানাজার নামাজে তার তিন ছেলে—মোস্তফা, মাসউদ ও মেইসামকে সামনের সারিতে দেখা গেছে।
ইরানের রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনের সম্প্রচারিত আকাশপথের ভিডিওতে তেহরানের প্রধান সড়কজুড়ে মানুষের ঢল দেখা যায়। রাষ্ট্রীয় হিসাবে, শোকযাত্রায় বিপুলসংখ্যক মানুষ অংশ নেন। এ সময় খামেনির কফিন জাতীয় পতাকায় মোড়ানো অবস্থায় বহন করা হয়। একই সঙ্গে হামলায় নিহত তার পরিবারের সদস্যদের কফিনও শোকযাত্রায় রাখা হয়।
শোকযাত্রায় প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান, পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি, পার্লামেন্টের স্পিকার মোহাম্মদ বাঘের গালিবাফসহ রাজনৈতিক ও সামরিক নেতৃত্ব উপস্থিত ছিলেন।
রাষ্ট্রীয় কর্মসূচি অনুযায়ী, তেহরানে শোকানুষ্ঠান শেষে খামেনির মরদেহ পবিত্র শহর কোম এবং পরে ইরাকের নাজাফ ও কারবালায় নেওয়া হবে। সবশেষে উত্তর-পূর্বাঞ্চলের মাশহাদে ইমাম রেজার মাজার প্রাঙ্গণে তাকে দাফন করা হবে।

সব ধরনের গুঞ্জন ও মৃত্যুর খবরের অবসান ঘটিয়ে ইরানের প্রয়াত সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা আয়াতুল্লাহ সাইয়্যেদ আলী খামেনির শোকযাত্রায় জনসমক্ষে দেখা দিয়েছেন দেশটির সাবেক প্রেসিডেন্ট মাহমুদ আহমাদিনেজাদ।
সোমবার (৬ জুলাই) রাজধানী তেহরানে অনুষ্ঠিত শোকযাত্রায় কালো জ্যাকেট ও মুখে মাস্ক পরে লাখো শোকাহত মানুষের সঙ্গে হেঁটে যেতে দেখা যায় তাকে। তার উপস্থিতির ছবি ও ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে নতুন করে আলোচনার জন্ম দেয়।
গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ হামলার পর ইরানের রাষ্ট্রীয় ঘনিষ্ঠ কয়েকটি গণমাধ্যমে আহমাদিনেজাদের নিহত হওয়ার খবর প্রকাশিত হয়েছিল। দাবি করা হয়, নিজ বাসভবনের কাছে ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় তিনি প্রাণ হারিয়েছেন। এরপর দীর্ঘ সময় তাকে জনসমক্ষে দেখা না যাওয়ায় বিষয়টি নিয়ে নানা জল্পনা-কল্পনা তৈরি হয়। তবে খামেনির শোকযাত্রায় অংশ নিয়ে সেই গুঞ্জনের অবসান ঘটালেন সাবেক এই প্রেসিডেন্ট।
এদিকে শোকযাত্রায় ইরানের জীবিত দুই সাবেক প্রেসিডেন্ট মোহাম্মদ খাতামি ও হাসান রুহানিকে দেখা যায়নি। স্থানীয় বিভিন্ন মহলে তাদের অনুপস্থিতি নিয়ে নানা আলোচনা শুরু হয়েছে।
অন্যদিকে, নতুন সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ মোজতবা খামেনি শোকানুষ্ঠানেও জনসমক্ষে আসেননি। তবে খামেনির জানাজার নামাজে তার তিন ছেলে—মোস্তফা, মাসউদ ও মেইসামকে সামনের সারিতে দেখা গেছে।
ইরানের রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনের সম্প্রচারিত আকাশপথের ভিডিওতে তেহরানের প্রধান সড়কজুড়ে মানুষের ঢল দেখা যায়। রাষ্ট্রীয় হিসাবে, শোকযাত্রায় বিপুলসংখ্যক মানুষ অংশ নেন। এ সময় খামেনির কফিন জাতীয় পতাকায় মোড়ানো অবস্থায় বহন করা হয়। একই সঙ্গে হামলায় নিহত তার পরিবারের সদস্যদের কফিনও শোকযাত্রায় রাখা হয়।
শোকযাত্রায় প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান, পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি, পার্লামেন্টের স্পিকার মোহাম্মদ বাঘের গালিবাফসহ রাজনৈতিক ও সামরিক নেতৃত্ব উপস্থিত ছিলেন।
রাষ্ট্রীয় কর্মসূচি অনুযায়ী, তেহরানে শোকানুষ্ঠান শেষে খামেনির মরদেহ পবিত্র শহর কোম এবং পরে ইরাকের নাজাফ ও কারবালায় নেওয়া হবে। সবশেষে উত্তর-পূর্বাঞ্চলের মাশহাদে ইমাম রেজার মাজার প্রাঙ্গণে তাকে দাফন করা হবে।

সব ধরনের গুঞ্জন ও মৃত্যুর খবরের অবসান ঘটিয়ে ইরানের প্রয়াত সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা আয়াতুল্লাহ সাইয়্যেদ আলী খামেনির শোকযাত্রায় জনসমক্ষে দেখা দিয়েছেন দেশটির সাবেক প্রেসিডেন্ট মাহমুদ আহমাদিনেজাদ।
সোমবার (৬ জুলাই) রাজধানী তেহরানে অনুষ্ঠিত শোকযাত্রায় কালো জ্যাকেট ও মুখে মাস্ক পরে লাখো শোকাহত মানুষের সঙ্গে হেঁটে যেতে দেখা যায় তাকে। তার উপস্থিতির ছবি ও ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে নতুন করে আলোচনার জন্ম দেয়।
গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ হামলার পর ইরানের রাষ্ট্রীয় ঘনিষ্ঠ কয়েকটি গণমাধ্যমে আহমাদিনেজাদের নিহত হওয়ার খবর প্রকাশিত হয়েছিল। দাবি করা হয়, নিজ বাসভবনের কাছে ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় তিনি প্রাণ হারিয়েছেন। এরপর দীর্ঘ সময় তাকে জনসমক্ষে দেখা না যাওয়ায় বিষয়টি নিয়ে নানা জল্পনা-কল্পনা তৈরি হয়। তবে খামেনির শোকযাত্রায় অংশ নিয়ে সেই গুঞ্জনের অবসান ঘটালেন সাবেক এই প্রেসিডেন্ট।
এদিকে শোকযাত্রায় ইরানের জীবিত দুই সাবেক প্রেসিডেন্ট মোহাম্মদ খাতামি ও হাসান রুহানিকে দেখা যায়নি। স্থানীয় বিভিন্ন মহলে তাদের অনুপস্থিতি নিয়ে নানা আলোচনা শুরু হয়েছে।
অন্যদিকে, নতুন সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ মোজতবা খামেনি শোকানুষ্ঠানেও জনসমক্ষে আসেননি। তবে খামেনির জানাজার নামাজে তার তিন ছেলে—মোস্তফা, মাসউদ ও মেইসামকে সামনের সারিতে দেখা গেছে।
ইরানের রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনের সম্প্রচারিত আকাশপথের ভিডিওতে তেহরানের প্রধান সড়কজুড়ে মানুষের ঢল দেখা যায়। রাষ্ট্রীয় হিসাবে, শোকযাত্রায় বিপুলসংখ্যক মানুষ অংশ নেন। এ সময় খামেনির কফিন জাতীয় পতাকায় মোড়ানো অবস্থায় বহন করা হয়। একই সঙ্গে হামলায় নিহত তার পরিবারের সদস্যদের কফিনও শোকযাত্রায় রাখা হয়।
শোকযাত্রায় প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান, পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি, পার্লামেন্টের স্পিকার মোহাম্মদ বাঘের গালিবাফসহ রাজনৈতিক ও সামরিক নেতৃত্ব উপস্থিত ছিলেন।
রাষ্ট্রীয় কর্মসূচি অনুযায়ী, তেহরানে শোকানুষ্ঠান শেষে খামেনির মরদেহ পবিত্র শহর কোম এবং পরে ইরাকের নাজাফ ও কারবালায় নেওয়া হবে। সবশেষে উত্তর-পূর্বাঞ্চলের মাশহাদে ইমাম রেজার মাজার প্রাঙ্গণে তাকে দাফন করা হবে।
এখনও কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!